প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এবার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যতিক্রম হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সচিব কানিজ মওলা জানিয়েছেন, আপাতত ১৭ ফেব্রুয়ারির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই হতে পারে বলে আগে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ। যদিও প্রাথমিকভাবে বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল, পরে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এই সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি পেয়েছে ২০৯টি আসন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে নতুন যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের পরবর্তী প্রশাসনিক রূপরেখা নির্ধারণে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই নতুন মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। সচিবালয়ে আজ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি নিশ্চিত করেন যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মূল যে বিষয়গুলো আপনার জানা প্রয়োজন: শপথ কে পড়াবেন: আওয়ামী লীগ আমলে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। অতিথি তালিকা: রাজকীয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন প্রায় এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি। প্রস্তুতি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সংবিধানের ধারা বজায় রেখে এই নতুন পথচলা দেশের রাজনীতিতে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে এবার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যতিক্রম হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতীয় সংসদের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। পরদিন শুক্রবার রাতে নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সচিব কানিজ মওলা জানিয়েছেন, আপাতত ১৭ ফেব্রুয়ারির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই হতে পারে বলে আগে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ। যদিও প্রাথমিকভাবে বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল, পরে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এই সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি পেয়েছে ২০৯টি আসন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে নতুন যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের পরবর্তী প্রশাসনিক রূপরেখা নির্ধারণে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই নতুন মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। সচিবালয়ে আজ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি নিশ্চিত করেন যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মূল যে বিষয়গুলো আপনার জানা প্রয়োজন: শপথ কে পড়াবেন: আওয়ামী লীগ আমলে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। অতিথি তালিকা: রাজকীয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন প্রায় এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি। প্রস্তুতি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সংবিধানের ধারা বজায় রেখে এই নতুন পথচলা দেশের রাজনীতিতে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy