ক্যাম্পাস

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ পেলেন ঢাবি ছাত্র সীমান্ত

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২০, ২০২৬ ৯:৪০
শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত | ছবি: সংগৃহীত
শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত | ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইয়াং সাউথ এশিয়ান লিডারস ইনিশিয়েটিভ’ (ওয়াইএসএএলআই) ফেলোশিপ পেয়েছেন প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত। এই বিশেষ সাফল্যের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকান এক্সিলেন্স, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে তিনি নিজ দেশ বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সম্পূর্ণ অর্থায়নে এই আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামটি গত ৩০ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের নিয়ে আয়োজিত অত্যন্ত চমৎকার ও শিক্ষণীয় এই পুরো প্রোগ্রামটি আয়োজনে বিশেষ সহায়তা করেছে আমেরিকার ওমাহার নেব্রাস্কা ইউনিভার্সিটি এবং দ্য ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার।

 

বর্তমানে শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করছেন। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ব্যাপী সেই ফলপ্রসূ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শেষে তিনি লব্ধ জ্ঞান নিয়ে নিজ দেশে ফিরে এসেছেন।

 

এবারের আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ তথা বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোট ৩৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এর মধ্যে লাল-সবুজের দেশ বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পেয়েছেন শাহরিয়ারসহ মাত্র ৬ জন দক্ষ শিক্ষার্থী।

 

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন সরকারের দূরদর্শী পরিকল্পনায় এই বিশেষ আঞ্চলিক প্রোগ্রামটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় তরুণদের নেতৃত্বের বাস্তব সক্ষমতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং যুব ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গৃহীত একটি অনন্য উদ্যোগ।

 

এই মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিভাবান তরুণ সমাজকে আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে এমনভাবে প্রস্তুত করা, যাতে তাঁরা ভবিষ্যতে নিজ নিজ অঞ্চলের অভিন্ন বৈশ্বিক সংকট ও চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই ভূমিকা রাখতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

ক্যাম্পাস

View more
শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত | ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ পেলেন ঢাবি ছাত্র সীমান্ত

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইয়াং সাউথ এশিয়ান লিডারস ইনিশিয়েটিভ’ (ওয়াইএসএএলআই) ফেলোশিপ পেয়েছেন প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত। এই বিশেষ সাফল্যের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকান এক্সিলেন্স, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে তিনি নিজ দেশ বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সম্পূর্ণ অর্থায়নে এই আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামটি গত ৩০ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের নিয়ে আয়োজিত অত্যন্ত চমৎকার ও শিক্ষণীয় এই পুরো প্রোগ্রামটি আয়োজনে বিশেষ সহায়তা করেছে আমেরিকার ওমাহার নেব্রাস্কা ইউনিভার্সিটি এবং দ্য ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার।   বর্তমানে শাহরিয়ার নাজিম সীমান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করছেন। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ব্যাপী সেই ফলপ্রসূ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শেষে তিনি লব্ধ জ্ঞান নিয়ে নিজ দেশে ফিরে এসেছেন।   এবারের আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ তথা বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোট ৩৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এর মধ্যে লাল-সবুজের দেশ বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পেয়েছেন শাহরিয়ারসহ মাত্র ৬ জন দক্ষ শিক্ষার্থী।   ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন সরকারের দূরদর্শী পরিকল্পনায় এই বিশেষ আঞ্চলিক প্রোগ্রামটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় তরুণদের নেতৃত্বের বাস্তব সক্ষমতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং যুব ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গৃহীত একটি অনন্য উদ্যোগ।   এই মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিভাবান তরুণ সমাজকে আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে এমনভাবে প্রস্তুত করা, যাতে তাঁরা ভবিষ্যতে নিজ নিজ অঞ্চলের অভিন্ন বৈশ্বিক সংকট ও চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই ভূমিকা রাখতে পারেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২০, ২০২৬ ৯:৪০
ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাগিংয়ের ভিডিও ধারণ করায় প্রক্টরের সামনেই সাংবাদিক ও রাকসু নেতাদের মারধরের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

শাহবাগ থানার ভেতরেই দুই ডাকসু নেতার ওপর ছাত্রদলের হামলা

ছবি: সংগৃহীত

‘কীসের সাংবাদিক’ বলে ঢাবির ১০ রিপোর্টারকে পেটালো ছাত্রদল

সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আজ সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।   শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে অংশ নিচ্ছে।   সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মানবিক বিভাগে সর্বাধিক ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। বেশিরভাগ বিভাগেই ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছাত্রদের তুলনায় বেশি।   এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।   পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। সব পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রের আশপাশে ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে অননুমোদিত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহনশীল ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টরা গুরুত্ব দিচ্ছেন।   সূচি অনুযায়ী, আজ বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে। এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: এপ্রিল ২১, ২০২৬ ১:২৯
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানে নতুন রেকর্ড: চরম ভোগান্তিতে বাংলাদেশি ও ভারতীয়রা

ছবি: সংগৃহীত

বেরোবিতে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’; নববর্ষ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি

ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

নিজের মৃত্যুর গুজবে অবাক রাফিয়া; স্ট্যাটাসে জানালেন ‘আমি সুস্থ আছি’

ছবি: সংগৃহীত।
‘লিডনেক্সট ২০২৬’ ফেলোশিপ, এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আবেদন করুন এখনই

বিশ্বমঞ্চে আগামীর দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘লিডনেক্সট ২০২৬: অ্যাম্বাসেডর ফর এ গ্লোবাল ফিউচার’ (LeadNext 2026: Ambassadors for a Global Future) প্রোগ্রামের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে এশিয়া ফাউন্ডেশন। এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং যুক্তরাষ্ট্রের উদীয়মান তরুণ নেতাদের জন্য এটি একটি অনন্য সুযোগ, যেখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মিলবে ক্যালিফোর্নিয়া ভ্রমণের সুযোগ। এটি চার মাস মেয়াদী একটি হাইব্রিড (অনলাইন ও সরাসরি) ফেলোশিপ প্রোগ্রাম। নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে ভার্চুয়াল মাস্টারক্লাসে অংশ নেবেন। প্রোগ্রামের শেষ পর্যায়ে আগামী বছরের (২০২৬) সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকো বে-এরিয়াতে এক সপ্তাহব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেবেন তারা। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা, যারা সমাজ পরিবর্তন বা নেতৃত্বে আগ্রহী, তারা এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তরুণদের জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজক সংস্থা এশিয়া ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের যাবতীয় খরচ (আবাসন, যাতায়াত ও প্রশিক্ষণ) তারা বহন করবে। বিশেষ করে অংশগ্রহণকারীদের মার্কিন ভিসা প্রাপ্তিতে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হবে। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ভিসা সাপোর্ট লেটার প্রদান, ফি মওকুফ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং নতুন কার্যকর হতে যাওয়া ‘ভিসা ইন্টিগ্রিটি ফি’ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা: আবেদনের শেষ সময়: ৫ মে, ২০২৬ (যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম অনুযায়ী)। ফলাফল ঘোষণা: জুন মাসের শুরুতে। ক্যালিফোর্নিয়া সামিট: ১৯ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরণের আন্তর্জাতিক বিনিময় প্রোগ্রাম দক্ষ জনশক্তি ও নেটওয়ার্ক তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা উচ্চশিক্ষা বা পেশাদার ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান, তাদের জন্য ‘লিডনেক্সট’ একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এশিয়া ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইসমাইল হোসাইন প্রকাশ: এপ্রিল ৯, ২০২৬ ১৭:২৭
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গাড়িতে হামলা; অটোপাশের দাবি প্রত্যাখ্যান

ফাইল ছবি

রাবি ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী, থাকছে বিশেষ আয়োজন

0 Comments