পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা নয়, কেবল বার্তা বিনিময় হচ্ছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।  কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়াশিংটনের সাথে বর্তমানে কেবল নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বার্তা আদান-প্রদান চলছে, যাকে কোনোভাবেই 'কূটনৈতিক সংলাপ' বলা যায় না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি জানান, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নিবিড় তত্ত্বাবধানেই এই সীমিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনায় বসার বিষয়ে তেহরানের যথেষ্ট আপত্তি ও সংশয় রয়েছে। ইরানের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী, আলোচনার টেবিলে বসার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মাঝে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এই পরোক্ষ যোগাযোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও ইরান একে কেবল 'বার্তা বিনিময়' বলে অভিহিত করছে, তবুও নিরাপত্তা পরিষদের সরাসরি সম্পৃক্ততা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পর্দার আড়ালে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ সচল রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সাথে এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অবিচল সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যা জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে।   বৈঠকে মহাসচিব নবগঠিত বাংলাদেশের নতুন সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার তিনি উচ্চ প্রশংসা করেন।   আলোচনায় বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক তেল সংকটের কারণে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে পড়া চ্যালেঞ্জ এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব তুলে ধরেন।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর তরফে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।   বৈঠক শেষে উভয় পক্ষে নিশ্চিত করেছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ইরান বলছে স্থল অভিযান হলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’, যেকোনো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত তেহরান
ইরান বলছে স্থল অভিযান হলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’, যেকোনো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও বাড়লে সম্ভাব্য স্থল অভিযানসহ যেকোনো সামরিক পরিস্থিতির জন্য তেহরান প্রস্তুত রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন পদক্ষেপ নিলে প্রতিপক্ষের জন্য তা “ভয়াবহ পরিণতি” ডেকে আনবে।   বৃহস্পতিবার NBC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, “আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত, এমনকি স্থল অভিযান হলেও। আমরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছি, এবং আমরা নিশ্চিত যে আমরা মোকাবিলা করতে পারব—এটি তাদের জন্য বিপর্যয় হবে।”     ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অস্থিতিশীল করতে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করতে পারে—এমন খবরের কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরনের দাবি ইতিমধ্যে হোয়াইট হাউসও অস্বীকার করেছে।   তিনি বলেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী যেকোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।   এখনই যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা নয় আরাঘচি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো নতুন আলোচনা বা যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী নয়।   তার অভিযোগ, “আমরা তাদের সঙ্গে দুইবার আলোচনা করেছি, আর প্রতিবারই আলোচনার মাঝখানে তারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।”   তিনি ইঙ্গিত দেন যে ২০২৫ সালের জুনে শুরু হওয়া সংঘাতের অভিজ্ঞতার পর ইরান নতুন করে আলোচনায় বসার কারণ দেখছে না।   হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই, তবে সতর্কতা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন,   এ মুহূর্তে ইরানের এটি বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই, তবে যুদ্ধ বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।   তার ভাষায়, “প্রণালী বন্ধ করা হয়নি, কিন্তু জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ভয়ে এড়িয়ে চলছে—কারণ তারা আশঙ্কা করছে যে যেকোনো পক্ষের হামলার লক্ষ্য হতে পারে।”

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সম্মতিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান নানা আলোচনা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে মুখ খুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই চুক্তি কোনো গোপন প্রক্রিয়ায় হয়নি বরং দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্মতিতেই তা সম্পাদিত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ নির্বাচনের আগেই আমাদের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সাথে কথা বলেছে এবং তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং, এটি অন্ধকারে করা হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়।" চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি 'এন্ট্রি' ও 'এক্সিট' ক্লজের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, চুক্তিটি এখনো কার্যকর (নোটিফিকেশন) হয়নি এবং সরকার চাইলে যেকোনো সময় এটি রিভিউ করার সুযোগ রাখে। এছাড়া মাত্র ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পথও খোলা রয়েছে। ড. রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তির ভাষা ও শর্তাবলি ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের করা চুক্তির মতোই অভিন্ন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আমরা বাংলাদেশকে কোনো বন্ধ ঘরে ঠেলে দিইনি।" বাণিজ্যিক সুবিধার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আলোচনা শুরু হয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর জুলাই মাসে এটি চূড়ান্ত হয়। বিশেষ করে আমেরিকান কটন দিয়ে তৈরি পোশাকে 'জিরো রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ' সুবিধা আদায় বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য একটি বড় বিজয়। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, এই চুক্তি বর্তমান সরকারের 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতির সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
পাকিস্তান-আফগানিস্তান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ইরানের

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সুপ্রতিবেশী হিসেবে শান্তিতে থাকতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা ও ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্য নিরসনে এবার সরাসরি ‘সংলাপ সহজতর’ করার বা মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে আলোচনার টেবিলে দেখতে চায় তেহরান। দুই দেশ যাতে “ভালো প্রতিবেশীর মতো সম্পর্ক” বজায় রাখে, সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য যে, গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় ইরানের এই মধ্যস্থতার প্রস্তাবকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছিল ইরান। তেহরানের এই উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির নতুন পথ খুলতে পারে কিনা, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন খলিলুর রহমান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। তিনি বুধবার ভোরে বিশেষ কূটনৈতিক মিশনে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থান করবেন।   এই সফরে তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো জেদ্দায় অবস্থিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) সচিবালয়ে আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেওয়া। ওই বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বর্তমান বৈশ্বিক ও মুসলিম বিশ্বের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।   বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রথম বিদেশ সফর কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সফরের মাধ্যমে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে এক গুরুত্বপূর্ণ সফর করছেন। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ওই অঞ্চলের ট্রাম্পপন্থী এবং রক্ষণশীল নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং নিরাপত্তা ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।   রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (Munich Security Conference) অংশগ্রহণের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও জার্মানি থেকে স্লোভাকিয়া এবং হাঙ্গেরি সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি তার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।   সফরের মূল উদ্দেশ্য: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যাটোর (NATO) প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোর বর্তমান সরকারগুলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক আদর্শিক মিল থাকায়, এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।   আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: ১. নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা: ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মার্কিন সহযোগিতা বৃদ্ধি। ২. জ্বালানি নিরাপত্তা: রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে মার্কিন এলএনজি (LNG) এবং বিকল্প জ্বালানি উৎসের প্রসার। ৩. রাজনৈতিক সংহতি: ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির প্রতি সমর্থন জানানো নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মিত্রতা আরও জোরালো করা।   বিশ্লেষকদের মতে, মার্ক রুবিওর এই সফর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মূল ধারার দেশগুলোর তুলনায় পূর্ব ইউরোপের রক্ষণশীল দেশগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিশেষ সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্লোভাক সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা করবেন।   হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের সঙ্গে রুবিওর আসন্ন বৈঠকটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। ওরবান দীর্ঘদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ফলে বুদাপেস্টের এই বৈঠকে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ব ইউরোপে রুবিওর এটিই প্রথম বড় ধরনের কোনো সফর, যা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
তারেক রহমানের সঙ্গে মুশফিকুল ফজল আনসারী
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে আসছেন মুশফিকুল ফজল আনসারী? যা বললেন রাষ্ট্রদূত

সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাঁকে সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখার জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।   নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের দল, নেতা ও প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। জনগণের এই ম্যান্ডেটের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান তিনি।   পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজয়ের আনন্দ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে ভাগাভাগি করার সংস্কৃতি গড়ে উঠছে যা দেশের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ইতিবাচক বলে তিনি মনে করেন।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখার আহ্বান প্রসঙ্গে মুশফিকুল ফজল আনসারী লেখেন, “আমার ব্যক্তিগত কোনো অভিলাষ নেই। পছন্দ কিংবা ভালোবাসা থেকে আমাকে নানা জায়গায় দেখতে চেয়ে যারা আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ করছেন, এমন প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আন্তরিক অনুরোধ জানাই।”   পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে ‘যোগ্যতম নেতৃত্ব’ পেয়েছে এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ আধুনিক, স্বনির্ভর ও মর্যাদাশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে।   উল্লেখ্য, রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে জয়ী হলে তারেক রহমান সরকারের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0