সহিংসতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় বুধবার ভোররাতে নারীর দিকে তরুণের লাঠি হাতে তেড়ে যাওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
ঢাবিতে নারী হেনস্তার ঘটনায় চিহ্নিত ২ শিক্ষার্থী: তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি এলাকায় এক তরুণের লাঠি হাতে নারীর দিকে তেড়ে আসার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বুধবার ভোররাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।   ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি হাতে এক তরুণ একজন নারীর দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। ওই তরুণকে আহমেদ রাকিব বলে তাঁর সহপাঠীরা শনাক্ত করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ-এর ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।   ভিডিওতে আরও একজন ছাত্রকে দেখা গেছে বলে জানা গেছে। তাঁকে শাহরিয়ার তুষার বলে তাঁর পরিচিতজনেরা জানিয়েছেন। তবে এ দুই শিক্ষার্থীর কারও বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। বুধবার রাতে রাকিবকে ফোন করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তুষারের ফোনে কল করলে তিনি কেটে দেন।   ভিডিওতে দুইজন নারীকে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে একজনের দিকে লাঠি হাতে তেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই নারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বিচার দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, পুরান ঢাকায় সেহরি খেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা-এ এসেছিলেন এবং সেখানে তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে।   ভুক্তভোগী নারী ভিডিওতে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁদের ‘প্রস্টিটিউট’ বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমরা নিরাপদ না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরাই আমাদের মারে।   এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপন মিয়া জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন।   সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, আমরা ভিডিওটি দেখেছি। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ৩০ জেলায়: নিহত ৪, আহত তিন শতাধিক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-পরবর্তী দুই দিনে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।   গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার পর্যন্ত বাগেরহাট, মুন্সিগঞ্জ ও ময়মনসিংহসহ দেশের অন্তত ৩০টি জেলায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুসারীদের সংঘর্ষ দেখা গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে।   মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, সহিংসতার এই দুই দিনে অন্তত ৩৫০টি ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন; বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করছে বলে জানানো হয়েছে।   পটুয়াখালী, নড়াইল, নাটোর ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে। সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএনপি। চলমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু হেনা রাজ্জাকী
‘নির্বাচনের দিন চরম সহিংসতা হলে ক্ষমতা নিতে পারে সেনাবাহিনী’

নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি এবং দেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে এবার বড় ধরনের আশঙ্কার কথা শোনালেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু হেনা রাজ্জাকী।    তার মতে, ভোটের দিন যদি সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।   মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
বেলুচিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘাত:
বেলুচিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘাত, ২২ সেনাসহ নিহত ছাড়াল ২৫৫

পাকিস্তানে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সাক্ষী হলো বেলুচিস্তান প্রদেশ। টানা তিন দিনের রুদ্ধশ্বাস সামরিক অভিযান এবং বিএলএ (BLA) বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকলেও সাধারণ মানুষের রক্তে ভিজেছে রাজপথ।   কেন এই পরিস্থিতি? জানুন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:   ভয়াবহ প্রাণহানি: অভিযানে ১৯৭ জন সশস্ত্র সদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২২ জন পাকিস্তানি সেনাও প্রাণ হারিয়েছেন।   বেসামরিক মানুষের মৃত্যু: দুর্ভাগ্যবশত নারী ও শিশুসহ ৩৬ জন নিরীহ নাগরিক এই সংঘাতের বলি হয়েছেন।   সমন্বিত হামলা: গত ৩১ জানুয়ারি থেকে বেলুচিস্তানের কোয়েটা, গোয়াদর ও পাসনিসহ ১২টি শহরে একযোগে হামলা শুরু করে বিদ্রোহীরা।   আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু: সাধারণ শ্রমিক ও উন্নয়ন কাজে জড়িতদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।   বিদেশি মদদ: পাকিস্তান সরকারের দাবি, এই নাশকতার মূল পরিকল্পনা করা হয়েছে দেশটির সীমান্তের বাইরে থেকে।   বর্তমানে পুরো প্রদেশজুড়ে সেনাবাহিনী 'ক্লিয়ারেন্স অপারেশন' চালাচ্ছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বশক্তি নিয়োগ করলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বেলুচিস্তানের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0