গণহত্যা

ছবি: সংগৃহীত।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত: আরও ৬ ফিলিস্তিনি নিহত

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা ও ‘গণহত্যা’ থামার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত গাজা সিটি এবং খান ইউনিসে নতুন করে ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত ৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আঞ্চলিক উত্তজনা এবং ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজা সিটি এবং খান ইউনিসের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় রাতভর বিমান ও স্থল হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনারা। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রগুলো নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। এছাড়া খান ইউনিসে একটি পুলিশ পোস্টে হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ১০ অক্টোবর ঘোষিত তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ ইসরায়েল শত শত বার লঙ্ঘন করেছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন এবং যুদ্ধবিরতির নাটক শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৬৫৫ ছাড়িয়ে গেছে। ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যেই গাজায় আঘাত হেনেছে তীব্র ধূলিঝড়। এতে তাঁবুতে বসবাসকারী হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনির কষ্ট কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। জীর্ণ তাঁবুর ভেতরে ধুলোবালি ঢুকে পড়ায় বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। রাফাহ সীমান্ত পারাপার বন্ধ থাকায় হাজার হাজার আহত ফিলিস্তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যেতে পারছেন না। ১২ বছর বয়সী হামদির মতো অনেক শিশু মেরুদণ্ডে আঘাত পেয়ে পঙ্গুত্বের পথে। হামদির বাবা আমের হামাদি আল জাজিরাকে বলেন, "আমার ছেলে প্রতিদিন অন্য শিশুদের ফুটবল খেলা দেখে কাঁদে আর জিজ্ঞেস করে— বাবা, আমি কেন হাঁটতে পারি না?" চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জরুরি অস্ত্রোপচার করা গেলে হামদি হয়তো আবার হাঁটতে পারতেন, কিন্তু সীমান্ত বন্ধ থাকায় তার জীবন এখন অনিশ্চিত। দুই সপ্তাহ আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে শুরু হওয়া সরাসরি সংঘাত গাজা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় খাদ্য ও জ্বালানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। রান্নার গ্যাসের অভাবে মানুষ প্লাস্টিক ও কাঠ পুড়িয়ে রান্না করতে বাধ্য হচ্ছে, যা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, গাজায় নারীদের বাঁচার ন্যূনতম পরিবেশ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি পরিকল্পিত কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরায়েল। গাজাবাসীর বর্তমান অবস্থাকে মানবিক সহায়তাকারীরা ‘নরকযন্ত্রণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
২৫ মার্চ কালরাতে দেশজুড়ে এক মিনিটের ‘প্রতীকী ব্ল্যাকআউট’: গণহত্যা দিবসে বিশেষ কর্মসূচি

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় শহীদদের স্মরণে এবার দেশজুড়ে পালিত হবে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’। আগামী ২৫ মার্চ রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা (কেপিআই) ছাড়া সারা দেশ অন্ধকারে ডুবিয়ে এই শোক পালন করা হবে। রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তা ও ভাবগাম্ভীর্য রক্ষায় নেওয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ।   সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, শোকের আবহাওয়া বজায় রাখতে ২৫ মার্চ রাতে সারা দেশের কোথাও কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। এমনকি বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেও কোনো আলোকসজ্জা না করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বিতভাবে কার্যকর করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণের আয়োজন করা হবে। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে নতুন প্রজন্মের কাছে ২৫ মার্চের বর্বর ইতিহাসের সত্য তুলে ধরা হবে। এছাড়া এদিন দুপুর ১২টা থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যার ওপর নির্মিত দুর্লভ আলোকচিত্র এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে, যা সাধারণ মানুষকে ইতিহাসের সেই কালো অধ্যায় সম্পর্কে সজাগ করবে।   শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় এদিন জোহরের নামাজের পর সারা দেশের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচিটি সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জাতীয় ইতিহাসের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দিবসকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে সভায় আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
নিলি কুফার-নাউরি ও র‍্যাচেল তিউতু
দুই ইহুদী নারীর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যামূলক কার্যক্রমে সরাসরি সহায়তার অভিযোগে এবার নিলি কুফার-নাউরি ও র‍্যাচেল তিউতু নামে দুই নারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে ফ্রান্স। দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী এই দুই কট্টরপন্থী নারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।   তাদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ—যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা ও ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশে তারা সক্রিয়ভাবে বাধা দিয়েছেন। ফরাসি সংবাদপত্র ‘লে মঁদ’-এর তথ্যমতে, নিলি কুফার-নাউরি ‘ইসরায়েল ইজ ফরএভার’ নামক সংগঠনের প্রধান এবং র‍্যাচেল তিউতু ‘তসাভ ৯’ সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছিলেন।   মানবাধিকার সংগঠনগুলোর করা মামলার প্রেক্ষিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে কুফার-নাউরি ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন যে, কারাবরণের ভয়ে তিনি হয়তো আর কখনোই ফ্রান্সে ফিরবেন না। গাজায় চলমান মানবিক সংকটের মধ্যে ত্রাণ আটকে দেওয়াকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন ও গণহত্যার অংশ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0