সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

আইসল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ দেখিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, তলব মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৮:২৯
ট্রাম্পের মানচিত্রে আইসল্যান্ডকে দেখানো হলো যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে
ট্রাম্পের মানচিত্রে আইসল্যান্ডকে দেখানো হলো যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি মানচিত্র পোস্ট করেছেন, যেখানে আইসল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশ ও অঞ্চলকে মার্কিন পতাকার আওতায় দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আইসল্যান্ডে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিলি লংকে তলব করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভির (আরিউভি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাষ্ট্রদূত বিলি লংকে তলব করে আইসল্যান্ড। তিনি মাত্র গত মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে আইসল্যান্ডে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছেন।


ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা মানচিত্রটির সঙ্গে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলকে মার্কিন পতাকার নিচে দেখানো হয়েছে। পুরো ভূখণ্ডের ওপর লেখা ছিল ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’।


আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরইউভিকে জানিয়েছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে ট্রাম্পের এই পোস্ট ‘সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত’।


এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। কোপেনহেগেন ও রেইকিয়াভিকে থাকা মার্কিন দূতাবাস এবং নুকের মার্কিন কনস্যুলেট থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। স্বায়ত্তশাসিত ডেনিশ অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিকবার বলেছেন। এতে ন্যাটোর সদস্য যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং ইউরোপজুড়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।


এদিকে গত মাসে আইসল্যান্ডের একটি গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানও ওই ভোটের পটভূমিতে আলোচনায় ছিল। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলোই ভোটের ফলাফলে বেশি প্রভাব ফেলেছে।


ট্রাম্পের এই পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউরোপীয় কমিশন গ্রিনল্যান্ডে ২০ কোটি ইউরো বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইনের গ্রিনল্যান্ড সফরের সময় এ ঘোষণা আসে।


ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিনল্যান্ডের সরকার ও জনগণ বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা আমেরিকান হতে চান না। যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্বের কারও এ বিষয়ে সন্দেহ থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিলের সংকট কাটাতে ট্যাক্স বাড়ানোর কথা ভাবছেন রিপাবলিকানরা। ছবি: সংগৃহীত
সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিল সংকটে ট্যাক্স বাড়ানোর পক্ষে রিপাবলিকানরা

যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিল ২০৩২ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার মধ্যে কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ট্যাক্স বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলছেন। দীর্ঘদিন ধরে ট্যাক্স বাড়ানোর বিরোধিতা করে আসা রিপাবলিকানদের মধ্যে এই অবস্থান পরিবর্তন এসেছে এমন এক সময়ে, যখন সোশ্যাল সিকিউরিটির ঘাটতি এত বড় ও জরুরি হয়ে উঠেছে যে শুধু ভবিষ্যৎ সুবিধা কমিয়ে সংকট মোকাবিলা করা কঠিন বলে মনে করছেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা। কংগ্রেস ব্যবস্থা না নিলে ছয় বছরের মধ্যে লাখো সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধাভোগীর অর্থপ্রদান ২২ শতাংশ কমে যেতে পারে।   ওহাইওর রিপাবলিকান সিনেটর বার্নি মোরেনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনের সঙ্গে যৌথভাবে বেতনভিত্তিক ট্যাক্সের সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। এর ফলে উচ্চ আয়ের মানুষদের কর্মসূচিতে আরও বেশি অর্থ দিতে হবে। একই সময়ে প্রতিনিধি পরিষদের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির চেয়ারম্যান টম কোলও ট্যাক্সের হার এবং ট্যাক্সের আওতায় থাকা আয়ের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।   কোল বলেছেন, সোশ্যাল সিকিউরিটির সংকট সমাধানে বর্তমান আয়ের সীমা বা ট্যাক্সের হারের মধ্যেই আটকে থাকার প্রয়োজন নেই। তিনি ট্যাক্সের হার পরিবর্তন এবং ট্যাক্সের আওতায় থাকা আয়ের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনার পক্ষে। তার মতে, সোশ্যাল সিকিউরিটির সুবিধা কমানোর রাজনৈতিক ক্ষতি ট্যাক্স বাড়ানোর তুলনায় আরও বড় হতে পারে। তহবিল ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে মানুষ নিজেদের প্রতারিত মনে করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।   সোশ্যাল সিকিউরিটি যুক্তরাষ্ট্রের ৭ কোটির বেশি মানুষকে মাসিক নগদ সুবিধা দেয়। এটি দেশটির ৭ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ফেডারেল বাজেটের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। চলতি বছর এই কর্মসূচিতে ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হওয়ার কথা। কর্মীরা ৬২ বছর বয়স থেকে সুবিধা নেওয়া শুরু করতে পারেন, আর পূর্ণ অবসর গ্রহণের বয়স ৬৭ বছর। কর্মসূচিটি বেতনভিত্তিক ট্যাক্সের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়। কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়েই ৬ দশমিক ২ শতাংশ করে ট্যাক্স দেন।   বছরের পর বছর বার্ষিক ট্যাক্স সংগ্রহ সুবিধা প্রদানের ব্যয়ের চেয়ে বেশি থাকায় সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিলে উদ্বৃত্ত জমেছিল। কিন্তু বেবি বুম প্রজন্ম অবসরে যাওয়ার পর হিসাব বদলে গেছে। এখন সোশ্যাল সিকিউরিটি যে পরিমাণ ট্যাক্স সংগ্রহ করছে, তার চেয়ে বেশি অর্থ সুবিধা হিসেবে দিচ্ছে। ফলে ঘাটতি পূরণে তহবিলের সঞ্চিত অর্থ ব্যবহার করতে হচ্ছে।   বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, সোশ্যাল সিকিউরিটি তহবিল ২০৩২ সালে শেষ হয়ে যেতে পারে। এরপর কর্মসূচিটিকে শুধু তখনকার সময়ে সংগৃহীত ট্যাক্সের ওপর নির্ভর করতে হবে। কংগ্রেস কোনো ব্যবস্থা না নিলে গড়ে মাসিক সুবিধা প্রায় ৪৪০ ডলার কমে যেতে পারে বলে বাইপার্টিজান পলিসি সেন্টারের হিসাব। সংস্থাটির হিসাবে, ২০৩৩ সালেই ঘাটতি পূরণ করতে ৪৫৯ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ব্যয় কমানো অথবা নতুন রাজস্বের প্রয়োজন হবে। পরবর্তী বছরগুলোতে এই প্রয়োজন আরও বাড়বে।   মোরেনো ও ওয়ারেনের প্রস্তাবে উচ্চ আয়ের কর্মীদের পুরো আয়ের ওপর বেতনভিত্তিক সোশ্যাল সিকিউরিটি ট্যাক্স আরোপের কথা বলা হয়েছে। তাদের যুক্তি, মধ্যবিত্ত একজন নার্সের তুলনায় একজন ধনী করপোরেট আইনজীবী কেন নিজের আয়ের ছোট অংশে ট্যাক্স দেবেন, সেই প্রশ্নের সমাধান প্রয়োজন। তাদের উদ্ধৃত একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান বেতনভিত্তিক ট্যাক্সের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়ার পক্ষে।   দায়িত্বশীল ফেডারেল বাজেট কমিটির হিসাবে, উচ্চ আয়ের মানুষের জন্য ট্যাক্সের সীমা তুলে দিয়ে তাদের সুবিধা না বাড়ালে সোশ্যাল সিকিউরিটির ঘাটতির অর্ধেকেরও বেশি পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তবে জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের মারকাটাস সেন্টারের গবেষক চার্লস ব্লাহাসসহ কয়েকজন এই পদ্ধতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তাদের মতে, এতে কর্মীদের দেওয়া ট্যাক্স এবং ভবিষ্যতে পাওয়া সুবিধার মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যেতে পারে।   ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে কেউ কেউ আরও বেশি ট্যাক্স আরোপের পক্ষে। রোড আইল্যান্ডের ডেমোক্র্যাট সিনেটর শেলডন হোয়াইটহাউস বেতনভিত্তিক ট্যাক্সের সীমা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ধনী পরিবারের বিনিয়োগ আয়ের ওপর ট্যাক্স আরোপ এবং ব্যবসার মালিকদের ব্যক্তিগত ট্যাক্স কমানোর সুযোগ থাকা একটি ফাঁক বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। ২০২৩ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, তার প্রস্তাব অন্তত ৭৫ বছর সোশ্যাল সিকিউরিটির পুরো অর্থায়ন নিশ্চিত করার মতো রাজস্ব আনতে পারে।   পেনসিলভানিয়ার রিপাবলিকান প্রতিনিধি লয়েড কে. স্মাকারও সোশ্যাল সিকিউরিটির সমাধানে অতিরিক্ত ট্যাক্স রাজস্বের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন। তিনি বেতনভিত্তিক ট্যাক্সের মাধ্যমে কর্মসূচিতে আসা অর্থের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি ধনীদের জন্য সুবিধা কমিয়ে এবং নিম্ন আয়ের অবসরপ্রাপ্তদের সুরক্ষিত রাখার জন্য আয়ভিত্তিক সুবিধা নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেছেন।   তবে রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্যাক্স বাড়ানোর বিরোধিতা এখনো রয়েছে। আমেরিকানস ফর ট্যাক্স রিফর্মের প্রতিষ্ঠাতা গ্রোভার নরকুইস্ট মনে করেন, রিপাবলিকানদের ব্যয় কমানোর দাবিতেই থাকা উচিত। তার মতে, ট্যাক্স বাড়ানোর পক্ষে গেলে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ক্ষুব্ধ ভোটারদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে পারেন রিপাবলিকানরা।   সোশ্যাল সিকিউরিটি সংকট মোকাবিলায় ট্যাক্স বাড়ানোর ধারণা নতুন নয়। ১৯৮৩ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান এবং ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার টিপ ও'নিল কর্মসূচিটিকে তৎকালীন দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে বেতনভিত্তিক ট্যাক্স বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে অবসর গ্রহণের বয়স বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে একমত হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়েও ট্যাক্সের সীমা বাড়ানো ও সুবিধা কমানোর বিভিন্ন প্রস্তাব সামনে এসেছে।   সোশ্যাল সিকিউরিটি সংস্কারের আলোচনায় হোয়াইট হাউসের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। কোল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কর্মসূচিটির দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প কীভাবে প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানাননি। তিনি বলেছেন, তার নেতৃত্বে সোশ্যাল সিকিউরিটির অর্থপ্রদানে কোনো কমতি হবে না।   সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৯:২৩
ট্রাম্পের মানচিত্রে আইসল্যান্ডকে দেখানো হলো যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে

আইসল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ দেখিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, তলব মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মিনেসোটায় আটক অভিবাসীদের গাড়ি ফিরিয়ে দিচ্ছেন লিওন

মৃত্যুর হুমকির পরও আইসিইতে আটক অভিবাসীদের ২৫০টি গাড়ি পরিবারের কাছে ফেরালেন ট্রাক চালক

লেবার ডে-তে যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড উচ্চতায় গ্যাস ও ডিজেলের দাম

লেবার ডে-তে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দামে রেকর্ড, ডিজেলেও আগুন

বাহামা থেকে ফেরার পথে বিমান বিধ্বস্ত—নিখোঁজ ফ্লোরিডার একই পরিবারের চারজন
বাহামা থেকে ফেরার পথে সাগরে বিমান বিধ্বস্ত, একই পরিবারের ৪ জন নিখোঁজ!

বাহামাসে অবকাশ কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ফেরার পথে একটি ছোট বিমান সাগরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর এক দম্পতি ও তাদের দুই নাতি-নাতনির খোঁজ মিলছে না। সোমবার দুর্ঘটনার পর তাদের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। বাহামাসের রয়্যাল বাহামাস পুলিশ ফোর্স জানিয়েছে, সোমবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে আন্দ্রোস দ্বীপের প্রায় ১৩ মাইল পশ্চিমে একটি পাঁচ আসনের পিএ-৩৪ পাইপার বিমান সাগরে পড়ে যায়। বিমানটি বাহামাসের গ্রেট হারবার কে থেকে সকালে উড্ডয়ন করে ফ্লোরিডার ওপা-লকায় যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নিখোঁজ চারজন হলেন ৮০ বছর বয়সী পাইলট মারিও লামার, তার ৭৯ বছর বয়সী স্ত্রী লিলি লামার এবং তাদের দুই নাতি-নাতনি—২৮ বছর বয়সী সোফিয়া সোসা ও ২২ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ান সোসা। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা সবাই মিয়ামির বাসিন্দা। দুর্ঘটনার আগে পরিবারটি শ্রম দিবসের ছুটির সপ্তাহান্তে গ্রেট হারবার কে-তে নিজেদের বাড়িতে সময় কাটিয়েছিল। পরিবারটির ভাষ্য, বহু বছর ধরে ওই জায়গাটি তাদের কাছে দ্বিতীয় বাড়ির মতো। এবার সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটির গতি হঠাৎ করে কয়েকবার পরিবর্তিত হয়। একই সময়ে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে এর উচ্চতা ১০ হাজার ফুট থেকে নেমে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ ফুটে চলে আসে। এরপর বিমানটির সঙ্গে রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিবারের সদস্য সিলভিয়া লারিয়ু জানান, আন্দ্রোস দ্বীপের উত্তর প্রান্তের কাছে বিমানটি খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে পড়েছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাহামাসের উদ্ধারকারী দলও তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। এক ভিডিও বার্তায় নিখোঁজদের সন্ধানে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন লারিয়ু। তিনি বলেন, তাদের খুঁজে বের করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রয়োজন। নিখোঁজদের সন্ধানে বাহামাসের কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড। উদ্ধার অভিযানে তারা একটি এইচসি-১৪৪ ওশান সেন্ট্রি বিমান ব্যবহার করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাইলট মারিও লামার অত্যন্ত অভিজ্ঞ ছিলেন এবং তার ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের উড্ডয়ন অভিজ্ঞতা রয়েছে। এদিকে, সোফিয়া সোসা সম্প্রতি ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। তার ভাই ক্রিশ্চিয়ান সোসাও সম্প্রতি লয়োলা মেরিমাউন্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ চারজনের পরিবারের সদস্যরা তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৭:৮
এসএসআই সুবিধা পেতে বিদেশিদের যোগ্যতা যাচাইয়ে নতুন তথ্য সামনে আনল যুক্তরাষ্ট্র সরকার

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশিদের জন্য সুখবর! এই ৭ শ্রেণির মানুষ পেতে পারেন এসএসআই সুবিধা

পরিবারের সঙ্গে টেক্সাসে থাকা রিস উইলার্ড লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

শরীরজুড়ে ‘অস্বাভাবিক’ কালশিটে, পরীক্ষা করাতেই জানা গেল প্রাণঘাতী রোগ!

ছবি:সংগৃহীত

গ্রিন কার্ড বিক্রির অভিযোগে সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

অর্থের বিনিময়ে ইমিগ্রেশন সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
১০ লাখ ডলার ঘুষ নিয়ে গ্রিন কার্ড দেওয়ার অভিযোগে সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন আবেদনের অনুমোদন ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের বিনিময়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে ইউএসসিআইএসের সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পদ ব্যবহার করে ইমিগ্রেশন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার একটি দুর্নীতি চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা লুকমান ওওলাবি গানিউ, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের সাবেক সিনিয়র ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস অফিসার। তাঁর সঙ্গে আদেনিই আকিম সোমোয়ে নামের আরেক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুজনকেই ২ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। ফেডারেল আদালতে ৩১ আগস্ট দাখিল করা ফৌজদারি অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত গানিউ তাঁর সরকারি পদ ব্যবহার করে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আবেদন অনুমোদন ও দ্রুত নিষ্পত্তি করতেন বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। এর মধ্যে ছিল পরিবারের সদস্যদের জন্য ইমিগ্রেশন আবেদন, স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ডের আবেদন, গ্রিন কার্ডের শর্ত তুলে নেওয়ার আবেদন এবং নাগরিকত্বের আবেদন। এসব আবেদনের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীরা ফেডারেল আইনের অধীনে যোগ্য ছিলেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, গানিউ স্বাভাবিক ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার একাধিক ধাপ পাশ কাটিয়ে আবেদন অনুমোদন করতেন। এর মধ্যে প্রয়োজনীয় সাক্ষাৎকার, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পর্যালোচনা, নির্ধারিত এখতিয়ার, ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই এবং ইউএসসিআইএসের নিয়মিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফেডারেল প্রসিকিউটরদের দাবি, গানিউ ও সোমোয়ে মিলে আবেদনকারীদের কাছ থেকে কয়েক লাখ ডলার অর্থ নিয়েছেন। তদন্তে তাদের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে হাজার হাজার বার্তা এবং শত শত ফোনকলের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিছু অর্থপ্রদানের সঙ্গে নির্দিষ্ট ইমিগ্রেশন আবেদন অনুমোদনের সরাসরি যোগসূত্রও তদন্তকারীরা পেয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। গানিউয়ের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ হলো সরকারি কর্মকর্তাকে অবৈধ অর্থ দেওয়ার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রতিটি আসামির সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত ফেডারেল কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে। মামলাটি তদন্ত করেছে ইউএসসিআইএসের তদন্ত বিভাগ, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় এবং এফবিআইয়ের ডালাস ফিল্ড অফিস। ফেডারেল প্রসিকিউটর রায়ান রেবোল্ড বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তার হাতে বৈধ ইমিগ্রেশন সুবিধার বিনিময়ে অর্থ নেওয়া জনগণের আস্থার গুরুতর অপব্যবহার। এ ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এগুলো এখনো অভিযোগ, আদালতে প্রমাণিত অপরাধ নয়। ফেডারেল বিচার বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, ফৌজদারি অভিযোগপত্রে থাকা তথ্যগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে এবং আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৫:৮
ছবিঃ সংগৃহীত

লিস্টেরিয়ার শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যে শুকরের মাংস প্রত্যাহার

ক্যালিফোর্নিয়ায় সাবেক আইসিই কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরিতে নিষেধাজ্ঞার পথে নতুন বিল

ক্যালিফোর্নিয়ায় সাবেক আইসিই কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরিতে নিষেধাজ্ঞার পথে নতুন বিল

ক্যালিফোর্নিয়ায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ব্রেন ডেড

ক্যালিফোর্নিয়ায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ব্রেন ডেড, লাইফ সাপোর্ট বন্ধ ২২ বছরের অন্তঃসত্ত্বা মায়ের

0 Comments