জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে কিশা ল্যান্স বটমসের পাশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক স্টেট সিনেটর নাবিলা পার্কস
জর্জিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ ও সাবেক স্টেট সিনেটর নাবিলা পার্কস ডেমোক্রেটিক গভর্নর প্রার্থী কিশা ল্যান্স বটমসের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
বুধবার লরেন্সভিলের বাংলাদেশি মালিকানাধীন হালাল গ্রোসারি স্টোর আল হুদা গ্রোসারিতে বটমসের প্রচারণামূলক কর্মসূচিতে ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন নাবিলা। বিষয়টি তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টেও তুলে ধরেছেন।
আল হুদা গ্রোসারিতে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে বটমস জর্জিয়ার পরিবারগুলোর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ কমানোর লক্ষ্যে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে গ্রোসারি পণ্যের ওপর স্থানীয় পর্যায়ের সেলস ট্যাক্স কমানো বা বাতিলের উদ্যোগ। পাশাপাশি ডায়াপার ও মাসিক স্বাস্থ্যসামগ্রীর ওপর জর্জিয়ার ৪ শতাংশ স্টেট সেলস ট্যাক্স বাতিলের প্রস্তাবও তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে।
বটমসের প্রচারণায় দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। কর্মজীবী পরিবারগুলোর ওপর ব্যয়ের চাপ কমাতে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর করের বোঝা কমানোর কথা বলছেন তিনি। তাঁর প্রচারণায় সাশ্রয়ী মূল্যের খাবারের উদাহরণ হিসেবে ৫ ডলারের রোটিসেরি চিকেনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
নাবিলা পার্কস তাঁর পোস্টে বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী হওয়া উচিত, কর্মজীবী পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরির কারণ হওয়া উচিত নয়। বটমসের পরিকল্পনায় তিনি তাঁর পরিবারের সমর্থনের কথাও জানান।
বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে নাবিলা পার্কসের সম্পৃক্ততা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ২০২২ সালের নির্বাচনে নাবিলা পার্কস জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৭ নম্বর ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত হন।
তিনি জর্জিয়া স্টেট সিনেটে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তাঁর সিনেট মেয়াদ ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ছিল। চলতি বছর তিনি লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন, তবে সেই নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি।
নাবিলার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কর্মজীবী পরিবার, হেলথ কেয়ার, নারীদের স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর মতো বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে বটমসের সাশ্রয়ী জীবনযাত্রা সংক্রান্ত পরিকল্পনার অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি জর্জিয়ার বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির দৃষ্টিতেও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনকে সামনে রেখে বটমস ও রিপাবলিকান প্রার্থী রিক জ্যাকসন দুজনই মেট্রো আটলান্টায় নিজেদের নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরছেন। বুধবার একই দিনে দুই প্রার্থীর কর্মসূচিকে ঘিরে জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনের প্রচারণা আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
নাবিলা পার্কসের আল হুদা গ্রোসারিতে উপস্থিতি এবং বটমসের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য সমর্থনের বিষয়টি জর্জিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার আরেকটি দৃশ্যমান উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreনতুন স্কুল বছরকে সামনে রেখে নিউইয়র্ক সিটির স্কুল বাসে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য চালু হয়েছে নতুন সুবিধা। এখন থেকে নতুন অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই সন্তানের স্কুল বাসের অবস্থান সরাসরি দেখা যাবে। একই সঙ্গে বাস কখন পৌঁছাতে পারে, দেরি হলে তার নোটিফিকেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পাওয়া যাবে। নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপটির মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা সন্তানের স্কুল বাসের বর্তমান অবস্থান দেখতে পারবেন। বাসের সম্ভাব্য আসার সময় সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যাবে। কোনো কারণে বাস দেরি হলে অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। এই সুবিধা শুধু পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়। নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের মাধ্যমে যারা স্কুল বাস সুবিধা পায়, তাদের মধ্যে পাবলিক, নন-পাবলিক এবং চার্টার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবারও অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে। অ্যাপটি ব্যবহার করতে অভিভাবকদের প্রথমে নিউইয়র্ক স্কুলস অ্যাকাউন্টে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর সন্তানের স্কুল থেকে শিক্ষার্থীর পরিচয় নম্বর সংগ্রহ করে অ্যাপে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ব্যবহার শুরু করা যাবে। একই অ্যাকাউন্ট থেকে পরিবারের একাধিক সন্তানের স্কুল বাসসংক্রান্ত তথ্য দেখার সুবিধাও রয়েছে। ফলে প্রতিদিন সন্তানের বাস কখন আসবে বা বাস দেরি করছে কি না, তা জানতে অভিভাবকদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে না। স্কুল বাসের অবস্থান জানার পাশাপাশি শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং বাসে যাতায়াতের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত তথ্যও অ্যাপের মাধ্যমে শেয়ার করা যাবে। এতে স্কুল ও পরিবারের মধ্যে পরিবহনসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান আরও সহজ হবে। বাংলাভাষী পরিবারগুলোর জন্যও রয়েছে সুবিধা। অ্যাপটি ১০টি ভাষায় ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। স্মার্টফোন না থাকলেও কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মাধ্যমে এর ওয়েব সংস্করণ ব্যবহার করা যাবে। নিউইয়র্ক সিটির মতো ব্যস্ত শহরে স্কুল বাসের জন্য দীর্ঘ সময় রাস্তায় অপেক্ষা করা অনেক পরিবারের দৈনন্দিন ভোগান্তির অংশ। নতুন এই অ্যাপের ফলে বাসের অবস্থান ও সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় আগেই জানা যাবে। ফলে সন্তানকে স্কুল বাসে তুলে দেওয়া বা বাস থেকে ফেরার সময় তাকে গ্রহণ করার পরিকল্পনাও অভিভাবকদের জন্য সহজ হবে।
ফ্লোরিডায় কুমির এড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু, কয়েক ঘণ্টা পরই শেরিফ অফিসে শপথ নেওয়ার কথা ছিল
মিনেসোটায় দুই ছেলেসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার, বড় ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা ও আত্মহত্যার সন্দেহ
জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে কিশা ল্যান্স বটমসের পাশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক স্টেট সিনেটর নাবিলা পার্কস
আমেরিকার ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল পেরিয়ে শিকড়ের টানে একত্রিত হতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ফেনী জেলার প্রবাসীরা। প্রবাসে ফেনীবাসীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘আমরা ফেনীবাসী ইউএসএ’র প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ২০২৬। “একসাথে মিলি বন্ধন গড়ি, আমরা সবাই ফেনীবাসী”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক সংগঠন ‘আমরা ফেনীবাসী ইউএসএ’ আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত মনোরম ফোর্ট হান্ট পার্কে দিনব্যাপী এই মহা মিলনমেলার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুর ১২টায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবাসে ফেনীর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখা, শৈশব ও কৈশোরের বন্ধুদের সঙ্গে পুরোনো স্মৃতি ভাগ করে নেওয়া এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ফেনীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। দিনব্যাপী এই পুনর্মিলনীতে প্রবাসী ফেনীবাসীদের জন্য থাকছে নানা ধরনের আয়োজন। থাকবে স্মৃতিময় আড্ডা, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রতিভা বিকাশের সুযোগ এবং ছোট-বড় সবার জন্য আনন্দঘন পরিবেশ। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে থাকছে বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা। পাশাপাশি অতিথিদের জন্য থাকবে ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় খাবারের আয়োজন। পুনর্মিলনীর অন্যতম আকর্ষণ হবে জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে গান পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ড. সীমা খান ও জহির। ফেনীর মাটি ও মানুষের গানসহ ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত পরিবেশন করবেন কণ্ঠশিল্পী ইসরাত শর্মী। অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় সাজাবেন জনপ্রিয় সঞ্চালিকা রূপা। আয়োজকরা জানান, কর্মব্যস্ত প্রবাসজীবনের মাঝেও ফেনীর মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সম্পর্ক তৈরি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ‘আমরা ফেনীবাসী ইউএসএ’র পরিচালনা ও অ্যাডমিন প্যানেল পরিবারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল ফেনী প্রবাসী, তাঁদের স্বজন ও পরিবারবর্গকে সপরিবারে এই পুনর্মিলনীতে অংশ নেওয়ার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, মাটির টান ও নাড়ির বন্ধনে সাড়া দিয়ে বিপুলসংখ্যক ফেনীবাসী এই মিলনমেলায় অংশ নেবেন এবং দিনটি প্রবাসে ফেনীবাসীদের জন্য একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
সাউথ ক্যারোলাইনায় পানিতে ডুবে ৫ বছরের অটিস্টিক শিশুর মৃত্যু, গাফিলতির অভিযোগে গ্রেপ্তার বাবা-মা
ভার্জিনিয়ার এলিমেন্টারি স্কুলে গোলাগুলি, আহত ১; নিরাপদ শিক্ষার্থীরা, ঘটনাস্থলে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি
নিউইয়র্কে মামদানির ‘২০০ ইনফ্লুয়েন্সার বাহিনী’ নিয়ে বিতর্ক, ট্যাক্সপেয়ারদের অর্থে নিজস্ব প্রচারণার অভিযোগ
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রস্তাবের কথা জানান। পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ কারণে প্রণালিটির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখা উচিত কি না, তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, নাম পরিবর্তন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের মতোই এই প্রণালিও ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। পোস্টের শেষে বিষয়টি নিয়ে সবাইকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প’।
ফ্লোরিডায় দুর্ঘটনার মামলায় টাইগার উডসের লাইসেন্স ৫ বছর স্থগিত, জরিমানা ১ হাজার ডলার
নাসাউয়ের দুই ব্যাংকে ৬০ হাজার ডলারের বেশি জাল চেক জমা, অভিযুক্ত গ্রেফতার