আন্তর্জাতিক

‘নিজেদের সরকার দখলে নিন’, ইরানিদের প্রতি বার্তা ট্রাম্পের

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি এক নজিরবিহীন ও চূড়ান্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি এক ভিডিও বিবৃতিতে তিনি ইরানিদের বর্তমান পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে দেশটির ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা উৎখাত করে নিজেদের শাসনভার নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

 

ট্রাম্পের এই বার্তার মূল পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

 

ক্ষমতা দখলের সুযোগ: ট্রাম্প বলেন, “যখন আমরা কাজ শেষ করব, আপনারা আপনাদের সরকার দখলে নিন। বহু প্রজন্মের মধ্যে সম্ভবত এটাই আপনাদের জন্য সেরা এবং একমাত্র সুযোগ।”

 

নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আলটিমেটাম: ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, অস্ত্র না ছাড়লে তাদের “নিশ্চিত মৃত্যু” অনিবার্য। তবে যারা অস্ত্র সমর্পণ করবে, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে।

 

সহায়তার প্রতিশ্রুতি: গত জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনার পর ট্রাম্প ইরানকে কঠোর ব্যবস্থার হুমকি দিয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, “সহায়তা পথে রয়েছে।”

 

দৃষ্টি এখন পরমাণু কর্মসূচিতে: সাম্প্রতিক সহিংসতা বন্ধের আশ্বাস পাওয়ার পর ট্রাম্প এখন ইরানের বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচির দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছেন, যা দীর্ঘকাল ধরে পশ্চিমা বিশ্বের উদ্বেগের কারণ।

 

ইরানের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং ট্রাম্পের এই সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত।
উপসাগর জুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের দামামা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।   প্রতিবেদনে জানানো হয়, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। এমনকি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরও এই হামলার নিশানা হয়েছে বলে জানা গেছে।   এদিকে কাতারের রাজধানী দোহায় বিশাল বিস্ফোরণের শব্দে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি আরবি সার্ভিসের তথ্যমতে, ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশপথে প্রতিহত করার সময় এই বিকট শব্দের সৃষ্টি হয়। যদিও এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আবু জোবায়ের ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত।

ইরানের বিধ্বংসী পাল্টা হামলা: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত।

বাহরাইনের মার্কিন নৌঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ছবি: সংগৃহীত।

‘নিজেদের সরকার দখলে নিন’, ইরানিদের প্রতি বার্তা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের কয়েকটি শহরে হামলা, 'বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান' শুরুর ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে "বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান" চালিয়েছে। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভিডিও বার্তায় তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন। “আমরা বারবার একটি চুক্তি চেয়েছি। আমরা চেষ্টা করেছি,” বলেছেন তিনি, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা জ্বালিয়ে দিতে যাচ্ছি। এটা পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে”। এদিকে, ইরানের একাধিক শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। তেহরান ছাড়াও কেরমানশাহ, কওম, লোরেস্তান, কারাজ এবং তাবরিজ শহরে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে তারা।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল ইরান

ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল ইরান

জরুরি প্রস্তুতিতে আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে যাচ্ছে ইসরাইলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা

জরুরি প্রস্তুতিতে আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে যাচ্ছে ইসরাইলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: ১৫টিরও বেশি দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ!

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!

শনিবার ভোরের আলো ফোটার আগেই কেঁপে উঠল ইরান! ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রমতে, তেহরানসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পারমাণবিক স্থাপনা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার মূল পয়েন্টগুলো একনজরে: টার্গেট ও এলাকা: রাজধানী তেহরান ছাড়াও ইসফাহান, কুম, করাজ এবং কেরমানশাহর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: ২০২৫ সালের জুনের পর এটিই ইরানের মাটিতে ট্রাম্প প্রশাসনের বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ। মার্কিন নৌবহর এখন ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসরমান। ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা: ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ভয়ে ইসরায়েলজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ এবং জনসমাবেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ। হামলার নেপথ্যে: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরানি সরকারের দমন-পীড়নে নিহত হাজারো প্রতিবাদীর বিচার এবং পারমাণবিক হুমকি রুখতেই এই অভিযান। পরিস্থিতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান কি পাল্টা আঘাত করবে, নাকি আলোচনার টেবিলে ফিরবে?

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশপথে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসরায়েলের

জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশপথে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

পাক-আফগান যুদ্ধ নিয়ে কৌশলগত অবস্থানে বাংলাদেশ

0 Comments