সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

উঠোনে সবজি চাষ করেই বিপাকে ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যক্তি, গুনছেন একের পর এক জরিমানা!

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১৭:২৩
ক্যালিফোর্নিয়ার এই ব্যক্তি নিজের উঠোনে নানা ধরনের ফল ও সবজি চাষ করেন
ক্যালিফোর্নিয়ার এই ব্যক্তি নিজের উঠোনে নানা ধরনের ফল ও সবজি চাষ করেন

নিজের বাড়ির সামনের উঠোনে ফল-সবজির বাগান করেই বিপাকে পড়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার চাইনো শহরের বাসিন্দা মাইকেল শেরম্যান। শখের বাগানটি এখন তার জন্য রীতিমতো জরিমানার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া গাছপালা’র অভিযোগে এরই মধ্যে তাকে ৭৫০ ও ৫০০ ডলারের দুটি জরিমানা করেছে শহর কর্তৃপক্ষ। এবারও নিয়ম না মানলে আরও ৫০০ ডলার জরিমানার মুখে পড়তে পারেন তিনি।
 

৪৯ বছর বয়সী শেরম্যান পেশায় ল্যান্ডস্কেপ ঠিকাদার। ২০১৯ সালে সম্ভাব্য খাদ্যসংকট নিয়ে উদ্বেগ থেকে বাড়ির সামনের লনে সবজি ও ফলের গাছ লাগানো শুরু করেন তিনি। কয়েক বছর পর সেই ছোট্ট উদ্যোগই পরিণত হয়েছে বেশ বড়সড় বাগানে।


তার বাগানে এখন মিষ্টি আলু, স্কোয়াশ, আদা, হলুদ, হর্সর‍্যাডিশ, কলা, আখ, বরই, পিচ, ব্লুবেরি, প্যাশনফ্রুটসহ নানা ধরনের ফল ও সবজি জন্মে। এমনকি ঔষধি গুণের কথা উল্লেখ করে তিনি ইচ্ছা করেই ড্যান্ডেলিয়নও চাষ করেন।


শেরম্যানের দাবি, অধিকাংশ প্রতিবেশীই তার বাগান পছন্দ করেন। তবে পাশের একজন প্রতিবেশীর অভিযোগ থেকেই শহরের এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তার ধারণা। যদিও এক প্রতিবেশী সিবিএস লস অ্যাঞ্জেলেসকে জানিয়েছেন, বাগানটি সবসময় ঠিকমতো ছাঁটাই করা হয় না এবং সেখানে ইঁদুরের উপদ্রব নিয়ে তার উদ্বেগ রয়েছে।


শেরম্যান অবশ্য বলছেন, তার জমিতে অতীতে ইঁদুরের সমস্যা থাকলেও কয়েক বছর ধরে তা নেই। তার মতে, বাড়ির পাশে শুধু খালি মাটি থাকলেও ইঁদুরের সমস্যা তৈরি হতে পারে।


শহর কর্তৃপক্ষের অভিযোগের বিষয়ে শেরম্যানের আরেকটি আপত্তি হলো—ঠিক কোন গাছগুলো সমস্যা তৈরি করছে, তা তাকে স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে না। তার ভাষ্য, স্কোয়াশের মতো অনেক গাছই মৌসুমি; এগুলো স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত বেড়ে ওঠে, ফুল দেয় এবং এক বছরের মধ্যেই মারা যায়।


চাইনো শহরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাগান নিয়ে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। তবে বাকি অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া গাছপালা ছাঁটাই বা সরিয়ে না ফেলা পর্যন্ত নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি বহাল থাকবে।


শেরম্যানের বক্তব্য, নিজের পরিবারের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন খাবার নিশ্চিত করতেই তিনি বাড়িতে চাষাবাদ করছেন। বাজারের খাবারে কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়ে তার আস্থা নেই। তাই নিজের হাতে যতটা সম্ভব নিরাপদ খাবার উৎপাদন করতে চান তিনি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে মেডিকেল বিলিং ও কোডিংয়ে ক্যারিয়ারের সুযোগ
নিউইয়র্কে মেডিকেল বিলিং-কোডিংয়ে চাকরির সুযোগ কতটা, কীভাবে এই চাকরিতে প্রবেশ করবেন?

নিউইয়র্কে স্বাস্থ্যসেবা খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের মধ্যে মেডিকেল বিলিং ও কোডিং পেশা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। তুলনামূলক স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিয়ে এই খাতে কাজ শুরু করার সুযোগ থাকায় বিশেষ করে যারা দীর্ঘমেয়াদি কলেজ ডিগ্রি ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবা খাতে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের কাছে পেশাটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। মেডিকেল কোডিংয়ের কাজে রোগীর চিকিৎসা, পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্য নির্দিষ্ট কোডে রূপান্তর করা হয়। আর মেডিকেল বিলিংয়ের সঙ্গে যুক্তরা রোগীর বীমা যাচাই, চিকিৎসা ব্যয়ের দাবি তৈরি ও পাঠানো, অর্থ পরিশোধের হিসাব এবং বীমা কোম্পানির কাছে আটকে থাকা দাবির বিষয়ে কাজ করেন। হাসপাতাল, চিকিৎসকের কার্যালয়, ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এসব কর্মীর প্রয়োজন হয়। এই পেশায় প্রশিক্ষণ শেষ করতে কত সময় লাগবে, তা নির্ভর করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোর্সের ধরন অনুযায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের পেশাগত সংগঠন এএপিসির তথ্য অনুযায়ী, মেডিকেল বিলিং ও কোডিংয়ের যৌথ প্রশিক্ষণ এক বছরের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব। তাদের একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রায় আট মাসে শেষ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। নিউইয়র্ক মেডিকেল কোডিং একাডেমির তথ্য অনুযায়ী, তাদের পেশাদার মেডিকেল কোডার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মেয়াদ পাঁচ মাস। অনলাইনেও এই প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, কোর্সের টিউশন ফি ২ হাজার ৭০০ ডলার। তবে বই ও জাতীয় পরীক্ষার ফি আলাদা। নিউইয়র্কের সিটি কলেজেও মেডিকেল বিলিং ও কোডিংয়ের অনলাইন প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। সেখানে মোট ১৭৫ ঘণ্টার সরাসরি ক্লাস নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮৫ ঘণ্টায় স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিলিং, বীমা দাবি ও অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া শেখানো হয়। বাকি ৯০ ঘণ্টায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন কোড ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই কোর্সটি পেশাগত সার্টিফিকেশন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্যও তৈরি করা হয়েছে। নিউইয়র্কের আশপাশে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল বিলিং ও কোডিং শেখার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ব্রঙ্কসের লেহম্যান কলেজ, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের কলেজ অব স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এবং নিউইয়র্ক মেডিকেল কোডিং একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কোথাও অনলাইনে, আবার কোথাও সরাসরি শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু কোর্স শেষ করলেই চাকরি নিশ্চিত হয় না। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পেশাগত সার্টিফিকেশন অর্জন, কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত বিলিং ও কোডিংয়ের বাস্তব জ্ঞান চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণ শেষ করার পর কেউ কেউ কয়েক মাসের মধ্যেই এন্ট্রি-লেভেল বা প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে চাকরি পাওয়ার নির্দিষ্ট সময় ব্যক্তি, দক্ষতা ও চাকরির বাজারের ওপর নির্ভর করে। বেতনের ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশনের পার্থক্য রয়েছে। এএপিসির ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে মেডিকেল কোডার, বিলার, নিরীক্ষকসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রশাসন-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যম বার্ষিক আয় ৭৪ হাজার ৪২৬ ডলার। তবে শূন্য থেকে এক বছরের অভিজ্ঞতায় গড় আয় প্রায় ৪৯ হাজার ৫২৪ ডলার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, রোগীর স্বাস্থ্যতথ্য ও চিকিৎসা নথি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ২০২৫ সালের মধ্যম বার্ষিক বেতন ছিল ৫১ হাজার ১৪০ ডলার। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে এই ধরনের চাকরির সংখ্যা ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। অর্থাৎ, নিউইয়র্কে মেডিকেল বিলিং ও কোডিংকে স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রবেশের একটি সম্ভাব্য ক্যারিয়ার পথ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। কয়েক মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রাথমিক চাকরির জন্য প্রস্তুত হওয়া সম্ভব হলেও ভালো প্রতিষ্ঠানে কাজ পেতে প্রশিক্ষণের মান, পেশাগত সার্টিফিকেশন, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে প্রশিক্ষণের মেয়াদ, খরচ, সার্টিফিকেশন প্রস্তুতি এবং চাকরির সহায়তা সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১৭:৫৪
নিউইয়র্কের কুইন্সে ক্লেভারক্রিয়েটর ডট এআইয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এআই কনফারেন্স অ্যান্ড ওয়ার্কশপ ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের এআই টিউটর, ২০ ডলারের কমে পড়বে তিন শিশু

ক্যালিফোর্নিয়ার এই ব্যক্তি নিজের উঠোনে নানা ধরনের ফল ও সবজি চাষ করেন

উঠোনে সবজি চাষ করেই বিপাকে ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যক্তি, গুনছেন একের পর এক জরিমানা!

নিখোঁজ মায়ের সন্ধানে ক্যাডাভার কুকুর নিয়ে চলছে তল্লাশি

শেষ ফোনকলের পর উধাও মা, এবার জঙ্গলে শুরু হলো মরিয়া তল্লাশি

খেজুরপাতার বদলে এবার তীরের দিকে ঈগল—যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রতীকে আসছে ‘যুদ্ধের’ বার্তা
শান্তির প্রতীক সরিয়ে যুদ্ধের বার্তা, বদলে যাচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সিল

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) তাদের সরকারি সিল বা প্রতীক পরিবর্তন করছে। নতুন প্রতীকে ঈগলকে শান্তির প্রতীক খেজুরপাতার বদলে যুদ্ধের প্রতীক তীরের দিকে মুখ করে দেখানো হবে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে—এই বাস্তবতাই নতুন প্রতীকের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। প্রচলিত ডিএইচএসের সিলে ঈগলের এক নখরে খেজুরপাতা এবং অন্য নখরে তীরের গোছা রয়েছে। বর্তমানে ঈগল খেজুরপাতার দিকে মুখ করে আছে, যা শান্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। নতুন সিলে ঈগলকে তীরের দিকে মুখ করানো হবে। মুলিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তীরের দিকে মুখ করা ঈগল যুদ্ধাবস্থার প্রতীক। ৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীর আগে এই পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ‘দ্য সানডে ব্রিফিং’ অনুষ্ঠানে মুলিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিনই দেশের বিরুদ্ধে সক্রিয় বিভিন্ন হুমকির মোকাবিলা করছে। মুলিনের মতে, সন্ত্রাসবাদ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অন্যতম প্রধান হুমকি। তবে হুমকির ধরন আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও মাদক কারবারিদের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়ছে। তিনি বিশেষভাবে মেক্সিকান মাদক কার্টেল, ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং ফেন্টানিলের বিস্তারের কথা উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কয়েকটি কার্টেলকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন ও বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বলেও জানান তিনি। মুলিন বলেন, নিরাপত্তার হুমকি এখন শুধু স্থলভাগে সীমাবদ্ধ নেই। অনলাইনে সহজেই কেনা যায় এমন সাধারণ ড্রোন ব্যবহার করেও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—সব দিকের হুমকিকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন মুলিন। তার দাবি, ইরান, উত্তর কোরিয়া, চীন ও রাশিয়াসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িত। প্রতি সপ্তাহে শত শত হাজার সাইবার হামলার ঘটনা মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আসন্ন নির্বাচনী মৌসুমে রাজনৈতিক প্রার্থী ও জনপরিচিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্ক করেন মুলিন। তার মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক মত থাকা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। তবে মতপার্থক্যকে সহিংসতার মাধ্যমে দমন করার চেষ্টা হলে তা ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হবে। মুলিন বলেন, প্রতিদিন নতুন হুমকি তৈরি হচ্ছে এবং সেগুলোর ধরনও দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাই সন্ত্রাস, অপরাধ ও সাইবার হামলা মোকাবিলায় ডিএইচএসকেও নিয়মিত কৌশল পরিবর্তন করে এগোতে হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১৬:৩৬
যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে নতুন সম্ভাবনা—বাড়ছে কর্মসংস্থানের সুযোগ, বদলাচ্ছে কাজের ধরন

আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫৯ লাখ নতুন চাকরি, সবচেয়ে বেশি সুযোগ স্বাস্থ্যসেবায়

শেয়ারবাজারে বিপুল অর্থ আয়ের দাবি ট্রাম্পের

ট্রাম্পের দাবি, ‘দেশের জন্য’ শেয়ারবাজারে কামিয়েছেন শত শত বিলিয়ন ডলার

সন্তান জন্মের পর ৪০ হাজার ডলারের হাসপাতাল বিল দেখে হতবাক বাংলাদেশি বাবা

সন্তান জন্মের পর প্রবাসী বাংলাদেশির ৪০ হাজার ডলারের বিল, ইনস্যুরেন্স না থাকলে যা জানা জরুরি

ভোরের গুলির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী, পেছনে পুলিশের গাড়ি
পরিচিত দুই ব্যক্তিকে গুলি, ঘটনার পর থেকেই পলাতক ২৭ বছরের যুবক

যুক্তরাষ্ট্রের সান অ্যান্টোনিওতে ভোরে গুলির ঘটনায় দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে গেছে। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। রোববার সকাল ৭টার ঠিক আগে নর্থওয়েস্ট সাইডের লুপ ৪১০-এর কাছে চেরি রিজ ড্রাইভ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪৪ ও ৬১ বছর বয়সী দুই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তাদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হামলার সন্দেহভাজন ব্যক্তি ২৭ বছর বয়সী এবং তিনি আহত দুই ব্যক্তিকে চিনতেন। তবে কী কারণে তাদের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সন্দেহভাজন ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও আহত দুইজনের নাম প্রকাশ করেনি। ঘটনার তদন্ত চলছে।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১৩:৫১
বিমানে বর্ণবাদী গালাগালের ঘটনায় যাত্রীকে চাকরিচ্যুত করল অ্যারিজোনার রিয়েলটি কোম্পানি

বিমানে বর্ণবাদী গালাগাল, চাকরি হারালেন ডাক্ট টেপে বাঁধা যাত্রী

নিউইয়র্ক স্টেট সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে সেপ্টেম্বর মাসে শত শত চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে সরকারি চাকরি! সেপ্টেম্বরে শত শত পদে নিয়োগ, আবেদন করতে পারবেন প্রবাসী বাঙালিরাও

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলা। ছবি: সংগৃহীত

৯/১১ হামলার ‘ফলিং ম্যান’-এর পরিচয় কি জানা গেছে? হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিতে মুখ খুললেন বোন

0 Comments