আমেরিকা

আমেরিকার সবচেয়ে শিক্ষিত ও সবচেয়ে কম শিক্ষিত শহর কোনটি? প্রকাশ পেল নতুন তালিকা

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: জুলাই ৬, ২০২৬ ১৯:১২
ছবি: আমেরিকার সবচেয়ে শিক্ষিত ও কম শিক্ষিত শহরের তালিকা প্রকাশ পেল
ছবি: আমেরিকার সবচেয়ে শিক্ষিত ও কম শিক্ষিত শহরের তালিকা প্রকাশ পেল

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শিক্ষিত এবং সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকার নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে ব্যক্তিগত অর্থবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটহাব। শিক্ষা-সংক্রান্ত ১১টি সূচকে দেশের ১৫০টি বৃহত্তম মহানগর এলাকা বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে মিশিগানের অ্যান আরবারকে সবচেয়ে শিক্ষিত এবং ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়াকে সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যান আরবারে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বাসিন্দাদের প্রায় ৯৬ শতাংশের অন্তত হাইস্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে। এছাড়া ৫৮ শতাংশের বেশি মানুষের স্নাতক (ব্যাচেলর) ডিগ্রি এবং প্রায় ৩১ শতাংশের স্নাতকোত্তর বা পেশাগত উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে। শিক্ষাগত অর্জনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান, সরকারি স্কুলব্যবস্থা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য কম থাকার কারণেও শহরটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

 

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নর্থ ক্যারোলিনার ডারহাম এবং তৃতীয় স্থানে উইসকনসিনের ম্যাডিসন। এরপর রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসে, ওয়াশিংটন ডিসি, র‍্যালি, সান ফ্রান্সিসকো, অস্টিন, সিয়াটল ও বোস্টন।

 

অন্যদিকে, তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে টেক্সাসের ম্যাকঅ্যালেন–এডিনবার্গ–মিশন ও ব্রাউনসভিল–হারলিনজেন, এরপর ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ড, মোডেস্টো, সালিনাস, ফ্রেসনো ও স্টকটন।

 

ওয়ালেটহাবের বিশ্লেষক চিপ লুপো বলেন, উচ্চশিক্ষা ভবিষ্যতে আর্থিক সাফল্যের নিশ্চয়তা না দিলেও ভালো কর্মসংস্থান ও আয়ের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তার মতে, যেসব শহর শৈশব থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে এবং বর্ণ ও লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষা বৈষম্য কমাতে সক্ষম হয়, সেসব শহর দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবেও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

 

এই র‌্যাঙ্কিং তৈরিতে দুটি প্রধান বিষয়—‘শিক্ষাগত অর্জন’ এবং ‘শিক্ষার মান ও অর্জনের বৈষম্য’—বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় হাইস্কুল, কলেজ, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীর হার, সরকারি স্কুলের মান, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান, শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, গ্রীষ্মকালীন শিক্ষার সুযোগ এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বর্ণ ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যসহ মোট ১১টি সূচক মূল্যায়ন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: আমেরিকার সবচেয়ে শিক্ষিত ও কম শিক্ষিত শহরের তালিকা প্রকাশ পেল
আমেরিকার সবচেয়ে শিক্ষিত ও সবচেয়ে কম শিক্ষিত শহর কোনটি? প্রকাশ পেল নতুন তালিকা

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শিক্ষিত এবং সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকার নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে ব্যক্তিগত অর্থবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটহাব। শিক্ষা-সংক্রান্ত ১১টি সূচকে দেশের ১৫০টি বৃহত্তম মহানগর এলাকা বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে মিশিগানের অ্যান আরবারকে সবচেয়ে শিক্ষিত এবং ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়াকে সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যান আরবারে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বাসিন্দাদের প্রায় ৯৬ শতাংশের অন্তত হাইস্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে। এছাড়া ৫৮ শতাংশের বেশি মানুষের স্নাতক (ব্যাচেলর) ডিগ্রি এবং প্রায় ৩১ শতাংশের স্নাতকোত্তর বা পেশাগত উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে। শিক্ষাগত অর্জনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান, সরকারি স্কুলব্যবস্থা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য কম থাকার কারণেও শহরটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।   তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নর্থ ক্যারোলিনার ডারহাম এবং তৃতীয় স্থানে উইসকনসিনের ম্যাডিসন। এরপর রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসে, ওয়াশিংটন ডিসি, র‍্যালি, সান ফ্রান্সিসকো, অস্টিন, সিয়াটল ও বোস্টন।   অন্যদিকে, তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কম শিক্ষিত মহানগর এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে টেক্সাসের ম্যাকঅ্যালেন–এডিনবার্গ–মিশন ও ব্রাউনসভিল–হারলিনজেন, এরপর ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ড, মোডেস্টো, সালিনাস, ফ্রেসনো ও স্টকটন।   ওয়ালেটহাবের বিশ্লেষক চিপ লুপো বলেন, উচ্চশিক্ষা ভবিষ্যতে আর্থিক সাফল্যের নিশ্চয়তা না দিলেও ভালো কর্মসংস্থান ও আয়ের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তার মতে, যেসব শহর শৈশব থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে এবং বর্ণ ও লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষা বৈষম্য কমাতে সক্ষম হয়, সেসব শহর দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবেও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।   এই র‌্যাঙ্কিং তৈরিতে দুটি প্রধান বিষয়—‘শিক্ষাগত অর্জন’ এবং ‘শিক্ষার মান ও অর্জনের বৈষম্য’—বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় হাইস্কুল, কলেজ, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীর হার, সরকারি স্কুলের মান, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান, শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, গ্রীষ্মকালীন শিক্ষার সুযোগ এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বর্ণ ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যসহ মোট ১১টি সূচক মূল্যায়ন করা হয়েছে।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: জুলাই ৬, ২০২৬ ১৯:১২
ছবি: মানন শাহ ও অঙ্কিত গুপ্তা। ওহাইওতে স্বর্ণ প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত (সংগৃহীত)

ভুয়া এফবিআই কর্মকর্তার ফাঁদে ২ লাখ ডলারের স্বর্ণ হারালেন বৃদ্ধা, ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই যুবক গ্রেপ্তার

Donald Trump ছবি: Reuters

‘বোর্ড অব পিস’-এর ট্রেডমার্ক আবেদন প্রত্যাহার করল মার্কিন পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস

ছবি: সাবেক ৩ কেয়ারগিভার ম্যাকেনজি বোলফা, অব্রি গ্রানাটা ও জেড উইলিয়ামস (সংগৃহীত)

নার্সিং হোমে বৃদ্ধদের অমানবিক নির্যাতন, স্ন্যাপচ্যাটে ধারণ করা হতো ভিডিও; তিন সাবেক কেয়ারগিভারের কারাদণ্ড

DONALD TRUMP ছবি: সংগৃহীত
আমরা অপরাধীদের দেশে থাকতে দিচ্ছি না, কারণ তারা অপরাধী- ট্রাম্প

অপরাধের বড় অংশ অল্পসংখ্যক ব্যক্তির কারণে ঘটে বলে মন্তব্য; ওয়াশিংটন ডিসিকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন একটি প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে গত ৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অপরাধের হার দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, অপরাধ দমনে কঠোর আইন প্রয়োগের নীতিই ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।   এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “আমরা অপরাধীদের দেশে থাকতে দিচ্ছি না, কারণ তারা অপরাধী। একটি পরিসংখ্যান আমার খুবই পছন্দ—শহরগুলোর ৯১ শতাংশ অপরাধ মাত্র ২ শতাংশ মানুষের কারণে ঘটে। সেই ২ শতাংশকে সরিয়ে দিতে পারলেই অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। ওয়াশিংটন ডিসি তার একটি উদাহরণ।”   তবে ট্রাম্প যে “৯১ শতাংশ অপরাধ ২ শতাংশ মানুষের কারণে ঘটে”—এমন পরিসংখ্যানের কথা বলেছেন, তার উৎস তিনি উল্লেখ করেননি। স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাইও সম্ভব হয়নি।   অপরাধ দমন ও অভিবাসন নীতি ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু। প্রশাসনের দাবি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধের হার কমেছে। অন্যদিকে, অপরাধসংক্রান্ত পরিসংখ্যানের মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে এবং জাতীয় অপরাধ পরিস্থিতি নির্ধারণে সাধারণত সরকারি অপরাধ তথ্য ও স্বাধীন গবেষণা একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৬, ২০২৬ ১৬:২০
ছবি: ড. আবদুল এল-সায়েদ। প্রাইমারিতে জিতলে ইতিহাস গড়ার দৌড়ে এগিয়ে যাবেন তিনি (সংগৃহীত)

মিশিগানের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে জিতলে ইতিহাস গড়ার পথে আবদুল এল-সায়েদ, হতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর

ছবি: টেক্সাসের সিডার পার্কে আলোচিত ঘটনার সময় তোলা বলে দাবি করা ছবি (সংগ্রহীত)

টেক্সাসে সড়কের পাশে প্রকাশ্যে মলত্যাগের ঘটনায় ক্ষোভ, অভিযুক্তের পরিচয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা

FBI ছবি: সংগৃহীত

শিকাগোতে ‘অপারেশন নিউ ডন’: ৩০৫ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২৪ নিখোঁজ শিশু

ছবি: ‘লস চাপিতোস’ গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা
‘এল চাপো’র পলাতক দুই ছেলেকে ধরতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

মাদক সম্রাট হোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমান-এর পলাতক দুই ছেলে ইভান আর্চিভালদো গুজমান সালাজার এবং হেসুস আলফ্রেদো গুজমান সালাজার-কে গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্যের জন্য প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই দুই ভাইকে মেক্সিকোর কুখ্যাত ‘লস চাপিতোস’ গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।   যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) জানিয়েছে, দুই ভাই এখনও পলাতক রয়েছেন। তাঁদের অবস্থান বা গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্য দিলে পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংস্থাটি জনসাধারণকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের নিজেরা আটক করার চেষ্টা করা উচিত নয়, কারণ তারা সশস্ত্র ও অত্যন্ত বিপজ্জনক।   যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, কারাবন্দি মাদক সম্রাট এল চাপো-র গ্রেপ্তারের পর তাঁর মাদক পাচার চক্রের একটি বড় অংশ পরিচালনার দায়িত্ব নেন এই দুই ভাই। তাদের নেতৃত্বাধীন ‘লস চাপিতোস’ গোষ্ঠী মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেল-এর অন্যতম প্রভাবশালী অংশ হিসেবে পরিচিত।   সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল ও অন্যান্য মাদক পাচারের সঙ্গে এই গোষ্ঠীর নাম বারবার উঠে এসেছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ফেডারেল অভিযোগ রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।   তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানিয়েছে ICE। সংস্থাটি যেকোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দ্রুত কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৬, ২০২৬ ১৫:০
ছবি: সুলতানা রাজিয়া। ফেডারেল অপহরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত; এখন সাজা ঘোষণার অপেক্ষা(সংগ্রহীত)

টিকটক বিরোধ থেকে অপহরণ মামলায় দোষী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলতানা রাজিয়া, আদালতে সাজা ঘোষণার অপেক্ষা

ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

ম্যাকডোনাল্ডসের পার্কিং লটে গুলিবর্ষণ, ১১ বছরের শিশুর মাথায় আটকে আছে গুলি

মেমফিসে টম লি পার্কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘মেমফিস সেফ টাস্কফোর্স’-এর বিশেষ টহল | ছবি: এপি

আমেরিকায় সেনার গুলিতে ২০ বছরের তরুণ নিহত: ট্রাম্পের বিতর্কিত সেনা মোতায়েন নিয়ে তোলপাড়!

0 Comments