বিশ্ব

ইরানের সঙ্গে চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দলিল: গালিবাফ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৮, ২০২৬ ১:২০
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকে ওয়াশিংটনের জন্য একটি ‘ব্যর্থতার দলিল’ বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

গালিবাফ বলেন, ‘এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দলিল। জনগণ তা দেখবে এবং বিচার করবে।’ তিনি আরও বলেন, ইরান বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে। তার মতে, রণক্ষেত্রের বিজয় এই আলোচনার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে।

 

গালিবাফ বলেন, ‘বর্তমান আলোচনা এবং পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে পার্থক্য হলো, আজ এই রণক্ষেত্রের বিজয়ের পতাকা আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।’

 

 

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া প্রতিটি যুদ্ধ, যদি শেষ পর্যন্ত একটি আইনি ও রাজনৈতিক দলিলে পরিণত না হয় এবং সেই বিজয়গুলো লিপিবদ্ধ না করা হয়, তবে তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।’

 

ইরানের এই শীর্ষ আলোচকের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে দেশটির কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান আবারও স্পষ্ট হয়েছে।

 

সূত্র: এনডিটিভি

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ঘিরে অনিশ্চয়তা, পোস্ট সরালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান নিয়ে দেওয়া একটি পোস্ট সরিয়ে ফেলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পরবর্তীতে পুনরায় দেওয়া পোস্টে আসন্ন আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কোনো উল্লেখ রাখা হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা প্রক্রিয়া ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   শেহবাজ শরিফ তার আগের পোস্টে বলেছিলেন, পাকিস্তানসহ মধ্যস্থতাকারী কাতারের সমর্থনে একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে ২০২৬ সালের ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।   তবে পরে তিনি সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলেন এবং সংশোধিত পোস্টে অনুষ্ঠান বা চুক্তি স্বাক্ষর সংক্রান্ত কোনো তথ্য উল্লেখ করেননি। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা আপাতত নিশ্চিত নয়।   তিনি বলেন, ‘কয়েক ঘণ্টা আগেও শুক্রবারের বৈঠকটি নিশ্চিত ছিল। কিন্তু যখন দুই পক্ষের (ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র) প্রেসিডেন্টরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়, তখন শুক্রবারের বৈঠকের বিষয়টি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’   এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সময়সূচি এবং চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান স্পষ্ট নয়, ফলে কূটনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।   সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৮, ২০২৬ ১:৫৮
ছবি: সংগৃহীত

জর্ডানে নথিবিহীন প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, বৈধ হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশিদেরও

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার দলিল: গালিবাফ

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকায় শি জিনপিং ও পুতিনকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিল আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার নির্দেশনার পর এ বিষয়ে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৭ জুন থেকে সরকারি কর্মচারীদের স্মার্টফোন ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।   পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়ে একটি চিঠি গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিঠিটিতে আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে।   চিঠিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন প্রদেশের সকল বিভাগীয় প্রধানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন তাদের অধীনস্থ উচ্চপদস্থ ও নিম্নপদস্থ সব কর্মচারীকে স্মার্টফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অবহিত করেন।   চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭ জুন থেকে স্মার্টফোন ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এই নির্দেশনা সামরিক ও বেসামরিক উভয় বিভাগের সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। এতে বলা হয়, এই নিষেধাজ্ঞা থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা কেবল সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার হাতে থাকবে।   বিষয়টি সম্পর্কে জানতে আফগান সরকারের দুই মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ডন। তবে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। একইভাবে, আদেশসংক্রান্ত চিঠির বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলেও আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।   সূত্র: ডন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৮, ২০২৬ ১:১০
ছবি: সংগৃহীত

‘নেতানিয়াহু সবাইকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে চান’, উপদেষ্টাদের কাছে ট্রাম্পের মন্তব্য

ছবি: সংগৃহীত

ইরান অভিযানে ইলন মাস্কের গ্রোক এআই ব্যবহারের দাবি, আদালতে পেন্টাগন কর্মকর্তার স্বীকারোক্তি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা ‘ইচ্ছাকৃত নয়’, বললেন ট্রাম্প

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনায় একই ধাঁচ, ক্লান্ত ট্রাম্প

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণ করা বা সামলানো অত্যন্ত কঠিন—এমন মন্তব্য নাকি ব্যক্তিগত আলোচনায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি নেতানিয়াহু পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে থাকেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে ট্রাম্প তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছে নেতানিয়াহুর আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে একই সঙ্গে ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জানান, ব্যক্তি হিসেবে তিনি নেতানিয়াহুকে “চমৎকার” মনে করেন, যদিও মাঝে মাঝে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আবেগপ্রবণ হয়ে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দূর এগিয়ে যান।   মার্কিন প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুই নেতার মধ্যে হওয়া টেলিফোন আলাপগুলো প্রায়ই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তাব বা চাপকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতো। এতে করে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একই ধরনের অনুরোধ শুনতে শুনতে কিছুটা ক্লান্তি অনুভব করতে শুরু করেন ট্রাম্প।   হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি তুলে ধরে ওই কর্মকর্তা বলেন, “নেতানিয়াহু সাধারণত প্রেসিডেন্টকে বোঝানোর চেষ্টা করেন কেন কোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা প্রয়োজন এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেন এ বিষয়ে যথেষ্ট প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট মনোযোগ দিয়ে এসব শোনেন, কিন্তু কথোপকথনের ধরণ প্রায় একই থাকে।”   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে কৌশলগত মতপার্থক্যের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে সামরিক পদক্ষেপের মাত্রা ও সময় নির্ধারণ নিয়ে দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বিরাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নীতিগত অবস্থান ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৭, ২০২৬ ২৩:২৮
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

হরমুজে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরছে, অবরোধ তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: শাহবাজ শরিফ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা: কার লাভ বেশি—নতুন সমীকরণে কে এগিয়ে?

কাতারে আকামা বাতিলের পর থাকার সময় কমলো, নতুন নিয়মে বাড়ছে জরিমানার চাপ

কাতারে আকামা বাতিলের পর থাকার সময় কমলো, নতুন নিয়মে বাড়ছে জরিমানার চাপ

0 Comments