আন্তর্জাতিক

ইসরাইলি অস্ত্র জায়ান্ট এলবিট সিস্টেমসের স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
এলবিট সিস্টেমসের অফিসে কোম্পানিটির লোগো দেখা যাচ্ছে। হাইফা, ইসরাইল, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ফাইল ছবি: রয়টার্স
এলবিট সিস্টেমসের অফিসে কোম্পানিটির লোগো দেখা যাচ্ছে। হাইফা, ইসরাইল, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ফাইল ছবি: রয়টার্স

চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরে একটি চেক কোম্পানি ও এলবিট সিস্টেমসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ওই স্থাপনায় এই হামলা চালানো হয়। এতে স্থাপনাটির বেশ কয়েকটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেক কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার পেছনে ‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী যোগসূত্র’ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

 

ইতিমধ্যে ‘দ্য আর্থকোয়েক ফ্যাকশন’ নামের একটি আন্ডারগ্রাউন্ড বা গোপন গোষ্ঠী এই অগ্নিসংযোগের দায় স্বীকার করেছে। মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় গোষ্ঠীটি জানায়, দখলদার ইসরাইলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারকের ইউরোপীয় কার্যক্রমের জন্য এই স্থানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, ইসরাইলের সহযোগী সরকারগুলোর কাছে অনুরোধ করার সময় শেষ, এখন তাদের হত্যার সরঞ্জামগুলো ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

এলবিট সিস্টেমস ইসরাইলি স্থল ও আকাশপথের অস্ত্রের প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত। তাদের তৈরি সামরিক সরঞ্জাম বর্তমানে গাজা ও ইরান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই হামলার ফলে ইউরোপে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমের সরবরাহ ব্যবস্থা বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম/ফাইল ছবি
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কিছু রাজনৈতিক মহলের নেতিবাচক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। শুক্রবার (২০ মার্চ) পারমাতাং পাও-এ এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং এটি সম্পূর্ণ বৈশ্বিক সংঘাতের ফল। অথচ অনেকে প্রকৃত কারণ না বুঝেই সরকারকে দোষারোপ করছেন, যা মোটেও দায়িত্বশীল আচরণ নয়।   প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান হামলা-পাল্টা হামলা এবং হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আনোয়ার জানান, বিশ্বের অনেক দেশ দাম বাড়াতে বাধ্য হলেও মালয়েশিয়া সরকার জনগণের স্বার্থে এখনো তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ও রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি 'পেট্রোনাস'-এর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং আগামী মে মাস পর্যন্ত দেশে জ্বালানি মজুত স্থিতিশীল থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।   আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা প্রশমনে মালয়েশিয়া কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, মালয়েশিয়া একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে বিশ্বশান্তির পক্ষে কাজ করে যাবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
মোজতবা খামেনি/ফাইল ছবি

শত্রু দমনে ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ইফতার

এলবিট সিস্টেমসের অফিসে কোম্পানিটির লোগো দেখা যাচ্ছে। হাইফা, ইসরাইল, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইসরাইলি অস্ত্র জায়ান্ট এলবিট সিস্টেমসের স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ

ছবি সংগৃহীত
আল-আকসায় ঈদের নামাজে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, মুসল্লিরা আহত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে ফিলিস্তিনি মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা প্রদান ও মুসল্লিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী। শুক্রবার (২০ মার্চ) মসজিদ প্রাঙ্গণের বাইরে নামাজ পড়তে গেলে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়া হয়। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে রেখেছে।   প্যালেস্টাইন ক্রনিকল জানিয়েছে, ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখলের পর এবারই প্রথম আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কড়া সামরিক বিধিনিষেধের কারণে কেবল ওয়াকফ-এর অল্প সংখ্যক কর্মীকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। সাধারণ মুসল্লিরা মসজিদে ঢুকতে না পেরে বাধ্য হয়ে রাজপথে নামাজের কাতার করলে সেখানেও হামলা ও ধরপাকড় চালায় ইসরাইলি পুলিশ।   একই চিত্র দেখা গেছে হেব্রনের ইব্রাহিমি মসজিদেও। সেখানেও হাজার হাজার মানুষকে প্রবেশ করতে না দিয়ে মাত্র কয়েক ডজন লোককে ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। জেরুজালেমের পুরানো শহরজুড়ে ব্যারিকেড দিয়ে যাতায়াতের পথগুলো বন্ধ করে দেয় দখলদার বাহিনী। নজিরবিহীন এই নিষেধাজ্ঞার ফলে পবিত্র এই ধর্মীয় উৎসবেও মুসল্লিশূন্য ছিল ঐতিহাসিক আল-আকসা প্রাঙ্গণ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত

২০ দিনে ৭৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ইসরাইলের; মার্কিন খরচ ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর পরস্পরবিরোধী অবস্থান; যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইল বিরোধী জনমত তুঙ্গে

ছবি সংগৃহীত

আয়রণ ডোমের গোপন তথ্য ইরানে পাচার; ইসরাইলি রিজার্ভিস্ট সেনা সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত
ইতিহাসে প্রথমবার ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার

বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও ব্যয়বহুল স্টিলথ যুদ্ধবিমান মার্কিন এফ-৩৫ লাইটনিং-২ সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর ছোঁড়া ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এই শক্তিশালী যুদ্ধবিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্কিন সামরিক আধুনিক ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা পশ্চিমা সামরিক প্রযুক্তি ও স্টিলথ সক্ষমতা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।   মার্কিন সেন্টকমের নেভি ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানের ওপর একটি কমব্যাট মিশন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-৩৫ বিমান আঞ্চলিক বিমানঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছে। বিভিন্ন ওপেন সোর্স ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯ কোটি ডলার মূল্যের এই পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি মাত্র ৩ হাজার ডলার ব্যয়ে নির্মিত সম্পূর্ণ ইরানি প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পর বিমানের পেছনে আগুনের শিখা দেখা গেছে বলে দাবি করেছেন অনেক বিশ্লেষক।   সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনার প্রভাব কেবল একটি বিমান হারানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই সফল অভিযানের মাধ্যমে ইরান এফ-৩৫ বিমানের ‘ইনফ্রারেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ বা হিট সিগনেচার ডাটা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে, যা মস্কো ও বেইজিংয়ের মতো প্রতিপক্ষের জন্য অমূল্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর ফলে মার্কিন আকাশসীমার শ্রেষ্ঠত্ব বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে এবং এফ-৩৫ পাইলটরা এখন থেকে আর নিজেদের ‘অদৃশ্য’ মনে করতে পারবেন না।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক বিমান হারানো গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার, এফ-১৫ স্ট্রাইক ঈগল এবং কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটো ট্যাঙ্কারের মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল সরঞ্জাম। এই ঘটনাটি মার্কিন সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।   সূত্র: প্রেস টিভি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ১৭০ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনা ছিল সুপরিকল্পিত? আল জাজিরার অনুসন্ধানে বিস্ফোরক তথ্য

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জ। ছবি: সংগৃহীত

অস্ত্র বিরতির আগে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো হস্তক্ষেপ নয়, সাফ জানালেন জার্মান চ্যান্সেলর

ছবি: সংগৃহীত।

নতুন রেকর্ড, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম দেড় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

0 Comments