ভিসা যাচাইয়ে ১০ বছরের সোশ্যাল মিডিয়া তথ্য, বিদেশি কর্মী নিয়োগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
ওয়াশিংটন, ১৪ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসহ বিভিন্ন অভিবাসন আবেদনে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি এবং পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ভিসা আবেদনকারীদের অনলাইন কার্যক্রম যাচাই বাড়ায় প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, অতিরিক্ত নথির অনুরোধ এবং বিদেশে গিয়ে আটকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও কর্মী ব্যবস্থাপনায়।
থোমসন রয়টার্সের ওয়েস্টল টুডেতে ৬ জুলাই প্রকাশিত অভিবাসন আইনবিষয়ক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশিদের জন্য নিরাপত্তা যাচাইয়ের পরিধি ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় ভিসা ও অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, একই ধরনের আবেদনে ভিন্ন ফল এবং নিয়োগ পরিকল্পনায় বিঘ্ন দেখা দিচ্ছে। বিশ্লেষণটি সংবাদ প্রতিবেদন নয়; বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা আইনজীবী মনীশ দাফতারির পেশাগত মূল্যায়ন।
নতুন যাচাই ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি হয় ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে। আদেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ও অভিবাসন সুবিধার আবেদনকারীদের জন্য আরও কঠোর ও অভিন্ন নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ফেডারেল সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড, আর্থিক তথ্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই বাড়ানোর একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা—USCIS জানিয়েছে, পরিচয় যাচাই, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি সংগ্রহের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশে বলা হয়, নির্দিষ্ট অভিবাসন আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীর নাম বা ‘হ্যান্ডল’ সংগ্রহের জন্য USCIS একটি সাধারণ অনুমোদন কাঠামো তৈরি করছে। এখানে পাসওয়ার্ড নয়, আবেদনকারী কোন প্ল্যাটফর্মে কোন পরিচিতি ব্যবহার করেছেন, সেই তথ্য চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রয়টার্সে প্রকাশিত আইনজীবী বিশ্লেষণ অনুযায়ী, USCIS স্থায়ী বসবাস, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ অনুমতিসংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্ম সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে। নতুন ফর্মে আবেদনকারীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডল চাওয়া হতে পারে—এমনকি ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্টের তথ্যও। আবেদনকারীর মা-বাবা, ভাই-বোনসহ নিকটাত্মীয়দের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে ৬ জুলাই পর্যন্ত এসব ফর্মের পূর্ণাঙ্গ নিয়ম ও বাস্তবায়নপদ্ধতি প্রকাশিত হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ নতুন নয়। ২০১৯ সালের ৩১ মে থেকে অধিকাংশ অভিবাসী ও অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে DS-160 ও DS-260 ফর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতি দিতে হচ্ছে। তখন মূলত আগের পাঁচ বছরের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। বর্তমান উদ্যোগটি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে USCIS-এর কাছে গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও অন্যান্য সুবিধার আবেদনকারীদের ওপরও আরও বিস্তৃতভাবে যাচাই প্রয়োগের পথ তৈরি করছে।
২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর H-1B কর্মভিসা আবেদনকারী ও তাঁদের H-4 নির্ভরশীলদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা সম্প্রসারণ করে। এর আগে শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির F, M ও J ভিসা আবেদনকারীদের ওপর এ ধরনের পর্যালোচনা চালু ছিল। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল ‘পাবলিক’ বা উন্মুক্ত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রকাশ্য তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন। ২০২৬ সালের মার্চে আরও কয়েকটি অ-অভিবাসী ভিসা শ্রেণিতেও এই যাচাই সম্প্রসারিত হয়েছে।
নিরাপত্তা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘আমেরিকাবিরোধী’ বা আপত্তিকর বক্তব্য শনাক্ত করার কথা বলা হলেও কোন ধরনের পোস্ট, মন্তব্য বা অনলাইন কার্যক্রমকে এই সংজ্ঞার মধ্যে ধরা হবে, তা স্পষ্ট নয়। সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো সরকারি নীতি বা প্রেসিডেন্টের সমালোচনা, বিক্ষোভে অংশগ্রহণ কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশ ভিসা বা কাজের অনুমতির সিদ্ধান্তে নেতিবাচকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে কি না। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে পরিষ্কার ও বিস্তারিত সরকারি মানদণ্ড প্রকাশ করা হয়নি।
পুরোনো বা বন্ধ অ্যাকাউন্ট বাদ পড়ে যাওয়াও আবেদনকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একজন আবেদনকারী বহু বছর আগে ব্যবহার করা কোনো ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম বা অন্য প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্ট ভুলে গেলে এবং পরে সরকারি যাচাইয়ে সেটি পাওয়া গেলে তথ্য গোপন বা ভুল তথ্য দেওয়ার প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে অনিচ্ছাকৃত ভুল এবং ইচ্ছাকৃত তথ্য গোপনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ কীভাবে পার্থক্য করবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা নেই।
কঠোর যাচাইয়ের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাব পড়ছে বিদেশে গিয়ে ভিসা স্ট্যাম্প নিতে যাওয়া কর্মীদের ওপর। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করলেও বিদেশ সফরের পর ফিরে আসার জন্য অনেক H-1B কর্মীকে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে নতুন ভিসা স্ট্যাম্প নিতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইয়ের কারণে সাক্ষাৎকারের সময় পাওয়া, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়া এবং পাসপোর্ট ফেরত পেতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে।
রয়টার্সের আইনজীবী বিশ্লেষণে ভারতের একটি ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। নতুন অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতির সময় দেশটিতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত বহু H-1B ও H-4 ভিসা সাক্ষাৎকার মার্চ বা তার পরের সময়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এতে ছুটিতে দেশে যাওয়া কয়েকজন বিদেশি কর্মী মাসের পর মাস যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেননি এবং তাঁদের চাকরিতে যোগদান ব্যাহত হয়।
কোনো ভিসা আবেদনে অতিরিক্ত প্রশাসনিক যাচাই প্রয়োজন হলে কনস্যুলার কর্মকর্তা Immigration and Nationality Act-এর 221(g) ধারায় আবেদনটি সাময়িকভাবে আটকে রেখে আরও তথ্য চাইতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা প্রতিটি মামলার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এবং আবেদনকারীদের পরিকল্পিত সফরের অনেক আগে আবেদন করতে হবে।
এ ধরনের বিলম্ব শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। কর্মী সময়মতো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে না পারলে প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প, গ্রাহকসেবা, গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নিয়োগ পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। নতুন বিদেশি কর্মীর যোগদানের তারিখ পিছিয়ে গেলে কোম্পানিকে পদটি খালি রাখতে, কাজ অন্য কর্মীদের মধ্যে ভাগ করতে অথবা প্রকল্পের সময়সীমা পরিবর্তন করতে হতে পারে।
সীমান্তে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ পরীক্ষা নিয়েও নিয়োগদাতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন সীমান্তে বিদ্যমান ক্ষমতার আওতায় কোনো ভ্রমণকারীকে ডিভাইস আনলক করতে বলতে পারে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এমন পরীক্ষা বাড়লে ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের গোপন নথি, গ্রাহকের তথ্য ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি কর্মীদের আন্তর্জাতিক সফরের আগে সম্ভাব্য ভিসা বিলম্ব সম্পর্কে সতর্ক করা প্রয়োজন। কর্মীদের ব্যক্তিগত ডিভাইসে কোম্পানির সংবেদনশীল নথি সংরক্ষণ না করা, তথ্য নিরাপত্তার নীতি মেনে চলা এবং ছুটির সময় ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশি H-1B কর্মী, H-4 নির্ভরশীল, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গ্রিন কার্ড আবেদনকারী ও নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের জন্যও পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন করার আগে গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম, ব্যবহারকারীর নাম, পুরোনো ও বন্ধ অ্যাকাউন্ট এবং নাম পরিবর্তনের তথ্য গুছিয়ে রাখা প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনপত্রে দেওয়া নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, চাকরি ও পরিবারের তথ্যের সঙ্গে অনলাইন তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি থাকলে অতিরিক্ত প্রশ্ন উঠতে পারে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতামত থাকা বা সরকারের সমালোচনা করলেই ভিসা প্রত্যাখ্যাত হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি এখনো নেই। রয়টার্সের বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের কারণে ব্যাপকভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সুস্পষ্ট প্রবণতা এখনো দেখা যায়নি। নতুন ফর্ম ও নীতির পূর্ণ বাস্তবায়নের পর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো অনিশ্চয়তা। আবেদনকারীদের আরও ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হতে পারে, কর্মকর্তাদের পর্যালোচনায় বেশি সময় লাগতে পারে এবং নিয়োগদাতাদের বিদেশি কর্মীর যোগদান ও ভ্রমণ পরিকল্পনায় অতিরিক্ত সময় রাখতে হতে পারে। নতুন ফর্ম প্রকাশের আগ পর্যন্ত কোন আবেদনকারীর কাছে ঠিক কত বছরের তথ্য চাওয়া হবে, কোন প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং পুরোনো অ্যাকাউন্ট বাদ পড়লে কীভাবে তা বিবেচনা করা হবে—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreনিউইয়র্কের কুইন্সে ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ডিজের পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধের জেরে এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জামি চৌধুরী নামে ওই ব্যক্তিকে বুধবার গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হয়। পরে বিচারক তাকে জামিন দেন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে তার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। মামলার তথ্যের বরাত দিয়ে প্রাইভেট ডিটেকটিভ শক্তি গুপ্ত জানান, গত ১৬ আগস্ট জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউয়ের কাছে ৮৯-১৬ ১৭৫ স্ট্রিটের একটি পার্টি হলে জামি চৌধুরীর ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়। দুপুর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলা ওই অনুষ্ঠানে ডিজের সরঞ্জাম ও সেবা দেওয়ার জন্য অনুপ কুমার এষকে ১ হাজার ৫০০ ডলার পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। অনুপের অভিযোগ, অনুষ্ঠান শেষে তাকে ৪০০ ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি এতে আপত্তি জানান। পারিশ্রমিক নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে জামি চৌধুরীসহ কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অনুপ আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় তাকে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক গালিগালাজ করা হয়। তার দাবি, তিনি হিন্দু পরিচয় ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থনের কারণে হেনস্তার শিকার হয়েছেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় অনুপকে শারীরিকভাবে আক্রমণ, হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। এমনকি জরুরি সহায়তার জন্য ৯১১ নম্বরে ফোন করার চেষ্টা করার সময়ও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শক্তি গুপ্তের ভাষ্য অনুযায়ী, ৯১১ নম্বরে কল পাওয়ার পর পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে যায়। অনুপকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ঘাড়, কান ও পিঠে আঘাত লাগে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আপসের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অনুপ তাতে রাজি হননি। তিনি বলেন, অন্যায়ভাবে মারধরের শিকার হওয়ার পর তিনি আপস নয়, ন্যায়বিচার চান। তার ভাষ্য, ডিজে হিসেবে কাজ করাই তার জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম। অভিযোগের বিষয়ে জামি চৌধুরীর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। মামলায় অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ট্রাম্পের নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন গবেষকরা, ৪৮ জনকে নিয়োগ দিল কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়
ট্রাম্পের আমলে আইসিইর রেকর্ড গ্রেপ্তার, অর্ধেকের বেশি অভিবাসীর নেই অপরাধের রেকর্ড
মিস ইউএসএ জিতে ইতিহাস গড়লেন ভার্জিনিয়ার ৩১ বছরের দুই সন্তানের মা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক এক বেসামরিক কর্মী বিদেশি সরকারের কাছে জাতীয় প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপন তথ্য সরবরাহের চেষ্টা করার দায় স্বীকার করেছেন। ২৯ বছর বয়সী নাথান ভিলাস লাচ প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার অভ্যন্তরীণ হুমকি বিভাগে কাজ করার সময় এই কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে। ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ার বাসিন্দা লাচ ২০১৯ সালে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায় বেসামরিক কর্মী হিসেবে যোগ দেন। তার কাছে সর্বোচ্চ গোপনীয়তার নিরাপত্তা ছাড়পত্র ছিল। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি একটি বন্ধুত্বপূর্ণ বিদেশি সরকারের কাছে গোপন তথ্য দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে তিনি এমন একজন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যাকে তিনি ওই বিদেশি সরকারের প্রতিনিধি মনে করেছিলেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি আসলে গোপনে কাজ করা ফেডারেল তদন্ত সংস্থার একজন কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৫ সালের মার্চে তদন্তকারীরা লাচের প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর তার সঙ্গে গোপনে থাকা তদন্তকারী কর্মকর্তার যোগাযোগ শুরু হয়। ওই সময় লাচ তার কর্মস্থলের কম্পিউটার থেকে শ্রেণিবদ্ধ তথ্য হাতে লিখে নেন এবং পরে সেগুলো কর্মস্থল থেকে বাইরে নিয়ে যান। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি এমন নথিও সংগ্রহ করেন, যেগুলো গোপন এবং অত্যন্ত গোপনীয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ ছিল। ২০২৫ সালের মে মাসে উত্তর ভার্জিনিয়ার একটি জনসাধারণের পার্কে তথ্য সরবরাহের জন্য লাচ একটি তথ্য সংরক্ষণ যন্ত্র রেখে যান। তদন্তকারীরা সেটি উদ্ধার করে সেখানে গোপন এবং অত্যন্ত গোপনীয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ তথ্যসহ একাধিক নথি পান। পরে তিনি আরও গোপন তথ্য সরবরাহের প্রস্তুতি নেন এবং সেগুলো নিজের পোশাকের মধ্যে লুকিয়ে কর্মস্থল থেকে বের করে আনেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে আরও উঠে আসে, লাচ ওই বিদেশি দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, অন্য কোনো ধরনের সুবিধা বা ক্ষতিপূরণ পেতেও তার আপত্তি নেই। তবে তার দাবি ছিল, বস্তুগত বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রয়োজন তার নেই। এরপর ২০২৫ সালের ২৯ মে আরও গোপন তথ্য সরবরাহের সময় লাচকে গ্রেপ্তার করা হয়। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য বিদেশি সরকারের কাছে সরবরাহের অভিযোগে তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। ফেডারেল তদন্ত সংস্থার একজন কর্মকর্তা বলেন, দেশের অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্যের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন কর্মকাণ্ড জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লাচের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য বিদেশি সরকারের কাছে সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২৭ তার সাজা নির্ধারণের কথা রয়েছে। চূড়ান্ত সাজা দেওয়ার সময় ফেডারেল সাজা নির্দেশিকা ও অন্যান্য আইনগত বিষয় বিবেচনা করবেন বিচারক। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে মালিকানা চায় যুক্তরাষ্ট্র, চলছে গোপন আলোচনা
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নিখোঁজ টেক্সাসের দম্পতি, উৎকণ্ঠায় দুই মেয়ে
নিজেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সেরা প্রেসিডেন্ট ঘোষণা ট্রাম্পের, অথচ ইতিহাসবিদদের মূল্যায়নে তিনি সবার নিচে
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে খাবার পৌঁছে দেওয়ার পর এক ডেলিভারি চালককে নগ্ন অবস্থায় বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধরা পড়া ওই দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান বাড়ির মালিক কিয়ান্তে ম্যাটলক। ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ আগস্ট হিউস্টনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, হোমস্টেড এলাকার কাছাকাছি ম্যাটলকের বাড়িতে। ম্যাটলক জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়ির ভেতরে বসে ভিডিও গেম খেলছিলেন। তার মেয়েও তখন বাড়িতে ছিল। মেয়ের কাছ থেকে ফোনে একটি নোটিফিকেশন আসার কথা জানতে পেরে ম্যাটলক বুঝতে পারেন, তার খাবারের অর্ডার পৌঁছে গেছে। এরপর তিনি বাড়ির রিং নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে গিয়ে অস্বাভাবিক দৃশ্যটি দেখতে পান। ফুটেজে দেখা যায়, খাবার পৌঁছে দেওয়ার পর ডেলিভারি চালকটি বাড়ির বাইরে নগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন। দৃশ্যটি দেখে তিনি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না বলে জানান ম্যাটলক। ম্যাটলক নিয়মিত ডোরড্যাশ ব্যবহার করেন। তবে ওই দিনের খাবার তিনি আর গ্রহণ করেননি। পরে ডোরড্যাশ কর্তৃপক্ষ তার অর্ডারের অর্থ ফেরত দেয়। ঘটনার বিষয়ে ডোরড্যাশের সঙ্গে যোগাযোগ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স ২৬ হিউস্টন। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র ঘটনাটিকে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি জানার পর ডোরড্যাশ সরাসরি ম্যাটলকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সংশ্লিষ্ট চালকের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। ডোরড্যাশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের যৌন হয়রানি বা অনুপযুক্ত আচরণ তারা মেনে নেয় না। ঘটনার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন হলে তাদের সহযোগিতা করার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, তাদের অ্যাপের মাধ্যমে জমা পড়া অভিযোগগুলো ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি বিভাগ পর্যালোচনা করে। ডেলিভারির সময় কোনো গ্রাহক অস্বাভাবিক বা উদ্বেগজনক আচরণের মুখে পড়লে দ্রুত অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে অনিরাপদ মনে হলে স্থানীয় পুলিশকে জানানোর পরামর্শও দিয়েছে ডোরড্যাশ। তাৎক্ষণিক বিপদের আশঙ্কা থাকলে জরুরি নম্বরে ৯১১-এ ফোন করতে বলা হয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে হিউস্টন পুলিশের সঙ্গেও কথা বলেছে ফক্স ২৬। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাড়ির বাসিন্দারা এ ধরনের ঘটনা ঘটলে পুলিশকে জানানো এবং ঘটনার সম্ভাব্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা উচিত। এর মধ্যে রিং ক্যামেরা, দরজার ক্যামেরা কিংবা বাড়ির অন্য কোনো নজরদারি ক্যামেরার ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য ফৌজদারি অভিযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। তবে সে জন্য আগে ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রয়োজন এবং এরপর পুলিশ তদন্ত করে দেখবে ঠিক কী ঘটেছিল। ফক্স ২৬ জানিয়েছে, টেক্সাসের আইনে এ ধরনের আচরণ কোন পরিস্থিতিতে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, তা জানতে তারা একজন আইন বিশেষজ্ঞের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করছে। ঘটনাটি আবারও বাড়িতে খাবার বা পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সময় নিরাপত্তা ক্যামেরার গুরুত্ব সামনে এনেছে। বিশেষ করে ডেলিভারি কর্মীর আচরণ নিয়ে কোনো উদ্বেগ তৈরি হলে ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ফক্স ২৬ হিউস্টন (FOX 26), প্রতিবেদক লেসলি ডেলাসবোর।
জাকারবার্গের স্ত্রীর চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, সামাজিক মাধ্যমে পাল্টা জবাব, ‘ভালোবাসা টাকা দিয়ে কেনা যায় না’
গ্যারাজে রান্নার ব্যবস্থা করার আগে জানুন, পারমিট ছাড়া জরিমানার মুখে পড়তে পারেন মালিকেরা