বিশ্ব রাজনীতি

চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে

চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে: ইসরায়েল উপকূলে বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরী

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে
চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পরমাণু চুক্তি বিষয়ক আলোচনা এক অনিশ্চিত মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক এবং বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ (USS Gerald R. Ford) শুক্রবার ইসরায়েল উপকূলে পৌঁছেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, রণতরীটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে ত্যাগ করে ইসরায়েল উপকূলে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-৩৫এ (F-35A) স্টিলথ ফাইটার এবং এফ-১৫ই (F-15E) স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের একটি বড় বহর। এছাড়া ডিয়েগো গার্সিয়া এবং ব্রিটেনের বিমানঘাঁটিগুলোতেও মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে চাপে রাখা এবং সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় কৌশলগত পদক্ষেপ।

 

জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় কিছুটা 'অগ্রগতি'র কথা বলা হলেও মূল বিষয়গুলোতে মতভেদ কাটেনি। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, ইরানকে তাদের ফোরদো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহান পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস করতে হবে এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের সব মজুদ হস্তান্তর করতে হবে। অন্যদিকে, ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা নিজেদের ভূখণ্ডের বাইরে কোনো ইউরেনিয়াম পাঠাবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চান না, তবে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।

 

ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলকে দিয়ে প্রথম হামলার পরিকল্পনা করছে কি না—এমন গুঞ্জনও আন্তর্জাতিক মহলে ছড়িয়েছে। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একা হামলা চালানো ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত ভুল হতে পারে। কারণ এতে ব্যর্থতার দায় ইসরায়েলের ওপর পড়বে এবং আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা কংগ্রেসে এমন একটি বিল আনার চেষ্টা করছেন যা কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর ট্রাম্পের হামলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত করবে।

 

পেন্টাগন তাদের প্রথম কামিকাজে ড্রোন ইউনিট 'টাস্ক ফোর্স স্কর্পিয়ন' (Task Force Scorpion)-কে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রেখেছে। এই ইউনিটটি মূলত ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের আদলে তৈরি স্বল্প মূল্যের আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে, যা প্রয়োজনে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালাতে সক্ষম।

 

সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর। একদিকে আলোচনার টেবিল খোলা রাখা হয়েছে, অন্যদিকে সমুদ্র ও আকাশে বাড়ছে যুদ্ধের প্রস্তুতি। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচনার জানালা যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে সামরিক সংঘাত এড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

বিশ্ব রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত।
ট্রাম্পের সঙ্গে গোপন বৈঠক: বড় জয় নিয়ে ফিরলেন মেয়র মামদান

রাজনৈতিক বৈরিতা পেছনে ফেলে নিউ ইয়র্কবাসীর জন্য এক অভাবনীয় সাফল্য ছিনিয়ে আনলেন সিটি মেয়র জোহরান মামদানি। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ আলোচনার পর কেবল আবাসন সংকটের সমাধানই নয়, বরং এক শিক্ষার্থীর মুক্তি নিশ্চিত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা।   অপারেশন ওয়াশিংটন: ছদ্মবেশে গোপন সফর বৃহস্পতিবার সকালে কড়া গোপনীয়তা বজায় রেখে ওয়াশিংটনে পৌঁছান মেয়র মামদানি। গণমাধ্যমের নজর এড়াতে কালো টুপি ও মাস্ক পরে সাধারণ বিমানে ভ্রমণ করেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট—নিউ ইয়র্ক সিটির আবাসন সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং ফেডারেল সরকারের সরাসরি সহযোগিতা নিশ্চিত করা।   সাফল্য-১: বড় আবাসন প্রকল্পের সবুজ সংকেত ওভাল অফিসের বৈঠকে নিউ ইয়র্কের হাউজিং প্রজেক্ট নিয়ে ট্রাম্পের সামনে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন মামদানি। ফলশ্রুতিতে, বড় আকারের আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলতে পূর্ণ সম্মতির পাশাপাশি ফেডারেল সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। বৈঠকের একটি ছবিতে ট্রাম্পকে একটি প্রতীকী সংবাদপত্রের কপি হাতে হাসিমুখে দেখা যায়, যেখানে বড় অক্ষরে লেখা ছিল—‘সিটি টু ট্রাম্প: লেটস বিল্ড’।   সাফল্য-২: কলাম্বিয়া ছাত্রীর তাৎক্ষণিক মুক্তি বৈঠকের মধ্যেই মানবিক এক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির আজারবাইজানি শিক্ষার্থী এলমিনা আঘায়েভাকে সেদিন সকালেই ফেডারেল ইমিগ্রেশন সংস্থা (ICE) আটক করেছিল। মেয়র মামদানি বিষয়টি প্রেসিডেন্টের নজরে আনলে ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে তার মুক্তির নির্দেশ দেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই শিক্ষার্থীকে মুক্তি দেওয়া হয়, যা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।   নিউ ইয়র্কের স্বার্থে ট্রাম্প ও মামদানির এই সমঝোতাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এক বিরল এবং কার্যকর কৌশল হিসেবে দেখছেন।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে

চরম উত্তেজনা ইরান সীমান্তে: ইসরায়েল উপকূলে বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরী

মার্কিন সেনা

কাতার ও বাহরাইন থেকে কয়েকশ সেনা সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত

ট্রাম্পের 'ইতিহাস মোছার' চেষ্টা রুখে দিল মার্কিন আদালত

জেনেভায় কূটনীতি আর পারস্য উপসাগরে রণতরীর গর্জন
ইরানের ওপর ট্রাম্পের ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’: জেনেভায় কূটনীতি আর পারস্য উপসাগরে রণতরীর গর্জন

ওয়াশিংটন ডি.সি. — মধ্যপ্রাচ্যে আবারো ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। ইরানকে একটি কঠোর পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তিতে বাধ্য করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’ বা সর্বোচ্চ চাপের নীতিকে চূড়ান্ত রূপ দিচ্ছে। একদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় শুরু হয়েছে উচ্চপর্যায়ের পরোক্ষ আলোচনা, অন্যদিকে পারস্য উপসাগরে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে সামরিক উপস্থিতিকে নজিরবিহীন উচ্চতায় নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।   সামরিক তৎপরতা ও ট্রাম্পের আল্টিমেটাম - প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে পেন্টাগন পারস্য উপসাগরে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-এর সাথে যোগ দিতে পাঠিয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক ও বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড-কে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের সামনে এখন কেবল দুটি পথ খোলা: হয় একটি ব্যাপকভিত্তিক চুক্তিতে আসা, না হয় "ভয়াবহ সামরিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়" মেনে নেওয়া।   প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই মোতায়েন কেবল প্রদর্শনীর জন্য নয়; বরং ২০২৫ সালের জুন মাসের সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিধ্বংসী সংঘাতের পর ইরানকে আলোচনার টেবিলে নমনীয় রাখতেই এই রণকৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।   জেনেভা বৈঠক: কূটনীতির শেষ চেষ্টা? - মঙ্গলবার থেকে জেনেভায় শুরু হওয়া এই পরোক্ষ আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি পৃথক বৈঠক করেছেন।   আলোচনার অমীমাংসিত সূত্রগুলো : পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা: ওয়াশিংটন দাবি করছে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: ইসরায়েলের কড়া হুঁশিয়ারির মুখে ট্রাম্প প্রশাসন এবার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকেও চুক্তির আওতায় আনার জেদ ধরেছে। নিষেধাজ্ঞা বনাম নিরাপত্তা: তেহরান তাদের ভঙ্গুর অর্থনীতির চাকা সচল করতে অবিলম্বে জ্বালানি ও ব্যাংকিং খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।   ইরানের পাল্টা হুঙ্কার - মার্কিন চাপের মুখে তেহরানও তাদের সামরিক শক্তির জানান দিচ্ছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) হরমুজ প্রণালীতে ‘ইন্টেলিজেন্ট কন্ট্রোল’ নামক একটি বড় ধরনের নৌ-মহড়া শুরু করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ মহলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কোনোভাবেই আলোচনার টেবিলে তোলা হবে না এবং যেকোনো উস্কানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে।   আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট ও অনিশ্চয়তা - ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং গত বছরের সামরিক সংঘাতের ফলে এই আলোচনাকে ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরানে বিক্ষোভকারীদের প্রতি ওয়াশিংটনের খোলাখুলি সমর্থন এবং স্টারলিংক প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট সচল রাখার বিষয়টি তেহরানকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে।   মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন জেনেভার একটি বন্ধ দরজার বৈঠকের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। চুক্তি না হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে হামলা হলে রুখে দাঁড়াবে আফগানিস্তান

শাহবাজ শরিফ ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ পেতে পারেন ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

এবার যুদ্ধ শুরু হলে কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না, হুঁশিয়ারি ইরানের

দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ল, মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ল, মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

দক্ষিণ চীন সাগরে আবারও সামরিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। চলতি সপ্তাহে বিতর্কিত স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের নৌবাহিনীর জাহাজ মুখোমুখি অবস্থানে আসে, যা অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।   মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিয়মিত টহল পরিচালনার সময় চীনা নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি সামরিক বিমান দ্বারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের মুখে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র অনুযায়ী, উভয় পক্ষের জাহাজ এক পর্যায়ে এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করছিল।   চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি” এবং এটি চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগর আন্তর্জাতিক নৌপথ এবং সেখানে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার অধিকার তাদের রয়েছে।   উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা চীন নিজস্ব বলে দাবি করে, যদিও ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেইও ওই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর দাবি জানিয়ে আসছে। এই জলপথ দিয়ে প্রতিবছর প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবাহিত হয়, যা একে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।   ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তা উদ্যোগ জোরদার করবে। ইতোমধ্যে ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করেও বেইজিং কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ান ইস্যু, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিযোগিতা এখন সরাসরি সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে এমন মুখোমুখি পরিস্থিতি ভুল বোঝাবুঝি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে বড় সংঘাতে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।   আঞ্চলিক কূটনীতিকরা সতর্ক করে বলেছেন, উত্তেজনা প্রশমনে কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামরিক সংযম জরুরি হয়ে উঠেছে। অন্যথায়, এই কৌশলগত জলপথ অচিরেই বৈশ্বিক শক্তি সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।

Unknown ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
লাখ লাখ উটকে কেন পাসপোর্ট দিচ্ছে সৌদি আরব?

লাখ লাখ উটকে কেন পাসপোর্ট দিচ্ছে সৌদি আরব?

মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেঙে পড়ল, নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি দুই পক্ষের

গাজায় যুদ্ধবিরতি নড়বড়ে, নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি দুই পক্ষের

0 Comments