বন্দর

দক্ষিণের কোচি শহরে আইআরআইএস লাভান নোঙর করে আছে।
ইরানি নৌযানকে আশ্রয় দিল ভারত

শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সামরিক অভিযানের ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নয়াদিল্লি। ইরানি নৌযান 'আইআরআইএস লাভান'-কে ভারতের কোচি বন্দরে নোঙর করার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে মোদী সরকার।  শনিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বার্ষিক 'রাইসিনা ডায়ালগ' অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত বুধবার থেকে কেরালার কোচি বন্দরে অবস্থান করছে ইরানি এই নৌযানটি। একই দিনে শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানের অপর একটি ফ্রিগেট 'দেনা'-তে বিধ্বংসী হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যাতে অন্তত ৮৭ জনের প্রাণহানি ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয়ের আবেদন জানানো হলে ভারত এই সিদ্ধান্ত নেয়। এস জয়শঙ্কর বলেন, "আইনি জটিলতা যাই থাক না কেন, আমরা স্রেফ মানবিকতার খাতিরে এই পদক্ষেপ নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি আমরা সঠিক কাজটিই করেছি।" তিনি আরও জানান, জাহাজগুলো এর আগে ভারতের নৌ মহড়ায় অংশ নিলেও বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তারা পরিস্থিতির ভুল দিকে আটকা পড়েছিল। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, ইরানি নৌবাহিনীকে নির্মূল করাই বর্তমানে মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। এমন উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতের এই 'মানবিক' অবস্থান বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট আপাতত স্থগিত, সময়সীমা ১৫ ফেব্রুয়ারি
চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট আপাতত স্থগিত, সময়সীমা ১৫ ফেব্রুয়ারি

চট্টগ্রাম বন্দরে ঘোষিত চলমান কর্মবিরতি আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপিত পাঁচটি দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।   রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম খোকনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এনসিটি (নিউ কনটেইনার টার্মিনাল) বিষয়ে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এবং বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের মেয়াদে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   তবে অভিযোগ করা হয়, আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বন্দর কর্তৃপক্ষ পাঁচজন কর্মচারীকে গ্রেফতার ও মামলা করেছে। পাশাপাশি ১৫ জন কর্মচারীকে দেশের বিভিন্ন বন্দরে বদলি করা হয়েছে, যা হয়রানিমূলক বলে দাবি করা হয়। আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বাসা বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে এবং ১৬ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।   সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজান মাসে পণ্য খালাস নির্বিঘ্ন রাখতে জনস্বার্থে এই কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উল্লিখিত পাঁচটি সমস্যার সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।   উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা মো. হুমায়ুন কবীর।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর। আজ রোববার সকাল আটটা থেকে 'চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ'-এর ডাকে শুরু হয়েছে এই অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট।   জেটি ও বহির্নোঙরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের পণ্য আমদানির প্রধান এই প্রবেশদ্বার। আসন্ন রমজান এবং জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এমন অচলাবস্থায় দেশের অর্থনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা। পরিস্থিতি নিরসনে ইতিবাচক কোনো সমাধান না আসায় তারা এখন সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।   আন্দোলনকারীদের প্রধান ৪টি দাবি হলো: এনসিটি কোনো বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা না দেওয়া। বর্তমান বন্দর চেয়ারম্যানের প্রত্যাহার। আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া।   উল্লেখ্য, এর আগে নৌপরিবহন উপদেষ্টার আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করা হলেও, আন্দোলনকারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের নির্দেশে পরিস্থিতি আবারও জটিল আকার ধারণ করেছে। দ্রুত সমাধান না হলে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ এবং রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরণের ধস নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ঘোষণা
চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অচলাবস্থা: রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ঘোষণা

রোববার থেকে থমকে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল কার্যক্রম। দুবাইভিত্তিক কোম্পানি 'ডিপি ওয়ার্ল্ড'-এর সাথে চুক্তি বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে এবার আর কোনো আপস নয়, সরাসরি অনির্দিষ্টকালের লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।   গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো যা আপনার জানা প্রয়োজন:   সব কার্যক্রম বন্ধ: এবারের ধর্মঘটে বন্দরের ভেতরে কাজ তো বটেই, এমনকি বহির্নোঙরের পণ্য খালাসও পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।   কেন এই কঠোর সিদ্ধান্ত: বন্দর নেতাদের দাবি, বারবার আল্টিমেটাম দিলেও সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় এই চূড়ান্ত কর্মসূচি।   আন্দোলনের মূল দাবি: ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে ইজারা চুক্তি বাতিল, বন্দরের চেয়ারম্যানের প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নেতাদের নামে থাকা মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার।   অচল হওয়ার পথে আমদানি-রপ্তানি: এর আগে কালো পতাকা মিছিল ও কর্মবিরতি চললেও বৃহস্পতিবার তা শিথিল ছিল। কিন্তু দাবি আদায় না হওয়ায় দুই দিনের মাথায় আবারও অচল হচ্ছে দেশের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড।   শ্রমিক নেতাদের হুঁশিয়ারি—দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো কর্মচারী কাজে ফিরবেন না। এই অচলাবস্থায় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।   আপনার কি মনে হয়, ইজারা পদ্ধতি কি বন্দরের জন্য সমাধান নাকি সংকট? আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করুন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম বন্দরে এবার অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বন্দর এলাকায় আয়োজিত অবরোধ কর্মসূচি থেকে আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন শ্রমিক নেতা ইব্রাহিম খোকন।   শ্রমিক নেতাদের প্রধান দাবিগুলো হলো: এনসিটি জেটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া বন্ধ করা। চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ। আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর দেওয়া বদলির আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার।   হুমকি ও দমনের অভিযোগ: শ্রমিক দলনেতা ইব্রাহিম খোকন অভিযোগ করে বলেন, নৌ-উপদেষ্টা শ্রমিকদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির ভয় দেখাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের এমন দমন-পীড়নের প্রতিবাদেই তারা এই কঠোর পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন।   প্রভাবিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি: ইতিমধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতিতে বন্দরের সিসিটি ও এনসিটিসহ সব টার্মিনালে পণ্য ওঠানামা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জাহাজ জেটিতে বসে থাকায় এবং রপ্তানি পণ্য আটকে পড়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর ফলে পোশাক খাতের শিপমেন্ট শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত।   পুলিশি বাধা এবং কর্তৃপক্ষের অনমনীয় অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0