বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ছিল চোখে। কিন্তু চোটের কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি ব্রাজিলের ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড এস্তেভাও উইলিয়ানের। সুযোগ না পেয়ে মা–বাবার বুকে মাথা রেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি—সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই তরুণ ফুটবলার।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখন যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দলের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এস্তেভাও। কিন্তু মাংসপেশির গুরুতর চোট তাকে ছিটকে দিয়েছে আসর থেকে। গত ১৮ মে বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। নেইমারের নাম ঘোষণাকে ঘিরে যেমন আলোচনার সৃষ্টি হয়, তেমনি এস্তেভাওয়ের দলে না থাকাটাও অনেকের নজর এড়ায়নি।
চোটের কারণে দলে জায়গা না পাওয়ার সেই মুহূর্তের অনুভূতি সম্পর্কে ইএসপিএনকে এস্তেভাও বলেন, বিশ্বকাপে খেলা তার জন্য স্বপ্নের মতো ছিল। সুযোগ হারানোকে তিনি জীবনের সবচেয়ে কষ্টের মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেন। তার ভাষায়, সেই সময় তিনি মা–বাবার কোলে মাথা রেখে অনেকক্ষণ কেঁদেছিলেন।
তিনি আরও জানান, চোটের খবর জানার দিনটি ছিল মানসিকভাবে সবচেয়ে কঠিন। চিকিৎসকের কাছ থেকে ধাপে ধাপে পাওয়া ইঙ্গিত থেকেই তিনি বুঝে গিয়েছিলেন বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। পরে পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হয় যে তার চতুর্থ ডিগ্রির মাংসপেশির চোট হয়েছে।
চলতি মৌসুমে ক্লাব পর্যায়ে চেলসির হয়ে ৩৬ ম্যাচে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন এস্তেভাও। তবে পুরো মৌসুমটি তার জন্য খুব একটা সফল ছিল না। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট তাকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে রাখে এবং বিশ্বকাপের স্বপ্নও শেষ করে দেয়।
এদিকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে থাকা ব্রাজিল জাতীয় দল সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিরতিতে ভালো ফল করেছে। পানামাকে ৬–২ ব্যবধানে হারানোর পর তারা মিসরকেও ২–১ গোলে পরাজিত করেছে।
আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করবে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলের ভিনিসিউস জুনিয়রকে চেনা দায় হয়ে পড়েছে। চিবুক সুন্দর করার অস্ত্রোপচারের (চিন হারমোনাইজেশন সার্জারি) পর তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন মানুষের মতো দেখাচ্ছে, যিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিলের হয়ে মাঠে দৌড়েছিলেন। ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যম টিএমসি সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাজিলের গোইয়ানিয়ার একটি ক্লিনিকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. আলেসান্দ্রো আলারকাওর অধীনে চিবুকের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। এই অস্ত্রোপচারে ফিলারের সাহায্যে মুখের সীমানা বা ফেসিয়াল কনট্যুর তৈরি করা হয়। ভিনিসিউস তার চিবুককে আরও স্পষ্ট করতে চেয়েছিলেন, যা বিশ্বকাপের সময় পর্যালোচনার বিষয় ছিল। 🚨 Vini Jr at the clinic after his chin harmonization surgery. pic.twitter.com/WOq8OC0fgs — Madrid Zone (@theMadridZone) July 20, 2026 অস্ত্রোপচারের পর ভিনিসিউসের বেশ কয়েকটি ছবি সামনে এসেছে এবং সেখানে তার পরিবর্তন চমকে দেওয়ার মতো। সোমবার ভিনিসিউসের সাবেক প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকা তাদের একসঙ্গে তোলা একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন, যেখানে তারা নতুন জিমনেসিয়ামে একসঙ্গে পোজ দিয়েছেন। এছাড়া ড্যানিলো সানফোনেইরো অফিসিয়াল নামের এক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ভিনিসিউস যখন স্বাক্ষর করছিলেন, তখনকার একটি পার্শ্ব-প্রোফাইলের ছবি প্রকাশ করেন। যাদের ভিনিসিউসের ক্যারিয়ার সম্পর্কে ধারণা আছে, তারা চিবুকের এই প্রক্রিয়ার পর তার চেহারার পার্থক্য বুঝতে পারবেন। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর তিনি এই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নাকি এটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা ছিল তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রকাশিত ছবিতে তাকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে এবং নতুন চিবুক নিয়ে তিনি বেশ হাসিখুশি আছেন।
প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তাল ঢেউ, প্রতিকূল আবহাওয়া আর টানা কয়েক সপ্তাহের একাকী সংগ্রাম সব বাধা অতিক্রম করে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই পর্যন্ত একাই নৌকা বেয়ে পৌঁছে ইতিহাস গড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেলসি ফেন্ডলার। এই যাত্রার মধ্য দিয়ে তিনি শুধু একটি রেকর্ডই গড়েননি, বরং সমুদ্রযাত্রার ইতিহাসে নিজের নামও স্থায়ীভাবে লিখে রেখেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও ওশান রোয়িং সোসাইটি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ৩২ বছর বয়সী কেলসি ফেন্ডলার গত ২১ মে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরে থেকে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় ২ হাজার ৪০০ মাইল দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তিনি ৩ জুলাই হাওয়াইয়ের হনুলুলুতে পৌঁছান। পুরো যাত্রা শেষ করতে তার সময় লাগে ৪৩ দিন ১৭ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। এই সময়টি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই পর্যন্ত একক নৌযাত্রায় আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ওশান রোয়িং সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, এটি এই রুটে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুত একক নৌযাত্রা। একই সঙ্গে ফেন্ডলার প্রথম মার্কিন নারী হিসেবে একা বৈঠা চালিয়ে এই পথ সফলভাবে অতিক্রম করলেন। পেশায় গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের একজন নদী-গাইড কেলসি। তার ব্যবহৃত নৌকাটির দৈর্ঘ্য ছিল ২১ ফুট। দীর্ঘ এই অভিযানে তাকে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠা চালাতে হয়েছে। মাঝসমুদ্রে কখনও উত্তাল ঢেউ, কখনও প্রবল বাতাস, আবার কখনও সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। ঘুম, খাবার ও বিশ্রাম—সবকিছুই সীমিত পরিসরে নৌকার মধ্যেই সামলাতে হয়েছে। সমুদ্রে থাকার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তুলে ধরতেন কেলসি। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন হাতে ফোসকা পড়া, শারীরিক ক্লান্তি, ঝড়ের সঙ্গে লড়াই এবং দীর্ঘ একাকিত্বের বাস্তব চিত্র। সেই সঙ্গে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ও নিজের মানসিক দৃঢ়তার কথাও তুলে ধরেন। হনুলুলুতে পৌঁছানোর পর শত শত মানুষ তাকে স্বাগত জানায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, গন্তব্যে পৌঁছানোর মুহূর্তটি ছিল অবিশ্বাস্য। এত মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। কেলসি জানান, তার এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল শুধু একটি রেকর্ড গড়া নয়; বরং মানুষকে, বিশেষ করে নারীদের, বড় স্বপ্ন দেখতে এবং কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করা। তার বিশ্বাস, সাহস নিয়ে প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারলেই অসম্ভব মনে হওয়া অনেক লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব। বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একক সমুদ্রযাত্রার প্রতি আগ্রহ বাড়লেও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াইয়ের এই রুটকে এখনো বিশ্বের অন্যতম কঠিন সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দীর্ঘ দূরত্ব, অনিশ্চিত আবহাওয়া ও বিশাল প্রশান্ত মহাসাগরের প্রতিকূল পরিবেশের কারণে এই পথ পাড়ি দেওয়া অভিজ্ঞ নাবিকদের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেই নতুন ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন কেলসি ফেন্ডলার।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইনালের আগে তিনি পুরো টুর্নামেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই আসরের মাধ্যমে বিশ্ব দেখেছে যে যুক্তরাষ্ট্রও এখন একটি ফুটবলপ্রেমী দেশ। নিউইয়র্কে ফিফার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, বিশ্বকাপ প্রমাণ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে এবং এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তাঁর ভাষায়, এই টুর্নামেন্ট বিশ্বের মানুষকে একত্রিত করেছে। রোববার অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হবে। আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়কের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেবেন। এবারের বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করেছে। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ, যেখানে ৪৮টি দল অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালে নিরাপত্তা, ভিসা ব্যবস্থা এবং আয়োজনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত সফলভাবে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে আসরটি। ফাইনাল উপলক্ষে নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ট্রাম্পসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ম্যাচটিকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রকাশ্যে কোনো দলের প্রতি সমর্থন জানাননি। ফলে আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, কার হাতে তিনি বিশ্বকাপের ট্রফি তুলে দেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নির্ধারণ হবে শুধুই মাঠের লড়াইয়ের ফলাফলে।