সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ায় সর্বোচ্চ আয়ের পেশা চক্ষু চিকিৎসা, বছরে আয় সাড়ে তিন লাখ ডলার

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ২৫, ২০২৬ ২১:৩০
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া পেশা হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে চক্ষু চিকিৎসা। দেশটির শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের গড় বার্ষিক আয় প্রায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৬৯০ ডলার। যেখানে এই অঙ্গরাজ্যে সব পেশার সাধারণ চাকরিজীবীদের গড় বার্ষিক আয় মাত্র ৮০,৬৯০ ডলার।

 

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় চিকিৎসা খাতের আধিপত্যের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন এই চিত্র। শুধু ক্যালিফোর্নিয়াতেই নয়, দেশের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যেও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, সার্জন এবং রেডিওলজিস্টদের মতো চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ বেতন পান, যা কিছু ক্ষেত্রে বছরে ৬ লাখ ডলারও ছাড়িয়ে যায়। দীর্ঘ বছরের পড়াশোনা এবং কঠোর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের কারণেই চিকিৎসকদের আয় অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি হয়ে থাকে।

 

স্বাস্থ্য খাতের বাইরে সর্বোচ্চ আয়ের শীর্ষ পাঁচটি পেশার মধ্যে রয়েছে আর্থিক ব্যবস্থাপক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিমান চালক এবং খেলোয়াড়। তথ্য অনুযায়ী, বিমান চালকদের গড় বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৯ ডলার এবং প্রধান নির্বাহীরা পান ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩০ ডলার। এছাড়া আইনজীবীরা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫০ ডলার গড় আয় নিয়ে তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন। তবে এই হিসাবের মধ্যে ওভারটাইম বা বোনাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

 

অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি খাতের কিছু উচ্চপদেও বিপুল বেতনের তথ্য মিলেছে। যেমন, দেশের বৃহত্তম সরকারি পেনশন তহবিলের উপ-প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তার মূল বেতন মাসে প্রায় ৪৭,২০৮ ডলার, যা বিভিন্ন পারফরম্যান্স বোনাস মিলিয়ে বছরে কয়েক মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার কারাগার ব্যবস্থার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রধান মনোরোগ বিশেষজ্ঞদেরও প্রতি মাসে ৩৪ থেকে ৪২ হাজার ডলার পর্যন্ত উচ্চ বেতন দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ফ্লোরিডাকে পেছনে ফেলে অবসরপ্রাপ্তদের নতুন ঠিকানা ডেলাওয়্যার
ফ্লোরিডাকে পেছনে ফেলে অবসরপ্রাপ্তদের নতুন ঠিকানা ডেলাওয়্যার, কম কর আর সৈকতই মূল আকর্ষণ

অবসর কাটাতে উষ্ণ আবহাওয়া, তুলনামূলক কম খরচ ও শান্ত পরিবেশের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোরিডা ছিল বয়স্ক আমেরিকানদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। তবে এখন সেই প্রবণতায় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। অনেক বেবি বুমার ফ্লোরিডার বদলে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের ডেলাওয়্যারের সমুদ্রঘেঁষা এলাকাগুলোতে বসতি গড়ছেন।   ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের পর থেকে ডেলাওয়্যারের সাসেক্স কাউন্টিতে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে বসতি গড়েছেন। এতে কাউন্টিটির জনসংখ্যা প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে, যা একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের প্রায় পাঁচ গুণ।   বয়স্কদের আগমনেও ডেলাওয়্যার এগিয়ে আছে। ২০২০ সালের পর রাজ্যটিতে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেড়েছে, যা দেশের যেকোনো রাজ্যের তুলনায় সর্বোচ্চ। এর পেছনে সাসেক্স কাউন্টিতে বিপুলসংখ্যক বেবি বুমারের স্থানান্তর অন্যতম কারণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   অবসরপ্রাপ্তদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ কর ও জীবনযাত্রার খরচ। ডেলাওয়্যারে ইনকাম ট্যাক্স থাকলেও কোনো সেলস ট্যাক্স নেই। পাশাপাশি নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে প্রপার্টি ট্যাক্সও কম।   ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানার ব্র্যাড ট্রাভিস জুনিয়র ব্লুমবার্গকে বলেন, নিউ জার্সি থেকে ডেলাওয়্যারে যাওয়া কোনো কোনো বাড়ির মালিক বছরে প্রায় ১৮ হাজার ডলারের প্রপার্টি ট্যাক্সের পরিবর্তে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ডলারের কাছাকাছি দিতে পারেন।   ডেলাওয়্যারের লুইস ও রেহোবোথ বিচ এখন অবসরপ্রাপ্তদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। সমুদ্রসৈকত, তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ এবং বড় শহরের তুলনায় কম খরচ অনেককে আকৃষ্ট করছে।   নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী অ্যানেট বাবিচও তাদের একজন। অবসর কাটানোর জন্য অনলাইনে বিভিন্ন জায়গা খুঁজতে গিয়ে তিনি ডেলাওয়্যারের লুইসের সন্ধান পান। ২০১৮ সালে সেখানে গিয়ে এক রিয়েলটরের পরামর্শে তিনি সমুদ্র থেকে কিছুটা ভেতরের মিল্টন এলাকায় বাড়ি কেনেন।   বাবিচের ভাষায়, নিউইয়র্কের তুলনায় ডেলাওয়্যারে তার নতুন বাড়িটির দাম ছিল অবিশ্বাস্য রকম কম। পরে তিনি নিউইয়র্কের প্রায় এক ডজন বন্ধুকেও ডেলাওয়্যারে চলে আসতে উৎসাহিত করেছেন।   তবে বয়স্কদের এই ঢল ডেলাওয়্যারের জন্য নতুন কিছু সমস্যাও তৈরি করছে। সমুদ্রসৈকতের দিকে যাওয়ার সড়কগুলোতে যানজট বাড়ছে। চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে এবং বাড়তে থাকা আয় ও সম্পত্তির দাম স্থানীয় শিক্ষক ও হেলথ কেয়ার কর্মীদের জন্যও বসবাসের খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে।   সাসেক্স কাউন্টির গড় বয়সও দ্রুত বাড়ছে। গত বছর কাউন্টিটির মধ্যম বয়স দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ২ বছর, যা ২০১৫ সালের তুলনায় প্রায় পাঁচ বছর বেশি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গড়ের চেয়ে প্রায় ১৪ বছর বেশি।   সাসেক্সে বসবাসকারী ৭৯ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়্যার অধ্যাপক জো পিকা বলেন, এলাকায় মানুষের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে যানজট, দৈনন্দিন নানা ঝামেলা ও মানসিক চাপও বেড়েছে। তিনি জানান, কোলনোস্কপির জন্য তাকে নয় মাস এবং ডেন্টাল অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ১৮ মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। ত্বকের চিকিৎসকের কাছে যেতে তাকে প্রায় ৪০ মাইল দূরে যেতে হয়।   জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডেভেলপাররাও এখন উপকূলের বাইরে কৃষিজমি এলাকায় নতুন আবাসিক কমিউনিটি তৈরি করছেন। এর মধ্যে অনেকগুলো বিশেষভাবে ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের জন্য বাজারজাত করা হচ্ছে।   তবে স্থানীয়দের একটি অংশের আশঙ্কা, অতিরিক্ত উন্নয়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি ডেলাওয়্যারের ছোট শহরের স্বতন্ত্র পরিবেশ নষ্ট করে দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটির ধীরগতির জীবনযাত্রার কারণে যে ‘লোয়ার, স্লোয়ার ডেলাওয়্যার’ পরিচিতি তৈরি হয়েছে, সেটিও হুমকির মুখে পড়তে পারে।   ফলে অবসরপ্রাপ্তদের কাছে ডেলাওয়্যার যতই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে, নতুন বাসিন্দাদের এই ঢল রাজ্যটির জন্য একই সঙ্গে সুযোগ এবং নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ৪:৪৩
রাশিয়ায় সিআইএ প্রধানের গোপন সফর, ‘যুদ্ধ নিয়ে কিছু একটা হতে পারে’ বললেন ট্রাম্প

রাশিয়ায় সিআইএ প্রধানের গোপন সফর, ‘যুদ্ধ নিয়ে কিছু একটা হতে পারে’ বললেন ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জীবিত, তবে গুরুতর আহত

ট্রাম্পের দাবি - ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জীবিত, তবে গুরুতর আহত

ভেনেজুয়েলার নাগরিককে গুলির ঘটনায়  অভিযুক্ত আইসিই এজেন্ট মুক্তি পাচ্ছেন

ভেনেজুয়েলার নাগরিককে গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত আইসিই এজেন্ট মুক্তি পাচ্ছেন

বর্জ্য প্লাস্টিক ও উদ্ভিদবর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে ভ্যানিলা স্বাদের প্রোটিন বিস্কিট
বর্জ্য প্লাস্টিক ও উদ্ভিদবর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে ভ্যানিলা স্বাদের প্রোটিন বিস্কিট

ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক ও কৃষিজ বর্জ্যকে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারে রূপ দিতে সক্ষম বিশেষভাবে পরিবর্তিত ইস্ট বা খামির তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি কার্বনডেলের গবেষকেরা। ‘মাইক্রোবাইটস’ নামে পরিচিত এই খাবারকে থ্রিডি ফুড প্রিন্টারের মাধ্যমে কুকির আকার দেওয়া হচ্ছে। গবেষণাটি ভবিষ্যতে মহাকাশযাত্রা, দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ও খাদ্যসংকটে থাকা অঞ্চলে সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে খাবার তৈরির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।   আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির ২০২৬ সালের ফল সম্মেলনে ২৪ আগস্ট গবেষণাটির নতুন ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। গবেষক দলটি নাসার ‘ডিপ স্পেস ফুড চ্যালেঞ্জ’-এর আওতায় দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশনের জন্য টেকসই খাবার তৈরির এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।   গবেষকেরা পিইটি প্লাস্টিক, ফেলে দেওয়া ভুট্টার কাণ্ড ও পাতা এবং অন্যান্য উদ্ভিদবর্জ্য প্রথমে পানি, তাপ, চাপ ও অক্সিজেন ব্যবহার করে ভেঙে ছোট কার্বনসমৃদ্ধ অণুতে পরিণত করেন। এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় অক্সিডেটিভ হাইড্রোথার্মাল ডিসলিউশন। এরপর এসব উপাদান বিশেষভাবে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ইস্টকে খাওয়ানো হয়।   ইস্টগুলো ওই কার্বনসমৃদ্ধ উপাদানকে ব্যবহার করে প্রোটিন, চর্বি ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান তৈরি করে। পরে এসব উপাদানের সঙ্গে স্টার্চ, ফাইবার ও মিষ্টি উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হয় কুকির মিশ্রণ। থ্রিডি ফুড প্রিন্টারের মাধ্যমে মিশ্রণটি স্তর ধরে নির্দিষ্ট আকৃতিতে তৈরি করা হয় ‘মাইক্রোবাইটস’ কুকি।   গবেষণাটির নতুন দিক হলো কুকির স্বাদ ও পুষ্টিমান আরও উন্নত করতে ইস্টের মধ্যেই প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরির ব্যবস্থা করা। গবেষকেরা এমন ইস্ট তৈরি করেছেন, যা উদ্ভিদবর্জ্য থেকে ভ্যানিলার স্বাদ ও গন্ধের জন্য দায়ী ভ্যানিলিন তৈরি করতে পারে। আরেক ধরনের ইস্ট পিইটি প্লাস্টিক থেকে পাওয়া ইথিলিন গ্লাইকোল ব্যবহার করে বিটা-ক্যারোটিন তৈরি করতে পারে, যা শরীরে ভিটামিন এ তৈরিতে সহায়তা করে।   তবে এই কুকি এখনো সাধারণ বাজারের খাবার নয়। গবেষকেরা জানিয়েছেন, পরীক্ষায় কুকিগুলো খাওয়ার উপযোগী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেলেও আনুষ্ঠানিক স্বাদ পরীক্ষার জন্য এখনো প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে। এ পর্যন্ত করা গন্ধের মূল্যায়নে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারী সীমিত সম্পদের পরিস্থিতিতে এই খাবার খেতে আগ্রহী হওয়ার কথা জানিয়েছেন।   গবেষকদের লক্ষ্য শুধু প্লাস্টিক দূষণ কমানো নয়, একই সঙ্গে বর্জ্য থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান তৈরি করা। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশন, সাবমেরিন, দুর্যোগকবলিত এলাকা বা কৃষির সুযোগ সীমিত এমন অঞ্চলে খাদ্য ও পুষ্টির নতুন উৎস হিসেবে কাজে লাগতে পারে। তবে প্রযুক্তিটি সাধারণ মানুষের খাবার হিসেবে ব্যবহারের আগে নিরাপত্তা, উৎপাদন ব্যয়, পুষ্টিমান এবং ভোক্তাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ০:২৫
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রবার্ট কিয়োসাকি। দুজন মিলে দুটি বইও লিখেছেন। ছবি: সংগৃহীত

মানুষকে ধনী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া ‘রিচ ড্যাড, পুওর ড্যাড’ বইয়ের লেখক নিজেই ১২০ কোটি ডলার ঋণে

বড় শহরের পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি শহরও জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা কর্মস্থলের তালিকায়। ছবি: সংগৃহীত

কাজ ও ভালো বেতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ২৫ শহরের তালিকা প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের সরবরাহ সংকটের মধ্যে আমদানি বাড়িয়ে ভোক্তাদের জন্য দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম কমাতে ট্রাম্পের বড় উদ্যোগ, ৩ লাখ টন আমদানির অনুমোদন

ফ্লোরিডাকে পেছনে ফেলে অবসরজীবনের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে ডেলাওয়্যারের সমুদ্রতীরবর্তী শহরগুলো। ছবি: সংগৃহীত
ফ্লোরিডা নয়, কম কর আর সমুদ্রসৈকতের টানে ডেলাওয়্যারে ছুটছেন অবসরপ্রাপ্ত আমেরিকানরা

যুক্তরাষ্ট্রে অবসরজীবন কাটানোর জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লোরিডার নাম সবার আগে আসে। উষ্ণ আবহাওয়া, তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার খরচ ও সমুদ্রসৈকতের কারণে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল বহু বছর ধরে অবসরপ্রাপ্তদের আকর্ষণ করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই চিত্র কিছুটা বদলাচ্ছে। ফ্লোরিডার বাড়তি আবাসন ব্যয় ও জীবনযাত্রার খরচের কারণে অনেক বয়স্ক মার্কিন নাগরিক এখন নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ডেলাওয়্যারকে।   বিশেষ করে ডেলাওয়্যারের দক্ষিণাঞ্চলের সাসেক্স কাউন্টি অবসরপ্রাপ্তদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের পর থেকে সাসেক্স কাউন্টিতে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বসতি গড়েছেন। এতে কাউন্টিটির জনসংখ্যা প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে, যা একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের প্রায় পাঁচ গুণ।   এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে বয়স্ক বাসিন্দাদের সংখ্যা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেলাওয়্যারে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২৩ শতাংশ বেড়েছে, যা দেশটির অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধির হার। এর পেছনে সাসেক্স কাউন্টিতে অবসরপ্রাপ্তদের ব্যাপক আগমন অন্যতম কারণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   সাসেক্স কাউন্টির জনপ্রিয় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে লুইস ও রেহোবোথ বিচ। সমুদ্রের কাছাকাছি অবস্থান, ছোট শহরের পরিবেশ এবং তুলনামূলক কম করের কারণে এসব এলাকায় অবসরপ্রাপ্তদের আগ্রহ বাড়ছে। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী অ্যানেট বাবিচও তাদের একজন। বহু বছর নিউইয়র্কে থাকার পর অবসরজীবনের জন্য নতুন জায়গা খুঁজতে গিয়ে তিনি ডেলাওয়্যারের দিকে নজর দেন। ফ্লোরিডার গরম আবহাওয়া তার পছন্দ নয় বলেও তিনি জানিয়েছেন।   ব্লুমবার্গকে বাবিচ বলেন, গ্রীষ্মকালে ফ্লোরিডায় থাকার অভিজ্ঞতা তার কাছে খুব একটা স্বস্তিদায়ক মনে হয়নি। পরে অবসর কাটানোর জন্য ভালো জায়গা খুঁজতে গিয়ে তিনি ডেলাওয়্যারের উপকূলীয় শহর লুইসের সন্ধান পান। ২০১৮ সালে সেখানে গিয়ে বাড়ি খোঁজার সময় এক আবাসন এজেন্ট তাকে উপকূলের কাছের আরও সাশ্রয়ী এলাকা মিল্টনে নিয়ে যান। ঐতিহাসিক বাড়ি, সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি অবস্থান এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে জায়গাটি তার পছন্দ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত তিনি ও তার সঙ্গী সেখানে একটি বাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেন।   বাবিচের ভাষায়, নিউইয়র্কের তুলনায় ডেলাওয়্যারের বাড়িটির দাম ছিল অবিশ্বাস্যভাবে কম। ডেলাওয়্যারকে আকর্ষণীয় করে তুলছে করব্যবস্থাও। অঙ্গরাজ্যটিতে আয়কর রয়েছে, তবে রাজ্য বা স্থানীয় বিক্রয় কর নেই। ডেলাওয়্যার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক নিরাপত্তা ও রেলপথ অবসরভাতা থেকে পাওয়া আয় রাজ্য আয়করের আওতায় পড়ে না। ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য নির্দিষ্ট অবসরকালীন আয় থেকেও সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত ছাড়ের সুযোগ রয়েছে।   বিশেষ করে নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির মতো উচ্চ করের অঙ্গরাজ্য থেকে আসা বাড়ির মালিকদের কাছে সম্পত্তি করের পার্থক্যটি বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে আর্থিক পরিকল্পনাবিদ ব্র্যাড ট্রাভিস জুনিয়রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, নিউ জার্সি থেকে আসা কিছু বাড়ির মালিক বছরে প্রায় ১৮ হাজার ডলারের সম্পত্তি করের পরিবর্তে ডেলাওয়্যারে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ডলারের কাছাকাছি কর দিতে পারেন।   তবে ডেলাওয়্যারেও এই দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কিছু নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। সমুদ্রসৈকতের দিকে যাওয়া সড়কে যানজট বাড়ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে। নতুন বাসিন্দাদের কারণে আবাসন ও জমির চাহিদা বাড়ায় স্থানীয়ভাবে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়ছে।   জনসংখ্যার বয়সের চিত্রেও পরিবর্তন স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভে হিসাবে সাসেক্স কাউন্টির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ৭১ হাজার। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে কাউন্টিটির মধ্যম বয়স বেড়ে ৫৩ দশমিক ২ বছরে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালের তুলনায় এটি প্রায় পাঁচ বছর বেশি এবং জাতীয় গড়ের চেয়ে প্রায় ১৪ বছর বেশি।   এই পরিবর্তনের প্রভাব স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাতেও পড়ছে। ৭৯ বছর বয়সী জো পিকা ব্লুমবার্গকে জানিয়েছেন, এলাকায় বসবাসের সঙ্গে যানজট ও দৈনন্দিন নানা ঝামেলা বেড়েছে। তিনি কোলনোস্কপি করানোর জন্য নয় মাস অপেক্ষা করেছেন, দাঁতের চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৮ মাস এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে প্রায় ৪০ মাইল দূরে যেতে হয়েছে।   পিকা বর্তমানে সাসেক্স প্রিজারভেশন কোয়ালিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সংগঠনটি এলাকায় অতিরিক্ত উন্নয়ন ও দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি কমানোর চেষ্টা করছে। তবে এর মধ্যেও রয়েছে এক ধরনের বৈপরীত্য। কারণ পিকা ও তার স্ত্রী নিজেরাই মাত্র চার বছর আগে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন।   নতুন বাসিন্দাদের আগমন শুধু স্বাস্থ্যসেবা বা যানজটের ওপরই চাপ তৈরি করছে না, বদলে দিচ্ছে স্থানীয় আবাসন ব্যবস্থাও। বয়স্ক বাসিন্দাদের বাড়তি চাহিদা পূরণ করতে নির্মাতারা সমুদ্রতীরের বাইরে কৃষিজমির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে গড়ে উঠছে নতুন আবাসিক এলাকা, যার অনেকগুলোই ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বাসিন্দাদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হচ্ছে।   এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আরেকটি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত উন্নয়ন ও নতুন আবাসন প্রকল্পের কারণে ডেলাওয়্যারের ছোট শহরের স্বাভাবিক পরিবেশ ও পুরোনো বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। অবসরপ্রাপ্তদের কাছে জায়গাটির আকর্ষণ অবশ্য কমছে না। বাবিচের মতো অনেকেই নিউইয়র্কের বন্ধু ও পরিচিতদের ডেলাওয়্যারে আসতে উৎসাহিত করছেন। বাবিচ জানিয়েছেন, তার প্রায় এক ডজন নিউইয়র্কের বন্ধু পরে ডেলাওয়্যারে চলে এসেছেন।   তাদের একজন স্কট রিচার্ডসন, যিনি তার স্বামীকে নিয়ে ডেলাওয়্যারে বসতি গড়েছেন। ব্লুমবার্গকে তিনি বলেন, জায়গাটির পরিবেশ শান্ত, ধীরগতির এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। তার কাছে ডেলাওয়্যারকে কখনো কখনো মনে হয়, যেন স্থলভাগে ভেসে থাকা একটি প্রমোদতরী। তবে এই জনপ্রিয়তার মধ্যেই ডেলাওয়্যারের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। কম কর, তুলনামূলক সাশ্রয়ী আবাসন ও সমুদ্রসৈকতের আকর্ষণে যে অবসরপ্রাপ্তরা এখানে আসছেন, তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক যোগাযোগ, আবাসন এবং স্থানীয় কর্মসংস্থানের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।   ডেলাওয়্যারের এই পরিবর্তন তাই শুধু অবসরপ্রাপ্তদের নতুন ঠিকানা খোঁজার গল্প নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনসংখ্যা স্থানান্তরেরও একটি বড় উদাহরণ, যেখানে ফ্লোরিডার মতো দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় অবসর গন্তব্যের বাইরে তুলনামূলক ছোট অঙ্গরাজ্য ও উপকূলীয় শহরগুলো নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।   সূত্র: ব্লুমবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরো ও ডেলাওয়্যার রাজ্য সরকার।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ২৬, ২০২৬ ২০:৫২
১৬ মাসে প্রাণ গেল অন্তত ৮ বাংলাদেশির

স্বপ্নের আমেরিকায় এসেও পূর্ণ হলো না স্বপ্ন, ১৬ মাসে প্রাণ গেল অন্তত ৮ বাংলাদেশির

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দুজনকে গুলি করে হ ত্যা, পলাতক ঘাতকের খোঁজে পুলিশ

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দুজনকে গুলি করে হ ত্যা, পলাতক ঘাতকের খোঁজে পুলিশ

ক্যালিফোর্নিয়ার শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহারের আহ্বান নিউসমের

ক্যালিফোর্নিয়ার শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহারের আহ্বান নিউসমের

0 Comments