বিশ্ব

অভিভাবকদের জন্য সুখবর, শিশুর পাশে বসতে আর অতিরিক্ত টাকা নেবে না রায়ানএয়ার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৫, ২০২৬ ২১:৪৩
এখন থেকে ছোট সন্তানের পাশে বসতে রায়ানএয়ারে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। ছবি: সংগৃহীত
এখন থেকে ছোট সন্তানের পাশে বসতে রায়ানএয়ারে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের অন্যতম স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার অবশেষে তাদের পারিবারিক আসন নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে ছোট শিশুদের সঙ্গে ভ্রমণকারী অভিভাবকদের সন্তানদের পাশে বসার জন্য আলাদা করে আসন সংরক্ষণের অর্থ দিতে হবে না।

 

যুক্তরাজ্যের কম্পিটিশন অ্যান্ড মার্কেটস অথরিটি (সিএমএ) এ নীতির বৈধতা নিয়ে তদন্ত শুরু করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় বিমান সংস্থাটি। তবে রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও'লিয়ারি বলেছেন, তারা "অনিচ্ছাসত্ত্বেও" এই পরিবর্তন এনেছেন এবং আগের নীতিটিও আইনসম্মত ছিল বলে তাদের দাবি।

নতুন নীতি অনুযায়ী, যেসব অভিভাবক অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে নির্দিষ্ট আসন বুক করতে চান না, তাদের জন্য চেক-ইনের পর বিনা মূল্যে শিশুর পাশের আসন বরাদ্দ করা হবে। রায়ানএয়ার বলছে, ইউরোপের অধিকাংশ বিমান সংস্থাই এ ধরনের ব্যবস্থা অনুসরণ করে।

 

এর আগে রায়ানএয়ারের নিয়ম ছিল, শিশুদের সঙ্গে ভ্রমণকারী পরিবারকে অন্তত একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের ফি দিতে হতো। সেই আসনের পাশে সর্বোচ্চ চারজন শিশুর জন্য আসন বরাদ্দ করা হতো। এতে প্রতি যাত্রাপথে সাধারণত ৮ পাউন্ড পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় হতো।

চলতি মাসের শুরুতে সিএমএ তদন্ত শুরু করে জানতে চায়, এই নীতির মাধ্যমে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনের খরচ কি ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির মতে, অন্য অনেক বিমান সংস্থা অতিরিক্ত অর্থ ছাড়াই শিশুদের অভিভাবকের পাশে বসার ব্যবস্থা করে থাকে।

 

রায়ানএয়ারের দাবি, আগের নীতির মাধ্যমে যাত্রীরা টিকিট বুকিংয়ের সময়ই নিশ্চিত হতে পারতেন তারা কোথায় বসবেন। এতে পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়তি নিশ্চয়তা তৈরি হতো।

তবে নতুন নীতিতে বিনা মূল্যের পারিবারিক আসন মূলত বিমানের পেছনের সারিগুলোতে বরাদ্দ করা হবে। কারণ সামনের সারির আসনগুলো সাধারণত আগে থেকেই সংরক্ষিত থাকে।

 

বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়া এ পরিবর্তনকে রায়ানএয়ার "সামান্য নীতিগত সংশোধন" হিসেবে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির দাবি, এতে তাদের আয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়বে না।

রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও'লিয়ারি সিএমএর সমালোচনা করে বলেন, তাদের পারিবারিক আসন নীতি ইউরোপের সবচেয়ে স্বচ্ছ ও ভোক্তাবান্ধব ব্যবস্থাগুলোর একটি ছিল। তার অভিযোগ, প্রতিযোগিতা বাড়ানো ও কম ভাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা শুধু শিল্পখাতের প্রচলিত নীতির সঙ্গে মিল রাখতেই রায়ানএয়ারকে পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।

 

অন্যদিকে সিএমএ জানিয়েছে, রায়ানএয়ার দাবি করছে যে তাদের নতুন নীতি আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি যাচাই করবে। তবে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, যদি নতুন নীতি সত্যিই আইনসম্মত হয়, তাহলে এটি পরিবারগুলোর জন্য ইতিবাচক খবর। কারণ এখন থেকে সন্তানদের পাশে বসতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। তবে অতীতে যেসব পরিবার বাধ্য হয়ে এই অর্থ পরিশোধ করেছে, সেই বিষয়েও তদন্ত চলবে।

 

এদিকে ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংস্থা হুইচ? জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে না এলে রায়ানএয়ার এই পরিবর্তন আনত না। সংস্থাটির ট্রাভেল সম্পাদক রোরি বোল্যান্ড বলেন, আগামী কয়েক মাস তারা পর্যবেক্ষণ করবেন, নতুন নীতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং সব অভিভাবক সত্যিই বিনা খরচে সন্তানদের পাশে বসার সুযোগ পান কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় এবার শুরু হয়েছে লুটপাট। ছবি: সংগৃহীত
ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শুরু হয়েছে ব্যাপক লুটপাট

ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে এবার দেখা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ ও পানির সংকট, খাদ্যের অভাব এবং ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।   ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার লা গুয়াইরা রাজ্যের উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারের একটি বড় সুপারমার্কেটে প্রকাশ্যে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ভূমিকম্পে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ও অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ওই সুপারমার্কেটে সাধারণ মানুষ এবং কিছু দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যেতে দেখা যায়।   এএফপির প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদকর্মীরা জানান, ভূমিকম্পের পর পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অন্ধকার ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনেকে ব্যাগভর্তি করে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে চলে যান। ঘটনাস্থলে তখন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। গত বুধবার সন্ধ্যায় মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।   সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লা গুয়াইরা অঞ্চল। সেখানে অসংখ্য বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনা ধসে পড়েছে। কয়েকটি এলাকায় গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণের কারণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডও ঘটে, যা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভূমিকম্পের পর থেকে বহু এলাকায় বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত ত্রাণ না পৌঁছানো এবং খাদ্য সংকটের কারণেই কিছু মানুষ লুটপাটে জড়িয়ে পড়ছেন।   স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা আরও বাড়ছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে দ্রুত অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, ত্রাণ বিতরণ জোরদার এবং বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর খাদ্য, নিরাপত্তা ও জরুরি সেবার ঘাটতি দেখা দিলে অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তাই উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৫, ২০২৬ ২২:৩৪
খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান। কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র, আবার খামেনির শেষ বিদায়েও আমন্ত্রিত, কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে মোদি

হরমুজ প্রণালী। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে মালবাহী জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা, জাতিসংঘ কর্তৃক উদ্ধার অভিযান স্থগিত

এখন থেকে ছোট সন্তানের পাশে বসতে রায়ানএয়ারে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। ছবি: সংগৃহীত

অভিভাবকদের জন্য সুখবর, শিশুর পাশে বসতে আর অতিরিক্ত টাকা নেবে না রায়ানএয়ার

অমৃতসরে নামতে গিয়ে পাকিস্তানের আকাশে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের আকাশসীমায় ভুল করে ঢুকে পড়ল ভারতীয় বিমান, কী ঘটল পাইলটের সঙ্গে?

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে অমৃতসরগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান অনিচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করার ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একই সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনাকারী ক্রু এবং সংশ্লিষ্ট এক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, গত ২২ জুন রাতে দিল্লি থেকে অমৃতসরগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-৪৭৯ ফ্লাইটটি একটি এয়ারবাস এ-৩২১ উড়োজাহাজে পরিচালিত হচ্ছিল। অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণের প্রস্তুতির সময় রানওয়েতে পাখির আঘাতসংক্রান্ত একটি ঘটনার তদন্ত চলছিল। এ কারণে বিমানটিকে কিছু সময় আকাশে অপেক্ষা করতে বলা হয়।   ডিজিসিএর তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি আকাশে অবস্থান করার সময় অবতরণের জন্য ঘুরে আসার (গো-অ্যারাউন্ড) কৌশল অনুসরণ করছিল। এ সময় রাত ১০টা ৮ মিনিটে উড়োজাহাজটি অনিচ্ছাকৃতভাবে অল্প সময়ের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানায়, রাডার নির্দেশনার (রাডার ভেক্টরিং) সময় বিমানটি সীমান্ত অতিক্রম করলেও বিষয়টি পাকিস্তানের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদভাবে পরিচালনা করা হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় বিমানটি অমৃতসরে না নেমে দিল্লিতে ফিরে যায় এবং নিরাপদে অবতরণ করে।   ডিজিসিএ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি যথাসময়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। এ কারণে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফ্লাইট ক্রু এবং অমৃতসরের একজন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়াও এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, অমৃতসরে অবতরণের সময় গো-অ্যারাউন্ড কৌশল অনুসরণ করতে গিয়ে ফ্লাইটটি স্বল্প সময়ের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। বিষয়টি ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অবহিত করা হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তও শুরু হয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি প্রায় তিন মাইল পর্যন্ত পাকিস্তানের আকাশসীমার ভেতরে প্রবেশ করেছিল। তবে পুরো সময়ই বিমানটির গতিবিধি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে ছিল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার সময় অমৃতসর বিমানবন্দরে অ্যাপ্রোচ সার্ভেইলেন্স সেবা সচল ছিল না। পরে বিমানটি আবারও অবতরণের চেষ্টা করলেও অপেক্ষার কারণে জ্বালানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে সেটিকে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।   ফ্লাইটটি রাত ১১টা ২৭ মিনিটে নিরাপদে দিল্লির বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে একই বিমান আবার অমৃতসরের উদ্দেশে যাত্রা করে এবং যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এ ধরনের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল ও আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়ে বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর রয়েছে।   উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ার পর পাকিস্তান ভারতীয় এয়ারলাইনসগুলোর জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের মধ্যে চার দিনব্যাপী সামরিক সংঘাতও হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৫, ২০২৬ ২১:১১
ছবি: সংগৃহীত

ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৮৮: ধ্বংসস্তূপে চলছে জীবিতদের সন্ধান

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের ভূমিকার প্রশংসা হামাসের

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের ভূমিকার প্রশংসা হামাসের, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান

৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা

৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, প্রাণহানি বেড়ে ১৬৪

আজাদ কাশ্মিরে বিক্ষোভ দমনে খাদ্য-জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ, সংকটে সাধারণ মানুষ
আজাদ কাশ্মিরে বিক্ষোভ দমনে খাদ্য-জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ, সংকটে সাধারণ মানুষ

পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ কাশ্মিরে চলমান বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। বিক্ষোভের তীব্রতা কমাতে অঞ্চলটিতে খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রবেশ কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি। বিবিসি উর্দু ও পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডনের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।   স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাজার, মুদি দোকান, ফার্মেসি ও পেট্রোল পাম্পগুলোতে প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদের বাসিন্দারা খাদ্য ও জ্বালানির জন্য পার্শ্ববর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একইভাবে পুঞ্চ, রাওয়ালাকোট, বাঘ ও নীলম উপত্যকার মানুষ প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করছেন রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদ থেকে।   পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাংবাদিকদের প্রবেশ কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে। পাশাপাশি অধিকাংশ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ বা অত্যন্ত ধীরগতির হয়ে পড়েছে, যার ফলে তথ্যপ্রবাহেও সৃষ্টি হয়েছে বাধা।   ঐতিহাসিকভাবে সংবেদনশীল এই অঞ্চলটি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে আজাদ কাশ্মির ও গিলগিট-বাল্টিস্তান পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হয়, যেখানে পৃথক আইনসভা রয়েছে। আজাদ কাশ্মিরের আইনসভায় মোট ৪৫টি আসন থাকলেও এর একটি অংশ উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত।   সম্প্রতি সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থা বাতিল এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবিতে ৫ জুন থেকে আন্দোলন শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে)। ৯ জুন ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।   এএফপির আগের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, গত দুই সপ্তাহে সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যম ও ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের কারণে এরপরের পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।   বাসিন্দাদের বর্ণনায় উঠে এসেছে চরম দুর্ভোগের চিত্র। নীলম জেলার আলিফ দীন বিবিসি উর্দুকে বলেন, রেশন দোকানে টাকা জমা থাকলেও গত ১৫ দিন ধরে তিনি আটা পাচ্ছেন না। খোলা বাজারে পাওয়া গেলেও দাম এত বেশি যে তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অন্যদিকে পুঞ্চ জেলার এক বাসিন্দা নাভিদ জানান, রাওয়ালপিন্ডি থেকে খাদ্যসামগ্রী কিনে ফেরার পথে নিরাপত্তা বাহিনী তার পণ্য জব্দ করে নেয়। পরিবারের প্রয়োজনের কথা জানিয়ে অনুরোধ করলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আজাদ কাশ্মিরের প্রবেশপথে খাদ্য ও নিত্যপণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি দাঁড়িয়ে থাকলেও সেগুলো ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।   এ বিষয়ে ডনের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, রক্তপাত ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার এ কৌশল নিয়েছে। তার দাবি, জরুরি পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হলে বিক্ষোভের তীব্রতা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে।   তবে আন্দোলনকারীরা পিছু হটার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছেন না। জেএএকের নেতারা জানিয়েছেন, তারা দাবি আদায়ে আরও জোরালো কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে প্রায় এক লাখ মানুষ নিয়ে রাওয়ালাকোট থেকে রাজধানী মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত লংমার্চ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।   সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আজাদ কাশ্মিরে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিক্ষোভ সাময়িকভাবে স্তিমিত হলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন চরম চাপে রয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৫, ২০২৬ ৮:২৪
মুর্শিদাবাদ সীমান্তে বিএসএফ সদস্য নিহত

মুর্শিদাবাদ সীমান্তে বিএসএফ সদস্য নিহত, একই দিনে নদীতে নৌকায় আঘাতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদাম ধস

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদাম ধস: নিহত বেড়ে ১০, ধ্বংসস্তূপে এখনও অনুসন্ধান চলছে

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কাশ্মীরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ সেনাবাহিনীর

0 Comments