আন্তর্জাতিক

যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে এক গুরুত্বপূর্ণ সফর করছেন। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ওই অঞ্চলের ট্রাম্পপন্থী এবং রক্ষণশীল নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং নিরাপত্তা ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (Munich Security Conference) অংশগ্রহণের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও জার্মানি থেকে স্লোভাকিয়া এবং হাঙ্গেরি সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি তার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।

 

সফরের মূল উদ্দেশ্য:


মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যাটোর (NATO) প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোর বর্তমান সরকারগুলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক আদর্শিক মিল থাকায়, এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

 

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু:


১. নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা: ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মার্কিন সহযোগিতা বৃদ্ধি।


২. জ্বালানি নিরাপত্তা: রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে মার্কিন এলএনজি (LNG) এবং বিকল্প জ্বালানি উৎসের প্রসার।


৩. রাজনৈতিক সংহতি: ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির প্রতি সমর্থন জানানো নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মিত্রতা আরও জোরালো করা।

 

বিশ্লেষকদের মতে, মার্ক রুবিওর এই সফর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মূল ধারার দেশগুলোর তুলনায় পূর্ব ইউরোপের রক্ষণশীল দেশগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিশেষ সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্লোভাক সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা করবেন।

 

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের সঙ্গে রুবিওর আসন্ন বৈঠকটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। ওরবান দীর্ঘদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ফলে বুদাপেস্টের এই বৈঠকে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ব ইউরোপে রুবিওর এটিই প্রথম বড় ধরনের কোনো সফর, যা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে এক গুরুত্বপূর্ণ সফর করছেন। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ওই অঞ্চলের ট্রাম্পপন্থী এবং রক্ষণশীল নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং নিরাপত্তা ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।   রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (Munich Security Conference) অংশগ্রহণের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও জার্মানি থেকে স্লোভাকিয়া এবং হাঙ্গেরি সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি তার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।   সফরের মূল উদ্দেশ্য: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যাটোর (NATO) প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোর বর্তমান সরকারগুলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক আদর্শিক মিল থাকায়, এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।   আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: ১. নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা: ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মার্কিন সহযোগিতা বৃদ্ধি। ২. জ্বালানি নিরাপত্তা: রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে মার্কিন এলএনজি (LNG) এবং বিকল্প জ্বালানি উৎসের প্রসার। ৩. রাজনৈতিক সংহতি: ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির প্রতি সমর্থন জানানো নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মিত্রতা আরও জোরালো করা।   বিশ্লেষকদের মতে, মার্ক রুবিওর এই সফর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মূল ধারার দেশগুলোর তুলনায় পূর্ব ইউরোপের রক্ষণশীল দেশগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিশেষ সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্লোভাক সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা করবেন।   হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের সঙ্গে রুবিওর আসন্ন বৈঠকটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। ওরবান দীর্ঘদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ফলে বুদাপেস্টের এই বৈঠকে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ব ইউরোপে রুবিওর এটিই প্রথম বড় ধরনের কোনো সফর, যা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
অভিনন্দন জানিয়ে ঐক্যের ডাক ইতালির

অভিনন্দন জানিয়ে ঐক্যের ডাক ইতালির

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে ভারতের বিস্ময়

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে ভারতের বিস্ময়

নাইজার রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় তাণ্ডব, নিহত অন্তত ৩২

নাইজার রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় তাণ্ডব, নিহত অন্তত ৩২

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান
কারাবন্দি ইমরান খানকে ইসলামাবাদে নেওয়ার পরিকল্পনা

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের কারাজীবনে বড় ধরণের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। রাওয়ালপিন্ডির কুখ্যাত আদিয়ালা জেল থেকে তাঁকে নবনির্মিত ইসলামাবাদ কারাগারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে পাকিস্তান সরকার। শুক্রবার ইসলামাবাদ পুলিশের এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, নবনির্মিত এই ইসলামাবাদ কারাগারে উন্নত সকল চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। যেহেতু ইমরান খান ইসলামাবাদের একটি আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হয়েছেন, তাই আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে এই নতুন কারাগারে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আদিয়ালা জেলে বন্দি রয়েছেন।   তবে ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিযুক্ত অ্যামিকাস কিউরি সালমান সাফদার অ্যাডভোকেট কারাগারে তাঁর সাথে দেখা করার পর একটি সাত পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে ইমরান খানকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে কমে গেছে—তিনি এখন মাত্র ১৫ শতাংশ দেখতে পাচ্ছেন। এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তাঁর মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবি জোরালো হচ্ছে।   এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল সরকার সুপ্রিম কোর্টকে আশ্বস্ত করেছে যে, ইমরান খানকে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত টেলিফোনে যোগাযোগের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।   এদিকে, ইমরান খানকে অবিলম্বে শিফা আন্তর্জাতিক হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবিতে পাকিস্তানের রাজনীতি এখন রাজপথে গড়িয়েছে। তেহরিকে তাহফুজ আয়িনি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা জুমার নামাজের পর থেকে পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন। মাহমুদ খান আচাকজাই, আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার গহর আলী খানের নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। অন্যদিকে খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী এবং পিটিআইয়ের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা খাইবার পাখতুনখোয়া হাউসে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই স্থানেই বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও জেল স্থানান্তর ইস্যুটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতায় বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবরটি পিটিআই সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
অ্যালেক্সেই নাভালনি

বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে অ্যালেক্সেই নাভালনিকে!

ওয়াকিল আহমেদের সঙ্গে দীপক কুমার। ছবি: বিবিসি

মুসলিম বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় এক হিন্দু যুবক

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
তারেক রহমানকে মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভিনন্দন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।   শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।   আনোয়ার ইব্রাহিম তার বার্তায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ পার করে ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এই গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য তিনি তার প্রিয় বন্ধু এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।   মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে। তিনি দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধি কামনায় বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তারেক রহমানকে অভিনন্দন মমতার

ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কায় গণঅভ্যুত্থানে এমপিকে পিটিয়ে হত্যায় ১২ জনের ফাঁসি

0 Comments