আন্তর্জাতিক

ইরানে ৫ তেল স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলা

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ইরানে ৫ তেল স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলা
ইরানে ৫ তেল স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলা

ইরানের চারটি তেল ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান বাহিনী।

 

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে চালানো এই হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

 

ইরানের জাতীয় তেল উত্তোলন ও বিতরণ কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহী কেরামাত বিয়েসকারামি দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি জানান, তেহরান ও আলবোর্জ প্রদেশে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলায় চারটি তেলের ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহন কেন্দ্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন তেলবাহী ট্যাংকার ট্রাকের চালক ছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

অন্যদিকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও সক্ষমতা দুর্বল করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে হামলার পর তেলের ডিপোগুলোতে বড় অগ্নিকাণ্ড এবং আকাশজুড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এই হামলার ফলে ইরানের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সূত্র: এএফপি।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতি চাই না, হামলাকারীদের শাস্তি পেতেই হবে: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরান কোনো যুদ্ধবিরতি চায় না। তাঁর মতে, ইরানের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।   স্থানীয় সময় রোববার রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের ওপর আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।   তিনি আরও বলেন, যদি অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তাহলে তেহরান তার উপযুক্ত জবাব দেবে।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার নেয়। এরপর থেকে টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব পড়তে পারে।   সূত্র: রয়টার্স

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে ইরানি হামলায় মার্কিন সেনা নিহত

ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে হামলা বন্ধের আহ্বান ম্যাক্রোঁর, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ারও দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলে মোজতাবার নাম আলোচনায়, বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যের দাবি

তেহরানের তেলের ডিপোতে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর বড় আকারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এই নারকীয় পরিস্থিতির মধ্যেই এক ব্যক্তি বাইক ছুটিয়েছেন সড়কে। ছবি: এএফপি
ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের জ্বালানি ডিপোতে আগুন

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরান ও আশপাশের এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে ওয়াশিংটন বলছে, ইরানের প্রধান তেল ও গ্যাস অবকাঠামো লক্ষ্য করে কোনো সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা তাদের নেই।   শনিবার (৭ মার্চ) তেহরানের কয়েকটি তেল সংরক্ষণাগারে হামলার পর সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট বলেন, হামলাগুলো মূলত স্থানীয় পর্যায়ের জ্বালানি ডিপোগুলোতে চালানো হয়েছে, যেগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।   ক্রিস রাইট বলেন, ওয়াশিংটন বর্তমানে ইরানের প্রধান জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার কোনো পরিকল্পনা করছে না। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু তালিকায় ইরানের তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্প নেই।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। কারণ ইরানের তেল ও গ্যাস খাতে বড় ধরনের হামলা হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়তে পারে এবং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে শাসন পরিবর্তন সহজ নয়, যুক্তরাষ্ট্র সফল হবে কিনা সন্দেহ: মাইক মুলেন

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ভয়াবহ রকেট হামলা

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাসায়নিক যুদ্ধের’ অভিযোগ ইরানের

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে লাশের মিছিল: কোন দেশে কত প্রাণহানি?

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরানের সাথে সংঘাত শুরুর পর থেকে বিভিন্ন দেশের সরকারি সূত্র ও কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। যদিও যুদ্ধের ময়দান থেকে তাৎক্ষণিক নির্ভুল তথ্য পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না, তবে বর্তমান পরিসংখ্যান অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ খতিয়ান: ইরান: জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি জানিয়েছেন, সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১,৩৩২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। লেবানন: দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯৪ জনে। এর মধ্যে অত্যন্ত মর্মান্তিক বিষয় হলো, নিহতদের মধ্যে ৮৩ জন শিশু এবং ৪২ জন নারী রয়েছেন। ইসরায়েল: ইসরায়েলি জরুরি সেবা সংস্থা এমডিএ জানিয়েছে, অভিযান শুরুর পর থেকে তাদের ১০ জন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১,৯২৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তারা উল্লেখ করেছে যে, এদের সবাই সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত হননি। যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, কুয়েতের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলায় ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত: দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ৪ জন নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। কুয়েত: কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২ জন সামরিক সদস্য এবং ২ জন সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক শিশু কন্যার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বাহরাইন: দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ১ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল হওয়ায় এই সংখ্যাগুলো প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং নিরপেক্ষ কোনো মাধ্যম থেকে এখনো এই পরিসংখ্যান পুরোপুরি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের স্কুলে বোমা হামলা ইস্যুতে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করলেন সিনেটর টিম কেইন

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আলবুসাইদি।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ ‘অনৈতিক ও অবৈধ’: ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র নিন্দা

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ১২ বছর ধরে নিখোঁজ, নতুন অনুসন্ধানেও মেলেনি সন্ধান

0 Comments