আমেরিকা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় মিত্ররা

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন বিশ্ববাজারে তেলের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখতে চাওয়া ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।


শুক্রবার (১৩ মার্চ, ২০২৬) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, সমুদ্রে আটকা পড়া বা ট্রানজিটে থাকা রুশ তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের জন্য বিশেষ ছাড় (Waiver) দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানান, ইরান যুদ্ধের ফলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা স্থিতিশীল করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


ওয়াশিংটনের এই ঘোষণার পর শুক্রবার সকালে এশীয় বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমতে দেখা গেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল দূত কিরিল দিমিত্রিভ জানিয়েছেন, এই ছাড়ের ফলে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল রুশ অপরিশোধিত তেল বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে, যা প্রায় এক দিনের বিশ্ব চাহিদার সমান। মস্কো যুক্তরাষ্ট্রের এই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।


তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে জার্মানি ও ফ্রান্সসহ প্রধান ইউরোপীয় মিত্ররা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মতে, রাশিয়ার আয়ের প্রধান উৎস তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করা হবে। তারা মনে করছে, মুদ্রাস্ফীতি এবং অভ্যন্তরীণ তেলের দাম কমাতে গিয়ে ওয়াশিংটন দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে।


সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন চাপের মুখে ছিল। সমালোচকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আসন্ন নির্বাচন এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই রাশিয়ার সাথে এই সাময়িক সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছেন।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ৩০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরান আত্মসমর্পণের পথে—জি–৭ বৈঠকে দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান আত্মসমর্পণের দিকে এগোচ্ছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। গত বুধবার অনুষ্ঠিত জি–৭ নেতাদের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।   এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এমন একটি হুমকি থেকে মুক্তি পেয়েছি, যা সবার জন্য ক্যানসারের মতো হয়ে উঠেছিল।” তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘এপিক ফিউরি’-এর সাফল্য নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন।   বৈঠকে ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরানের নেতৃত্ব এখন কার হাতে রয়েছে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না। ফলে আত্মসমর্পণ ঘোষণার মতো অবস্থায় সেখানে কেউ নেই।” এ মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করে Reuters, তবে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে Iran পাল্টা হামলা চালালে সংঘাত দ্রুত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘাতের ১৪তম দিনে বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনা ঘটে। এদিন ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়, এতে ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন।   তবে তেহরান এখনো আত্মসমর্পণ বা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নাকচ করে আসছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ কখন শেষ হবে, তা নির্ধারণ করবে তারাই। এর আগে ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করে তাদের “উন্মাদ ও নিকৃষ্ট মানুষ” বলে মন্তব্য করেন এবং বলেন, তাদের হত্যা করা তার জন্য “বড় সম্মানের বিষয়” হবে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রণকৌশল নাকি সমন্বয়হীনতা? ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিন্ন সুর

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় মিত্ররা

স্পেনের মালাগায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ট্রাম্পের কঠোর নীতি যেভাবে ইউরোপকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে ‘চরম আঘাতের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করার সাথে সাথে পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ওপর ভয়াবহ হামলা চালানোর প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার কথা জানান। ট্রাম্প বলেন, "আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা তাদের ওপর অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভয়াবহ আক্রমণ চালাতে যাচ্ছি।" তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, মার্কিন বাহিনী আগামী দিনগুলোতে ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে তীব্র বিমান হামলা বা সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।  মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র যখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ট্রাম্পের এই সরাসরি হুমকি পুরো অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানবিরোধী মনোভাবের হেগসেথ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম

তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাম্পকে তীব্র কটাক্ষ ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরের

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী: তেলের দাম ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট
যুক্তরাষ্ট্রে হামলা করতে পারে ইরান, এফবিআই’র সতর্কবার্তা নাকচ হোয়াইট হাউসের

ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরানের ড্রোন হামলার যে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, তা মূলত একটি অসমর্থিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ছিল বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।  এফবিআই-এর সেই সতর্কবার্তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া জনমনে আতঙ্ক দূর করতেই এই স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে জানান, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দেওয়া এফবিআই-এর সেই বিশেষ সতর্কতাটি মূলত একটি একক ইমেইলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল। সেই ইমেইলে দেওয়া তথ্যটি ছিল সম্পূর্ণ যাচাইহীন বা আনভেরিফাইড। এর আগে এফবিআই-এর তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল যে, চলতি ফেব্রুয়ারির শুরুতে ইরান সমুদ্রপথে ড্রোন ব্যবহার করে ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অতর্কিত হামলার পরিকল্পনা করছে।  তবে লেভিট এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেন, "পরিষ্কারভাবে বলতে চাই: আমাদের জন্মভূমিতে ইরানের পক্ষ থেকে এমন কোনো হুমকির অস্তিত্ব নেই এবং কখনো ছিলও না।"

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি

ট্রাম্পকে অনুতপ্ত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের আয়ও বাড়ে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে যুক্তরাষ্ট্র; দাবি ট্রাম্পের

0 Comments