আন্তর্জাতিক

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ইরানের বিধ্বংসী মিসাইল হামলা

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ আবারও রণংদেহী মূর্তিতে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে যে, তারা বাহরাইনের জুবায়ের এলাকায় অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে শক্তিশালী সলিড এবং লিকুইড ফুয়েলড (কঠিন ও তরল জ্বালানিচালিত) মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছে। 


ইরানের এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। ইরানি বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলাটি মূলত ইরানের কেশম (Qeshm) দ্বীপে অবস্থিত একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে (desalination plant) সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। 


ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে জানান, আমেরিকার ওই হামলায় ইরানের অন্তত ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যা একটি মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।


এদিকে, হামলার পরপরই বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে বিমান হামলার সাইরেন বাজার কথা নিশ্চিত করেছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার এবং দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 


আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি এই হামলা পরিস্থিতিকে সরাসরি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
চার ঘণ্টা পর ইসরায়েলে ফের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালাল ইরান

দখলকৃত ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে আবারও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে Iran। মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে এই নতুন হামলা চালানো হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১২টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর Israel–এর উত্তরাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে বলে জানা গেছে।   তবে নতুন হামলায় ইরান কতটি মিসাইল ব্যবহার করেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের হামলার তীব্রতা কিছুটা কমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম The Times of Israel–এর বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

জরুরি ফোনালাপ, ইরানের প্রেসিডেন্টকে যে বার্তা দিলেন পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে আধাসামরিক বাহিনীর ঘাঁটিতে শক্তিশালী বিমান হামলা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে জরুরি বৈঠকে বসছে বিশেষজ্ঞ পরিষদ

যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন
ব্রিটেন যেন আবারও `অবৈধ যুদ্ধে’ জড়িয়ে না পড়ে, হুঁশিয়ারি জেরেমি করবিনের

লন্ডনের রাজপথে উত্তাল জনস্রোত আর প্রতিবাদের মুখে দাঁড়িয়ে যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন ব্রিটিশ সরকারকে এক চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রিটেন যেন আবারও কোনো “অবৈধ যুদ্ধে” জড়িয়ে না পড়ে। লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে সমবেত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে করবিন ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের স্মৃতি মনে করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সে সময় লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও তাদের কথা কর্ণপাত করা হয়নি। যার ফলশ্রুতিতে বিশ্বকে এক বিধ্বংসী পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। করবিন কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্য অন্ধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে আসছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কেবল বিপর্যয়কর হস্তক্ষেপই ডেকে এনেছে।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা এখানে ভিন্ন কিছুর পক্ষে লড়াই করতে এসেছি—এমন এক পররাষ্ট্রনীতি যা হবে সহযোগিতা, সাম্য এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে।" মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যমতে, এদিন অন্তত ৫,০০০ মানুষ সেন্ট্রাল লন্ডনের রাস্তায় মিছিলে অংশ নেন। তাদের দাবি একটাই—ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে হবে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ আলী মৌসাভি।

সংঘাতে না জড়াতে ব্রিটেনকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত।

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ইরানের বিধ্বংসী মিসাইল হামলা

গত রাতভর মেহরাবাদ বিমানবন্দরসহ রাজধানীজুড়ে বড় আকারে হামলা চালানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েল ধ্বংস করেছে ইরানের ১৬ বিমান

সৌদি আরবের রিয়াদে, ৫ মার্চ, ২০২৬, ইরানের সাথে মার্কিন-ইসরাইলি সংঘর্ষের মধ্যে, শহরের উপরে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি, কাতার ও আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত

শুক্রবার ও শনিবার ইরান সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালায়। সৌদি আরবের আল-খার্জে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়, তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। শায়বাহ তেলক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে আসা ছয়টি ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে।   কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির ওপর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। শুক্রবার কাতারে ইরান থেকে ১০টি ড্রোন ছোড়া হয়, যার মধ্যে নয়টি ধ্বংস করা হয়েছে, একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনকে ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করেছে। আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং মার্কিন উপগ্রহ যোগাযোগ কেন্দ্র, রাডার ও সতর্কতা সিস্টেমে আঘাত করা হয়েছে। এই ঘটনায় কিছু ফ্লাইট স্থগিত ও আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়েছে।   বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছে। উত্তেজনাপূর্ণ এই হামলার পর উপসাগরীয় দেশগুলোতে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় ইরানি অভিনেত্রী এলনাজ নরোজি।

ইরানি পুলিশের নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন বিখ্যাত অভিনেত্রী

দক্ষিণের কোচি শহরে আইআরআইএস লাভান নোঙর করে আছে।

ইরানি নৌযানকে আশ্রয় দিল ভারত

ছবি: সংগৃহীত।

জর্ডানে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের

0 Comments