আন্তর্জাতিক

জর্ডানে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত মাত্র এক সপ্তাহে জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরান মোট ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান সশস্ত্র বাহিনী। 


জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সামরিক কর্মকর্তারা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।


জর্ডান সেনাবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরান এই হামলায় ৬০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৯টি কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করেছে। তবে জর্ডানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হামলা মোকাবিলায় বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে। জর্ডান বিমান বাহিনী আকাশপথেই ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া বাকি ১১টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।


এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ জন জর্ডানীয় আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আহতদের আঘাতের প্রকৃতি মূলত সামান্য, তবে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতি থাকায় ইরান এই অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গত রাতভর মেহরাবাদ বিমানবন্দরসহ রাজধানীজুড়ে বড় আকারে হামলা চালানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েল ধ্বংস করেছে ইরানের ১৬ বিমান

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা গত রাতভর তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেহরাবাদ বিমানবন্দর সহ রাজধানীজুড়ে বড় আকারে হামলা চালানো হয়েছে।   ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, কুদস ফোর্স বিমানবন্দরটি লেবাননের হিজবুল্লাহসহ মধ্যপ্রাচ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করত। তবে এই দাবিগুলো এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইরানি কর্তৃপক্ষও এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।   ইরান ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইসরাইলের ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে এবং প্রতিহত করার জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।   এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আরও কঠোর আঘাত হানার হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের খারাপ আচরণের কারণে কিছু এলাকা ও গোষ্ঠী এখন সম্পূর্ণ ধ্বংস ও নিশ্চিত মৃত্যুর লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আগ্রাসনের মুখে তারা কখনও আত্মসমর্পণ করবেন না।   সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার বিস্তারও আশঙ্কার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সৌদি আরবের রিয়াদে, ৫ মার্চ, ২০২৬, ইরানের সাথে মার্কিন-ইসরাইলি সংঘর্ষের মধ্যে, শহরের উপরে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি, কাতার ও আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত

জনপ্রিয় ইরানি অভিনেত্রী এলনাজ নরোজি।

ইরানি পুলিশের নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন বিখ্যাত অভিনেত্রী

দক্ষিণের কোচি শহরে আইআরআইএস লাভান নোঙর করে আছে।

ইরানি নৌযানকে আশ্রয় দিল ভারত

ছবি: সংগৃহীত।
জর্ডানে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত মাত্র এক সপ্তাহে জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরান মোট ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান সশস্ত্র বাহিনী।  জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সামরিক কর্মকর্তারা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। জর্ডান সেনাবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরান এই হামলায় ৬০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৯টি কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করেছে। তবে জর্ডানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হামলা মোকাবিলায় বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে। জর্ডান বিমান বাহিনী আকাশপথেই ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া বাকি ১১টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ জন জর্ডানীয় আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আহতদের আঘাতের প্রকৃতি মূলত সামান্য, তবে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতি থাকায় ইরান এই অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে হামলার বিরুদ্ধে ইউরোপের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক

ছবি: সংগৃহীত

তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি হামলা

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে ঝুঁকি, কুয়েত কমালো তেল উৎপাদন

মধ্যপ্রাচ্যে ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে, যদিও কিছু ফ্লাইট সচল ছিল।   ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটগুলোর হিসাবে দেখা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানের উদ্দেশে ১টি এবং সৌদি আরবের উদ্দেশে ৫টি বিমান ঢাকা ছেড়ে যায়। ১ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৪টি এবং সৌদির উদ্দেশে ১৬টি, ২ মার্চ ওমানে ৫টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৩টি বিমান উড্ডয়ন করে।   ৩ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৭টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৫টি বিমান ঢাকা ছাড়ে। ৪ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৮টি, সৌদির উদ্দেশে ২১টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে ৬টি বিমান পরিচালিত হয়। ৫ মার্চ ওমানগামী ১০টি, সৌদি আরবের উদ্দেশে ২২টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ২টি বিমান উড্ডয়ন করে।   ৬ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৫টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৩টি বিমান ঢাকা ছাড়ে। সবশেষ শনিবার (৭ মার্চ) ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৮টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৭টি বিমান ঢাকা ছেড়েছে বা ছাড়ার কথা রয়েছে।   যুদ্ধ শুরুর পর অনেক ফ্লাইট বাতিল হলেও এই সময়ের মধ্যে ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ২১৪টি ফ্লাইট ঢাকা থেকে পরিচালিত হয়েছে। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী খলাফ আহমদ আল হাবতুর। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে তোপ আমিরাতের ধনকুবের

জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেইল।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ যুদ্ধে যোগ দেবে না জার্মানি: ভাইস চ্যান্সেলর

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানকে আন্তর্জাতিক আদালতের সামনে দাঁড়ানোর আহ্বান, যুদ্ধাপরাধ তদন্তে নতুন মোড়

0 Comments