আমেরিকা

হরমুজ সংকটে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা, সতর্ক করলেন মার্কিন জ্বালানিসচিব

Unknown প্রকাশ: এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ২:১৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত থাকায় আগামী সপ্তাহগুলোতে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিসচিব ক্রিস রাইট।

 

ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘সেমাফোর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি’ সম্মেলনে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানির দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকবে এবং তা আরও বাড়তে পারে। তার মতে, খুব শিগগিরই—সম্ভবত আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই—তেলের দাম শিখরে পৌঁছাতে পারে।

 

ক্রিস রাইট আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটলে এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে দাম ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে এই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ এবং তা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

 

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথে অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক তেলবাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতেও।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ইরান ইস্যুতে এখনো সমঝোতার সম্ভাবনা দেখছেন ট্রাম্প
ইরান ইস্যুতে এখনো সমঝোতার সম্ভাবনা দেখছেন ট্রাম্প

সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা ও নতুন করে অবরোধ আরোপের প্রেক্ষাপটেও ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তির সম্ভাবনা এখনো উড়িয়ে দিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইচ্ছা থাকলে দুই দেশের মধ্যে সমাধান সম্ভব।   “হ্যাঁ, আমি মনে করি একটি চুক্তি সম্ভব—অবশ্যই সম্ভব,” বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, মাত্র দুই দিন আগেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে কিছু অগ্রগতি হয়েছিল। তবে পরে ইরান আরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলে সেই প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে।   এর আগে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনার পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ভূমিকার কথাও জানান, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং প্রয়োজনে এর পরিচালনার দায়িত্বও গ্রহণ করবে। “আমরা এই প্রণালির অভিভাবক হব,” মন্তব্য করে তিনি জানান, এই দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত।   তার ভাষ্য, বিশ্বের বহু ধনী দেশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করে থাকে। তাই যুক্তরাষ্ট্র যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তবে সেই সেবা বিনামূল্যে দেওয়া যৌক্তিক নয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাহাজ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।   বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় এর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের উদ্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।   এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলমান থাকলেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলেই ধারণা করা হচ্ছে।   (সূত্র: এএফপি)

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৪, ২০২৬ ৩:২৭
অরেগন এ মায়ের হাত থেকে ৭ বছরের শিশুকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

অরেগন এ মায়ের হাত থেকে ৭ বছরের শিশুকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় এক নগ্ন ব্যক্তির

ফিনিক্সজুড়ে ধুলিঝড়ের সতর্কতা

ফিনিক্সজুড়ে ধুলিঝড়ের সতর্কতা, ঘণ্টায় ৩৫ মাইল বেগে এগোচ্ছে বিশাল ধুলোর দেয়াল

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পরিবার

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়া পরিবার, শেষ বিদায়ের সব খরচ বহন করলেন অজ্ঞাত দাতা

ইরানি বংশসূত্রে আটক পুরো পরিবার
গ্রিন কার্ড থাকলেও উপায় নেই: ইরানি বংশসূত্রে আটক পুরো পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডধারী এক ইরানি পরিবারকে স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে তুরস্কে চলে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। পরিবারটির বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ না থাকলেও, ১৯৭৯ সালের তেহরানে মার্কিন দূতাবাস জিম্মি সংকটের অন্যতম আলোচিত মুখ মাসুমেহ এবতেকারের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে তাদের আটক রাখা হয়েছে বলে আদালতের নথি ও আইনজীবীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।   নিউজউইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাইয়্যেদ ঈসা হাশেমি, তার স্ত্রী মরিয়ম তাহমাসেবি এবং তাদের ১৬ বছর বয়সী ছেলে গত এপ্রিল থেকে টেক্সাসের আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) হেফাজতে রয়েছেন। তারা নিজেদের খরচে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে তুরস্কে যাওয়ার প্রস্তাব দিলেও সরকার তা প্রত্যাখ্যান করেছে।   ঈসা হাশেমি হলেন মাসুমেহ এবতেকারের ছেলে। ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের সময় তেহরানে মার্কিন দূতাবাস দখলকারী শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার মুখপাত্র ছিলেন এবতেকার। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে তিনি “স্ক্রিমিং মেরি” নামে পরিচিতি পান। পরে তিনি ইরানের সরকারের পরিবেশবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।   পরিবারটির আইনজীবীরা জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত এপ্রিল মাসে জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির স্বার্থে হাশেমি, তার স্ত্রী এবং ছেলের গ্রিন কার্ড বাতিলের ঘোষণা দেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ, সহিংস কর্মকাণ্ড বা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়নি। সরকারের মামলা মূলত হাশেমির মায়ের পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।   হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, হাশেমি পরিবারের যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিতি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির জন্য হুমকি বলে বিবেচিত হয়েছে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেন, “যদি কোনো গ্রিন কার্ডধারী যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে ওঠেন বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকে, তাহলে তার গ্রিন কার্ড বাতিল করা হবে।”   আদালতের নথি অনুযায়ী, পরিবারটি ইরানে ফিরতে চায় না। তাদের দাবি, সেখানে ফিরে গেলে নির্যাতন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণে তারা নিজেদের খরচে তুরস্কে চলে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু ডিএইচএস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবর্তে বহিষ্কারের আদেশের সঙ্গে আটক অব্যাহত রাখার অবস্থান নেয়।   পরিবারটির আইনজীবী মারিয়া কারি বলেন, এই পরিবার বহু বছর ধরেই ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরোধিতা করে এসেছে। তাই ইরানে ফিরলে তাদের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।   মরিয়ম তাহমাসেবি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস পিয়ার্স কলেজের মনোবিজ্ঞান ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক। আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল তিনি ক্লাস নেওয়ার সময় জানতে পারেন, তার স্বামীকে আইসিই আটক করেছে। পরে তাকেও এবং তাদের ছেলেকেও আটক করা হয়।   আদালতের নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হাশেমি শিকাগো স্কুল অব প্রফেশনাল সাইকোলজি থেকে অর্গানাইজেশনাল লিডারশিপে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং সেখানে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।   পরিবারটির আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন আটক থাকার কারণে তিনজনই উদ্বেগ ও বিষণ্নতায় ভুগছেন। বিশেষ করে তাদের ১৬ বছর বয়সী ছেলে, যে জীবনের বেশিরভাগ সময় ক্যালিফোর্নিয়ায় কাটিয়েছে এবং কেবল ইংরেজিতে কথা বলতে পারে, সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তাদের দাবি, পূর্বপুরুষের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে একটি কিশোরকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়।   বর্তমানে পরিবারটির মামলা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা আইসিইর হেফাজতেই থাকবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৪, ২০২৬ ০:৩৩
পলাতক আসামি ধরতে গিয়ে গুলিতে নিহত মার্কিন ডেপুটি ইউএস মার্শাল

পলাতক আসামি ধরতে গিয়ে গুলিতে নিহত মার্কিন ডেপুটি ইউএস মার্শাল, সন্দেহভাজন আটক

সেলিব্রিটির ছবি দিয়ে Facebook-এ বিনিয়োগের ফাঁদ

সেলিব্রিটির ছবি দিয়ে Facebook-এ বিনিয়োগের ফাঁদ, অবসরের সঞ্চয় হারালেন মার্কিন দম্পতি

লটারির মাধ্যমে যোগ্য আবেদনকারীরা বিভিন্ন আকারের অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সুযোগ পাবেন। ছবি: সংগৃহীত

নিউ ইয়র্কে সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট কেনার সুবর্ণ সুযোগ, ২ হাজার ডলারের কমেই কেনা যাবে নিজস্ব ফ্ল্যাট

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি চলছে। ছবি: সংগৃহীত
ভিসা যাচাইয়ে ১০ বছরের সোশ্যাল মিডিয়া তথ্য, বিদেশি কর্মী নিয়োগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

ওয়াশিংটন, ১৪ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসহ বিভিন্ন অভিবাসন আবেদনে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি এবং পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ভিসা আবেদনকারীদের অনলাইন কার্যক্রম যাচাই বাড়ায় প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, অতিরিক্ত নথির অনুরোধ এবং বিদেশে গিয়ে আটকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও কর্মী ব্যবস্থাপনায়।   থোমসন রয়টার্সের ওয়েস্টল টুডেতে ৬ জুলাই প্রকাশিত অভিবাসন আইনবিষয়ক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশিদের জন্য নিরাপত্তা যাচাইয়ের পরিধি ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় ভিসা ও অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, একই ধরনের আবেদনে ভিন্ন ফল এবং নিয়োগ পরিকল্পনায় বিঘ্ন দেখা দিচ্ছে। বিশ্লেষণটি সংবাদ প্রতিবেদন নয়; বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা আইনজীবী মনীশ দাফতারির পেশাগত মূল্যায়ন।    নতুন যাচাই ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি হয় ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে। আদেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ও অভিবাসন সুবিধার আবেদনকারীদের জন্য আরও কঠোর ও অভিন্ন নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ফেডারেল সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড, আর্থিক তথ্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই বাড়ানোর একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা—USCIS জানিয়েছে, পরিচয় যাচাই, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি সংগ্রহের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশে বলা হয়, নির্দিষ্ট অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীর নাম বা ‘হ্যান্ডল’ সংগ্রহের জন্য USCIS একটি সাধারণ অনুমোদন কাঠামো তৈরি করছে। এখানে পাসওয়ার্ড নয়, আবেদনকারী কোন প্ল্যাটফর্মে কোন পরিচিতি ব্যবহার করেছেন, সেই তথ্য চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।   রয়টার্সে প্রকাশিত আইনজীবী বিশ্লেষণ অনুযায়ী, USCIS স্থায়ী বসবাস, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্ম সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে। নতুন ফর্মে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডল চাওয়া হতে পারে—এমনকি ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্টের তথ্যও। আবেদনকারীর মা-বাবা, ভাই-বোনসহ নিকটাত্মীয়দের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে ৬ জুলাই পর্যন্ত এসব ফর্মের পূর্ণাঙ্গ নিয়ম ও বাস্তবায়নপদ্ধতি প্রকাশিত হয়নি।    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ নতুন নয়। ২০১৯ সালের ৩১ মে থেকে অধিকাংশ অভিবাসী ও অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে DS-160 ও DS-260 ফর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি দিতে হচ্ছে। তখন মূলত আগের পাঁচ বছরের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। বর্তমান উদ্যোগটি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে USCIS-এর কাছে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও অন্যান্য সুবিধার আবেদনকারীদের ওপরও আরও বিস্তৃতভাবে যাচাই প্রয়োগের পথ তৈরি করছে।    ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর H-1B কর্মভিসা আবেদনকারী ও তাঁদের H-4 নির্ভরশীলদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা সম্প্রসারণ করে। এর আগে শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির F, M ও J ভিসা আবেদনকারীদের ওপর এ ধরনের পর্যালোচনা চালু ছিল। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল ‘পাবলিক’ বা উন্মুক্ত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রকাশ্য তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন। ২০২৬ সালের মার্চে আরও কয়েকটি অ-অভিবাসী ভিসা শ্রেণিতেও এই যাচাই সম্প্রসারিত হয়েছে।    নিরাপত্তা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘আমেরিকাবিরোধী’ বা আপত্তিকর বক্তব্য শনাক্ত করার কথা বলা হলেও কোন ধরনের পোস্ট, মন্তব্য বা অনলাইন কার্যক্রমকে এই সংজ্ঞার মধ্যে ধরা হবে, তা স্পষ্ট নয়। সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো সরকারি নীতি বা প্রেসিডেন্টের সমালোচনা, বিক্ষোভে অংশগ্রহণ কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশ ভিসা বা কাজের অনুমতির সিদ্ধান্তে নেতিবাচকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে কি না। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে পরিষ্কার ও বিস্তারিত সরকারি মানদণ্ড প্রকাশ করা হয়নি।    পুরোনো বা বন্ধ অ্যাকাউন্ট বাদ পড়ে যাওয়াও আবেদনকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একজন আবেদনকারী বহু বছর আগে ব্যবহার করা কোনো ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম বা অন্য প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট ভুলে গেলে এবং পরে সরকারি যাচাইয়ে সেটি পাওয়া গেলে তথ্য গোপন বা ভুল তথ্য দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে অনিচ্ছাকৃত ভুল এবং ইচ্ছাকৃত তথ্য গোপনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ কীভাবে পার্থক্য করবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা নেই।    কঠোর যাচাইয়ের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাব পড়ছে বিদেশে গিয়ে ভিসা স্ট্যাম্প নিতে যাওয়া কর্মীদের ওপর। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করলেও বিদেশ সফরের পর ফিরে আসার জন্য অনেক H-1B কর্মীকে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে নতুন ভিসা স্ট্যাম্প নিতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইয়ের কারণে সাক্ষাৎকারের সময় পাওয়া, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়া এবং পাসপোর্ট ফেরত পেতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে।   রয়টার্সের আইনজীবী বিশ্লেষণে ভারতের একটি ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। নতুন অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতির সময় দেশটিতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত বহু H-1B ও H-4 ভিসা সাক্ষাৎকার মার্চ বা তার পরের সময়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এতে ছুটিতে দেশে যাওয়া কয়েকজন বিদেশি কর্মী মাসের পর মাস যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেননি এবং তাঁদের চাকরিতে যোগদান ব্যাহত হয়।    কোনো ভিসা আবেদনে অতিরিক্ত প্রশাসনিক যাচাই প্রয়োজন হলে কনস্যুলার কর্মকর্তা Immigration and Nationality Act-এর 221(g) ধারায় আবেদনটি সাময়িকভাবে আটকে রেখে আরও তথ্য চাইতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা প্রতিটি মামলার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এবং আবেদনকারীদের পরিকল্পিত সফরের অনেক আগে আবেদন করতে হবে।    এ ধরনের বিলম্ব শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। কর্মী সময়মতো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে না পারলে প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প, গ্রাহকসেবা, গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নিয়োগ পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। নতুন বিদেশি কর্মীর যোগদানের তারিখ পিছিয়ে গেলে কোম্পানিকে পদটি খালি রাখতে, কাজ অন্য কর্মীদের মধ্যে ভাগ করতে অথবা প্রকল্পের সময়সীমা পরিবর্তন করতে হতে পারে।   সীমান্তে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ পরীক্ষা নিয়েও নিয়োগদাতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন সীমান্তে বিদ্যমান ক্ষমতার আওতায় কোনো ভ্রমণকারীকে ডিভাইস আনলক করতে বলতে পারে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এমন পরীক্ষা বাড়লে ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের গোপন নথি, গ্রাহকের তথ্য ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।   বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মীদের আন্তর্জাতিক সফরের আগে সম্ভাব্য ভিসা বিলম্ব সম্পর্কে সতর্ক করা প্রয়োজন। কর্মীদের ব্যক্তিগত ডিভাইসে কোম্পানির সংবেদনশীল নথি সংরক্ষণ না করা, তথ্য নিরাপত্তার নীতি মেনে চলা এবং ছুটির সময় ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।   যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশি H-1B কর্মী, H-4 নির্ভরশীল, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গ্রিন কার্ড আবেদনকারী ও নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের জন্যও পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন করার আগে গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম, ব্যবহারকারীর নাম, পুরোনো ও বন্ধ অ্যাকাউন্ট এবং নাম পরিবর্তনের তথ্য গুছিয়ে রাখা প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনপত্রে দেওয়া নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, চাকরি ও পরিবারের তথ্যের সঙ্গে অনলাইন তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি থাকলে অতিরিক্ত প্রশ্ন উঠতে পারে।   তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতামত থাকা বা সরকারের সমালোচনা করলেই ভিসা প্রত্যাখ্যাত হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি এখনো নেই। রয়টার্সের বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের কারণে ব্যাপকভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সুস্পষ্ট প্রবণতা এখনো দেখা যায়নি। নতুন ফর্ম ও নীতির পূর্ণ বাস্তবায়নের পর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।    বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো অনিশ্চয়তা। আবেদনকারীদের আরও ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হতে পারে, কর্মকর্তাদের পর্যালোচনায় বেশি সময় লাগতে পারে এবং নিয়োগদাতাদের বিদেশি কর্মীর যোগদান ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় অতিরিক্ত সময় রাখতে হতে পারে। নতুন ফর্ম প্রকাশের আগ পর্যন্ত কোন আবেদনকারীর কাছে ঠিক কত বছরের তথ্য চাওয়া হবে, কোন প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং পুরোনো অ্যাকাউন্ট বাদ পড়লে কীভাবে তা বিবেচনা করা হবে—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ২৩:৩১
ঋণ অনুমোদনের আগে আবেদনকারীর আয় ও পরিশোধ সক্ষমতা আরও সতর্কভাবে যাচাইয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

কাগজপত্রহীন কর্মীদের ঋণে বাড়তি যাচাই, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোকে নতুন সতর্কতা

মিশিগানে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস প্রাদুর্ভাবের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে লেটুস ও সালাদ শাকসবজি তদন্ত করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানে সাইক্লোস্পোরিয়াসিসের প্রাদুর্ভাব, লেটুস কেনা ও খাওয়ায় সতর্কতার পরামর্শ

নিউইয়র্কে Jobs NYC-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুটি বড় চাকরি মেলা। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বিশাল কর্মী নিয়োগ মেলা, অন-স্পট ইন্টারভিউ ও সরাসরি চাকরির সুবর্ণ সুযোগ

0 Comments