খেলাধুলা

বিসিবিতে রদবদল নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই সাকিবের; দুষলেন সাবেক সরকারকে

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ০:১১
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিসিবি সভাপতির পদে একের পর এক পরিবর্তন এবং দেশের ক্রিকেটের চলমান অস্থিরতা নিয়ে নিজের অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ক্রিকেট বোর্ডে কে এল বা কে গেল, তা নিয়ে তাঁর কোনো মাথাব্যথা নেই।

 

গত ৭ এপ্রিল বিসিবির নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে সাকিব বলেন, "এসব নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। কে আসল, কে গেল কিংবা এটা হলে কী হতো এসব নিয়ে আমার কোনো ভাবনা নেই।" তবে তিনি দ্রুত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর তাগিদ দিয়ে বলেন, এই ঘনঘন রদবদলে কেবল ক্রিকেটাররাই ভুক্তভোগী হচ্ছেন।

 

সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ বা আমিনুল ইসলাম বুলবুলরা বোর্ড প্রধান হিসেবে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় হতাশ কি না—এমন প্রশ্নে সাকিব সরাসরি তৎকালীন সরকারকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, "অবশ্যই খারাপ লাগার বিষয়। তবে আমার মনে হয়, তাদের ব্যর্থতার চেয়ে তখন যারা সরকারে ছিল, তাদের দায়টাই বেশি। তাদের সিদ্ধান্তের কারণেই বুলবুল ও ফারুক ভাই ব্যর্থ হয়েছেন।" সাকিবের মতে, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই সাবেক ক্রিকেটাররা বোর্ডে সফল হতে পারেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবিঃ সংগৃহীত
মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, দলে জায়গা হয়নি দুই আলোচিত তারকার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ কড়া নাড়ছে দুয়ারে। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এবার মাঠে নামার অপেক্ষায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য এই বৈশ্বিক আসরের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন আলবিসেলেস্তেদের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। প্রত্যাশামতোই দলকে নেতৃত্ব দেবেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। কাতার বিশ্বকাপের চেনা মুখগুলোর পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ প্রতিভাকে জায়গা দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী দল গঠন করেছে আর্জেন্টিনা টিম ম্যানেজমেন্ট।   কাতার বিশ্বকাপে ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে আর্জেন্টিনাকে পরম আরাধ্য সোনালি ট্রফি এনে দিয়েছিলেন মেসি। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো সেটাই মেসির শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালেও তিনি থাকছেন দলের মূল কাণ্ডারি হয়ে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলার সুবাদে উত্তর আমেরিকার পরিবেশ মেসির জন্য বেশ পরিচিত। নিজের চেনা আঙিনায় শিরোপা ধরে রাখার এই লড়াইয়ে মেসি কতটা জ্বলে ওঠেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তার কাঁধে ভর করেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে কোটি কোটি আর্জেন্টাইন ভক্ত। মেসির পাশে দিবু মার্টিনেজ, রদ্রিগো দে পল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লাউতারো মার্টিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজরা মিলে আর্জেন্টিনাকে এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। যেকোনো বড় টুর্নামেন্টের দল ঘোষণার পর কিছু চমক বা হতাশা থাকেই। স্কালোনির এই ২৬ জনের স্কোয়াডও তার ব্যতিক্রম নয়। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বেশ কয়েকজন চেনা মুখের বাদ পড়াটা ফুটবলপ্রেমীদের কিছুটা অবাক করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ফর্মে থাকলেও অভিজ্ঞদের ভিড়ে আক্রমণভাগে নিজের জায়গা পাকা করতে ব্যর্থ হয়েছেন এই প্রতিভাবান ফুটবলার। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি সম্ভবত মার্কোস আকুনিয়ার বাদ পড়া। কাতার ২০২২-এর বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং লেফট-ব্যাক পজিশনে দারুণ খেলা এই ডিফেন্ডারকে এবার স্কোয়াডে রাখেননি স্কালোনি। মূলত তরুণদের সুযোগ করে দিতে এবং দলের কৌশলে পরিবর্তন আনতেই আকুনিয়াকে বাদ দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে কোচকে। স্কালোনির এই স্কোয়াডে কাতার বিশ্বকাপের মূল কাঠামোটি সযত্নে ধরে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে গোলবার সামলানোর গুরুদায়িত্ব থাকছে যথারীতি এমিলিয়ানো 'দিবু' মার্টিনেজের বিশ্বস্ত হাতে। অ্যাস্টন ভিলার এই তারকা গোলরক্ষক যে বড় মঞ্চের খেলোয়াড়, তা তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন। রক্ষণভাগে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকে নিয়ে গড়া হয়েছে দুর্ভেদ্য দেয়াল।   অন্যদিকে, স্কালোনির দর্শনের একটি বড় দিক হলো মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ। মাঝমাঠে দলকে গতিশীল রাখার দায়িত্ব থাকবে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ এবং অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কাঁধে। এনজো ও ম্যাক অ্যালিস্টার এখন আর কেবল প্রতিশ্রুতিশীল নন, বরং তারা নিজেদের বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করেছেন। এই প্লেমেকারদের সাথে রিয়াল বেটিসের জিওভানি লো সেলসো এবং বায়ার লেভারকুজেনের এক্সেকিয়েল পালাসিওসের উপস্থিতি আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডকে আরও শক্তিশালী করেছে।   আক্রমণভাগে মেসির সাথে জুটি বাঁধবেন লাউতারো মার্টিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ। এই পরীক্ষিত ফরোয়ার্ডদের পাশাপাশি থিয়াগো আলমাদা, জুলিয়ানো সিমিওনে এবং নিকো পাজের মতো তরুণ রক্ত দলে নতুন মাত্রা যোগ করবে। ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে এক নতুন রূপ দিয়েছেন। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ—সবকিছুই তিনি জিতেছেন। তবে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার চাপ যে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তা তিনি ভালো করেই জানেন। ফুটবলের ইতিহাসে কেবল ইতালি ও ব্রাজিল টানা দুবার বিশ্বকাপ জিততে পেরেছে। সেই বিরল রেকর্ডের ভাগিদার হতে হলে স্কালোনিকে তার ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস আবারও দেখাতে হবে। স্কালোনি বরাবরই দলগত ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে থাকেন। এই ২৬ জনকে বাছাই করার ক্ষেত্রেও তিনি খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম, ফিটনেস এবং দলের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।   ৪৮ দলের এই মেগা টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে দীর্ঘস্থায়ী ফিটনেস ও ট্যাকটিক্যাল বৈচিত্র্যের কোনো বিকল্প নেই। স্কালোনির বাছাই করা এই স্কোয়াড সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে কতটা প্রস্তুত, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে। তবে কাগজ-কলমে আর্জেন্টিনা যে এবারের আসরের অন্যতম সেরা দল, তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।   একনজরে আর্জেন্টিনার ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড: গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা) হেরোনিমো রুলি (অলিম্পিক মার্সেই) হুয়ান মুসো (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ)   ডিফেন্ডার: লিওনার্দো বালের্দি (অলিম্পিক মার্সেই) নিকোলাস তালিয়াফিকো (অলিম্পিক লিওঁ) গনজালো মন্তিয়েল (রিভার প্লেট) লিসান্দ্রো মার্টিনেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো (টটেনহ্যাম হটস্পার) নিকোলাস ওতামেন্দি (বেনফিকা) ফাকুন্দো মেদিনা (অলিম্পিক মার্সেই) নাহুয়েল মলিনা (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ)   মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস (বোকা জুনিয়র্স) রদ্রিগো দে পল (ইন্টার মায়ামি) ভ্যালেন্তিন বার্কো (রেসিং স্ট্রাসবুর্গ) জিওভানি লো সেলসো (রিয়াল বেটিস) এক্সেকিয়েল পালাসিওস (বায়ার লেভারকুজেন) অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (লিভারপুল) এনজো ফার্নান্দেজ (চেলসি)   ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি) হুলিয়ান আলভারেজ (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) নিকো গনজালেজ (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) থিয়াগো আলমাদা (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) জুলিয়ানো সিমিওনে (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) নিকো পাজ (কোমো) হুয়ান ম্যানুয়েল লোপেজ (পালমেইরাস) লাউতারো মার্টিনেজ (ইন্টার মিলান)

মোহাম্মদ ইব্রাহিম প্রকাশ: মে ২৮, ২০২৬ ২৩:৪২
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি কে পরবে স্পষ্ট জানালেন ভিনিসিয়ুস

ছবি: সংগৃহীত

মাঠে নামার আগেই আলোচনায় ২০২৬ বিশ্বকাপের স্মার্ট বল ‘ট্রাইওন্ডা’

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল স্পেন, জায়গা পেল না রিয়াল মাদ্রিদের কেউ

পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো | ছবি: সংগৃহীত
আয়ের দিক থেকে ফোর্বসের শীর্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

ফোর্বসের জরিপে আয়ের দিক থেকে ফুটবল জগতের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা টানা চতুর্থ এবং সব মিলিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ফোর্বসের সর্বোচ্চ আয়কারী অ্যাথলেট নির্বাচিত হয়েছেন।   গত ১২ মাসে কর এবং এজেন্ট ফি বাদে রোনালদোর আনুমানিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে। এর মধ্যে সৌদির ক্লাব আল নাসরের খেলার চুক্তি থেকে তিনি পেয়েছেন ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাকি ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছে বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাত থেকে।   ফোর্বসের আয়ের তালিকায় ষষ্ঠবার শীর্ষে উঠে রোনালদো এখন বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানের পাশে স্থান করে নিয়েছেন। এই তালিকায় রেকর্ড ১১ বার শীর্ষে থেকে তার ওপরে আছেন কেবল যুক্তরাষ্ট্রের গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডস।   ৩০ কোটি ডলার আয়ের মাধ্যমে রোনালদো মুষ্টিযোদ্ধা ফ্লয়েড মেওয়েদার জুনিয়রের ২০১৫ সালের আয়ের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন। ১৯৯০ সালে ফোর্বস অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকা প্রকাশ শুরুর পর এটি এক বছরে যৌথভাবে সর্বোচ্চ আয়ের অনন্য রেকর্ড।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ২২, ২০২৬ ২২:৪২
চোট কাটিয়ে দ্রুত মাঠে ফেরার প্রস্তুতিতে নেইমার | ছবি: সংগৃহীত

নেইমারকে ঘিরে দুশ্চিন্তা কাটল, বিশ্বকাপের আগে চোট গুরুতর নয়

ছবি: সংগৃহীত

ট্রফি জয়ে শীর্ষস্থানে মেসি, রোনালদোর অবস্থান কত?

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে অধিনায়ক করে পর্তুগালের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

আসন্ন উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের জন্য ৪১ বছর বয়সী মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে অধিনায়ক করে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। মঙ্গলবার পর্তুগিজ কোচ রবের্তো মার্তিনেস এই দল ঘোষণা করেন। ঘোষিত এই স্কোয়াডে বিশ্বমঞ্চে দারুণ কিছুর প্রত্যাশায় অভিজ্ঞ ও একঝাঁক তরুণ প্রতিভার চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছেন তিনি।   এবারের আসরেও রোনালদোর কাঁধেই থাকছে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব, যা তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারে আরও একটি অনন্য মাইলফলক যোগ করতে যাচ্ছে।   ঘোষিত এই শক্তিশালী স্কোয়াডে রোনালদোর পাশাপাশি জায়গা পেয়েছেন ইউরোপীয় ফুটবলের পরীক্ষিত তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেস, বার্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াও, জোয়াও ফেলিক্স ও গনসালো রামোসের মতো ফরোয়ার্ডরা। দল ঘোষণার সময় কোচ মার্তিনেস এক আবেগঘন বার্তা দেন।   গত বছর অকালে না-ফেরার দেশে চলে যাওয়া দলের ফরোয়ার্ড দিয়োগো জোটাকে সম্মান জানিয়ে প্রতীকীভাবে তাকে এই স্কোয়াডের ‘২৭তম সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন কোচ, যা ফুটবলপ্রেমীদের বেশ আবেগাপ্লুত করেছে।   এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘কে’-তে খেলবে সাবেক ইউরো চ্যাম্পিয়নরা, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। আগামী ১৭ জুন হিউস্টনে কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে রোনালদোর দল। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন মিয়ামিতে শক্তিশালী কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা।   ঘোষিত স্কোয়াডে গোলকিপার হিসেবে আছেন দিওগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা ও রিকার্দো ভেলহো। রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকছেন রুবেন দিয়াস, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস ও দিওগো দালোতের মতো বিশ্বমানের ডিফেন্ডাররা। এছাড়া মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে থাকছেন ব্রুনো ফার্নান্দেস, ভিতিনহা, জোয়াও নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াও, পেদ্রো নেতো ও গনসালো রামোস।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ১৯, ২০২৬ ১৭:১০
ছবি: সংগৃহীত

কাল পাকিস্তানকে অলআউট করে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী শন টেইট

নেইমার জুনিয়র । ফাইল ছবি

সব জল্পনার অবসান, নেইমারকে নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করল ব্রাজিল

সরদার আজমুন। এএফসি

দুবাইয়ের শাসকের সঙ্গে ছবি ঘিরে বিতর্ক, বিশ্বকাপ দলে জায়গা হলো না ইরানি স্ট্রাইকার সরদার আজমুনের

0 Comments