আন্তর্জাতিক

ভারতবিরোধী না চীনঘনিষ্ঠ প্রার্থী, নেপালের নির্বাচনে কার জয়ের সম্ভাবনা কতটা?

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী - বাঁয়ে বালেন শাহ, ডানে কেপি শর্মা ওলি
দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী - বাঁয়ে বালেন শাহ, ডানে কেপি শর্মা ওলি

হিমালয়কন্যা নেপালে আজ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তবে এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভারত ও চীনের প্রভাব বিস্তারের এক অগ্নিপরীক্ষা।

 

দীর্ঘদিনের দুর্নীতি এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালি 'জেন জি' (Gen Z) প্রজন্মের নজিরবিহীন আন্দোলনের পর এই প্রথম ব্যালট বাক্সে রায় দিচ্ছে জনতা।


১৯৯০ সালে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে নেপাল ৩২টি সরকার পরিবর্তন হতে দেখলেও স্থায়ী স্থিতিশীলতা অধরাই থেকে গেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারও কোনো একক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ও সাবেক র‌্যাপার ৩৫ বছর বয়সী বালেন শাহ। পেশাদার সংগীতশিল্পী থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া বালেন লড়ছেন ঝাপা-৫ আসনে, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত।


ভারত নাকি চীন: অস্বস্তিতে দিল্লি
নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল)-এর প্রধান কেপি শর্মা ওলি বরাবরই চীনঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, তরুণ প্রজন্মের আইকন বালেন শাহ নিজেকে কট্টর 'ভারত-বিরোধী' হিসেবে তুলে ধরেছেন। মেয়র থাকাকালীন তিনি তাঁর দপ্তরে 'অখণ্ড নেপাল'-এর মানচিত্র টাঙিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন, যেখানে ভারতের উত্তরাখণ্ড, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশকে নেপালের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে। দিল্লির কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে, ওলি বা বালেন—যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তা ভারতের কৌশলগত স্বার্থের প্রতিকূলে যেতে পারে।


নির্বাচনী ময়দানের সমীকরণ
নেপালি কংগ্রেস এবার প্রবীণ নেতা শের বাহাদুর দেউবার পরিবর্তে ৪৯ বছর বয়সী তরুণ নেতা গগন থাপাকে সামনে এনেছে। অন্যদিকে, সাবেক মাওবাদী নেতা পুষ্প কমল দাহাল ওরফে 'প্রচণ্ড'ও রয়েছেন লড়াইয়ে। তবে সবার নজর বালেন শাহের 'রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি' (আরএসপি)-র দিকে। বিশ্লেষকদের ধারণা, সোশ্যাল মিডিয়া এবং তরুণ প্রজন্মের বিপুল সমর্থনে বালেন এবার চমক দেখাতে পারেন।


নেপাল নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষে ১৬৫টি আসন থেকে ব্যালট সংগ্রহের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। হিমালয়ের এই দেশে কি এবার জেন-জি বিপ্লব সফল হবে, নাকি পুরনো রাজনৈতিক সমীকরণই বজায় থাকবে—তার উত্তর পাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইরানি যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনা’
ইরানি যুদ্ধজাহাজে মার্কিন সাবমেরিনের হামলা, দোরগোড়ায় যুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত

ভারত মহাসাগরের উত্তাল জলসীমায় এক ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। ভারতের একেবারে সন্নিকটে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোঁড়া একটি শক্তিশালী টর্পেডোর আঘাতে ডুবে গেছে ইরানের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনা’ (IRIS Dena)। চাঞ্চল্যকর এই হামলায় অন্তত ৮৭ জন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষাপট: প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের এই যুদ্ধজাহাজটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে অনুষ্ঠিত ‘মুন ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরছিল। ভারতের কন্যাকুমারী থেকে মাত্র ৩০০ কিলোমিটার দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানকালে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন থেকে এটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব (Secretary of War) পিট হেগসেথ এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে একে ‘শান্ত মৃত্যু’ (Quiet Death) বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, “একটি মার্কিন সাবমেরিন ইরানের যুদ্ধজাহাজটিকে ডুবিয়ে দিয়েছে যা আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিজেকে নিরাপদ মনে করছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই প্রথম কোনো শত্রুপক্ষের জাহাজকে টর্পেডোর মাধ্যমে ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনা।” তিনি আরও যোগ করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্য হলো এই অভিযানের মাধ্যমে ইরানের নৌ-শক্তিকে পঙ্গু করে দেওয়া। উদ্ধার অভিযান ও ক্ষয়ক্ষতি: হামলার পরপরই শ্রীলঙ্কান নৌবাহিনী দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে। তারা এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে এবং ৮৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও প্রায় ৬০ জন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ‘মার্ক ৪৮’ টর্পেডোর আঘাতে জাহাজটিতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে এটি ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ঢেকে গিয়ে তলিয়ে যায়। আঞ্চলিক উত্তেজনা: ভারতের একেবারে দোরগোড়ায় দুই বৈরি দেশের এই সরাসরি সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। বিশাখাপত্তনমের নৌ-মহড়া থেকে ফেরার পথেই এই হামলা ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদেরও ভাবিয়ে তুলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র (Operation Epic Fury) অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৫, ২০২৬ 0
দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী - বাঁয়ে বালেন শাহ, ডানে কেপি শর্মা ওলি

ভারতবিরোধী না চীনঘনিষ্ঠ প্রার্থী, নেপালের নির্বাচনে কার জয়ের সম্ভাবনা কতটা?

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

নৃশংসতা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান

ইরানের তেহরানে শুক্রবারের নামাজের আগে ফিলিস্তিনিপন্থী সমাবেশে একজন মুসলিম ধর্মগুরু ফিলিস্তিনি ও ইরানি পতাকা ধরে আছেন

ইরান কেন বন্ধুহীন?

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করছে অস্ট্রেলিয়া।  দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক জরুরি ঘোষণায় জানিয়েছেন, একটি বিশেষ ‘আকস্মিক পরিকল্পনা’র (Contingency Plan) অংশ হিসেবে ওই অঞ্চলে অস্ট্রেলীয় ‘সামরিক সরঞ্জাম ও সম্পদ’ পাঠানো হচ্ছে। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে ঠিক কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম এসবিএস নিউজ (SBS News) জানিয়েছে, ইতিমধ্যে দুটি সামরিক বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।  মূলত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেকোনো জরুরি অবস্থা মোকাবিলা এবং নিজস্ব নাগরিকদের সহায়তার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ইরানের শেষ শাহের বিধবা স্ত্রী ফারাহ পাহলভি

খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে না: শেষ শাহের স্ত্রী ফারাহ পাহলভি

ইরানকে সমর্থনের চেয়ে জ্বালানি ও কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে চীন

ইরানকে সমর্থনের চেয়ে জ্বালানি ও কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে চীন

মোজতবা খামেনি, যার কণ্ঠস্বর আজও শোনেননি অনেক ইরানি

মোজতবা খামেনি, যার কণ্ঠস্বর আজও শোনেননি অনেক ইরানি

নেপালের নির্বাচনে চীনঘনিষ্ঠ না ভারতপন্থী—কার দিকে ঝুঁকবে ভোট
নেপালের নির্বাচনে চীনঘনিষ্ঠ না ভারতপন্থী—কার দিকে ঝুঁকবে ভোট

নেপালে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ভোটাররা নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।   গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকারের বিরুদ্ধে দেশটিতে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম বা জেন জি’র নেতৃত্বে সেই আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে।   আন্দোলনের চাপের মুখে কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। এরপর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   ১৯৯০ সালে রাজতন্ত্রের অবসানের পর থেকে নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রায়ই দেখা গেছে। ফলে এবারও একটি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক বিশ্লেষক সন্দেহ প্রকাশ করছেন।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালের তরুণদের আন্দোলন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জোরালো করলেও তা থেকে স্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।   ভারতের মনোহর পারিক্কর ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের এক বিশ্লেষণে গবেষক নীহার আর নায়েক বলেন, কোনো একক রাজনৈতিক দলের পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কঠিন হতে পারে।   এদিকে নেপালের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের পর ১৬৫টি আসনের ব্যালট বাক্স সংগ্রহের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ইরাক সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে কুর্দি যোদ্ধাদের প্রবেশের দাবি

ইরাক সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে কুর্দি যোদ্ধাদের প্রবেশের দাবি

কুয়েত উপকূলে একটি ট্যাংকারে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ফাইল ছবি

কুয়েতের কাছে তেলবাহী ট্যাংকারে রহস্যময় বিস্ফোরণ

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে যা বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

0 Comments