ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি রাস্তায় দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ সার্জেন্টকে জড়িয়ে ধরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, দায়িত্বে থাকা পুলিশ সার্জেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে দেখে এগিয়ে এসে স্যালুট ও হাত মেলাতে চাচ্ছেন। এ সময় তারেক রহমান তাকে কাছে টেনে নিয়ে কোলাকুলি করেন এবং হাসিমুখে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ঘটনাটি উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য AZM Zahid Hossain। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “এই দৃশ্য ঈদের আনন্দ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল। যেমন রাষ্ট্র চাই, ঠিক সেই পথে।”
এরপর থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও সহজ-সরল আচরণে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি রাস্তায় দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ সার্জেন্টকে জড়িয়ে ধরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, দায়িত্বে থাকা পুলিশ সার্জেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে দেখে এগিয়ে এসে স্যালুট ও হাত মেলাতে চাচ্ছেন। এ সময় তারেক রহমান তাকে কাছে টেনে নিয়ে কোলাকুলি করেন এবং হাসিমুখে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ঘটনাটি উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য AZM Zahid Hossain। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “এই দৃশ্য ঈদের আনন্দ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল। যেমন রাষ্ট্র চাই, ঠিক সেই পথে।” এরপর থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও সহজ-সরল আচরণে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে ঈদ আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পুরানা পল্টন ও বিজয়নগর এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে এসেছে। ঈদ কেবল আনন্দের উৎসব নয়, বরং এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি আরও বলেন, সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমের মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব। সমাবেশে জামায়াত নেতারা দল-মত নির্বিশেষে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি আধুনিক ও নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম এবং মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান ও শাহীন আহমেদ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, ঈদের শিক্ষা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। শুক্রবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, রমজান মাসের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষ আত্মশুদ্ধি অর্জন করে এবং অন্যায়-অবিচার থেকে দূরে থাকার শিক্ষা পায়। এই শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। তিনি আরও বলেন, ঈদুল ফিতর ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধন দৃঢ় করে। একটি শান্তিপূর্ণ, সাম্যভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে ঈদের তাৎপর্য অপরিসীম। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ত্যাগ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঈদের চেতনা সবার মাঝে ইতিবাচক শক্তি জোগাবে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবের কথাও উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানদের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি দেশের সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং সবার জীবনে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।