সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ইতিহাস গড়লেন ডলি বেগম; প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কানাডার ফেডারেল এমপি নির্বাচিত

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ২৩:৪৩
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম | ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম | ছবি: সংগৃহীত

কানাডার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। প্রথম বাংলাদেশি-কানাডিয়ান হিসেবে কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। গত সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনের উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে বিপুল জয়লাভ করেন তিনি।

 

বিজয় পরবর্তী আবেগঘন বক্তৃতায় ডলি বেগম তাঁর পরিবার ও ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মঞ্চে উঠে শুরুতেই সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় নিজের মাকে খোঁজেন তিনি। প্রয়াত স্বামী রিজুয়ানকে এই জয় উৎসর্গ করে তিনি বলেন, "এই রাত আপনাদের; এটি আশা, সহানুভূতি ও অগ্রগতির জয়।" ১৯৮৯ সালে মৌলভীবাজারে জন্ম নেওয়া ডলি শিশু বয়সে সপরিবারে কানাডায় অভিবাসী হন এবং টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

 

ডলি বেগমের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে, যখন তিনি অন্টারিও এনডিপি থেকে মাত্র ২৯ বছর বয়সে প্রাদেশিক পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি দলের ডেপুটি লিডারও মনোনীত হন। তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘদিনের দল এনডিপি ছেড়ে ফেডারেল লিবারেল পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি রাজনৈতিক মহলে চমক দেন। লিবারেল এমপি বিল ব্লেয়ারের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়া এই আসনে তিনি কনজারভেটিভ ও এনডিপি প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন।

 

ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি ডলি বেগমের এই জয় প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই জয়ের মাধ্যমে লিবারেল পার্টি ১৭৪টি আসন নিশ্চিত করে সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল। তবে বিরোধী দলীয় নেতা পিয়েরে পোয়িলিয়েভ এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রক্রিয়াকে ‘পেছনের দরজার সমঝোতা’ বলে সমালোচনা করেছেন। মৌলভীবাজার থেকে স্কারবোরোর রাজপথ হয়ে কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্ট পর্যন্ত ডলি বেগমের এই যাত্রা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি ডায়াসপোরার কাছে এক অনন্য প্রেরণার গল্প।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিজেই নিজের গুলিতে আহত
রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিজেই নিজের গুলিতে আহত এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে দায়িত্বের বাইরে থাকা এক এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা নিজের বন্দুকের গুলিতে পায়ে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার পর কিংসব্রিজ হাইটস এলাকার বেইলি অ্যাভিনিউতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ৩৩ বছর বয়সী কর্মকর্তাকে দ্রুত জ্যাকোবি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।    পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১২ জানিয়েছে, ওই কর্মকর্তা তখন দায়িত্বে ছিলেন না। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে তাকে প্যারামেডিকদের সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে দেখা যায়।   ঘটনার সময় কীভাবে বন্দুকটি থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, কর্মকর্তাকে জ্যাকোবি হাসপাতালে নেওয়ার পর তার অবস্থা নিয়ে আশাবাদী চিকিৎসকেরা।    পরিবারের পক্ষ থেকে কর্মকর্তার নাম ডেমিট্রিয়াস ক্যাসেরেস বলে জানানো হয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাসেরেস ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে এনওয়াইপিডিতে কর্মরত এবং বর্তমানে ফার্স্ট প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময় অস্ত্রটি হোলস্টারে রাখার মুহূর্তে গুলি ছোড়ে এবং তিনি পায়ে আঘাত পান।    ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। গুলি কীভাবে ছোড়া হয়েছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত ছিল কি না, তা তদন্ত শেষে আরও পরিষ্কার হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ০:২২
নিউইয়র্ক স্টেটে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সেপ্টেম্বর মাসে একাধিক পদে নিয়োগ চলছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ৮০০টির বেশি সরকারি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, যোগ্য অভিবাসীরাও করতে পারবেন আবেদন

মাউন্ট শাস্তার দুর্গম এলাকায় পথ হারানোর পর উদ্ধার করা হয় তিন হাইকারকে। ছবি: সংগৃহীত

এআই দিয়ে পরিকল্পনা করে পাহাড়ে উঠতে গিয়ে পথ হারালেন ৩ হাইকার, রাতভর আটকে থাকার পর উদ্ধার

নিউইয়র্কে ৪৫০% ভাড়া বৃদ্ধির রায় বাতিল, বিলিয়নিয়ারদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে মধ্যবিত্তদের জয়

নিউইয়র্কে ৪৫০% ভাড়া বৃদ্ধির রায় বাতিল, বিলিয়নিয়ারদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে মধ্যবিত্তদের জয়

যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্কদের টার্গেট করে ২৫ কোটি ডলারের প্রতারণা চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার, অভিযুক্ত ৪০ জনের বেশি
যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্কদের টার্গেট করে ২৫ কোটি ডলারের প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার; অভিযুক্ত ৪০ জনের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারান্ট কাউন্টিসহ বিশ্বজুড়ে বয়স্ক নাগরিকদের টার্গেট করে অভিনব কায়দায় সোনা চুরির এক বিশাল চক্রের মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেশ ছেড়ে পালানোর সময় নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩৫ বছর বয়সী মোজাম্মিল আহমেদ নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।   তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চুরি, বয়স্কদের আর্থিক শোষণ এবং অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। নিউজার্সি থেকে ভুয়া বা শেল কোম্পানি খুলে বয়স্কদের কাছ থেকে চুরি করা বিপুল এই অর্থ পাচার করত মোজাম্মিল।   এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।   সর্বশেষ বৃহস্পতিবার কানাডায় পালিয়ে যাওয়ার সময় শিকাগো এবং নিউয়ার্ক থেকে চক্রের আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   তদন্তকারীরা জানান, এই চক্রের সদস্যরা মূলত ভারতভিত্তিক বিভিন্ন কলসেন্টার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বয়স্ক নাগরিকদের ফোন করে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে ভয় দেখাত।   এরপর অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার অজুহাতে তাদের জমানো সব টাকা তুলে সোনার বার বা বিটকয়েন কিনতে বাধ্য করা হতো।   পরবর্তীতে ভুয়া ফেডারেল এজেন্ট সেজে সেই সোনা সংগ্রহ করে ফ্লোরিডার একটি রিফাইনারিতে গলিয়ে গহনা তৈরি করা হতো এবং তা বিক্রি করে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে দেশের বাইরে টাকা পাচার করা হতো।   আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, এই চক্রটি বয়স্কদের কাছ থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার (২৫ কোটি ডলার) হাতিয়ে নিয়েছে।   এর মধ্যে তদন্তকারীরা ১৩ কোটি ডলার মূল্যের সোনা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। চাঞ্চল্যকর এই চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে এক ব্যক্তি একাই ২০ লাখ ডলার খুইয়েছেন।   ট্যারান্ট কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ফিল সোরেলস এই জঘন্য অপরাধের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "কেউ যদি ট্যারান্ট কাউন্টির বয়স্কদের টার্গেট করে, তবে আমরা তাকে খুঁজে বের করবই।   পালিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, তাদের প্রত্যেককেই আইনের মুখোমুখি হতে হবে।" মোজাম্মিল আহমেদকে বর্তমানে ট্যারান্ট কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে এবং নতুন গ্রেপ্তার হওয়া বাকি দুজনকেও সেখানে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১৯:১০
৯/১১-এর উদ্ধারকাজে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারানো তিন কারারক্ষীকে মরণোত্তর সম্মাননা

৯/১১-এর উদ্ধারকাজে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারানো তিন কারারক্ষীকে মরণোত্তর সম্মাননা

তিন সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত লিন্ডসে ক্ল্যান্সি, ‘ভয়ংকর কাজ করেছে’ বললেন ট্রাম্প

তিন সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত লিন্ডসে ক্ল্যান্সি, ‘ভয়ংকর কাজ করেছে’ বললেন ট্রাম্প

নিউইয়র্কে ভারতীয় পুলিশ সেজে বৃদ্ধার ৯ লাখ ডলার হাতানোর অভিযোগ, পুলিশের ফাঁদে গ্রেপ্তার নারী

নিউইয়র্কে ভারতীয় পুলিশ সেজে বৃদ্ধার ৯ লাখ ডলার হাতানোর অভিযোগ, পুলিশের ফাঁদে গ্রেপ্তার নারী

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনায় স্বামীকে ‘লটারি কেনা বোকামি’ প্রমাণ করতে গিয়ে ১০ লাখ ডলার জিতলেন স্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনায় স্বামীকে ‘লটারি কেনা বোকামি’ প্রমাণ করতে গিয়ে ১০ লাখ ডলার জিতলেন স্ত্রী

  যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দা গ্লেন্ডা ব্ল্যাকওয়েল। ২০১৬ সালে তার স্বামী তাকে দুটি 'পাওয়ারবল' লটারির টিকিট কিনে আনতে বললে তিনি বেশ বিরক্ত হয়েছিলেন।   লটারির পেছনে টাকা খরচ করা যে স্রেফ বোকামি এবং এতে সাধারণত কোনো লাভ হয় না, সেটি স্বামীকে হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেখাতে চেয়েছিলেন তিনি।   তাই স্বামীর কথামতো পাওয়ারবল লটারি না কিনে তিনি ১০ ডলার দিয়ে একটি স্ক্র্যাচ-অফ টিকিট কেনেন।   তবে গ্লেন্ডার এই পরিকল্পনাটি এমনভাবে ভেস্তে যাবে, তা হয়তো তিনি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি। স্বামীকে শিক্ষা দিতে কেনা ওই ১০ ডলারের টিকিটেই তিনি জিতে নেন ১০ লাখ মার্কিন ডলারের বিশাল পুরস্কার!   পুরস্কার জেতার পর পুরো অর্থ এককালীন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন গ্লেন্ডা। কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্যের যাবতীয় কর পরিশোধের পর তার হাতে আসে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫০৩ ডলার।   স্বামীকে অর্থ অপচয়ের পাঠ শেখাতে গিয়ে অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি নিজেই লটারির টিকিট কেনার সবচেয়ে বড় এবং সফল উদাহারণ হয়ে ওঠেন। মজার এই ঘটনাটি সেসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১৭:১৯
ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনথিভুক্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে নতুন নিষেধাজ্ঞা

ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনথিভুক্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে নতুন নিষেধাজ্ঞা

মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ৭১ বছরের বৃদ্ধা, পুলিশ স্টেশনে গুলি চালিয়ে পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত

মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ৭১ বছরের বৃদ্ধা, পুলিশ স্টেশনে গুলি চালিয়ে পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত

ডালাস-নিউয়ার্কগামী বিমানে যাত্রীর মাতলামি, সিটের সঙ্গে ডাক্ট টেপে বেঁধে জরুরি অবতরণ

ডালাস-নিউয়ার্কগামী বিমানে যাত্রীর মাতলামি, সিটের সঙ্গে ডাক্ট টেপে বেঁধে জরুরি অবতরণ

0 Comments