সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

মিশিগান প্রাইমারি নির্বাচনের ফলের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে আবেগঘন বার্তা মিনহাজ চৌধুরীর

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ২১:৫২
মিশিগানের ডিস্ট্রিক্ট-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থী মিনহাজ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
মিশিগানের ডিস্ট্রিক্ট-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থী মিনহাজ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগান স্টেট হাউসের ডিস্ট্রিক্ট-১৪ আসনের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচনে বর্তমান স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ মাইক ম্যাকফলের কাছে পরাজয়ের পর ভোটার, বাংলাদেশি কমিউনিটি, সাংবাদিক এবং নির্বাচনী প্রচারণায় সহযোগিতাকারীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রার্থী মিনহাজ চৌধুরী।

 

নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেওয়া এক বিবৃতিতে মিনহাজ চৌধুরী বলেন, গতকাল ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত প্রাইমারি নির্বাচনে ওয়ারেন, সেন্টার লাইন, ম্যাডিসন হাইটস ও হেজেল পার্ক নিয়ে গঠিত মিশিগানের ডিস্ট্রিক্ট-১৪-এর ভোটাররা তাকে যে ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য তিনি চিরকৃতজ্ঞ।

 

তিনি বিশেষভাবে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রবীণ ও নবীন নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের সহযোগিতা, পরামর্শ ও নিরলস সমর্থন তার প্রচারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

এবারের নির্বাচনে মিনহাজ চৌধুরী নিজেকে একজন কমিউনিটি-কেন্দ্রিক প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেন। তার নির্বাচনী প্রচারণায় স্থানীয় জনগণের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব, জননিরাপত্তা, শিক্ষা, ছোট ব্যবসার উন্নয়ন, পরিবারভিত্তিক সামাজিক মূল্যবোধ এবং বাংলাদেশিসহ অভিবাসী কমিউনিটির অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। নির্বাচনী প্রচারণাজুড়ে তিনি কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততার ওপরও জোর দেন।

 

বিবৃতিতে মিনহাজ চৌধুরী বলেন, অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল না এলেও ভোটারদের প্রতিটি সমর্থন তার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি বলেন, একটি নির্বাচনের ফলাফল মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকারকে থামিয়ে দিতে পারে না; বরং কমিউনিটির প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেয়।

 

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনেও দল-মত নির্বিশেষে কমিউনিটির উন্নয়ন, ঐক্য এবং জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই তার ভবিষ্যৎ পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

মিশিগানের ডিস্ট্রিক্ট-১৪ আসনে বর্তমান স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ মাইক ম্যাকফলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মিনহাজ চৌধুরী বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নেন। যদিও তিনি ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে মনোনয়ন অর্জন করতে পারেননি, তবে তার প্রচারণা বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কমিউনিটির অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ট্রাম্পের ‘ট্রায়াম্ফাল আর্চে’ থাকবে ড্রোন ও স্নাইপার
স্মৃতিস্তম্ভের বদলে সামরিক কমপ্লেক্স! ট্রাম্পের আর্চে থাকবে ড্রোন-স্নাইপার

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে নির্মাণের পরিকল্পনা করা ২৫০ ফুট উঁচু ‘ট্রায়াম্ফাল আর্চ’কে সামরিক স্থাপনা হিসেবেও ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই স্থাপনায় ড্রোন, স্নাইপার ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রাখা হবে।   রোববার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর অনুরোধে তিনি আর্চটিকে একটি ‘উচ্চমানের সামরিক কমপ্লেক্স’ হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থাপনাটির ছাদ ও প্লাজা এলাকায় স্নাইপার মোতায়েন করা যাবে এবং দ্রুত ব্যবহারের জন্য বিপুলসংখ্যক ড্রোন রাখা হবে। স্নাইপারদের জন্য বড় পরিমাণ গোলাবারুদ সংরক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে।   আর্চটি ওয়াশিংটনের মেমোরিয়াল ব্রিজের পাশে, লিংকন মেমোরিয়াল ও আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমেট্রির কাছাকাছি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর উচ্চতা হবে প্রায় ২৫০ ফুট বা ৭৬ মিটার। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   ট্রাম্প এর আগে আর্চটিকে ওয়াশিংটনের সৌন্দর্যবর্ধনের একটি প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এখন সেটির সঙ্গে সামরিক ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার কথা জানালেন তিনি।   তবে প্রকল্পটি নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক রয়েছে। ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণকারী সংগঠন, ভেটেরানদের একটি অংশ এবং স্থানীয় আইনপ্রণেতাদের কেউ কেউ এর বিরোধিতা করছেন। আর্চটি আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দৃশ্যপটে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও উদ্বেগ রয়েছে।   এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, প্রস্তাবিত আর্চটি রোনাল্ড রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না। তবে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কেউ কেউ বলছেন, স্থাপনাটি ওয়াশিংটনের আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ১৪:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটির গভীর অর্থসংকট মোকাবিলায় নানামুখী প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। ছবি: সংগৃহীত

সোশ্যাল সিকিউরিটি ট্যাক্স বাড়লে বছরে ৩ হাজার ডলার হারাতে পারেন কর্মীরা

ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের সামরিক সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনকে ২.৬৮ বিলিয়ন ডলারের আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা ভাঙা ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার দাবি করেন। ছবি: সংগৃহীত

"ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে চাই", হোয়াইট হাউসের ফুটপাথে তুলে দিলেন গাড়ি

জিআরই পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩৪০ নম্বরের মধ্যে পূর্ণ ৩৪০ পেয়েছেন তানভীর তাহমিদ। ছবি: সংগৃহীত
জিআরইতে ৩৪০-এ ৩৪০, তানভীরের প্রস্তুতির মূলমন্ত্র ছিল ‘ভলিউম’, জানুন আরো কৌশল

জিআরই বা গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এক্সামিনেশনে সর্বোচ্চ ৩৪০ নম্বরের মধ্যে পূর্ণ ৩৪০ পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেটস কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর তাহমিদ। কোয়ান্টিটেটিভ রিজনিংয়ে ১৭০ এবং ভার্বাল রিজনিংয়েও ১৭০ নম্বর পেয়েছেন তিনি। এমন ফলের পর তার কাছে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্ন এসেছে, তা হলো কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তানভীরের উত্তর, প্রস্তুতির মূলনীতি ছিল ‘ভলিউম’ - প্রচুর প্রশ্ন সমাধান, বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা এবং নিজের ভুল বারবার বিশ্লেষণ করা।   তার মতে, জিআরই প্রস্তুতির লক্ষ্য শুধু পরীক্ষার সিলেবাস শেষ করা নয়। বরং এত বেশি প্রশ্ন অনুশীলন করা দরকার, যাতে পরীক্ষার হলে নতুন কোনো প্রশ্ন দেখলেও তার ধরন অপরিচিত মনে না হয়। প্রশ্নটি আগে দেখা না থাকলেও একই ধরনের সমস্যা বহুবার অনুশীলন করা থাকলে সেটি সমাধানের পথ দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।   বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য জিআরই অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম বা অর্থায়নের সুযোগের ক্ষেত্রে ভালো স্কোর আবেদনকে শক্তিশালী করতে পারে। তানভীরের অভিজ্ঞতায়, জিআরইকে শুধু গণিত ও ইংরেজির পরীক্ষা হিসেবে দেখলে প্রস্তুতিতে ঘাটতি থেকে যেতে পারে। সময়ের চাপের মধ্যে প্রশ্ন বোঝা, তথ্য বিশ্লেষণ করা, ভুল বিকল্প বাদ দেওয়া এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।   প্রশ্নের সঙ্গে পরিচিতি তৈরি করাকে তাই তিনি প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেছেন। শুরুতে একটি প্রশ্ন হাতে নিয়ে কোন পদ্ধতিতে সমাধান করবেন, কোন তথ্য গুরুত্বপূর্ণ এবং কোথায় ফাঁদ থাকতে পারে, এসব নিয়ে ভাবতে সময় লাগত। কিন্তু একই ধরনের শত শত প্রশ্ন সমাধানের পর এই প্রক্রিয়া অনেক বেশি স্বাভাবিক হয়ে আসে। পরীক্ষার হলে নির্দিষ্ট প্রশ্নটি নতুন হলেও তার ধরন পরিচিত থাকার কারণে দ্রুত সমাধানের দিকে যাওয়া সম্ভব হয়।   তবে শুধু বেশি প্রশ্ন সমাধান করাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তানভীর। কোনো প্রশ্ন ভুল হলে সঠিক উত্তর দেখে এগিয়ে যাওয়ার বদলে তিনি বোঝার চেষ্টা করেছেন কেন ভুল হয়েছে। কোথায় ভুল চিন্তা করেছেন, প্রশ্নের কোন অংশ ভুল বুঝেছেন কিংবা কোন কৌশল প্রয়োগ করা উচিত ছিল, সেসব বিশ্লেষণ করেছেন। তার মতে, অনুশীলনের সঙ্গে ভুল বিশ্লেষণ না করলে একই ধরনের ভুল আবারও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।   কোয়ান্টিটেটিভ রিজনিংয়ের প্রস্তুতিতে প্রথমে মৌলিক ধারণাগুলো পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। পাটিগণিত, বীজগণিত, জ্যামিতি, অনুপাত, শতকরা, সম্ভাবনা, পরিসংখ্যান ও তথ্য বিশ্লেষণের মতো বিষয়গুলোর ভিত্তি শক্ত থাকা জরুরি। এরপর তার বড় মনোযোগ ছিল সময় ধরে অনুশীলনে। প্রস্তুতির একটি পর্যায়ে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০টি পর্যন্ত প্রশ্ন সময় ধরে সমাধান করেছেন তিনি।   কোন ধরনের প্রশ্নে বেশি ভুল হচ্ছে, সেটিও আলাদাভাবে নোট করতেন তানভীর। জ্যামিতি, ওয়েটেড অ্যাভারেজ এবং নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা সমাধানের ধরন তার তুলনামূলক দুর্বল জায়গা ছিল। তাই সব ধরনের প্রশ্ন একসঙ্গে অনুশীলনের পরিবর্তে এসব বিষয় আলাদা করে চর্চা করেছেন। তার মতে, কোয়ান্টে ভালো করার জন্য গতি ও নির্ভুলতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি। দ্রুত সমাধান করতে গিয়ে ভুল করা যেমন ক্ষতিকর, তেমনি একটি প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করাও পরীক্ষায় সমস্যার কারণ হতে পারে।   ভার্বাল রিজনিংয়ের প্রস্তুতিতে শুধু কঠিন শব্দ মুখস্থ করার ওপর নির্ভর করেননি তিনি। প্রায় ২ হাজার শব্দের ভোকাবুলারি প্রস্তুত করলেও শব্দের অর্থের পাশাপাশি কোন পরিস্থিতিতে শব্দটি ব্যবহৃত হয় এবং বাক্যের মধ্যে তার ভূমিকা কী, সেটি বোঝার চেষ্টা করেছেন। প্যাসেজে লেখক কী বলতে চেয়েছেন, যুক্তির কাঠামো কী এবং প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনটিতে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেগুলোও নিয়মিত অনুশীলন করেছেন।   তানভীরের মতে, ভার্বালের ক্ষেত্রে প্রশ্নের ফাঁদগুলো চিনতে পারার দক্ষতা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তৈরি হয়। একই ধরনের প্রশ্ন বারবার সমাধান করতে থাকলে ভুলের ধরন যেমন বোঝা যায়, তেমনি সঠিক উত্তর বেছে নেওয়ার যুক্তিও পরিষ্কার হয়। তাই শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, সেই জ্ঞান দ্রুত প্রয়োগ করার অভ্যাস তৈরি করাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।   প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে মক টেস্ট ছিল তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মক টেস্ট দেওয়ার পর তিনি শুধু মোট স্কোর দেখতেন না। কোন প্রশ্ন ভুল হয়েছে, কেন ভুল হয়েছে, কোন প্রশ্নে বেশি সময় চলে গেছে এবং কোথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলো বিশ্লেষণ করতেন। শুরুতে তার মক স্কোর ৩২৮ থেকে ৩৩০-এর আশপাশে ছিল। পরবর্তী সময়ে নিয়মিত অনুশীলন ও ভুল বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেই স্কোর বাড়তে থাকে।   প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অফিশিয়াল উপকরণকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তানভীর। তার মতে, পরীক্ষার প্রশ্নের ভাষা, কাঠামো ও প্রশ্নের ধরন বোঝার জন্য মূল পরীক্ষার সংস্থার উপকরণ সবচেয়ে কার্যকর। এর পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন রিসোর্সও ব্যবহার করেছেন। তবে তার অভিজ্ঞতা হলো, কতগুলো রিসোর্স ব্যবহার করা হচ্ছে তার চেয়ে একটি রিসোর্স কতটা গভীরভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।   জিআরইর আগে আইবিএ ভর্তি পরীক্ষা ও স্যাটের প্রস্তুতির অভিজ্ঞতাও তানভীরের কাজে এসেছে। সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান করা, প্রশ্নের ভাষা বিশ্লেষণ করা এবং ভুল বিকল্প বাদ দেওয়ার মতো দক্ষতাগুলো আগের প্রস্তুতি থেকেই তৈরি হয়েছিল। পরে জিআরইর জন্য সেই দক্ষতাগুলোকে আরও বেশি অনুশীলনের মাধ্যমে শানিত করেছেন তিনি।   ৩৪০-এ ৩৪০ পাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তানভীরের মূল বার্তা হলো, জিআরই প্রস্তুতিতে কোনো একটি গোপন কৌশলের চেয়ে ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত অনুশীলন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, পরীক্ষার হলে প্রশ্ন নতুন হতে পারে, কিন্তু প্রশ্নের ধরন যেন নতুন না লাগে। সেই পরিচিতি তৈরি করতে প্রচুর প্রশ্ন সমাধান, ভুল বিশ্লেষণ এবং সময় ধরে নিয়মিত অনুশীলনই ছিল তার প্রস্তুতির মূল ভিত্তি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ১১:৫৬
ইরান ইস্যুতে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প, ‘পুরো দেশ উড়িয়ে দেওয়া’র হুঁশিয়ারি

রোগীদের ব্যথানাশক ওষুধ সরিয়ে নেওয়ার অপরাধে হাসপাতালের সাবেক কর্মীকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: সংগৃহীত

কলোরাডোয় রোগীদের ১৩৯ প্রেসক্রিপশন চুরির দায়ে হাসপাতালে কর্মীর ১৮ মাসের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতক পর্যায়ে পড়ার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বড় সুযোগ কোটজেন স্কলারশিপ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরও আবেদনের সুযোগ

নিউইয়র্কের কার্ডিওলজিস্ট ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ টানা চতুর্থবারের মতো ক্যাসল কনলি টপ ডাক্তারের স্বীকৃতি পেলেন। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কার্ডিওলজিস্ট ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ, টানা চতুর্থবার ‘টপ ডাক্তার’ স্বীকৃতি

নিউইয়র্কের কার্ডিওলজিস্ট ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ ২০২৬ সালের ক্যাসল কনলি টপ ডাক্তার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এটি তার টানা চতুর্থবারের মতো এই স্বীকৃতি পাওয়া। ক্যাসল কনলির টপ ডাক্তার তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭ শতাংশ চিকিৎসক স্থান পান। এ স্বীকৃতি রোগীদের মতামতের ভিত্তিতে দেওয়া কোনো সাধারণ জনপ্রিয়তা পুরস্কার নয়; চিকিৎসকদের মনোনয়ন এবং চিকিৎসক-নেতৃত্বাধীন যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়।    ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ নিউইয়র্কে হৃদরোগ চিকিৎসায় কাজ করছেন এবং প্রকাশ্য চিকিৎসক তথ্য অনুযায়ী ব্রঙ্কসসহ বিভিন্ন স্থানে রোগী দেখেন। নিউইয়র্কের চিকিৎসক তালিকায় তাকে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বিশেষজ্ঞ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্রঙ্কসের ১৯৯০ ম্যাকগ্রাও অ্যাভিনিউসহ একাধিক চিকিৎসাকেন্দ্রে তার সেবা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।    ২০২৬ সালের টপ ডাক্তার স্বীকৃতির তথ্য জানুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডা. মোর্শেদ নিউইয়র্কের অ্যাভিসেনা কার্ডিওলজির সঙ্গে যুক্ত এবং নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ও লেনক্স হিল হাসপাতালের সঙ্গে তার ক্লিনিক্যাল সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার চিকিৎসার ক্ষেত্রের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেইলিউর এবং হৃদস্পন্দনের অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়াসহ বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা রয়েছে।    ক্যাসল কনলির এই স্বীকৃতি কীভাবে দেওয়া হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের তালিকায় ৭২ হাজারের বেশি চিকিৎসককে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ১১ লাখের বেশি চিকিৎসকের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের সহকর্মীদের মনোনয়ন, পেশাগত যোগ্যতা, চিকিৎসাক্ষেত্রে অবদান এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনার পর ক্যাসল কনলির গবেষণা দল চূড়ান্ত নির্বাচন করে।    ডা. মোর্শেদের পেশাগত তথ্যেও নিউইয়র্কে হৃদরোগ চিকিৎসার সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততার কথা পাওয়া যায়। ওয়েবএমডির তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিউইয়র্কে প্রায় ২১ বছর ধরে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের চিকিৎসা করছেন এবং তার নিউইয়র্কের মেডিকেল লাইসেন্স সক্রিয়। একই তথ্যভান্ডারে ২০০৫ সালে সেন্ট জর্জেস ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক করার তথ্যও রয়েছে।    তবে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন চিকিৎসক প্রোফাইলে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ল্যাঙ্গোনের বর্তমান প্রোফাইলে একই নামে একজন চিকিৎসককে এমডি ও ডিও হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার এমডি ডিগ্রি ২০০৫ সালে সেন্ট জর্জেস ইউনিভার্সিটি থেকে এবং ডিও ডিগ্রি ২০১২ সালে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অব অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিন থেকে। সেখানে কার্ডিওলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিনে তার বোর্ড সার্টিফিকেশনের তথ্যও রয়েছে।    ব্রঙ্কসের চিকিৎসক তালিকাগুলোতে ডা. মোর্শেদের সঙ্গে বাংলা ভাষার উল্লেখও পাওয়া যায়। বিভিন্ন স্বাস্থ্যবীমা প্রদানকারীর প্রকাশিত চিকিৎসক তালিকায় তাকে বাংলা ভাষাভাষী চিকিৎসক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ফলে নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি রোগীদের জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে মাতৃভাষায় যোগাযোগের একটি সুযোগ রয়েছে।    কার্ডিওলজিতে তার কাজের পরিধি শুধু একটি নির্দিষ্ট হৃদরোগে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকাশিত পেশাগত তথ্য অনুযায়ী, তিনি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, উচ্চ কোলেস্টেরল, অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন এবং অন্যান্য হৃদরোগসংক্রান্ত সমস্যার রোগীদের চিকিৎসা করেন। তার পেশাগত প্রোফাইলে আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও রয়েছে।    এর আগে ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি পেশাগত সাময়িকীর প্রতিবেদনে ডা. মোর্শেদের কার্ডিওলজিতে কাজ, নিউক্লিয়ার কার্ডিওলজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি, কার্ডিয়াক সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি এবং অন্যান্য হৃদরোগ নির্ণয় পদ্ধতিতে তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছিল। একই প্রতিবেদনে জনস্বাস্থ্য ও প্রতিরোধমূলক হৃদরোগ চিকিৎসা নিয়ে তার কাজের কথাও উল্লেখ করা হয়।    বাংলাদেশি কমিউনিটির কাছে ডা. মঞ্জুর মোর্শেদের পরিচিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাংলা ভাষায় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতা এবং নিউইয়র্কের বিভিন্ন চিকিৎসা নেটওয়ার্কে তার সম্পৃক্ততা। তবে তাকে নিউইয়র্কের ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত’ বা ‘সেরা’ কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করার কোনো সরকারি র‌্যাংকিং নেই। যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, তার টানা চারবার ক্যাসল কনলি টপ ডাক্তার স্বীকৃতি এবং দীর্ঘদিনের কার্ডিওলজি চিকিৎসা অভিজ্ঞতাই তার পেশাগত পরিচয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক।    সূত্র: আইবিএল ইন্টারন্যাশনাল

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৯:৩৬
ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর জন্য দীর্ঘ শর্তের তালিকা প্রকাশ করে আলোচনায় আসা প্রযুক্তি খাতের নির্বাহী ব্রুক লেব্লাঁ। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিক হতে চাইলে মানতে হবে একের পর এক শর্ত, টেক নারীর তালিকা ভাইরাল

রোগীর চোখ পরীক্ষা করছেন একজন চিকিৎসক (প্রতীকী ছবি)

নিউইয়র্কে চোখের পরীক্ষা কোথায় করবেন, খরচ কত! জানুন

মাইকের গেমিং চ্যানেলের বিজ্ঞাপনে ১ লাখ ১৮ হাজার ডলার খরচ

৯ বছরের শিশুর ইউটিউব বিজ্ঞাপনে বাবার কোম্পানির ১ লাখ ১৮ হাজার ডলার খরচ

0 Comments