সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইটে অহেতুক হুইলচেয়ারে যাত্রীর ভিড়

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৬:২
হুইলচেয়ারে বসা যাত্রীদের দীর্ঘ সারির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল
হুইলচেয়ারে বসা যাত্রীদের দীর্ঘ সারির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল

যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইটের আগে হুইলচেয়ারে বসা যাত্রীদের দীর্ঘ সারির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিটি ঘিরে হুইলচেয়ার সহায়তা প্রকৃত প্রয়োজন নাকি সুবিধা নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে—এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

 

ছবিটি ভ্রমণবিষয়ক মন্তব্যকারী প্রিয়েশ শর্মা এক্সে শেয়ার করেন। এতে বিমানবন্দরের একটি গেটের কাছে একাধিক যাত্রীকে হুইলচেয়ারে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তাদের অনেকেই বয়স্ক হলেও কয়েকজনকে তুলনামূলক কম বয়সী মনে হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে, সবাই কি সত্যিই হুইলচেয়ার সহায়তার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেন? 

 

ছবিটি প্রকাশের পর অনেকে অভিযোগ করেন, কেউ কেউ দীর্ঘ পথ হাঁটা এড়ানো, বিমানবন্দরে সহজে চলাচল কিংবা দ্রুত বোর্ডিংয়ের সুবিধার জন্য হুইলচেয়ার চাইতে পারেন। সমালোচকদের একটি অংশের দাবি, এ ধরনের ব্যবহার বাড়লে সীমিত সহায়তা-সেবা প্রকৃতভাবে প্রয়োজন এমন যাত্রীদের জন্য কম পাওয়া যেতে পারে।

 

অন্যদিকে, ছবিটি দেখে কোনো যাত্রীর প্রকৃত প্রয়োজন বিচার করা সম্ভব নয় বলে পাল্টা মতও এসেছে। সব ধরনের শারীরিক সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা বাইরে থেকে দেখা যায় না। বিশেষ করে বয়স্ক যাত্রীদের দীর্ঘ টার্মিনাল, গেট পরিবর্তন, নিরাপত্তা তল্লাশি ও সংযোগ ফ্লাইট সামলাতে সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।

 

বিমানবন্দরের জটিলতা ও ভাষাগত সমস্যার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। নিয়মিত আন্তর্জাতিক ভ্রমণ না করা যাত্রীদের জন্য টার্মিনাল পরিবর্তন, গেট বদল, দেরি, সংযোগ ফ্লাইট ও পুনরায় বুকিংয়ের মতো বিষয় সামলানো কঠিন হতে পারে। ফলে কোনো কোনো যাত্রী শারীরিক প্রতিবন্ধকতা না থাকলেও বিমানবন্দরে চলাচলের সহায়তা চাইতে পারেন—এমন মতও এসেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মার্কিন পরিবহন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুযায়ী হুইলচেয়ার, মোটরচালিত কার্ট, গেট পরিবর্তনের সময় সহায়তা এবং বিমান ওঠা-নামার ক্ষেত্রে সহায়তা দিতে হয়।

 

ফলে ভাইরাল ছবিটি মূলত বিমানবন্দরের হুইলচেয়ার সহায়তা ব্যবস্থাকে ঘিরে একটি পুরোনো প্রশ্নকে আবার সামনে এনেছে—সুবিধার জন্য সেবার ব্যবহার আর প্রকৃত প্রয়োজনের মধ্যে সীমারেখা কোথায়? তবে শুধু কোনো যাত্রীর বয়স বা চেহারা দেখে তার হুইলচেয়ার প্রয়োজনীয় নয়—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

 

Source: ইন্ডিয়া টুডে, হিন্দুস্তান টাইমস


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ট্রাম্প গড়ছেন ‘এআই ফোর্স’
ট্রাম্প গড়ছেন ‘এআই ফোর্স’, নিয়োগ দেবেন নতুন এআই ‘জার’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে নতুন একটি ‘এআই ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এটি তার প্রথম মেয়াদে গঠিত স্পেস ফোর্সের আদলে কাজ করবে। একই সঙ্গে এআই কার্যক্রমের জন্য একজন নতুন এআই ‘জার’ নিয়োগ দেওয়ার কথাও বলেছেন।   শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, নতুন এআই ফোর্সের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশের ওপর নজর রাখা হবে। তবে নতুন বাহিনীটি ঠিক কোন দপ্তরের অধীনে থাকবে, এর বাজেট কত হবে বা এর সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা কী হবে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।   ট্রাম্প নতুন এআই ‘জার’ নিয়োগের কথাও জানিয়েছেন। এর আগে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট ডেভিড স্যাক্স ট্রাম্প প্রশাসনের এআই ও ক্রিপ্টো ‘জার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে তিনি প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে যুক্ত হন।   নতুন উদ্যোগের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন এআইয়ের দ্রুত বিকাশের ঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক বাড়ছে। ট্রাম্প কয়েক দিন আগে এআই নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগকে ‘হোক্স’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। একই সময়ে প্রযুক্তি খাতের কিছু নেতা উন্নত এআইয়ের নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন।    ট্রাম্পের ঘোষণায় এআইকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এআইকে বাধাগ্রস্ত না করে এর বিকাশে সহায়তা করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে এ ক্ষেত্রে চীন ও বিশ্বের অন্য দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে রাখতে চান।   জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে এআই ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছে। জুনে হোয়াইট হাউস জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উন্নত এআই দ্রুত ব্যবহারের জন্য নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে এবং সামরিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত এআই ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   তবে নতুন ‘এআই ফোর্স’ ঘোষণার পরও এর বাস্তব কাঠামো এখনো পরিষ্কার নয়। এটি স্পেস ফোর্সের মতো একটি স্বতন্ত্র সামরিক শাখা হবে, নাকি প্রশাসনের অধীনে একটি নতুন সমন্বয়কারী বা তদারকি কাঠামো হবে—এ বিষয়ে ট্রাম্প এখনো বিস্তারিত জানাননি। ফলে ঘোষণাটি আপাতত একটি নতুন ফেডারেল উদ্যোগের পরিকল্পনা হিসেবেই রয়েছে।   এদিকে এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতাও এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট। ট্রাম্প বলেছেন, এআইয়ের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখা তার প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন ‘এআই ফোর্স’ ও এআই ‘জার’ নিয়োগের মাধ্যমে সেই নীতিকে কীভাবে বাস্তবে রূপ দেওয়া হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৬:৩৬
হুইলচেয়ারে বসা যাত্রীদের দীর্ঘ সারির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইটে অহেতুক হুইলচেয়ারে যাত্রীর ভিড়

অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে আপত্তির সুযোগ দিতে হবে: মার্কিন আদালত

অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে আপত্তির সুযোগ দিতে হবে: মার্কিন আদালত

ট্রাম্পের হাত থেকে কেনেডি সেন্টার বাঁচাতে মানববন্ধন, হাতে হাত রাখলেন শত শত মানুষ

ট্রাম্পের হাত থেকে কেনেডি সেন্টার বাঁচাতে মানববন্ধন, হাতে হাত রাখলেন শত শত মানুষ

‘অপহৃত মনে হচ্ছে’, আফ্রিকার দেশে পাঠিয়ে আইনি অনিশ্চয়তায় লাতিন অভিবাসীরা
‘অপহৃত মনে হচ্ছে’, আফ্রিকার দেশে পাঠিয়ে আইনি অনিশ্চয়তায় লাতিন অভিবাসীরা

যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশের পরিবর্তে আফ্রিকার দেশে বহিষ্কারের পর আইনি অবস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কয়েকজন লাতিন আমেরিকান অভিবাসী। তাদের কয়েকজনের দাবি, গন্তব্য দেশ সম্পর্কে তাদের আগে জানানো হয়নি এবং সেখানে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তাদের হাতে ছিল না। এ অবস্থাকে একজন অভিবাসী বলেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছে আমাকে অপহরণ করা হয়েছে।’   প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিউবার ৩২ বছর বয়সী ইয়াসমানি মোরেনো দে আরমাস প্রায় ১০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। মিয়ামিতে পরিবারের সঙ্গে বসবাসের পাশাপাশি তিনি একটি মাংস প্রক্রিয়াজাত কারখানায় কাজ করছিলেন। অ্যাসাইলামের মাধ্যমে বৈধ অবস্থান পাওয়ার চেষ্টা চলার মধ্যেই গত মে মাসে তাকে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ আটক করে। পরে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে রাখার পর তাকে লুইজিয়ানার একটি কেন্দ্র থেকে বিমানে তোলা হয়।   মোরেনোর ভাষ্য, বিমানে ওঠার প্রায় দুই ঘণ্টা পর তিনি জানতে পারেন, তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকার সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে পাঠানো হচ্ছে। প্রথমে তিনি বিষয়টি বিশ্বাসই করতে পারেননি। তার মতো আরও কয়েকজন লাতিন আমেরিকান অভিবাসীকেও একইভাবে সেখানে পাঠানো হয়েছে।   এই ধরনের বহিষ্কারকে ‘থার্ড-কান্ট্রি ডিপোর্টেশন’ বলা হয়। অর্থাৎ কোনো অভিবাসীকে তার নিজ দেশের পরিবর্তে এমন একটি তৃতীয় দেশে পাঠানো, যার সঙ্গে তার নাগরিকত্ব বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে এ ধরনের তৃতীয় দেশে পাঠানো হয়েছে।   আফ্রিকার দেশ হিসেবে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ছাড়াও লাইবেরিয়া, ঘানা ও সিয়েরা লিওনের মতো দেশকে তৃতীয় দেশের গন্তব্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের সুযোগ রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রক্রিয়ার পরিধি বাড়ানো এবং অনেক ক্ষেত্রে অল্প সময়ের নোটিশে অভিবাসীদের পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে।   সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে পাঠানো আরেক কিউবান অভিবাসী অ্যারিস্টিদেস ফার্নান্দেজ গার্সিয়া জানান, তাদের কাছে সেখানে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা বা কাগজপত্র নেই। তার দাবি, তারা দেশটির বাইরে যেতে পারছেন না। নিজের পরিস্থিতি বোঝাতে তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছে আমাকে অপহরণ করা হয়েছে।’ এটি তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত নয়।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএস বলেছে, মোরেনো ও এবিসি নিউজের সঙ্গে কথা বলা অন্য অভিবাসীদের একটি নিরাপদ দেশে পাঠানো হয়েছে এবং সরকার আইন অনুযায়ী কাজ করছে। ফলে অভিবাসীদের অভিযোগ এবং সরকারের অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।   এর মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আদালতের সিদ্ধান্ত এসেছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ফার্স্ট সার্কিট কোর্ট অব আপিলসের তিন বিচারকের প্যানেল রায় দেয়, কোনো অভিবাসীকে তার সঙ্গে সম্পর্কহীন তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে পর্যাপ্ত নোটিশ দিতে হবে এবং সেখানে নিপীড়নের আশঙ্কা থাকলে তা চ্যালেঞ্জ করার অর্থবহ সুযোগ দিতে হবে। আদালত ডিএইচএসের দ্রুত তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের নীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।   আদালতের মতে, কোনো ব্যক্তিকে কোন দেশে পাঠানো হচ্ছে তা না জানিয়ে তাকে আপত্তি জানানোর সুযোগ না দিলে সেই ব্যক্তির নিপীড়নের আশঙ্কা তুলে ধরার আইনি অধিকার কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়ে। তবে ডিএইচএসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং আদালতের রায়টি আরও আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে পারে।   তৃতীয় দেশে বহিষ্কার নিয়ে আইনি লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকার মতো তৃতীয় দেশে পাঠানো অভিবাসীদের ক্ষেত্রে গন্তব্য দেশ সম্পর্কে আগাম নোটিশ, নিরাপত্তা নিয়ে আপত্তি জানানোর সুযোগ এবং সেখানে পৌঁছানোর পর আইনি অবস্থান—এই তিনটি বিষয় সামনে এসেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৪:৩৩
ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোতে মসজিদে হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ১৮ বছর বয়সী ক্যালেব ভাসকেজ। ছবি: সংগৃহীত

সান দিয়েগো মসজিদে হামলার পর হামলাকারীর আত্নহত্যা! এক বছর ছিলেন পুলিশের নজরে

হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারলেন না সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা

সান ফ্রান্সিসকোতে প্রকাশ্য বাজারে বিক্রির তালিকায় ওঠা সেই বিরল ভাসমান বাড়ি। ছবি: সংগৃহীত

সান ফ্রান্সিসকোতে ১৭.৫ লাখ ডলারে বিক্রির তালিকায় বিরল ভাসমান বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাকচালকদের কাজের সময় বাড়াল প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড দামে জ্বালানি ট্রাকচালকদের ডিউটি ১৬ ঘণ্টা করার সিদ্ধান্ত

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে পেট্রোল ও ডিজেল পরিবহনকারী ট্রাকচালকদের কাজের সময় সাময়িকভাবে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এই ছাড়ের ফলে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী জ্বালানি পরিবহনকারী চালকেরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন। এর আগে তাদের জন্য অনুমোদিত সময় ছিল ১৪ ঘণ্টা। নতুন ব্যবস্থা ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ৯০ দিনের জন্য বহাল থাকবে।   যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল মোটর ক্যারিয়ার সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সাময়িক ছাড় দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, স্বল্পমেয়াদি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে পেট্রোল ও ডিজেল পরিবহনে দেরি হলে দেশটির পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়ও চাপ তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত কাজের সময়ের সুযোগ দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের সম্ভাব্য বিলম্ব কমানোই এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য।   যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি জানিয়েছেন, জ্বালানি পরিবহনকারী ট্রাকচালকদের বাড়তি সময় কাজের সুযোগ দিলে সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া সাময়িক চাপ মোকাবিলা করা সহজ হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ও কৃষি খাতে যে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে, সেটিও কিছুটা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।   তবে এই সিদ্ধান্ত সব ধরনের ট্রাকচালকের জন্য প্রযোজ্য নয়। সাময়িক ছাড়টি শুধু পেট্রোল ও ডিজেল পরিবহনে নিয়োজিত যোগ্য চালক ও পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। যেসব পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা মূল্যায়ন শর্তসাপেক্ষ, অথবা যাদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ রয়েছে, তারা এই সুবিধার আওতায় পড়বে না।   নতুন ব্যবস্থার মধ্যেও চালকদের বিশ্রামের বাধ্যবাধকতা বহাল রাখা হয়েছে। কোনো চালক ক্লান্তি অনুভব করলে তাকে নিরাপদ স্থানে থেমে বিশ্রাম নিতে হবে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬ ঘণ্টা কাজের অনুমতি দেওয়া হলেও সেটিকে টানা গাড়ি চালানোর অনুমতি হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। চালকদের প্রয়োজনীয় বিশ্রামের নিয়ম মেনেই বাড়তি সময় ব্যবহার করতে হবে।   এ ছাড়া জ্বালানি পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাড়তি নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। কোনো দুর্ঘটনা বা সংশ্লিষ্ট ঘটনা ঘটলে পরিবহন প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফেডারেল মোটর ক্যারিয়ার সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে তা জানাতে হবে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সাময়িক ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিও পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   সরকারের এই সিদ্ধান্ত এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধির সময়। চলতি সপ্তাহে দেশটিতে ডিজেলের গড় দাম প্রতি গ্যালনে ৬ ডলার ২৯ সেন্টে পৌঁছেছে, যা রেকর্ড পর্যায়ের দাম। এক বছর আগে একই সময়ে দেশটির গড় ডিজেল মূল্য ছিল প্রতি গ্যালনে ৩ ডলার ৭৪ সেন্ট।   ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু ট্রাকচালকদের জ্বালানি ব্যয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহন, কৃষি যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন ধরনের পরিবহন কার্যক্রমে ডিজেলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে পণ্য পরিবহন ও কৃষি উৎপাদনের খরচেও চাপ তৈরি হতে পারে। এ কারণে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবহনে সম্ভাব্য বিলম্ব কমানোর বিষয়টি সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।   আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতেও চাপ রয়েছে। বিভিন্ন সংঘাত এবং শোধনাগারে বিঘ্নের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। একই সময়ে সামনে শীতকালীন চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি পরিবহনে বাড়তি সময়ের নমনীয়তা প্রয়োজন হতে পারে।   জ্বালানি পরিবহনকারী ট্রাকচালকদের কাজের সময়সংক্রান্ত নিয়মে জরুরি পরিস্থিতিতে সাময়িক ছাড় দেওয়ার নজির যুক্তরাষ্ট্রে আগেও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, শীতকালীন ঝড় এবং করোনাভাইরাস মহামারির মতো পরিস্থিতিতে পরিবহন কার্যক্রম সচল রাখতে এ ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছিল।   তবে কাজের সময় বাড়ানোর ফলে চালকদের ক্লান্তির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ সময় কাজ করলে ক্লান্তি সড়ক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় তাই ক্লান্ত চালকদের নিরাপদ স্থানে থেমে বিশ্রাম নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ঘটনাবলি জানানোর দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।   সরকারের দেওয়া এই সাময়িক ছাড়ের মেয়াদ ৯০ দিন। এই সময়ের মধ্যে পেট্রোল ও ডিজেল পরিবহনকারী ট্রাকচালকেরা আগের তুলনায় বাড়তি কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন। সরকারের প্রত্যাশা, এতে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিলম্ব কমবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তৈরি হওয়া চাপ কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।   তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের জ্বালানি দামে কতটা স্বস্তি আসবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেলের দাম শুধু অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ও শোধন সক্ষমতার ওপরও নির্ভর করছে। সাময়িকভাবে ট্রাকচালকদের কাজের সময় বাড়ানো হলেও জ্বালানির বাজারে স্বস্তি আসবে কি না, তা বৃহত্তর সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।   সূত্র: রয়টার্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১১:৩
যুক্তরাষ্ট্রের প্রি-স্কুলে মেয়ের ভর্তির খরচ দেখে বিস্মিত ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সোনাল চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে প্রি-স্কুলের ফি ৯ লাখ রুপি, যা মারুতি গাড়ির সমান, খরচ নিয়ে তুমুল আলোচনা

ওয়ালমার্টে হামলার শিকার হয়ে নিহত ৭৭ বছর বয়সী ক্রেতা বার্ট আতিয়েনজা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ওয়ালমার্টে শপিং কার্ট নিয়ে তর্কের জেরে কর্মীর বাবা-মায়ের মারধরে ৭৭ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু

নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার মাত্র আড়াই ঘণ্টার মাথায় চাকরিচ্যুত। ছবি: সংগৃহীত

'চাকরিটা আমার দরকার ছিল’, নিউইয়র্কে 'হাইজিন সমস্যা’ দেখিয়ে নতুন চাকরিতে বরখাস্ত যুবক

0 Comments