ফেনী

ফেনীতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
দাঁড়িপাল্লা সমর্থকদের ওপর হামলা ও দোকান ভাঙচুর, কৃষক দল নেতাকে অব্যাহতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলার ফুলগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলায় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা, দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে ‘ধানের শীষ’ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং এক হৃদয়বিদারক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুলগাজীর মুন্সিরহাট বাজারে জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীদের অন্তত পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মুন্সিরহাট ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. সুমনকে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফুলগাজী উপজেলা বিএনপি জানিয়েছে, দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ১০-১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।   এদিকে, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নে জয়নাল আবেদীন দুলাল নামের এক জামায়াত কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনার সবচেয়ে করুণ অধ্যায়টি ঘটে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে; হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিজের সন্তানের ওপর এমন নৃশংস হামলার খবর সইতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা যান দুলালের মা রৌশন আরা বেগম। এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   সহিংসতার ছায়া পড়েছে ছাগলনাইয়াতেও। সেখানে এক জামায়াত নেতার তিনটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জামায়াত নেতারা অবিলম্বে এসকল হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।   ফেনীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানিয়েছেন, প্রাপ্ত প্রতিটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ফেনীতে বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ফেসবুক
ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে ফেনীতে বাঁধ নির্মাণ করা হবে: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন, ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দুঃখ হিসেবে পরিচিত বাঁধটির সংকট নিরসনে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা হবে।    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে ১১ দলীয় জোটের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।    তিনি বলেন, সীমান্তে ওপার থেকে ধেয়ে আসা পানির তোড়ে ফেনী যখন সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল, তখন তিনি নিজে কোমর পানি ভেঙে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি এখন বাংলাদেশের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং জামায়াত ক্ষমতায় গেলে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করা হবে।   জনসভায় বক্তব্য প্রদানকালে ডা. শফিকুর রহমান ফেনী নদীর ন্যায্য হিস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন যে, বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ দেশের পানির অধিকার নিয়ে কথা বলায় তাকে জীবন দিতে হয়েছে এবং আবরার ফাহাদকে ফেনীবাসীর কলিজায় জায়গা দেওয়ার আহ্বান জানান।     জামায়াত আমির আরও বলেন, আধিপত্যবাদের দোসররা আবরারের সত্য কথা সহ্য করতে না পেরে তাকে হত্যা করেছে। এই সময় তিনি ফেনীর উন্নয়নের একগুচ্ছ অঙ্গীকার করেন, যার মধ্যে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন এবং ফেনীর স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি অন্যতম।   নির্বাচন ও গণতন্ত্রের রূপরেখা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন যে, আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের প্রথম ভোট হবে স্বাধীনতার পক্ষে এবং দ্বিতীয় ভোট হবে সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষে। তিনি এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান যেখানে বংশপরম্পরায় শাসন ব্যবস্থার সংস্কৃতি ভেঙে একজন রিকশাচালকের সন্তানও নিজের মেধা দিয়ে একদিন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে।    সমাবেশে তিনি ফেনী-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিনের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ এবং ফেনী-২ আসনে জোট প্রার্থী জহিরুল ইসলামের হাতে ‘ঈগল’ প্রতীক তুলে দিয়ে ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ১১টি দল এখন একাকার হয়ে কাজ করছে এবং এই জোটের বিজয় নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।   সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নারী অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির স্পষ্ট করেন যে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরের বাইরে বের হতে দেবে না বলে যে অপপ্রচার চালানো হয় তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, তার দল মায়েদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা—দুটিই নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং কওমি মাদ্রাসার ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখা হবে।    নির্বাচনী উত্তেজনার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি নেতাকর্মীদের মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দেন এবং জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ফলাফল নিশ্চিত করে ঘরে ফেরার কড়া নির্দেশ প্রদান করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0