আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারের নতুন ‘প্রেসিডেন্ট’ মিন অং হ্লাইং: একতরফা নির্বাচনে ক্ষমতার চূড়ান্ত দখল

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।
মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং এবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) পার্লামেন্ট অধিবেশনের শুরুতেই তাঁর নাম প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রধান বিরোধী দলগুলোকে বাইরে রেখে আয়োজিত এক বিতর্কিত নির্বাচনের পর এই পদক্ষেপ দেশটিতে সামরিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পার্লামেন্টে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে আরও দুজন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও তারা মূলত অনুগত এবং তাঁদের জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। নতুন পার্লামেন্টের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্যই সেনাবাহিনীর সক্রিয় কর্মকর্তা বা জান্তা সমর্থিত দলের প্রতিনিধি, যার ফলে হ্লাইংয়ের বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

 

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে বাধা ও কৌশল

দীর্ঘদিন ধরে মিন অং হ্লাইংয়ের স্বপ্ন ছিল দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়া। ২০২০ সালের নির্বাচনে তাঁর সমর্থিত দল শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পর তিনি ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। তবে এখন প্রেসিডেন্ট হতে গেলে তাঁকে কিছু আইনি ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে:

  • সেনাবাহিনী ত্যাগ: সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হতে হলে তাঁকে সামরিক পোশাক ও পদ ছাড়তে হবে। এতে সেনাবাহিনীর ভেতরে তাঁর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

  • উত্তরসূরি নির্বাচন: নিজের ক্ষমতা অটুট রাখতে তিনি অত্যন্ত বিশ্বস্ত জেনারেল ইয়ে উইন ও’কে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেছেন।

  • পরামর্শদাতা পরিষদ: পদত্যাগ করলেও যাতে রাষ্ট্রীয় বিষয়ে তাঁর প্রভাব থাকে, সেজন্য তিনি নিজেই একটি নতুন শক্তিশালী পরামর্শদাতা পরিষদ গঠন করেছেন, যার প্রধান থাকবেন তিনি নিজেই।

 

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ সংকট

সামরিক সরকার এই নির্বাচনকে ‘শান্তির পথ’ হিসেবে দাবি করলেও জাতিসংঘ এবং পশ্চিমা দেশগুলো একে একটি বড় ধরনের ‘প্রহসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং দেশের একটি বড় অংশ এখনো সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করা মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সূত্র: বিবিসি

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।
মিয়ানমারের নতুন ‘প্রেসিডেন্ট’ মিন অং হ্লাইং: একতরফা নির্বাচনে ক্ষমতার চূড়ান্ত দখল

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং এবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) পার্লামেন্ট অধিবেশনের শুরুতেই তাঁর নাম প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রধান বিরোধী দলগুলোকে বাইরে রেখে আয়োজিত এক বিতর্কিত নির্বাচনের পর এই পদক্ষেপ দেশটিতে সামরিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।   বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পার্লামেন্টে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে আরও দুজন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও তারা মূলত অনুগত এবং তাঁদের জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। নতুন পার্লামেন্টের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্যই সেনাবাহিনীর সক্রিয় কর্মকর্তা বা জান্তা সমর্থিত দলের প্রতিনিধি, যার ফলে হ্লাইংয়ের বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।   প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে বাধা ও কৌশল দীর্ঘদিন ধরে মিন অং হ্লাইংয়ের স্বপ্ন ছিল দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়া। ২০২০ সালের নির্বাচনে তাঁর সমর্থিত দল শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পর তিনি ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। তবে এখন প্রেসিডেন্ট হতে গেলে তাঁকে কিছু আইনি ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে: সেনাবাহিনী ত্যাগ: সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হতে হলে তাঁকে সামরিক পোশাক ও পদ ছাড়তে হবে। এতে সেনাবাহিনীর ভেতরে তাঁর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। উত্তরসূরি নির্বাচন: নিজের ক্ষমতা অটুট রাখতে তিনি অত্যন্ত বিশ্বস্ত জেনারেল ইয়ে উইন ও’কে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেছেন। পরামর্শদাতা পরিষদ: পদত্যাগ করলেও যাতে রাষ্ট্রীয় বিষয়ে তাঁর প্রভাব থাকে, সেজন্য তিনি নিজেই একটি নতুন শক্তিশালী পরামর্শদাতা পরিষদ গঠন করেছেন, যার প্রধান থাকবেন তিনি নিজেই।   আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ সংকট সামরিক সরকার এই নির্বাচনকে ‘শান্তির পথ’ হিসেবে দাবি করলেও জাতিসংঘ এবং পশ্চিমা দেশগুলো একে একটি বড় ধরনের ‘প্রহসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং দেশের একটি বড় অংশ এখনো সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করা মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সূত্র: বিবিসি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা টাংসিরি।

ইরানের ‘হরমুজ সম্রাট’ কমান্ডার তাংসিরি নিহত: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য!

লেবাননের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অফ বৈরুত (AUB)

ইরানের হামলার হুমকি: বৈরুতে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি বন্ধ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপসাগরও এখন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, পালাচ্ছে মার্কিন রণতরী!

খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম যুলফাগারি ।
'মার্কিন সেনারা হবে হাঙরের খাবার': ইরান থেকে ট্রাম্পকে চরম হুঁশিয়ারি

ইরান ও মার্কিন-ইসরাইল সংঘাতের ৩০তম দিনে এসে তেহরানের পক্ষ থেকে নজিরবিহীন এক কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। ইরানের ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি আজ রোববার (২৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সেনারা যদি ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশের দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের 'পারস্য উপসাগরের হাঙরের খাবারে' পরিণত হতে হবে।   বিবৃতিতে জোলফাগারি অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জেনেশুনেই মার্কিন সৈন্যদের চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি ট্রাম্পকে একজন 'অস্থির ও মিথ্যাবাদী' নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করে দাবি করেন যে, ট্রাম্প বর্তমানে নেতানিয়াহুর হাতের 'পুতুলে' পরিণত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক কমান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবল প্রেসিডেন্টকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে যেন সাধারণ সৈনিকদের মৃত্যু বা বন্দিত্বের মুখে ঠেলে দেওয়া না হয়।   একই সময়ে ইরানের নৌবাহিনী প্রধান শাহরাম ইরানি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, মার্কিন রণতরী 'আব্রাহাম লিঙ্কন' যদি তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে আসে, তবে সেটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ওয়াশিংটন মুখে আলোচনার কথা বললেও গোপনে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দাবি তেহরানের। পারস্য উপসাগর ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা পুরো অঞ্চলে এক সরাসরি ও ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।   সূত্র: ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকার জন্য হুমকি ট্রাম্প: নিউইয়র্কে রাজপথে নামলেন ডি নিরো

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর উদ্যোগ: পাকিস্তানে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

নেপালে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরাইলের শিল্পাঞ্চলে ভয়াবহ আগুন, রাসায়নিক বিপর্যয়ের শঙ্কা

ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলার মুখে আবারও কেঁপে উঠেছে ইসরাইল। হাইফার পর এবার অবৈধ ভূখণ্ডটির ‘নিওত হোভভ’ শিল্পাঞ্চলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (২৯ মার্চ) বিকালে ইসরাইলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলার ফলে ওই শিল্পাঞ্চল থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ চুইয়ে পড়ার (Leakage) আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণে সৃষ্ট শকওয়েভে একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় পুলিশ ঘটনাস্থল সংলগ্ন ৪০ নম্বর হাইওয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিল নাগরিকদের বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। ইসরাইলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড ওই এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে, জানালা বন্ধ রাখতে এবং এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখার জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।   ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ বা শার্পনেলের আঘাতেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। তবে নেগেভ মরুভূমির ওই শিল্পাঞ্চল থেকে আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ওঠার দৃশ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, রোববার ইরান থেকে অন্তত পাঁচ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করা হয়েছে, যা মোকাবিলায় তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।   সূত্র: মিডল ইস্ট আই ও জেরুসালেম পোস্ট

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন (সিভিএন ৭২) | ছবি: সংগৃহীত

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের মুখে পালিয়েছে মার্কিন রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। ফাইল ছবি

মন্ত্রিত্বের বিনিময়ে ‘শারীরিক সম্পর্ক’? মোদির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে মন্দিরে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, গ্রেপ্তার ৭

0 Comments