বিশ্ব

যুদ্ধবিরতির পরও হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ, বিশ্ববাজারে তেলের অনিশ্চয়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর স্বস্তির আশা জাগলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও উত্তেজনা বাড়িয়েছে ইরান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি।

 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই সময়ের জন্য বোমাবর্ষণ ও সামরিক হামলা স্থগিত রাখা হবে। পরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি পাল্টা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে সামরিক ইউনিটগুলোকে সংযত থাকার নির্দেশ দেন।

 

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর সকালে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হলেও, লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরান বাকি সব জাহাজের চলাচল স্থগিত করে দেয়।

 

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির শর্ত ও আওতা নিয়ে অস্পষ্টতাই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলের এই সমঝোতায় লেবানন ফ্রন্টও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, যুদ্ধবিরতি কেবল ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

 

এর পরপরই ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের সমন্বিত বিমান হামলা চালায়, যা চলমান সংঘাতের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই হামলার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ইরান পুনরায় প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়।

 

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে শত শত তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার ভারত মহাসাগর এলাকায় আটকা পড়েছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে জরুরি ফোনালাপে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। তেহরান সতর্ক করেছে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা পুরো শান্তি প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়াতে পারে এবং পাল্টা জবাব দেবে।

 

সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি এখন অনিশ্চয়তার মুখে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল নিয়ে কড়া মন্তব্য, পরে পোস্ট মুছে ফেললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইসরায়েলকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পোস্ট মুছে ফেলেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তার ওই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।   বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে খাজা আসিফ ইসরায়েলকে ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’ এবং ‘ক্যান্সারসদৃশ রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যা দেন। তবে সমালোচনার মুখে পড়ে কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন।   ওই পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ইসলামাবাদে যখন শান্তি আলোচনা চলছে, তখন লেবাননে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। গাজা, ইরান এবং লেবাননে চলমান সংঘাতের জন্য তিনি ইসরায়েলকে দায়ী করেন।   এই মন্তব্যের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু–এর কার্যালয় থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সংলাপে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

ছবি: সংগৃহীত।

চালু হচ্ছে উন্নত ইইএস ও ইটিআইএএস সিস্টেম, ইউরোপ ভ্রমণের আগে যা জানা প্রয়োজন

ছবি: সংগৃহীত।

সৌরজগতে প্রাণের রহস্য উন্মোচনে চীনের বিজ্ঞানীদের অভাবনীয় সাফল্য

ভারতের মাটির নিচে ‘স্বর্ণের পাহাড়’। ছবি: সংগৃহীত
মাটির নিচে বিপুল স্বর্ণভাণ্ডার, তবুও আমদানিনির্ভর ভারত

ভারত-এর ভূগর্ভে প্রায় ৫০ কোটি টন স্বর্ণ আকরিক মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এত বড় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দেশটি এখনো স্বর্ণের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে শশী থারুর এই পরিস্থিতিকে ভারতের জন্য এক ধরনের ‘স্বেচ্ছায় তৈরি সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   তার মতে, ভারতে স্বর্ণ শুধু গয়না নয়—এটি সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু এই বিশাল চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত, বছরে আনুমানিক দেড় টনের মতো। ফলে অস্ট্রেলিয়া, ঘানা এবং পেরুসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি করতে হচ্ছে, যার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার বড় অংশ বাইরে চলে যাচ্ছে।   কেন পিছিয়ে খনি খাত? শশী থারুরের বিশ্লেষণে ভারতের খনি শিল্প পিছিয়ে থাকার কয়েকটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হয়েছে— জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া: খনি চালুর জন্য দীর্ঘ ও জটিল অনুমোদন প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। উচ্চ করের চাপ: খনি খাতে কর ও রয়্যালটির পরিমাণ বেশি হওয়ায় অনেক কোম্পানির জন্য এই খাতে বিনিয়োগ লাভজনক হয় না। নীতিগত সীমাবদ্ধতা: খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এখনও রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পাচ্ছে, যা শিল্পের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে।   কী করা যেতে পারে? এই পরিস্থিতি বদলাতে কয়েকটি সংস্কারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে— সহজ অনুমোদন ব্যবস্থা: দীর্ঘমেয়াদী নিশ্চয়তা দিয়ে ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ পদ্ধতিতে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করা। কর ছাড়: নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রাথমিক পর্যায়ে কর সুবিধা দেওয়া। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানিগুলোকে যুক্ত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ খনন নিশ্চিত করা।   বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির অস্থিরতায় স্বর্ণকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ধরা হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিজের ভূগর্ভস্থ সম্পদ কাজে লাগাতে না পারলে ভারতের আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, সঠিক নীতি ও সংস্কারের মাধ্যমে এই লুকিয়ে থাকা সম্পদকে কাজে লাগানো গেলে দেশটির অর্থনৈতিক শক্তি অনেকটাই বাড়তে পারে।   সূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

আলেকজান্ডার থেকে ট্রাম্প: সাত হাজার বছরেও কেন অপরাজেয় ইরান?

দিল্লির আতিথেয়তায় মুগ্ধ হাসিনা, রাখতে চায় ভারত

দিল্লির আতিথেয়তায় মুগ্ধ হাসিনা, রাখতে চায় ভারত

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে ইরান, অভিযোগ ট্রাম্পের

পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে উল্টো চাপে ভারত
পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে উল্টো চাপে ভারত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। তবে এই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান-এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতেও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।   আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেখানে অনেক নেতা এই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে পাকিস্তানের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, সেখানে ভারতের অবস্থান ছিল নীরব। এমনকি ইসলামাবাদ-এ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি নয়াদিল্লি।   ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানায় এবং আশা করে এটি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়েছে যে, সংঘাত নিরসনে যুদ্ধবিরতি, সংলাপ এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   বিবৃতিতে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক প্রভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে ভারত।   এর আগে, পাকিস্তান যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার আগ্রহ দেখায়, তখন থেকেই ভারতের ভেতরে রাজনৈতিক সমালোচনা শুরু হয়। বিরোধী দলগুলো এটিকে ভারতের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরে।   এদিকে, বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর স্পষ্ট করে বলেন, ভারত কোনোভাবেই ‘মধ্যস্থতাকারী রাষ্ট্র’ হিসেবে ভূমিকা নিতে আগ্রহী নয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, ‘রেড জোন’ সম্পূর্ণ সিল

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, ‘রেড জোন’ সম্পূর্ণ সিল

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির ছায়ায় অনিশ্চয়তা: ইসলামাবাদ সংলাপের আগে উত্তেজনা তুঙ্গে

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। ফাইল ছবি: এএফপি

ট্রাম্পের চাপে কি নতি স্বীকার করলেন নেতানিয়াহু? যা বলছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

0 Comments