ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোলাবারুদের মজুত নিয়ে চাপে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ কিছু অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে পেন্টাগন—এমন তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের ভেতরের আলোচনায় থাকা এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ দেশটির ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্যমতে, ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর গত চার সপ্তাহে ৯ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ব্যবহৃত হয়েছে বিপুল পরিমাণ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদ। ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত সূত্রগুলো জানায়, ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র—অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এসব অস্ত্র মূলত পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো-এর একটি কর্মসূচির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে মিত্রদেশগুলো ইউক্রেনের জন্য মার্কিন অস্ত্র কিনে থাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি সামরিক সহায়তার বড় অংশ সীমিত করলেও ‘ইউক্রেনের অগ্রাধিকারমূলক তালিকা’ কর্মসূচির মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অংশের গোলাবারুদ সরবরাহ করা হচ্ছে। এদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দুইজন ইউরোপীয় কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে দ্রুতগতিতে গোলাবারুদ ব্যবহার করছে, তাতে ইউরোপের নিজস্ব অস্ত্র সরবরাহও বিলম্বিত হতে পারে। একই সঙ্গে ইউক্রেনে চলমান সরঞ্জাম সহায়তা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। রাশিয়ার হামলার মুখে ইউক্রেনের জন্য এই আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে সরবরাহে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হলে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্পষ্ট করে জানায়নি—এই অস্ত্রগুলো পরে সরবরাহ করা হবে, নাকি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জরুরি সামরিক প্রয়োজন দেখা দিলে পেন্টাগন সরবরাহের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করতে পারে। এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোলাবারুদের মজুত নিয়ে চাপে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ কিছু অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে পেন্টাগন—এমন তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের ভেতরের আলোচনায় থাকা এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ দেশটির ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্যমতে, ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর গত চার সপ্তাহে ৯ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ব্যবহৃত হয়েছে বিপুল পরিমাণ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদ। ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত সূত্রগুলো জানায়, ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র—অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এসব অস্ত্র মূলত পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো-এর একটি কর্মসূচির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে মিত্রদেশগুলো ইউক্রেনের জন্য মার্কিন অস্ত্র কিনে থাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি সামরিক সহায়তার বড় অংশ সীমিত করলেও ‘ইউক্রেনের অগ্রাধিকারমূলক তালিকা’ কর্মসূচির মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অংশের গোলাবারুদ সরবরাহ করা হচ্ছে। এদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দুইজন ইউরোপীয় কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে দ্রুতগতিতে গোলাবারুদ ব্যবহার করছে, তাতে ইউরোপের নিজস্ব অস্ত্র সরবরাহও বিলম্বিত হতে পারে। একই সঙ্গে ইউক্রেনে চলমান সরঞ্জাম সহায়তা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। রাশিয়ার হামলার মুখে ইউক্রেনের জন্য এই আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে সরবরাহে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হলে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্পষ্ট করে জানায়নি—এই অস্ত্রগুলো পরে সরবরাহ করা হবে, নাকি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জরুরি সামরিক প্রয়োজন দেখা দিলে পেন্টাগন সরবরাহের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করতে পারে। এদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy