আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত ভিসা ও গ্রিন কার্ড পেতে বাড়ল প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি!

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত ভিসা ও গ্রিন কার্ড পেতে বাড়ল প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি!
যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত ভিসা ও গ্রিন কার্ড পেতে বাড়ল প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি!

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত সময়ে ভিসা বা গ্রিন কার্ডের সিদ্ধান্ত পেতে আগ্রহী আবেদনকারীদের জন্য নতুন খরচের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা U.S. Citizenship and Immigration Services (ইউএসসিআইএস) ১ মার্চ থেকে প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বৃদ্ধির নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা এবং দীর্ঘদিনের জমে থাকা আবেদন নিষ্পত্তি দ্রুত করার লক্ষ্যেই এই ফি বাড়ানো হয়েছে।

 

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এইচ-১বি কাজের ভিসাসহ কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনের ক্ষেত্রেও প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি বেড়েছে। অধিকাংশ কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনের জন্য প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি এখন ২ হাজার ৯৬৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

প্রিমিয়াম প্রসেসিং ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীরা সাধারণত ১৫ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে তাদের আবেদনের বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়ার আশা করেন। তবে কর্তৃপক্ষ মনে করিয়ে দিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি কেবল দ্রুত পর্যালোচনার সুবিধা দেয়—আবেদন অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই ফি বৃদ্ধির ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত পেতে আগ্রহী ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের খরচ আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, ১৭ রণতরী ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ব্র্যাড কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক অভিযানের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছেন।   তার দাবি অনুযায়ী, ইরান–এ প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানে ইরানের একটি সাবমেরিনসহ অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ রণতরী ধ্বংস হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   তিনি বলেন, অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজারের বেশি সেনা সদস্য, প্রায় ২০০ যুদ্ধবিমান, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং একাধিক বোমারু বিমান অংশ নিচ্ছে। সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রধান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর আঘাত হানার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দিন দিন কমছে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।   তার ভাষ্যমতে, ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা হয়েছে। শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এবং ড্রোন ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, ইরান প্রতিশোধ নিতে এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারের বেশি ড্রোন ব্যবহার করেছে। তবে বর্তমানে তাদের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা সংকটের মুখে পড়েছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যদি এসব সামরিক দাবি সত্য হয়, তাহলে ইরানের নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইরানের পরবর্তী কৌশলের দিকে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত ভিসা ও গ্রিন কার্ড পেতে বাড়ল প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি!

যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত ভিসা ও গ্রিন কার্ড পেতে বাড়ল প্রিমিয়াম প্রসেসিং ফি!

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অস্বস্তিতে তারই সমর্থকরা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিজের দেশেই তীব্র প্রশ্ন উঠল

৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পাল্টা অভিযানে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত দাবি

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের পাল্টা “ট্রু প্রমিস ৪” অভিযানে দুই দিনে ৬৫০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। এই অভিযানে পারস্য উপসাগরজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।   আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটি ও সামরিক সদরদপ্তরে হামলার পর ইরানি উপকূলীয় জলসীমা থেকে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইরানি বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।   নায়েনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, এক দফা হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার সময় ১৬০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ইরানি নৌবাহিনী দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০–৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার পর এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের দিকে চলে যায়।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

‘বড় ঢেউ’ আসছে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বিক্ষোভ

ইরানে হা/মলা বন্ধের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

স্টারমারের সহযোগিতায় ক্ষিপ্ত ট্রাম্প, তলানিতে ব্রিটেন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

ছবি: সংগৃহীত।
‘ঝুঁকি বেশি, লাভও বেশি’, যে লোভে হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেন ট্রাম্প

ইরানে ভয়াবহ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হামলাকে গোয়েন্দারা ‘উচ্চ ঝুঁকি ও বড় প্রাপ্তি’র (High-Risk, High-Reward) একটি সমীকরণ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানানো হয়েছিল যে, এই অভিযানে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে। তবে একই সাথে গোয়েন্দারা এই সম্ভাবনাও তুলে ধরেন যে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থের পক্ষে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও নৌ-বাহিনীর ওপর এই শক্তিশালী হামলা চালায়। পেন্টাগন এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে এক চরম উত্তেজনা ও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানও পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল এবং পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অভিযান শুরুর প্রাক্কালে এক ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, এই লড়াইয়ে অনেক ‘সাহসী আমেরিকান বীর’ প্রাণ হারাতে পারেন। তিনি বলেন, “আমরা এই পদক্ষেপ বর্তমানের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্য নিচ্ছি। এটি একটি মহৎ মিশন। দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে ইরান যে বিদ্বেষ ছড়িয়েছে, আমরা তা আর সহ্য করব না।” রয়টার্স জানিয়েছে, ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক অভিযান। সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা সচিবের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে একাধিকবার ব্রিফিং দেওয়া হয়। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছিলেন যে, ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বন্ধ করা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করাই এই হামলার মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে, এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লেও তেহরান একে ‘মানসিক যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই ‘জুয়া’ মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিতে পারে অথবা অঞ্চলটিকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

এপস্টাইনের সাথে ‘দারুণ সময়’ কেটেছে ট্রাম্পের: বিস্ফোরক জবানবন্দী ক্লিনটনের

Trump

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত আছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান হামলা নিয়ে কংগ্রেসে ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প — সামরিক অভিযানের সময়সীমা অনিশ্চিত

0 Comments