খেলাধুলা

প্রিয় দল হারলে মন ভালো করবেন যে ৭ উপায়ে

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৭, ২০২৬ ১৭:১৫
ছবি : এআই
ছবি : এআই

ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, কোটি কোটি মানুষের কাছে এটি আবেগ, ভালোবাসা ও পরিচয়ের অংশ। তাই প্রিয় দল হারলে মন খারাপ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। অনেক সমর্থক ম্যাচের পর হতাশ হয়ে পড়েন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এড়িয়ে চলেন বা দীর্ঘ সময় ধরে পরাজয়ের কষ্ট বয়ে বেড়ান।


১. কষ্ট পাওয়াটা স্বাভাবিক, সেটি মেনে নিন
প্রিয় দল হারার পর মন খারাপ হওয়া কোনো দুর্বলতা নয়। নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার না করে কিছুটা সময় দিন। আবেগকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করলে হতাশা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সহজ হয়।

 

২. মনে রাখুন, ফুটবল একটি খেলা
জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ। বিশ্বের সেরা দলগুলোও নিয়মিত হার-জিতের মধ্য দিয়েই এগিয়ে যায়। একটি ম্যাচের ফলাফল আপনার ব্যক্তিগত জীবন বা সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়—এ কথা মনে রাখুন।

 

৩. কিছু সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকুন
পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল, ব্যঙ্গ বা প্রতিপক্ষ সমর্থকদের মন্তব্য চোখে পড়তে পারে। এসব বিষয় মন আরও খারাপ করতে পারে। তাই কিছু সময়ের জন্য ফোন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নেওয়া ভালো।

 

৪. বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান
মন খারাপের সময় প্রিয় মানুষদের সঙ্গ অনেক স্বস্তি দেয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। এতে হতাশা কমে এবং মন অন্যদিকে ব্যস্ত থাকে।

 

৫. ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো ভাবুন
হার মানেই সবকিছু খারাপ ছিল না। ম্যাচে দলের ভালো কিছু মুহূর্ত, খেলোয়াড়দের চেষ্টা বা লড়াইয়ের মানসিকতা মনে করার চেষ্টা করুন। এতে হতাশার পরিবর্তে আশাবাদ তৈরি হয়।

 

৬. নিজের পছন্দের কাজে মন দিন
সিনেমা দেখা, বই পড়া, গান শোনা, হাঁটতে যাওয়া বা অন্য কোনো শখের কাজে সময় কাটান। নতুন কাজে মনোযোগ দিলে পরাজয়ের কষ্ট ধীরে ধীরে কমে আসে।

 

৭. সামনে নতুন ম্যাচের অপেক্ষা করুন
একজন প্রকৃত সমর্থক শুধু জয়ের সময় নয়, কঠিন সময়েও দলের পাশে থাকেন। একটি হার মানেই মৌসুম শেষ নয়। সামনে নতুন ম্যাচ, নতুন চ্যালেঞ্জ ও নতুন সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে।

 

ফুটবলের আসল আনন্দ কোথায়?
ফুটবলের সৌন্দর্য শুধু ট্রফি জেতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখা, উত্তেজনা ভাগাভাগি করা, গোলের আনন্দে উল্লাস করা কিংবা কঠিন সময়ে দলকে সমর্থন করাও এই খেলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

প্রিয় দল হয়তো আজ হেরেছে, কিন্তু সমর্থকের ভালোবাসা হারেনি। আর সেই নিঃস্বার্থ সমর্থনই ফুটবলকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলায় পরিণত করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য নিশ্চিতে জাইমা রহমানের যুগান্তকারী প্রস্তাব

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শন শেষে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং প্রতিভা বিকাশের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানিয়েছেন জাইমা রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তরুণ অ্যাথলেটদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আলাপচারিতা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।   জাইমা রহমান জানান, দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া তারকাদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, খেলাধুলার প্রতি আনন্দ এবং দৃঢ় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিকেএসপি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।   প্রতিষ্ঠানটির নিবেদিতপ্রাণ কোচ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করলেও একটি আক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন জাইমা রহমান। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এত সম্ভাবনা ও অবকাঠামো থাকার পরও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মঞ্চে পদক জয়ে বাংলাদেশ কেন এখনো এতটা পিছিয়ে আছে? এই ঘাটতি পূরণে এবং বিশ্বমঞ্চে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য নিশ্চিত করতে তিনি বেশ কিছু পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছেন।   তার মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদক খরা কাটাতে তরুণ অ্যাথলেটদের একদম ছোটবেলা থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের দেশগুলোতে বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে হবে, যাতে তারা বিশ্বমানের প্রতিযোগিতার সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। এর পাশাপাশি আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞানের (স্পোর্টস সায়েন্স) সহায়তা বৃদ্ধি এবং এমন একটি যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে উন্নতমানের অ্যাথলেটিক প্রশিক্ষণের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকবে।   জাইমা রহমানের বিশ্বাস, এই পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা আগামীতে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের পূর্ণ সক্ষমতার প্রমাণ দিতে পারবেন।

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৭, ২০২৬ ১৯:২
ছবি : এআই

প্রিয় দল হারলে মন ভালো করবেন যে ৭ উপায়ে

ছবি: সংগৃহীত

৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিল কঙ্গো

ছবি: সংগৃহীত

মেক্সিকো ম্যাচের আগে ফিফার স্পন্সর হুন্দাইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গাড়ি পার্কিংয়ে লাখ টাকা আয় করছেন স্টেডিয়ামের পাশের বাড়ির মালিকেরা

চলতি ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবোরো এলাকার 'বস্টন স্টেডিয়াম' (জিলেট স্টেডিয়াম)-এর আশেপাশের বাসিন্দাদের ভাগ্য খুলে গেছে। স্টেডিয়ামে পার্কিংয়ের জায়গা সীমিত থাকায় ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা দিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন স্থানীয় বাড়ির মালিকেরা। তারা নিজেদের বাড়ির সামনের উঠান ও লনগুলোকে একেকটি বাণিজ্যিক পার্কিং জোনে রূপান্তর করেছেন। বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস বস্টনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ফক্সবোরোর মূল স্টেডিয়ামটিতে গাড়ি পার্কিংয়ের ধারণক্ষমতা মাত্র ৫ হাজার। আর সেখানে আগে থেকে বুকিং দিয়ে পার্কিং করতে দর্শকদের গুনতে হচ্ছে চড়া মূল্য—প্রায় ১৭৫ ডলার। কিন্তু স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই ওয়ালপোল এলাকার উইলো স্ট্রিটের বাড়িগুলোতে মাত্র ১০০ ডলারে গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। পাশাপাশি সেখানকার খুদে উদ্যোক্তারা দর্শকদের সতেজ লেবুর শরবত দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছে।   রাইয়ান ওয়াটসন নামের এক স্থানীয় বাড়ির মালিক বলেন, "আমরা এখানে বহু বছর ধরে বাস করছি, কিন্তু কখনো এভাবে আয়ের কথা ভাবিনি। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ পার্কিং থেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে, আমরাও ভাবলাম এই সুযোগে একটু আয় করে নিই।" তিনি আরও জানান, এই বাড়তি আয়ের টাকা তিনি তার সন্তানদের কলেজের পড়াশোনার খরচের জন্য জমিয়ে রাখছেন।   তবে চাইলেই যে কেউ এই ব্যবসা শুরু করতে পারছেন না। স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রায় ৭০০ ডলার দিয়ে একটি বিশেষ পারমিট বা অনুমতিপত্র নিতে হচ্ছে বাড়ির মালিকদের, যার আওতায় সর্বোচ্চ ২৬টি গাড়ি পার্কিংয়ের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।   ওয়াশিংটন স্ট্রিটের বাসিন্দা এরিকা বার্ডন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত 'ইরাক বনাম নরওয়ে'র বিশ্বকাপ ম্যাচ চলাকালীন তার বাড়ির ২৬টি স্পটের সবকটিই বুকড হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, "বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই আমরা এই সুবিধা দেব। এর থেকে ভালো লাভ হলে ভবিষ্যতে বড় কোনো কনসার্ট বা ফুটবল ম্যাচের সময়েও পার্কিংয়ের ব্যবসা করার পরিকল্পনা আছে।" এই আয়ের টাকা দিয়ে সন্তানদের কলেজের টিউশন ফি দেওয়ার পাশাপাশি একটি পারিবারিক ভ্রমণেরও স্বপ্ন দেখছেন তিনি।   অন্যদিকে জন রুহানা নামের আরেক বাসিন্দা জানান, গাড়ি পার্কিংয়ের এই বাড়তি আয় দিয়ে তিনি তার বাড়ির মোটা অঙ্কের প্রোপার্টি ট্যাক্স বা সম্পত্তি কর পরিশোধ করবেন, যা বছরে প্রায় ১০ হাজার ডলার।

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৭, ২০২৬ ১০:৪৬
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের প্রথম পরীক্ষায় রোনালদোর পর্তুগাল, একাদশে থাকছেন যারা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে জয়ের পর জার্মান শিবিরে উদ্বেগ, ক্যাম্পে বিষধর ‘কপারহেড’ সাপের উপস্থিতি

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি: রয়টার্স

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার মায়ের ভিসা জটিলতা কাটছে, যুক্তরাষ্ট্রে আনার প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের সহায়তা

ছবি: সংগৃহীত
‘মেসি এত ভালো খেলে কেন?’ ব্রাজিল সমর্থক বুবলীর প্রশ্ন

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নিজের জাদুকরী ফুটবল দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিয়েছেন তিনি। আর তার সেই পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছেন শুধু আর্জেন্টিনা সমর্থকরাই নন, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের সমর্থকরাও।   তেমনই একজন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ইয়াসমিন বুবলী। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তবে মেসির অসাধারণ নৈপুণ্যের প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের ফুটবল আবেগ লুকিয়ে রাখেননি এই অভিনেত্রী।   বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম গোল করেন লিওনেল মেসি। এরপর আরও দুটি গোল করে পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক।   মেসির এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচজুড়ে তার দৃষ্টিনন্দন ফুটবল, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণভাগে নেতৃত্ব আবারও ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে।   মাঠের এই পারফরম্যান্সের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসিকে নিয়ে একটি পোস্ট করেন বুবলী। সেখানে তিনি লিখেছেন, “এই লোকটা এত ভালো খেলে কেন? লিওনেল মেসি সত্যিকারের জাদুকর, হ্যাটট্রিক।” ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত একজন তারকার কাছ থেকে এমন অকপট প্রশংসা দ্রুতই নজর কাড়ে নেটিজেনদের। অনেকেই বুবলীর পোস্টে মন্তব্য করে মেসির প্রতি তার মুগ্ধতার প্রশংসা করেছেন।   ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, মেসির ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময়জুড়েই এমন দৃশ্য দেখা গেছে। ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের জার্সিতে অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের কাছ থেকেও প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। তার খেলার ধরন, মাঠে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং গোল করার দক্ষতা তাকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।   বিশ্বকাপের মঞ্চেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। উদ্বোধনী ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, বয়স কেবল একটি সংখ্যা; প্রতিভা এবং অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এখনো তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।   এদিকে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসিকে নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে। সমর্থকদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাও তার প্রশংসায় মুখর হয়েছেন।   আর সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো শবনম ইয়াসমিন বুবলীর নাম। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থক হয়েও মেসির খেলা দেখে তার সরল প্রশ্ন এখন নেটদুনিয়ায় বেশ আলোচিত—‘মেসি এত ভালো খেলে কেন?’

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৬, ২০২৬ ২৩:৪৩
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক! আলজেরিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নিলেন মহাতারকা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই টাইমস স্কয়ারে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া সমর্থকদের মধ্যে তুমুল মারামারি

সেনেগাল জাতীয় ফুটবল দলের ফরোয়ার্ড ইলিমান এনদিয়ায়ে | ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন ও ফিফার নতুন নিয়মে ফুটবল বিশ্বকাপ এখন এক অন্যরকম ডায়াসপোরা টুর্নামেন্ট

0 Comments