বিশ্ব

ক্লিনটন ও ওবামার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্টিফেন এ. স্মিথ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৭, ২০২৬ ৫:৩৬
ক্লিনটন ও ওবামার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্টিফেন এ. স্মিথ
ক্লিনটন ও ওবামার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্টিফেন এ. স্মিথ

মার্কিন ক্রীড়া বিশ্লেষক ও জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক স্টিফেন এ. স্মিথ সাবেক দুই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামার বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। নিজের ‘স্ট্রেইট শুটার’ পডকাস্টে তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের পর কীভাবে তারা এত বড় ব্যক্তিগত সম্পদের মালিক হলেন—সেটি নিয়ে সাধারণ মানুষের জানার অধিকার রয়েছে।  

 

পডকাস্টে স্মিথ বলেন, তিনি মূলত রাজনীতিবিদদের অর্থ উপার্জনের বিরোধী নন। তবে তার মতে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন অর্থনৈতিক চাপে থাকে, তখন রাজনীতিকদের বিপুল সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, “যদি জনগণও সমৃদ্ধ হয়, তাহলে রাজনীতিবিদদের সম্পদ নিয়ে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু বাস্তবতা তো ভিন্ন।”  

 

আলোচনায় বিল ক্লিনটনের প্রসঙ্গ টেনে স্মিথ বলেন, একজন সাধারণ আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা ক্লিনটন এবং তার পরিবারের শত শত মিলিয়ন ডলারের সম্পদ কীভাবে গড়ে উঠল, তা তার কাছে বিস্ময়কর। একইভাবে বারাক ওবামার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের বেতন সীমিত হলেও দায়িত্ব ছাড়ার পর তার সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।  

 

তবে এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্য তথ্য রয়েছে। ফোর্বস-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর বিল ও হিলারি ক্লিনটনের আয়ের বড় অংশ এসেছে বই প্রকাশ, বক্তৃতা এবং বিভিন্ন পেশাগত কার্যক্রম থেকে। অন্যদিকে, বারাক ওবামা ও তার স্ত্রী মিশেল ওবামার সম্পদও মূলত বইয়ের রয়্যালটি, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, বক্তৃতা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে বেড়েছে।  

 

এখন পর্যন্ত বিল ক্লিনটন বা বারাক ওবামার পক্ষ থেকে স্টিফেন এ. স্মিথের এই মন্তব্যের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। 

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইরানি হামলার মুখে বাহরাইনের ঘাঁটি খালি করে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার
ইরানি হামলার মুখে বাহরাইনের ঘাঁটি খালি করে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সাময়িকভাবে সংঘাত থেকে সরে এসে আলোচনার পথে ফিরলেও সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রভাব এখনো স্পষ্ট। বিশেষ করে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে ইরানের ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।   বাহরাইনের ‘নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি’ নামে পরিচিত এই ঘাঁটিটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ-অভিযানের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হওয়ায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকে জুন পর্যন্ত এই ঘাঁটিতে একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও সব হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেদ করে ঘাঁটির ভেতরে আঘাত হানে।   এই হামলায় ঘাঁটির মূল কমান্ড হেডকোয়ার্টারসহ এক ডজনের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত দুটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থাও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি।   মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলা তীব্র হওয়ার আগেই অধিকাংশ সেনা ও কর্মকর্তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, স্থাপনা নয়, মানুষের জীবন রক্ষা করাই ছিল তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।   তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই কৌশল কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ইরান সংঘাতের সময় ৮ হাজারের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করলেও পুরো সময়জুড়ে মাত্র দুটি হামলায় মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি ঘটেছে।   তবে এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে এসেছে। কারণ এতে স্পষ্ট হয়েছে, অত্যন্ত সুরক্ষিত বলে বিবেচিত ঘাঁটিও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। বিশেষ করে তুলনামূলক কম খরচে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইরান যে ধরনের ক্ষতি করতে পেরেছে, তা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।   ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বড় ও স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, একটি স্থানে বিপুল সেনা ও সরঞ্জাম কেন্দ্রীভূত করে রাখার কৌশল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এর পরিবর্তে বাহিনীকে বিভিন্ন ঘাঁটিতে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে।   একই সঙ্গে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় নতুন প্রযুক্তি ও কৌশল উন্নয়নের দিকেও জোর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির ধরনেই বড় ধরনের রূপান্তর আনতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৭, ২০২৬ ৬:৪৩
হায়দ্রাবাদে সড়কের নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’, কৃতজ্ঞতা জানালেন ট্রাম্প

হায়দ্রাবাদে সড়কের নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’, কৃতজ্ঞতা জানালেন ট্রাম্প

ডিজিটাল কর আরোপে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডিজিটাল কর আরোপে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ইউরোপীয় পণ্যে ১০০% শুল্কের হুমকি

ক্লিনটন ও ওবামার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্টিফেন এ. স্মিথ

ক্লিনটন ও ওবামার সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্টিফেন এ. স্মিথ

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছয় কর্মকর্তার পদোন্নতি
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছয় কর্মকর্তার পদোন্নতি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে (NYPD) কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছয়জন কর্মকর্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বিভাগটির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্প্রতি এ পদোন্নতি কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সার্জেন্ট মো. লতিফ ও সার্জেন্ট মো. এন. হক। তারা দুজনই পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হয়েছেন, যা নিউইয়র্ক পুলিশের মাঠপর্যায়ের নেতৃত্ব কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান।   অন্যদিকে পুলিশ অফিসার মো. হালিম ও ফেরদৌস নজমুল সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। সার্জেন্ট পদটি সাধারণত মাঠপর্যায়ে টিম নেতৃত্ব, অপারেশন সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত।   এছাড়া ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত মো. মেহেদী ইয়াসিনকে অ্যাসোসিয়েট ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট লেভেল–১ (ট্রাফিক সুপারভাইজার) এবং সায়েদ সিদ্দিকীকে লেভেল–২ (ট্রাফিক কমান্ডার) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে এই ইউনিটটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।   নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের পদোন্নতি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি সেবা, অভিজ্ঞতা, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে হয়ে থাকে। ফলে এসব পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বছরের পর বছর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হয়।   নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে পুলিশ, ট্রাফিক এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন ইউনিটে তারা সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। কমিউনিটি প্রতিনিধিরা মনে করেন, এ ধরনের পদোন্নতি প্রবাসে বাংলাদেশিদের পেশাগত অগ্রগতি ও সক্ষমতার একটি ইতিবাচক উদাহরণ।   বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরাও এই অর্জনকে গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন, যা প্রবাসে বাংলাদেশিদের অবস্থান আরও সুসংহত করছে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ২৭, ২০২৬ ৪:৫৪
ছবি:REUTERS

কানাডায় প্রথমবারের মতো লোটাসের বৈদ্যুতিক গাড়ি পাঠাচ্ছে চীনের জিলি

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আহত কলেজপড়ুয়া ছেলে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

যুদ্ধবিরতির পর আবারও উত্তেজনা। ছবি: সংগৃহীত
কার্গো জাহাজে ড্রোন হামলার জবাবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক কার্গো জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর সমঝোতার পর এটিই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সামরিক হামলা। এতে নতুন করে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এক বিবৃতিতে সেন্টকম দাবি করেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে এবং এর জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।   মার্কিন এক কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের কেশম দ্বীপের কাছে চারটি লক্ষ্যবস্তুতে ছয়টি যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা চালানো হয়। অভিযান শেষে সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে গেছে। এর এক দিন আগে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এম/ভি এভার লাভলি নামের একটি কার্গো জাহাজে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে। হামলায় জাহাজের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো নাবিক হতাহত হননি এবং পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি। জাহাজটি ওমান উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলাকে যুদ্ধবিরতির "অযৌক্তিক লঙ্ঘন" বলে মন্তব্য করেন। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানকে কোনো জবাব দেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, "দেখতেই পাবেন।" পরে তার নির্দেশেই সামরিক অভিযান চালানো হয়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের বড় একটি অংশ এই প্রণালি দিয়ে যায়। দীর্ঘ কয়েক মাস অচলাবস্থার পর সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে এই নৌপথে আবারও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও কমতে শুরু করেছিল। তবে সর্বশেষ এই হামলা সেই পরিস্থিতিকে আবারও অনিশ্চিত করে তুলেছে।   এদিকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আক্রান্ত জাহাজটি তাদের নির্ধারিত নিরাপদ চলাচল ব্যবস্থার আওতায় ছিল না। যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও বিনা বাধায় চলাচল নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইরানের ওপর রয়েছে। তবে কোন নৌপথ ব্যবহার করা হবে এবং জাহাজ চলাচলের নিয়ম নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়েছে। ইরান বলছে, জাহাজগুলোকে তাদের অনুমতি নিয়ে উত্তর দিকের নৌপথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণ দিকের রুটকে নিরাপদ বলে মনে করছে।   এ পরিস্থিতিতে আগামী দুই মাস ধরে চলার কথা থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরান যদি কোনো বিষয়ে আপত্তি জানাতে চায়, তাহলে আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। তবে সহিংসতার জবাব সহিংসতায়ই দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ২২:৫৪
ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন ভ্রমণ নি ষেধাজ্ঞা জারি করেছে সৌদি আরব। ছবি: সংগৃহীত

ইবোলা আতঙ্কে ৩ আফ্রিকার দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সৌদির

ছবি : ইউএটিভি

রুশ বন্দিদশা থেকে মুক্ত পেল ১৬০ ইউক্রেনীয় সেনা

ছবি: কোলাজ । আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় উপস্থাপক সাভানা গাথ্রির মায়ের অপহরণ রহস্যে নতুন মোড়, তথ্যের বিনিময়ে এক বিটকয়েন দাবি

0 Comments