আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন দেশটিকে ভারতের একটি ‘উপনিবেশে’ পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। পশ্চিম প্রতিবেশী আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সামরিক হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে বোমা হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এখন ‘পুরোদমে যুদ্ধের’ অবস্থায় রয়েছে।
বার্তায় তিনি বলেন, ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর আশা করা হয়েছিল আফগানিস্তানে শান্তি ফিরবে এবং তালেবান আফগান জনগণের স্বার্থে কাজ করবে। কিন্তু তার অভিযোগ, তালেবান আফগানিস্তানকে ভারতের প্রভাববলয়ে নিয়ে গেছে এবং দেশটিকে কার্যত ‘উপনিবেশে’ পরিণত করেছে।
খাজা আসিফ আরও দাবি করেন, তালেবান আফগানিস্তানে বিশ্বের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং সেখান থেকে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে। পাকিস্তান সরাসরি ও মিত্রদেশগুলোর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও তালেবান ভারতের ‘প্রতিনিধি শক্তি’ হিসেবে কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভারতের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগেও পাকিস্তান কাবুল–ইসলামাবাদ উত্তেজনায় ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছিল। তবে ভারত বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
২০২১ সালের আগস্টে একটি বাস বিস্ফোরণে ৯ জন চীনা নাগরিকসহ ১৩ জন নিহতের ঘটনার জন্য পাকিস্তান ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা Research and Analysis Wing (র) এবং আফগানিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা অধিদপ্তর National Directorate of Security-কে দায়ী করেছিল।
এদিকে গত অক্টোবরে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে কাবুলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ওই বিস্ফোরণকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছিল।
তালেবান ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণের পর গত অক্টোবরে ভারত ও আফগানিস্তান পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।
শুক্রবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর আহ্বান জানান।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী— • রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন • জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী • প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান • স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি) • পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির • অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী) • শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান • আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান • তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন • পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান • বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির • শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু • নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ • শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান • পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু • মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান • সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান • সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি • স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন • যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি • ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন • বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু • কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু • গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস • ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর • রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় • জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ • সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী • পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি এবং তেহরানের সাথে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। যদিও সামরিক শক্তির বিচারে ইরান থেকে যুক্তরাষ্ট্র বহুগুণ শক্তিশালী, তবে রণকৌশলবিদরা সতর্ক করছেন যে, ইরানে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান চালানো পেন্টাগনের জন্য অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। টাইমস অব ইসরায়েলের এক বিশেষ বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার অঙ্গীকার করলেও, এই লক্ষ্য অর্জনে সামরিক পথ বেছে নিলে যুক্তরাষ্ট্রকে বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আফগানিস্তান বা ইরাক যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বড় ধরনের কোনো স্থল অভিযান বা 'বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড' পাঠানোর ঝুঁকি নেবে না। ফলে যুদ্ধ হলে তা মূলত আকাশপথ এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। যদিও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense) বর্তমানে কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তবে তেহরান রাশিয়ার কাছ থেকে ‘ভেরবা’ (Verba) এর মতো আধুনিক পোর্টেবল সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম সংগ্রহ করে নিজেদের শক্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড' এবং 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন' মোতায়েন করেছে। কিন্তু ইরানের হাতে থাকা অত্যাধুনিক ড্রোন, সুইসাইড বোট এবং চীনের তৈরি সিএম-৩০২ (CM-302) সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। কোনোভাবে যদি একটি মার্কিন রণতরী ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটে, তবে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ট্রাম্প প্রশাসন চরম চাপের মুখে পড়বে। আরেকটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ হলো উন্নত মারণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ। ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে মার্কিন বাহিনীর অস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুরু হলে পেন্টাগনের মজুদে টান পড়তে পারে, যা ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—এই যুদ্ধের শেষ কোথায়? বিশ্লেষক থমাস উইথিংটন বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন আসলে কী চায় তা এখনও স্পষ্ট নয়। লক্ষ্য কি ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন, নাকি কেবল তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা?" লক্ষ্যমাত্রা স্পষ্ট না থাকলে আকাশপথে চালানো এই অভিযান শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনাম বা আফগানিস্তানের মতো দীর্ঘমেয়াদি চোরাবালিতে রূপ নিতে পারে। সব মিলিয়ে, রণক্ষেত্রে ইরানকে পরাস্ত করার ক্ষমতা থাকলেও, রাজনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে এই জয় ছিনিয়ে আনা ওয়াশিংটনের জন্য হবে এক অগ্নিপরীক্ষা।
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবার সরাসরি যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে এখন পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চলছে। শুক্রবার কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় আফগান ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, শুক্রবার ভোরে ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করে আফগান বাহিনী। এর কয়েক ঘণ্টা পর পাকিস্তান পাল্টা হামলা চালায়। পাকিস্তান বিমানবাহিনী কাবুলে বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় ভারী কামান ও গোলাবর্ষণ শুরু করে। পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ৩১৪ জন আহত হয়েছে। এছাড়া তালেবানের ৭৪টি চৌকি ধ্বংস ও ১৮টি দখল করার কথা জানানো হয়েছে। অপরদিকে, আফগান হামলায় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ, সোয়াবি ও নওশেরা শহরে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, তবে এতে কোনো প্রাণহানির খবর নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানের অন্তত ২৭ জন আহত হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। পেশোয়ার থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, লান্ডি কোতাল সীমান্ত অঞ্চলে এখনো গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সামরিক উত্তেজনা কমাতে দ্রুত রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ভারতের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের বিমান হামলার নিন্দা জানিয়ে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি এটিকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়াল করার প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল বলেন, আফগান জনগণের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষোভ নেই, তবে তালেবানদের কর্মকাণ্ডই দেশটিকে এই সংঘাতে জড়িয়েছে। তিনি সীমান্তের উভয় পাশে নিরীহ মানুষের কথা বিবেচনা করে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানান। বর্তমানে ডুরান্ড লাইন ও কাবুলসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা
২০২৫ সাল বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এক বছরে রেকর্ড ১২৯ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারিয়েছেন। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই মোট মৃত্যুর দুই-তৃতীয়াংশের জন্যই সরাসরি দায়ী ইসরায়েল। সাংবাদিক সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন 'কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস' (সিপিজে) এর সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু ও ইসরায়েলের দায় সিপিজে-এর তথ্যমতে, ১৯৯২ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর থেকে গত বছরটি ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর নিহত ১২৯ জনের মধ্যে ৮৬ জনই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এটি বিশ্বজুড়ে মোট নিহতের প্রায় ৬৭ শতাংশ। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ইসরায়েলকে এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হত্যার জন্য দায়ী করা হলো। টার্গেট কিলিং এবং ড্রোন হামলা সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, ৪৭ জন সাংবাদিককে সুপরিকল্পিতভাবে বা ‘টার্গেট কিলিং’ এর মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮১ শতাংশ ঘটনার সাথে ইসরায়েল জড়িত। এছাড়া সাংবাদিক হত্যায় ড্রোনের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৩৯ জন সাংবাদিক ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৮টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। অঞ্চলভেদে পরিসংখ্যান নিহত সাংবাদিকদের সিংহভাগই ফিলিস্তিনি, যারা গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এছাড়া ইয়েমেনের একটি হুতি মিডিয়া সেন্টারে ইসরায়েলি হামলায় ৩১ জন গণমাধ্যমকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনাটিকে সিপিজে তাদের রেকর্ডে সাংবাদিকের ওপর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইসরায়েল ছাড়াও সুদান (৯ জন), মেক্সিকো (৬ জন), রাশিয়া (৪ জন) এবং ফিলিপাইনে (৩ জন) সাংবাদিক নিহতের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশেও একজন সাংবাদিক অপরাধচক্রের হাতে নিহত হওয়ার বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সিপিজে-এর প্রধান নির্বাহী জোডি গিন্সবার্গ এক বিবৃতিতে বলেন, “এমন এক সময়ে সাংবাদিকদের রেকর্ড সংখ্যায় হত্যা করা হচ্ছে যখন তথ্যের অবাধ প্রবাহ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ আসলে সব ধরণের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণের পূর্বাভাস। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি।” ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু সাংবাদিক নয়, তাদের পরিবারকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত সাংবাদিকদের প্রায় ৭০০ জন নিকটাত্মীয় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলের অবস্থান বরাবরের মতো ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না। অনেক ক্ষেত্রে নিহত সাংবাদিকদের সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ততার দাবি করা হলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব দাবিকে ‘ভিত্তিহীন অপপ্রচার’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।