আমির

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান
ফল মেনে শক্তিশালী বিরোধী দল গড়ার ঘোষণা জামায়াতের

নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে এক ঐতিহাসিক ও দায়িত্বশীল বার্তা দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ৭৭টি আসনে জয়লাভের মাধ্যমে সংসদে নিজেদের শক্তি প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি করে 'শক্তিশালী বিরোধী দল' গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।   জনগণের প্রতি আমিরের বিশেষ বার্তা ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ:   ফলাফলের স্বীকৃতি: ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলকে সাদরে গ্রহণ করেছেন এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন।   ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: তিনি পরাজয়কে হাতাশা হিসেবে না দেখে একে ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ৭৭টি আসন প্রাপ্তিকে তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন।   সংগ্রামী কর্মীদের সম্মান: কর্মীদের ত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ভয়ভীতি ও হয়রানি উপেক্ষা করে তাদের সাহসিকতাই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।   সংসদে ভূমিকা: সংসদে একটি নীতিবান ও গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন ১১ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা।   ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: মানুষের আস্থা অর্জন এবং দেশের স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য নিবেদিত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।   এটি কেবল একটি ফলাফল নয়, বরং নীতিনিষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন শুরু।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
নির্বাচন কমিশনকে জামায়াত আমিরের চরম হুঁশিয়ারি

সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় নজিরবিহীন অনিয়ম, কারচুপি এবং ফলাফল পাল্টে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট। শুক্রবার রাতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দলের কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "নির্বাচনে হার-জিত থাকা স্বাভাবিক এবং তা সবাই মেনে নেয়। কিন্তু যখন বড় ধরনের বৈষম্য ও অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়, তখন জনমনে প্রশ্ন ওঠা অনিবার্য।" তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে, যা চরম ফ্যাসিবাদী তৎপরতার শামিল।   বিজয়ী দলের (বিএনপি) প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি জানান, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। তবে বর্তমানে যেভাবে ফেসিবাদীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা এবং ফলাফল জালিয়াতি করা হচ্ছে, তা ছাত্র-জনতার ২৪-এর আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর আসনে সেন্টার দখলসহ রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করার পর্যাপ্ত নথিপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। দ্বৈতনীতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।"   জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অনিয়মের প্রতিকার না মিললে তারা কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, কিন্তু ইনসাফ পাওয়া আমাদের নাগরিক অধিকার। নির্বাচন কমিশনকে ন্যায়ের পথে ফিরে আসতে হবে, অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির সব দায় তাদেরই নিতে হবে।"

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
ধর্মীয় পরিচয়ে বৈষম্যের দিন শেষ: জামায়াত আমির

বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে আর বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করবে নির্ভয়ে, কেউ সেখানে বাধা দেওয়ার সাহস পাবে না। কারণ ইসলামে ধর্মের ভিত্তিতে বাড়াবাড়ি করা স্পষ্ট হারাম।   শনিবার হবিগঞ্জে এক বিশাল জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগের কঠোর সমালোচনা করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, কেউ আজ পর্যন্ত একটি অভিযোগও প্রমাণ করতে পারেনি।   রাজনীতিকে যারা ব্যবসার হাতিয়ার বানিয়েছেন, তাদের বিরূদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি তারাই করে যারা রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছে। জামায়াতের রাজনীতিতে মেধা ও সততার মূল্যায়ন সবার আগে, তাই এখানে একজন সাধারণ শ্রমিকের সন্তানও দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
জামায়াত আমির
ডাল-পালা নয়, সরাসরি দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেব

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁর দলের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে দুর্নীতি দমনে তিনি যে আপসহীন বার্তা দিয়েছেন, তা এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।   দুর্নীতি ও অর্থ পাচার নিয়ে কঠোর অবস্থান: ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা দুর্নীতির ডাল বা পাতা ধরে টান দেব না, বরং সরাসরি দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেব।" তিনি বিগত সরকারের আমলে পাচার হওয়া ২৮ লক্ষ কোটি টাকা (যা দেশের ৪টি বাজেটের সমান) ফিরিয়ে আনার চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর মতে, ছোট চোরদের শাস্তি দিয়ে বড় মাফিয়াদের ছেড়ে দেওয়া চরম অন্যায়।   প্রতিশোধ নয়, সুবিচারের নিশ্চয়তা: বিগত বছরগুলোতে দলের ওপর অমানবিক নির্যাতন এবং শীর্ষ নেতাদের হারানো সত্ত্বেও ডা. শফিকুর রহমান উদারতার পরিচয় দেন। তিনি ঘোষণা করেন, জামায়াত ব্যক্তিগত কোনো প্রতিশোধ নেবে না। তবে শহীদ পরিবারগুলোর আইনি লড়াইয়ে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে। মামলা বাণিজ্য ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধেও তিনি কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।   নারী ও যুবকদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা: যুবকদের জন্য স্রেফ 'বেকার ভাতা' নয়, বরং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি নারীদের মর্যাদা ও ইজ্জতের শতভাগ নিরাপত্তার গ্যারান্টি না দেওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।   বরিশালের উন্নয়ন ও নদী সংস্কার: বরিশাল অঞ্চলের প্রধান সমস্যা নদী ভাঙন নিয়ে তিনি বলেন, নদী শাসন নয় বরং বৈজ্ঞানিক উপায়ে নদী সংস্কার প্রয়োজন। সঠিক বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১০ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলের চিত্র বদলে দেওয়ার রূপরেখা দেন তিনি।   বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ: তিনি বলেন, "আমরা জামায়াতের বিজয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।" এমন এক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখান যেখানে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবাই আইনের চোখে সমান হবেন এবং বিচার ব্যবস্থায় কোনো দলীয় প্রভাব থাকবে না।   অনুষ্ঠান শেষে তিনি বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন এবং মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জনসভাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
কুড়িগ্রামে ডা. শফিকুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ কুড়িগ্রামের এক বিশাল জনসভায় দেশ গড়ার নতুন রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জামায়াত কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।   বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের বীরত্বগাঁথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের সাথে কোনো আপস করা হবে না। নদী ভাঙন রোধে দুর্নীতির অবসান এবং পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি কুড়িগ্রামকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন।   সাফল্যের চাবিকাঠি ও আজকের বিশেষ বার্তা:   আমরা কোনো দলীয় বা গোষ্ঠীগত সরকার চাই না, আমাদের লক্ষ্য ১৮ কোটি মানুষের সামগ্রিক বিজয়। তিস্তা পাড় থেকেই সূচিত হয়েছে মুক্তির গণজোয়ার; মা-বোনদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। শহীদ আবু সাইদ ও আবরার ফাহাদের রক্তে ভেজা এই মাটি কখনোই আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবে না। বিদেশে পাচার হওয়া ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনে কুড়িগ্রামের মতো পিছিয়ে পড়া জনপদ থেকেই শুরু হবে নতুন বাংলাদেশের উন্নয়ন। গুজব ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে সত্যের জয় নিশ্চিত করেছে আমাদের সাইবার টিম; অপরাধীদের ঠাঁই নেই এই বাংলায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে রূপান্তরের ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের!

কিশোরগঞ্জকে ঘিরে এক নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লবের স্বপ্ন দেখালেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠের বিশাল জনসভায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শুধু গতানুগতিক চাষাবাদ নয়, বরং কিশোরগঞ্জের উর্বর মাটিকে কেন্দ্র করে কৃষিকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পে পরিণত করা হবে। পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে উন্নয়নের চাকাকে সচল করার অঙ্গীকারও করেছেন তিনি। জনসভার মূল আকর্ষনসমূহ: কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন: কিশোরগঞ্জের প্রধান চালিকাশক্তি কৃষিকে আধুনিকায়ন করে শিল্পে রূপান্তর করার ঘোষণা। অর্থ পাচার রোধ ও পুনরুদ্ধার: দেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল অর্থ ফেরত এনে জনকল্যাণে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি। ভোটের অধিকার রক্ষা: "এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত ভোটে হাত দিতে পারবে না"—অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কড়া বার্তা। গণমানুষের সরকার: কেবল নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার গঠনের প্রত্যয়। অনগ্রসর এলাকার উন্নয়ন: জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার। কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলা থেকে আগত লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই নির্বাচনী জনসভা এক অনন্য জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0