আন্তর্জাতিক

খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচন করেছে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ

আবু জোবায়ের মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর দেশটিতে পরবর্তী উত্তরসূরি নির্বাচনের পথে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ইরানের প্রভাবশালী আলেমদের নিয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ জানিয়েছে, তারা পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ মতৈক্যে পৌঁছেছে।

 


রোববার (৮ মার্চ) ইরানের সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ-মাহদি মিরবাঘেরি জানান, পরবর্তী নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে পরিষদ একটি ‘চূড়ান্ত এবং সর্বসম্মত’ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। তবে প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি সম্পন্ন করতে এখনো কিছু "কারিগরি বাধা" দূর করা বাকি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 


উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় দীর্ঘ ৩৭ বছর ক্ষমতায় থাকা খামেনেই নিহত হন। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ নবম দিনে গড়িয়েছে।

 


এদিকে, ইরানের এই উদ্যোগের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ফার্সি ভাষায় এক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় হুমকি দিয়ে বলেছে, খামেনেইর উত্তরসূরি নির্বাচনের সভায় যারা অংশ নেবেন, তাদের প্রত্যেককে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। বার্তায় বলা হয়, "আমরা স্পষ্ট করছি, যারা এই সিলেকশন মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, আমরা আপনাদের ওপর হামলা চালাতে দ্বিধা করব না।"

 


বিশেষজ্ঞ পরিষদের অপর এক সদস্য আয়াতুল্লাহ মহসেন হায়দারি আলেকাসির জানিয়েছেন, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে পরিষদের সকল সদস্যের সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভোট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে খামেনেইর রেখে যাওয়া পরামর্শ অনুযায়ী এমন একজনকে বেছে নেওয়া হয়েছে যাকে "শত্রুরা ঘৃণা করবে"। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এমন একজনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে যাকে খোদ যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের ভাষায় 'মহা শয়তান' ইতিমধ্যেই চেনে।

 


সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনেইর ছেলে মোজতবা হোসাইনি খামেনেইর নাম উল্লেখ করে তাকে উত্তরসূরি হিসেবে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে ঘোষণা করেছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে আয়াতুল্লাহ আলেকাসিরের মন্তব্যটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

 


ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ৮৮ সদস্যের এই বিশেষজ্ঞ পরিষদই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। গত কয়েকদিন ধরে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন তেল শোধনাগারে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলেও দেশটির নীতিনির্ধারকরা দ্রুত রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ান হাউস, তীব্র প্রতিবাদ মস্কোর

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাবাতিয়েহতে অবস্থিত রাশিয়ান হাউস পার্টনার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইসরায়েলের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মস্কো। রাশিয়ার আন্তর্জাতিক মানবিক সহযোগিতা সংস্থা এ ঘটনাকে উসকানিহীন আগ্রাসন বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।   রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা রোসসোত্রুদনিচেস্টভো-এর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিমাকভ এক বিবৃতিতে বলেন, হামলার শিকার ভবনটি ছিল সম্পূর্ণ বেসামরিক একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সেখানে কোনো ধরনের সামরিক কার্যক্রম চলছিল না। তিনি জানান, হামলার সময় কেন্দ্রটির পরিচালক আসাদ দেইয়া নিরাপদ ছিলেন এবং বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।   মস্কোর দাবি, এই হামলার কোনো উসকানি ছিল না এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক স্থাপনায় হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে অবস্থিত রাশিয়ার বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি কেন্দ্র নাবাতিয়েহ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।   রাশিয়া আরও স্মরণ করিয়ে দেয়, ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও ইসরায়েলি বোমা হামলায় ধ্বংস হয়েছিল।   এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে, যার প্রভাব লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

আমিরাতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ সেনাসদস্য

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহর ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

ছবি: সংগৃহীত
ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় কেনিয়ায় প্রাণহানি বেড়ে ৪২, চলছে উদ্ধার অভিযান

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি হিসাবে, গত কয়েক দিনের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজদের খুঁজতে সেনাবাহিনী ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।   গত শুক্রবার (৬ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন এবং বহু যানবাহন পানির স্রোতে ভেসে যায়। বন্যার প্রভাবে কেনিয়ার প্রধান বিমানবন্দরেও ফ্লাইট ওঠানামা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত পানির তোড়ে ভেসে যাওয়া ১৭২টি যানবাহন উদ্ধার করেছে।     দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কেনিয়ার জনসেবা মন্ত্রী জিওফ্রে কিরিঙ্গা রুকু জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত উদ্ধারে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল নিরলসভাবে কাজ করছে।   পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো জাতীয় মজুত থেকে দুর্গত এলাকায় জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বন্যার পেছনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন বড় ভূমিকা রাখছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে পূর্ব আফ্রিকায় বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরণ বদলে গেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃষ্টিপাত হওয়ায় এই অঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।   তথ্যসূত্র: কয়টার্স

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবরের মধ্যেও যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা নেই: সাইপ্রাস

ইরানের রাজধানী তেহরানে মিছিলের দৃশ্য। ছবি আলজাজিরা

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে ইরানে ব্যাপক শোভাযাত্রা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে সহযোগিতা করলে সম্পদ জব্দের হুঁশিয়ারি ইরানের

ফ্রান্সের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ক্লেমেন্স গোতে। ছবি: সংগৃহীত
মানবজাতির জন্য হুমকি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ: ফরাসি সংসদের ডেপুটি স্পিকারের বিস্ফোরক মন্তব্য

মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে মানবজাতির জন্য বড় হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফ্রান্সের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ক্লেমেন্স গোতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধংদেহী পররাষ্ট্রনীতির কড়া সমালোচনা করেন।   রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আজ বিশ্বশান্তি ও মানবজাতির জন্য হুমকিতে পরিণত হয়েছে। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।   ফরাসি এই সংসদ সদস্য আরও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে তার কাজ শেষ হলে তিনি কিউবার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেবেন। এমন বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি গাজা, লেবানন, ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন ও সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এসব ঘটনায় বারবার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে। অথচ অনেক পশ্চিমা নেতা এ বিষয়ে নীরব থাকছেন বা তাদের সহযোগিতা করছেন।   ক্লেমেন্স গোতে আরও বলেন, আমরা সেই সব জাতির পাশে আছি যাদের ওপর বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। পাশ্চাত্যের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যারা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তাদের প্রতিও সমর্থন ও শ্রদ্ধা থাকা উচিত।   তার এই মন্তব্য বিশ্ব রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আবু জোবায়ের মার্চ ৯, ২০২৬ 0
সাম্প্রতিক ছবি ও ভিডিও  ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে কাতারে গ্রেপ্তার ৩১৩ জন

মক্কা-মদিনা

ফ্লাইট স্থগিত: মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি, নেই থাকা-খাওয়ার টাকা

সৌদি আরবের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইরানের ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইরানের ড্রোন হামলা

0 Comments