টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান
তথ্য গোপনীয়তার সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে': ড. ইফতেখারুজ্জামান

দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে তথ্য অধিকার কমিশন গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। রোববার (৮ মার্চ) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বিগত দেড় দশকে দেশে তথ্য গোপনের যে সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। অনুষ্ঠানে ড. ইফতেখারুজ্জামান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান যে, নারী অধিকার এবং তথ্য অধিকার একে অপরের পরিপূরক। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, গত ১৬-১৭ বছরে তথ্য অধিকারকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে বরং নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। এমনকি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, মানবাধিকার কমিশনের মতো তথ্য কমিশনও এখনো আলোর মুখ দেখেনি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অনেক খাত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনসমক্ষ থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে। এই অচলাবস্থা নিরসনে তিনি প্রস্তাব করেন: আইনের মাধ্যমে কমিশনারদের পদমর্যাদা সুনির্দিষ্ট করতে হবে। কমিশনের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে তথ্যের অধিকার নিয়ে ছয়টি সুনির্দিষ্ট ধারা রয়েছে। নতুন সরকার গঠিত হলে সেই প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, টিআইবি তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
টিআইবির বিস্ফোরক পর্যবেক্ষণ
নির্বাচন ও সাংবাদিকতায় অশনিসংকেত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নির্বাচনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। রাজনৈতিক চাপের মুখে নতি স্বীকার করা থেকে শুরু করে আচরণবিধি লঙ্ঘনে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া—সব মিলিয়ে এক অস্থির সময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে টিআইবি।   আজকের সংবাদ সম্মেলনের প্রধান পয়েন্টগুলো একনজরে:   ইসির সীমাবদ্ধতা: নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং প্রার্থীদের লাগামহীন নির্বাচনী ব্যয় ও আচরণবিধি লঙ্ঘনে তারা নির্বিকার।   ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র: দেশের ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্রই এখন ঝুঁকির মুখে, অথচ নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেই কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ।   গণমাধ্যমের ওপর আঘাত: 'বাংলাদেশ টাইমস'-এর ২১ জন কর্মীকে তুলে নেওয়ার ঘটনাকে 'মধ্যযুগীয় বর্বরতা' হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।   স্বচ্ছতার অভাব: দীর্ঘ দেড় বছরেও উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে না পারাটা সুশাসনের পথে বড় বাধা।   দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে টিআইবির এই উদ্বেগ কি অমূলক? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
টিআইবি
গুমে জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিতে সরকার দুর্বল

গুমের ঘটনায় জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র ও আইন সংস্কারের উদ্যোগগুলো বর্তমানে এক নাজুক অবস্থায় রয়েছে।   সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম: গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশকালে এসব তথ্য জানানো হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে টিআইবি উল্লেখ করেছে, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর একাংশের বিরুদ্ধে গুমের আলামত নষ্ট করার গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সরকার তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে, বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ১০ জন সেনাকর্মকর্তার পলায়ন রোধ করতে না পারাটা সরকারের বড় ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতা। সংস্থাটি আরও অভিযোগ করেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অভিযুক্ত ১৫ জন সেনাকর্মকর্তাকে সেনানিবাসের অভ্যন্তরে ‘সাবজেল’ বা উপ-কারাগারে রাখা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ।   টিআইবির গবেষণায় উঠে এসেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও তার পরবর্তী সময়ে সারা দেশে মোট ১ হাজার ৭৮৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা মামলা ৮৩৭টি। যদিও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড এবং কিছু পুলিশ কর্মকর্তার সাজার রায় এসেছে, কিন্তু গুমের বিচারের প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। এছাড়া পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলায় ১ হাজার ১৬৮ জন অভিযুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়েছেন মাত্র ৬১ জন।   সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচনে পুনরায় অর্থ, পেশীশক্তি এবং ধর্মের অপব্যবহারের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যদি এই প্রবণতা বন্ধ করা না যায়, তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।” তিনি আরও বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত যারা বিদেশে পালিয়েছে, তাদের ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।   সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা ড. সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক মোহাম্মদ তাওহিদুল ইসলাম ও মো. বদিউজ্জামান। বক্তারা জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কাজের সমন্বয়হীনতা এবং গণ-অভ্যুত্থান জাদুঘর নির্মাণে সরকারি ক্রয় নীতি লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলো নিয়েও সমালোচনা করেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0