আমেরিকা

মেডিকেয়ার–মেডিকেইডে অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিলিং: বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য যা জানা জরুরি

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:১২
ছবি: এআই-নির্মিত প্রতীকী ছবি
ছবি: এআই-নির্মিত প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একের পর এক বড় জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। ফেডারেল তদন্তে বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, হোম হেলথ এজেন্সি, থেরাপি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেখিয়ে বা অতিরঞ্জিত বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার পর স্বাস্থ্যসেবা খাতে স্বচ্ছতা এবং রোগীদের সচেতনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে!

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিশিগানে বাস করেন বাংলাদেশি চিকিৎসক বলেন, এ ধরনের অনিয়মের সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো অনেক রোগীই বুঝতে পারেন না তাদের নামে কী ধরনের চিকিৎসা বা সেবা দেখিয়ে মেডিকেয়ার কিংবা মেডিকেইডে বিল পাঠানো হচ্ছে। যেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে সরাসরি কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না, তাই অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করেন না। অথচ প্রতিটি বিল শেষ পর্যন্ত সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হয়, যা মূলত করদাতাদের অর্থ।

 

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে, কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান চিকিৎসাগতভাবে প্রয়োজনীয় নয় এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, থেরাপি বা হোম হেলথ সেবা দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের বিল জমা দিয়েছে। যদিও সব চিকিৎসক, নার্স, থেরাপিস্ট বা হোম হেলথ প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তবুও কিছু অসাধু চক্র পুরো ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।

 

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, একজন রোগীর সামান্য আঘাত বা পায়ে মচকানোর মতো সমস্যার জন্য সীমিত চিকিৎসাই যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু যদি দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মূল্যায়ন বা থেরাপি প্রদান করা হয়, তাহলে রোগীর অধিকার রয়েছে জানতে চাওয়ার—এসব সেবা কেন প্রয়োজন, কে অনুমোদন দিয়েছেন এবং তার নামে ঠিক কত অর্থের বিল সরকারি বীমা কর্মসূচিতে পাঠানো হচ্ছে।

 

একইভাবে হোম হেলথ বা পুনর্বাসনমূলক থেরাপির ক্ষেত্রেও রোগী ও পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসার প্রয়োজন শেষ হওয়ার পরও যদি মাসের পর মাস একই ধরনের সেবা চলতে থাকে, তাহলে রোগীর উচিত চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে এর যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া। অনেক সময় রোগী না বুঝেই এমন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে তার নামে বিভিন্ন সেবার বিল করা সম্ভব হয়।

 

বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির অনেক প্রবীণ ব্যক্তি ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র পুরোপুরি বুঝতে পারেন না। এ সুযোগে কেউ যেন তাদের নামে অপ্রয়োজনীয় সেবা দেখিয়ে বিল করতে না পারে, সে বিষয়ে পরিবারকেও সচেতন থাকতে হবে।

 

মিশিগানে থাকেন বাংলাদেশি সেই চিকিৎসক পরামর্শ দিয়ে বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের আগে ও পরে নিজের চিকিৎসা পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা, অপ্রয়োজনীয় মনে হলে প্রশ্ন করা এবং নিয়মিত মেডিকেয়ার বা মেডিকেইডের বিলিং বিবরণ পর্যালোচনা করা উচিত। যদি এমন কোনো সেবা বা চিকিৎসার বিল দেখা যায় যা রোগী বাস্তবে গ্রহণ করেননি, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো প্রয়োজন।

 

মেডিকেয়ার ও মেডিকেইডের অর্থ কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি জনগণের করের অর্থ। তাই অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা, অতিরঞ্জিত বিলিং বা প্রতারণামূলক দাবি শুধু সরকারের আর্থিক ক্ষতিই করে না, বরং পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং প্রকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সম্পদের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।

 

সচেতনতা, প্রশ্ন করার মানসিকতা এবং নিজের চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত যাচাই করার অভ্যাসই পারে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: এআই-নির্মিত প্রতীকী ছবি
মেডিকেয়ার–মেডিকেইডে অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিলিং: বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য যা জানা জরুরি

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একের পর এক বড় জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। ফেডারেল তদন্তে বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, হোম হেলথ এজেন্সি, থেরাপি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেখিয়ে বা অতিরঞ্জিত বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার পর স্বাস্থ্যসেবা খাতে স্বচ্ছতা এবং রোগীদের সচেতনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে!   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিশিগানে বাস করেন বাংলাদেশি চিকিৎসক বলেন, এ ধরনের অনিয়মের সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো অনেক রোগীই বুঝতে পারেন না তাদের নামে কী ধরনের চিকিৎসা বা সেবা দেখিয়ে মেডিকেয়ার কিংবা মেডিকেইডে বিল পাঠানো হচ্ছে। যেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে সরাসরি কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না, তাই অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করেন না। অথচ প্রতিটি বিল শেষ পর্যন্ত সরকারি তহবিল থেকে পরিশোধ করা হয়, যা মূলত করদাতাদের অর্থ।   সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে, কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান চিকিৎসাগতভাবে প্রয়োজনীয় নয় এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, থেরাপি বা হোম হেলথ সেবা দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের বিল জমা দিয়েছে। যদিও সব চিকিৎসক, নার্স, থেরাপিস্ট বা হোম হেলথ প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তবুও কিছু অসাধু চক্র পুরো ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।   উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, একজন রোগীর সামান্য আঘাত বা পায়ে মচকানোর মতো সমস্যার জন্য সীমিত চিকিৎসাই যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু যদি দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মূল্যায়ন বা থেরাপি প্রদান করা হয়, তাহলে রোগীর অধিকার রয়েছে জানতে চাওয়ার—এসব সেবা কেন প্রয়োজন, কে অনুমোদন দিয়েছেন এবং তার নামে ঠিক কত অর্থের বিল সরকারি বীমা কর্মসূচিতে পাঠানো হচ্ছে।   একইভাবে হোম হেলথ বা পুনর্বাসনমূলক থেরাপির ক্ষেত্রেও রোগী ও পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসার প্রয়োজন শেষ হওয়ার পরও যদি মাসের পর মাস একই ধরনের সেবা চলতে থাকে, তাহলে রোগীর উচিত চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে এর যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া। অনেক সময় রোগী না বুঝেই এমন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে তার নামে বিভিন্ন সেবার বিল করা সম্ভব হয়।   বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির অনেক প্রবীণ ব্যক্তি ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র পুরোপুরি বুঝতে পারেন না। এ সুযোগে কেউ যেন তাদের নামে অপ্রয়োজনীয় সেবা দেখিয়ে বিল করতে না পারে, সে বিষয়ে পরিবারকেও সচেতন থাকতে হবে।   মিশিগানে থাকেন বাংলাদেশি সেই চিকিৎসক পরামর্শ দিয়ে বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের আগে ও পরে নিজের চিকিৎসা পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা, অপ্রয়োজনীয় মনে হলে প্রশ্ন করা এবং নিয়মিত মেডিকেয়ার বা মেডিকেইডের বিলিং বিবরণ পর্যালোচনা করা উচিত। যদি এমন কোনো সেবা বা চিকিৎসার বিল দেখা যায় যা রোগী বাস্তবে গ্রহণ করেননি, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো প্রয়োজন।   মেডিকেয়ার ও মেডিকেইডের অর্থ কোনো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি জনগণের করের অর্থ। তাই অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা, অতিরঞ্জিত বিলিং বা প্রতারণামূলক দাবি শুধু সরকারের আর্থিক ক্ষতিই করে না, বরং পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং প্রকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সম্পদের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।   সচেতনতা, প্রশ্ন করার মানসিকতা এবং নিজের চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত যাচাই করার অভ্যাসই পারে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:১২
ছবি: কোলাজ । আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে লাখো অভিবাসীর অনিশ্চয়তা, ট্রাম্পকে টিপিএস বাতিলের ক্ষমতা দিল সুপ্রিম কোর্ট

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় ‘ভালো’ আয়োজিত মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ও মেলা’য় চটপটি খাওয়া প্রতিযোগিতার একটি দৃশ্য । ছবি: সংগৃহীত

জ্যামাইকায় ‘ভালো’ মেলা: নিউইয়র্ক একদিনের জন্য যেন ফিরে এলো বাংলাদেশ!

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

প্রবাসে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল, আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলে মেধা তালিকায় ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

নিউইয়র্কে জামালপুর জেলা সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে অতিথি ও নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে জামালপুর জেলা সোসাইটির অভিষেক, সম্প্রীতি ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজের অঙ্গীকার

প্রবাসী জামালপুরবাসীর মিলনমেলায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে জামালপুর জেলা সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির কল্যাণ এবং জামালপুর জেলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।   গত ২১ জুন জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউয়ের আল আকসা পার্টি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জহুরুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন এ এস এম আশাফুদৌলাহ লিটন। প্রধান অতিথি ছিলেন জামালপুরের কৃতি সন্তান ডা. গোলাম মোক্তাদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন।   বক্তারা প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। পরে প্রয়াত সকল জামালপুরবাসীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মঈনউদ্দিন। পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন শিশু আয়ানউল্লাহ তালুকদার।   অনুষ্ঠানে জামালপুর সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসারের সঞ্চালনায় ১৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন, রাশেদ আহমেদ, আবুল বাশার চুন্নু, শরাফ সরকার, আলমগীর, আশরাফ আলী, মাসুদ আহমেদ, ফেরদৌস আলম, শহিদুল ইসলাম, এনামুল হক, জসীমউদ্দিন মাহমুদ, মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ আলী এবং ডা. ইউসুফ আলী।   পরে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য গঠিত নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের সাবেক সভাপতি সাঈদুর রহমান শেলী। নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রবিউল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবু। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মো. দুলাল হোসেন, মিজানুর রহমান, মো. শামীম চৌধুরী, হুমায়ূন কবীর, সুলতান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম মিন্টু ও শামসুল ইসলাম রাজা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন নূরউন্নবী নবীন, খোরশেদ আলম, শহিদুল ইসলাম মিন্টু এবং মো. সোহাগ।   এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আহসান তানিন, কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল লতিফ, আপ্যায়ন সম্পাদক শাকিল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক এস এম হাসান আরিফ, দপ্তর সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক সামিউল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু, সাহিত্য সম্পাদক আমজাদ হোসেন, মহিলা সম্পাদক জান্নাতুল অন্তরা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ এবং গণসংযোগ সম্পাদক হিসেবে আনোয়ার হোসেন দায়িত্ব পালন করবেন।   কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার শফিউল বাদল, মো. খলিলুল্লাহ, জহুরুল ইসলাম, এ এস এম আশাফুদৌলাহ, মো. রফিকুল হাসান শাফি, সামসামুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম বাবলু, মো. নূরল ইসলাম এবং ফয়সাল হক জন তালুকদার। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে নবনির্বাচিত সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবুর পরিচালনায় নতুন কমিটির নেতারা প্রবাসী জামালপুরবাসীর কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।   অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম শফিকুল ইসলাম আকন্দ, সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ, শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা অজিত ভৌমিক, মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার খোকন এবং সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সিরাজুল মাওলাসহ অন্যান্য অতিথিরা।   সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদে আরও রয়েছেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা জামান, ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম, সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব, সালাহউদ্দিন কাব্য, ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হাসান এবং মো. লিয়াকত হোসাইন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শশীর পরিবেশিত গান উপভোগ করেন উপস্থিত অতিথিরা।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ৪:১০
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে আহমদ সোহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ পেলেন সামিরাতু বারা

ছবি: গেটি ইমেজেস

চিপের দাম বাড়ায় ল্যাপটপ, আইপ্যাড ও এক্সবক্সের দাম বাড়াচ্ছে অ্যাপল ও মাইক্রোসফট

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি | ছবি: গেটি ইমেজেস

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটিতে আরও ১১০ কর্মী ছাঁটাই

ছবি: গেটি ইমেজেস
ক্যালিফোর্নিয়ায় ধনীদের ওপর বাড়তি কর বসানোর প্রস্তাব নিয়ে ভোট নভেম্বরে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের শতকোটিপতি বা ধনকুবেরদের ওপর সাময়িকভাবে অতিরিক্ত কর আরোপের একটি বিতর্কিত প্রস্তাবের ভাগ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে। এই প্রস্তাবের পক্ষে থাকা শ্রমিক ইউনিয়ন সমালোচকদের তীব্র চাপ উপেক্ষা করে চূড়ান্ত লড়াইয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর বিষয়টি ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 'বিলিয়নিয়ার ট্যাক্স' বা ধনকুবের কর নামে পরিচিত এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতে বড় অঙ্কের তহবিল নিশ্চিত করা।   প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছে সার্ভিস এমপ্লয়িজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন হেলথকেয়ার ওয়ার্কার্স ওয়েস্ট নামক একটি প্রভাবশালী সংগঠন। এই নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসকারী যেসব ব্যক্তির মোট সম্পদের পরিমাণ ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি, তাদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হবে। এর মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা মূলত কেন্দ্রীয় অনুদান হ্রাসের পর ক্যালিফোর্নিয়ার মেডিকেড স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ব্যয় করা হবে।   ইউনিয়নের এই প্রস্তাবের পক্ষে ক্যালিফোর্নিয়ার সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন থাকলেও খোদ ডেমোক্র্যাট দলীয় গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এবং ইউনিয়নের অনেক পুরনো মিত্র এর তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাদের যুক্তি, এটি একটি স্থায়ী সমস্যার সাময়িক সমাধান মাত্র। এর ফলে অতি-ধনী ব্যক্তিরা ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যেতে পারেন, যার ফলে রাজ্য সরকার নিয়মিত আয়কর বাবদ কোটি কোটি ডলারের স্থায়ী রাজস্ব হারাবে। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদের দুই সম্ভাব্য পদপ্রার্থীও এই করের বিরোধিতা করেছেন।   ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ার চিকিৎসা, শিক্ষা এবং আবাসন খাতের বিভিন্ন সংগঠন একত্রিত হয়ে এই করের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জোট গঠন করেছে। তাদের মতে, এই বিপজ্জনক কর ব্যবস্থা রাজ্যের রাজস্ব পরিস্থিতিকে আরও ভঙ্গুর করে তুলবে। এতে স্কুল, ক্লিনিক, জননিরাপত্তা এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে। অদলীয় আইনসভা বিশ্লেষক অফিসও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে প্রথম কয়েক বছর ভালো রাজস্ব এলেও পরবর্তী সময়ে বার্ষিক আয়কর কমতে শুরু করবে।   অন্যদিকে সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ধনীরা এই বিলিয়নিয়ার কর ঠেকাতে ইতিমধ্যেই কোটি কোটি ডলারের তহবিল গঠন করেছেন। গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে প্রচারণার জন্য একাই ৮২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়া মূলত তার শীর্ষ ১ শতাংশ ধনীর আয়করের ওপর প্রায় অর্ধেক নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটারদের একটি অংশ এই করের পক্ষে থাকলেও নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে এবং আইনি জটিলতা তৈরি হবে, এর সমর্থন তত কমে যেতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ০:২৩
ছবি: সিবিএস

জর্জিয়ায় কোটি টাকার জমি মাত্র ১ ডলারে বিক্রি করে বড় জালিয়াতি

প্রবল ঢেউ আর বিপজ্জনক স্রোতের মধ্যে দুই দিন ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

লেক মিশিগানে নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের লাশ উদ্ধার, উদ্ধার করতে গিয়ে আহত ৪ ডুবুরি

ট্রাম্প প্রশাসনের বড় আইনি জয়ের পর অনিশ্চয়তায় লাখো অভিবাসী। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বহিষ্কারের ঝুঁকিতে ১৩ লাখ অভিবাসী, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়

0 Comments