আমেরিকা

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য ও স্থায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্পের নিজের দলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের লক্ষ্য এবং এর দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে খোদ মার্কিন রিপাবলিকান শিবিরে বিভক্তি ও চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের পর মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।


সাউথ ক্যারোলাইনার প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান ন্যান্সি মেস ক্ষোভ প্রকাশ করে সিএনএন-কে জানান, ব্রিফিং চলাকালীন যথাযথ উত্তর না পেয়ে তিনি সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত কোনো তহবিলের আবেদনে তিনি সমর্থন দেবেন না। তার মতে, প্রশাসন কংগ্রেসকে বিভ্রান্ত করছে এবং যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য স্পষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে।


ন্যান্সি মেস বলেন, "প্রতিটি দিন যত গড়াচ্ছে, রিপাবলিকানদের মধ্যে এই যুদ্ধের সমর্থন তত কমছে। আমি আমার অঙ্গরাজ্যের সন্তানদের তেলের দামের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে মরতে পাঠাতে পারি না।"


একইসাথে তিনি সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের কড়া সমালোচনা করেন। গ্রাহাম সম্প্রতি ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র 'খার্গ আইল্যান্ড' দখলের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিহিত করেন মেস। তিনি সতর্ক করে বলেন, গত ৭০ বছরে শাসন পরিবর্তন বা এ জাতীয় যুদ্ধে আমেরিকার ইতিহাস কেবল ব্যর্থতারই সাক্ষ্য দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

আমেরিকা

View more
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য ও স্থায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্পের নিজের দলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছে

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের লক্ষ্য এবং এর দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে খোদ মার্কিন রিপাবলিকান শিবিরে বিভক্তি ও চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের পর মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সাউথ ক্যারোলাইনার প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান ন্যান্সি মেস ক্ষোভ প্রকাশ করে সিএনএন-কে জানান, ব্রিফিং চলাকালীন যথাযথ উত্তর না পেয়ে তিনি সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত কোনো তহবিলের আবেদনে তিনি সমর্থন দেবেন না। তার মতে, প্রশাসন কংগ্রেসকে বিভ্রান্ত করছে এবং যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য স্পষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে। ন্যান্সি মেস বলেন, "প্রতিটি দিন যত গড়াচ্ছে, রিপাবলিকানদের মধ্যে এই যুদ্ধের সমর্থন তত কমছে। আমি আমার অঙ্গরাজ্যের সন্তানদের তেলের দামের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে মরতে পাঠাতে পারি না।" একইসাথে তিনি সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের কড়া সমালোচনা করেন। গ্রাহাম সম্প্রতি ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র 'খার্গ আইল্যান্ড' দখলের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অভিহিত করেন মেস। তিনি সতর্ক করে বলেন, গত ৭০ বছরে শাসন পরিবর্তন বা এ জাতীয় যুদ্ধে আমেরিকার ইতিহাস কেবল ব্যর্থতারই সাক্ষ্য দেয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
এক তরুণীর সাফল্য

হাসপাতালের ঝাড়ুদার থেকে সেই হাসপাতালেরই ডাক্তার, ভাইরাল হল এক তরুণীর সাফল্য

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

ছবি: সংগৃহীত

ইরান চুক্তি করতে আগ্রহী, তবে তারা বলতে ভয় পাচ্ছে ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।
ইরান সংঘাতে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ত্র উৎপাদন বাড়িয়ে যুদ্ধকালীন পর্যায়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

ইরানে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথভাবে সামরিক অভিযান চালানোর প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র এখন অস্ত্র উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের পাল্টা জবাবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় দেশটিকে এই পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।   মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়াবে। পেন্টাগনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল’ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন জোরদার করা হবে।   এছাড়া উচ্চ উচ্চতায় উড়তে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত ‘টার্মিনাল হাই আল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড)’ ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ যন্ত্রের উৎপাদনও বাড়ানো হবে।   পেন্টাগন আরও জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ প্রতিরক্ষা শিল্পকে ‘যুদ্ধকালীন উৎপাদন’ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান। এর পাশাপাশি নেভিগেশন সিস্টেম এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উৎপাদনও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ ঘিরে ইরানের ‘বড় উপহার’ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—দাবি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত

সংঘাতের মাঝেই শান্তির ফর্মুলা? যুদ্ধ থামাতে ইরানকে ১৫ দফার প্রস্তাব পাঠালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সাথে গোপনে যোগাযোগ ট্রাম্প প্রশাসনের, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

ছবি: সংগৃহীত।
যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের অধিকার সীমিত করতে সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প প্রশাসন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে থাকবে কি না, তা নির্ধারণে শুনানি শুরু করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ, ২০২৬) মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে আসা অভিবাসীদের আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপের বিষয়ে প্রশাসনের আইনি যুক্তি শোনেন আদালত। এই আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছে 'মিটারিং' (metering) নামক একটি বিতর্কিত নীতি। এই নীতির মাধ্যমে মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তারা সীমান্তে ভিড় বেশি হলে অভিবাসীদের ফিরিয়ে দিতে পারেন এবং তাদের আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখতে পারেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে এই নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছিল, যা পরে বাইডেন প্রশাসন বাতিল করে দেয়। এখন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প প্রশাসন পুনরায় এই নীতি কার্যকর করতে আগ্রহী। মার্কিন ফেডারেল আইন অনুযায়ী, কোনো অভিবাসী যদি যুক্তরাষ্ট্রে ‘পৌঁছান’ (arrives in the United States), তবে তিনি আশ্রয়ের আবেদন করার এবং সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রাথমিক পরীক্ষার (inspection) সুযোগ পাওয়ার অধিকারী। আইনি লড়াইয়ের মূল বিন্দু হলো—যেসব অভিবাসীকে মেক্সিকো সীমান্তের ওপারে আটকে দেওয়া হচ্ছে, তারা কি আইনত যুক্তরাষ্ট্রে ‘পৌঁছেছেন’ বলে গণ্য হবেন? প্রশাসনের পক্ষে সরকারি আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ‘পৌঁছানো’ বলতে শারীরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানায় প্রবেশ করাকে বোঝায়। অন্যদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং নিম্ন আদালত আগে রায় দিয়েছিল যে, সীমান্তের চেকপোস্টে উপস্থিত হওয়া মানেই তিনি প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত। যদি সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে রায় দেয়, তবে সীমান্ত কর্মকর্তারা আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড়াই যেকোনো সময় অভিবাসীদের ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এর ফলে সীমান্তে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ার এবং মানবিক সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। বিচারপতি সোনিয়া সোতোমেয়র শুনানির সময় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই নীতি কার্যকর হলে যারা প্রকৃত শরণার্থী হিসেবে সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য, তাদের অধিকার খর্ব হতে পারে। আগামী জুনের শেষ নাগাদ এই মামলার চূড়ান্ত রায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু এই মামলা নয়, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (birthright citizenship) বাতিল এবং হাইতি ও সিরিয়ার অভিবাসীদের অস্থায়ী সুরক্ষা কবজ তুলে নেওয়ার মতো আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিবাসন সংক্রান্ত মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।   ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়িত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের আশ্রয় প্রদান নীতির আমূল পরিবর্তন ঘটাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটে ১০ বছরের রেকর্ড ভাঙল হাড়কাঁপানো শীত ও তুষারপাত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ।

ইরান হামলার সিদ্ধান্তের দায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হেগসেথের ওপর চাপালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

কঠিন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার স্বপ্ন: ভিসা অনুমোদন কমলো ১১ শতাংশ

0 Comments