আন্তর্জাতিক

ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার বাইরে, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার বাইরে, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের
ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার বাইরে, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে পেজেশকিয়ান প্রশাসন রাজি নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি ইরানের বৈধ অধিকার এবং তেহরান এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

তবে আরাঘচি জানান, আস্থা তৈরির লক্ষ্যে একটি ‘আশ্বস্তকারী চুক্তি’ করতে ইরান প্রস্তুত। তার ভাষায়, যেকোনো সংলাপের পূর্বশর্ত হলো হুমকি ও চাপ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকা। তিনি বলেন, ইরান কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়েই আলোচনা করতে আগ্রহী; যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনার সুযোগ নেই।

গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। এর জবাবে ইসরাইল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। এক পর্যায়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় ইসরাইলের সঙ্গে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকেই ইরান দাবি করে আসছে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনী। নতুন করে হামলা হলে একই ধরনের জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আরাঘচি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলার সম্ভাবনা নেই, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবেশী দেশ নয়, তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোই ইরানের লক্ষ্য।

ইরানের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তারা চায়। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে আলোচনায় আনলে ইসরাইলি হামলার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তেহরান।

ওমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে বলে দাবি করলেও ইরানের ওপর নতুন করে চাপ বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, কোনো দেশ যদি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইরান থেকে পণ্য বা সেবা গ্রহণ করে, তবে সেই দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

যদিও আদেশে নির্দিষ্ট শুল্কহার উল্লেখ করা হয়নি, উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ শুল্কের কথা বলা হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এটি ইরানকে ঘিরে চলমান ‘জাতীয় জরুরি অবস্থার’ অংশ। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে আদেশ সংশোধনের সুযোগও রাখা হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, তেহরান এখনও পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা বজায় রেখেছে। তবে আগের মতোই ইরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের একটি স্কুল
কানাডায় স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা, অন্তত ১০ জন নিহত

কানাডার পশ্চিমাঞ্চলের ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের একটি স্কুলে বন্দুক হামলা হয়েছে। এতে অন্তত ১০জন নিহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কলাম্বিয়ার টাম্বলার রিজ সেকেন্ডারি স্কুলে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।   সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ মোট সাতজনকে স্কুলের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। আরও একজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এছাড়া, পাশের এক বাড়িতে আরও দুজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। '   পুলিশের ধারণা, পাশের বাড়িতে পাওয়া ওই দুইজন নিহত ব্যক্তি বন্দুক হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। নিহতের সংখ্যা বাড়বে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না পুলিশ।   এই ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় ২৫ জন, যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্কুলে হামলার উদ্দেশ্য এখনো অজানা। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন মহিলা হতে পারেন বলে মনে করছে পুলিশ।   রকি পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত ছোট শহর টাম্বলার রিজ, যা কলাম্বিয়া প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর ভ্যাঙ্কুভার থেকে প্রায় এক হাজার দুইশ কিলোমিটার উত্তরে এবং সেখানে আড়াই হাজারেরও কম মানুষ বসবাস করে।   পুলিশ সেখানকার বাসিন্দাদেরকে ঘরের ভেতরে দরজা বন্ধ করে নিরাপদে থাকার জন্য বলেছে। টাম্বলার রিজ মূলত কয়লাখনি এবং ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কার হওয়ার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০

কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০

গাজা মিশনে ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত করছে ইন্দোনেশিয়া

গাজা মিশনে ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত করছে ইন্দোনেশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য ইন্দোনেশিয়া প্রস্তুত করছে ৮ হাজার সেনা

ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ২০ হাজার সেনা নিয়ে গঠিত হতে পারে, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া একাই ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্টোর মুখপাত্র প্রাসেত্যো হাদি মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। খবর আল জাজিরার।   গত বছর ইন্দোনেশিয়া গাজার শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য ২০ হাজার সেনা প্রস্তুত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে দেশটি জানিয়েছে, বাহিনীর ম্যান্ডেট বিস্তারিত জানার পরই চূড়ান্তভাবে সেনা মোতায়েন করা হবে। হাদি জানান, আমরা শুধু প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে কোনো চুক্তি হলে আমরা শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠাতে পারি।   এর আগে জাকার্তায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর সঙ্গে নিরাপত্তা বৈঠক করেন দেশটির সেনাপ্রধান মারুলি সিমানজুনতাক। বৈঠকের পর তিনি জানিয়েছেন, একটি ব্রিগেড সম্ভাব্যভাবে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সেনাকে ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।   জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের গত নভেম্বর প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির পর গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনও নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং চলমান সহিংসতায় মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।   চলতি মাসের শেষ দিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোওকে ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ভারতের হিন্দু পুনরুত্থানবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। ছবি: সংগৃহীত

আরএসএস প্রধানের আহ্বান: বাংলাদেশের সোয়া এক কোটি হিন্দু একত্রিত হোন

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় থার্মোবারিক হামলায় ‘নিখোঁজ’ হাজারো ফিলিস্তিনি, দেহ মিলছে না

মিয়ানমারের শীর্ষস্থানীয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা

বিশ্বের নজর এড়িয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা

ছবি: সংগৃহীত
চীনে সোনার খনিতে লিফট ছিঁড়ে পড়ে নিহত ৭

চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শানডং প্রদেশের ঝাওইউয়ান শহরের ক্যানঝুয়াং সোনার খনিতে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তথ্য গোপনের অভিযোগে খনি ব্যবস্থাপক ও প্রধান প্রকৌশলীসহ মোট ১১ জন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও চীনের স্থানীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে খনিটিতে কাজ চলাকালীন ভূগর্ভস্থ লিফটের তার ছিঁড়ে যায়। এতে লিফটটি প্রায় ২৪০ মিটার নিচে আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই সাতজন শ্রমিক প্রাণ হারান। ঝাওইউয়ান কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, খনি কোম্পানিটি নিয়মানুযায়ী এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানায়নি। বরং তারা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। গত সোমবার একটি গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর সরকারি কর্মকর্তারা খনিটিতে অভিযান চালান এবং দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। উদ্ধার তৎপরতায় ব্যাঘাত ঘটানো এবং আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের দায়ে পুলিশ খনির শীর্ষ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। বর্তমানে খনি এলাকাটি নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।   এই দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চীনের শানসি প্রদেশের একটি বায়োটেক কারখানায় পৃথক এক বিস্ফোরণে আরও আটজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এমন বড় দুটি শিল্প দুর্ঘটনা চীনের অভ্যন্তরীণ শিল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে পুনরায় বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। বর্তমানে দেশটির জরুরি ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা বিভাগ এই দুটি ঘটনারই নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে।   সূত্র : গ্লোবাল টাইম।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা

উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা

বিদেশি চাপ রুখতে জনগণের ঐক্যের ওপর জোর খামেনির

বিদেশি চাপ রুখতে জনগণের ঐক্যের ওপর জোর খামেনির

নিষেধাজ্ঞা ভেঙে তেল বহন, ভারত মহাসাগরে জাহাজ জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের

নিষেধাজ্ঞা ভেঙে তেল বহন, ভারত মহাসাগরে জাহাজ জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের

0 Comments