আমেরিকা

হিউস্টনে আইসিইর গুলিতে নিহত ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে নতুন মোড়, ভ্যানে মাদক থাকার দাবি এফবিআইয়ের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ২২:২০
আইসিইর গুলিতে নিহত লরেঞ্জো সালগাদো আরাউহোর মৃত্যুর ঘটনা এখনো তদন্তাধীন। ছবি: সংগৃহীত
আইসিইর গুলিতে নিহত লরেঞ্জো সালগাদো আরাউহোর মৃত্যুর ঘটনা এখনো তদন্তাধীন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তার গুলিতে নিহত ৫২ বছর বয়সী লরেঞ্জো সালগাদো আরাউহোর মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর মামলায় নতুন মোড় এসেছে। এফবিআই আদালতে দাখিল করা এক অনুসন্ধানী পরোয়ানায় দাবি করেছে, নিহত ব্যক্তি যে ভ্যানটি চালাচ্ছিলেন, সেখানে অবৈধ মাদক থাকার সম্ভাব্য কারণ পাওয়া গেছে।

 

ফেডারেল আদালতে দাখিল করা ওই ওয়ারেন্ট আবেদনে বলা হয়, নিয়ন্ত্রিত মাদক বিতরণ, উৎপাদন, বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ অথবা অবৈধভাবে মাদক রাখার অভিযোগ তদন্তের যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া সন্দেহভাজন মাদক কার ছিল, সে বিষয়ে নথিতে কোনো নির্দিষ্ট দাবি করা হয়নি।

 

ওয়ারেন্টে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে এফবিআইয়ের বিশেষ এজেন্ট ডেভিড ম্যাকনিলি ভ্যানের বাইরে থেকে ড্যাশবোর্ডে ছোট প্লাস্টিকের প্যাকেটে সাদা স্ফটিকসদৃশ পদার্থ দেখতে পান। তার ভাষ্য, প্যাকেটগুলোর ধরন ও উপস্থাপনা মেথঅ্যামফেটামিনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। তবে সেগুলোর রাসায়নিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

ঘটনার পর থেকেই আইসিইর দাবি ছিল, আত্মরক্ষার্থে তাদের এক এজেন্ট গুলি চালিয়েছিলেন। তবে ঘটনাস্থলে থাকা কর্মকর্তাদের কারও শরীরে বডি-ক্যামেরা না থাকায় সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, গুলির ঘটনার আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভ্যানটিতে কোনো তল্লাশি চালায়নি। পরে এফবিআই আদালতের অনুমতি নিয়ে গাড়িটি তল্লাশি করে।

 

এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি, যাতে বোঝা যায় গুলি চালানোর সময় আইসিই কর্মকর্তারা গাড়ির ভেতরে সম্ভাব্য মাদক থাকার বিষয়ে আগে থেকেই জানতেন।

ময়নাতদন্তে বলা হয়েছে, সালগাদো আরাউহোর মৃত্যু হয়েছে শরীরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণে। তবে ঘটনার সময় তার শরীরে কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি ছিল কি না, সে সম্পর্কিত টক্সিকোলজি রিপোর্ট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

 

এদিকে লাতিনো সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সংগঠন লুলাক অ্যাডেলান্তে প্যাকের সভাপতি ডোমিঙ্গো গার্সিয়া অভিযোগ করেছেন, নতুন এই ওয়ারেন্ট প্রকাশের মাধ্যমে তদন্তের মূল বিষয় থেকে জনমত অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তার ভাষায়, পুরো বিষয়টি একটি 'কলঙ্ক ছড়ানোর প্রচারণা' ও 'ধামাচাপার চেষ্টা' বলে মনে হচ্ছে।

টেক্সাসের আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ)ও বলেছে, পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সংস্থার দাবিগুলো সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা উচিত।

 

ঘটনার সময় ভ্যানে সালগাদো আরাউহোর সঙ্গে থাকা আরও তিনজনকে এখনো আটক রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে নিহতের ভাই ভিক্টর সালগাদোও রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিনজনই ইউ-ভিসা সনদ পেয়েছেন, যা তদন্তে সহযোগিতাকারী অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক বহিষ্কার থেকে সাময়িক সুরক্ষা দেয়।

 

এদিকে হ্যারিস কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানিয়েছে, তারা অনুসন্ধানী পরোয়ানা দাখিল বা কার্যকর করেনি। তবে এফবিআইয়ের অনুমতিতে তারা ভ্যানটি পরিদর্শনের সুযোগ পেয়েছে।

 

গুলির ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান। কী পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী গুলি চালানো হয়েছিল এবং ভ্যানে পাওয়া সন্দেহভাজন মাদকের সঙ্গে নিহত ব্যক্তির কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক ফেডারেল এজেন্ট টিমোথি গ্রেগ। ছবি: সংগৃহীত
মিনেসোটায় শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত অপরাধে সাবেক ফেডারেল এজেন্টের ৭ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে এক সাবেক ফেডারেল এজেন্টকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করার পর তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়।   মার্কিন অ্যাটর্নি অফিস ফর মিনেসোটা জানিয়েছে, ইগান শহরের বাসিন্দা ৫৩ বছর বয়সী টিমোথি গ্রেগকে ৮৪ মাস বা সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের তথ্য অনুযায়ী, শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত অবৈধ ছবি ও ভিডিও তৈরিতে এবং সেগুলো পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি দোষ স্বীকার করেছিলেন।   কর্তৃপক্ষ জানায়, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় গ্রেগ মিনেসোটায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের (এইচএসআই) বিশেষ এজেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি এফবিআইয়ের একটি যৌথ টাস্কফোর্সেও দায়িত্ব পালন করতেন।   মামলার রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, শিশুদের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে তাদের শূন্য সহনশীলতার নীতি রয়েছে এবং অপরাধী যে পদেই থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।   আইসিইর পরিচালক ডেভিড জে. ভেনচুরেলা এক বিবৃতিতে বলেন, কোনো ব্যাজ, পদ বা দায়িত্ব কাউকে আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেয় না। তার ভাষায়, এই মামলায় অভিযুক্তের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি আইসিই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।   এফবিআইয়ের মিনিয়াপোলিস ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্ট ইন চার্জ ক্রিস্টোফার ডটসন বলেন, আদালতের এই রায় ভুক্তভোগী এবং তার পরিবারের জন্য অন্তত কিছুটা ন্যায়বিচারের অনুভূতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে তারা আশা করছেন।   আদালতের নথি অনুযায়ী, গ্রেগ সরকারি দাপ্তরিক ই-মেইল ব্যবহার করে একটি হোটেল কক্ষ সংরক্ষণ করেছিলেন, যেখানে তার সঙ্গে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ভুক্তভোগীর সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।   তদন্তকারীরা আরও জানান, টুইন সিটিজ এলাকায় একটি ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী অভিযানে অংশ নেওয়ার কথা ছিল গ্রেগের। তবে সেই অভিযানে যোগ দেওয়ার আগের দিনই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।   মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় ফেডারেল সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।   সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি অফিস ফর মিনেসোটা, আদালতের নথি এবং এফবিআই ও আইসিইর বিবৃতি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ২২:৪০
আইসিইর গুলিতে নিহত লরেঞ্জো সালগাদো আরাউহোর মৃত্যুর ঘটনা এখনো তদন্তাধীন। ছবি: সংগৃহীত

হিউস্টনে আইসিইর গুলিতে নিহত ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে নতুন মোড়, ভ্যানে মাদক থাকার দাবি এফবিআইয়ের

ফোর্ট ওয়ার্থের একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে চিকিৎসার সময় ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু হয়। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসে দাঁতের চিকিৎসার সময় ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু, গ্রেপ্তার দন্তচিকিৎসক

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের বুলিংয়ের শিকার ছিলেন ১৩ বছর বয়সী অ্যালেক্সিস। ছবি: সংগৃহীত

মিনেসোটায় সহপাঠীরা গায়ের রং, নাকের আকৃতি ও চেহারা নিয়ে অপমান করায় ১৩ বছরের কিশোরীর আত্মহত্যা

টেক্সাসের জনসন কাউন্টিতে আলোচিত মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
টেক্সাসে দেহব্যবসার অভিযোগে সাবেক পুলিশ প্রধানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের জনসন কাউন্টিতে কথিত একটি দেহব্যবসা ও সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র পরিচালনার অভিযোগে সাবেক এক পুলিশ প্রধানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে গ্র্যান্ড জুরি। তদন্তসংশ্লিষ্ট আদালতের নথিতে অভিযোগ করা হয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের সম্পৃক্ততা ছিল। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের কাছ থেকে জব্দ করা বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স ৪ জানিয়েছে, বুধবার জনসন কাউন্টির গ্র্যান্ড জুরি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। মামলাটি তদন্ত করছে জনসন কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়, টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি এবং সোমারভেল কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়। অভিযোগ গঠন হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মাইকেল কেচারসাইড, তার স্ত্রী অ্যাশলি কেচারসাইড, গডলি পুলিশের সাবেক প্রধান ম্যাথিউ ক্যানট্রেল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জেরেমি আরবাথনট ও সলোমন ওমোটোয়া এবং জনসন কাউন্টি কারাগারের সাবেক সংশোধন কর্মকর্তা রেজিনা ক্যানট্রেল।   আদালতের নথি অনুযায়ী, মাইকেল ও অ্যাশলি কেচারসাইডের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া মাইকেলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে দেহব্যবসা পরিচালনায় সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক পুলিশ প্রধান ম্যাথিউ ক্যানট্রেলের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত থাকা, দেহব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা, যৌন নিপীড়নের দুটি অভিযোগ এবং একজনকে অনুসরণ করে হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে।   অন্যদিকে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জেরেমি আরবাথনট ও সলোমন ওমোটোয়ার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধে অংশগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওমোটোয়ার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে যৌনসেবা গ্রহণের উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করার অভিযোগও রয়েছে। রেজিনা ক্যানট্রেলের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় গোপন সরকারি তথ্যের অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।   গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত হলফনামা অনুযায়ী, গত মার্চের শেষ দিকে তদন্তকারীরা অ্যাশলি ও মাইকেল কেচারসাইডের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং ইউএসবি ড্রাইভ জব্দ করেন। এসব ডিভাইস থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, অ্যাশলি কেচারসাইড একাধিক গ্রাহকের সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে যৌনসেবার ব্যবস্থা করতেন। আদালতের নথিতে আরও বলা হয়েছে, ‘লোলা ব্রেয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে একটি এসকর্ট-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হতো। তদন্তকারীরা বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের স্ক্রিনশটও উদ্ধার করেছেন বলে দাবি করেছেন, যেখানে সাক্ষাতের পর অর্থ পরিশোধের তথ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   নথি অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের সেবার জন্য আলাদা অর্থ নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রাতভর সেবার জন্য ৫ হাজার ডলার, ৯০ মিনিটের জন্য ১ হাজার ৩০০ ডলার এবং এক ঘণ্টার জন্য ৬০০ ডলার পর্যন্ত নেওয়া হতো। এছাড়া ২০২৪ সালের একটি নোটে উল্লেখ রয়েছে, একজন গ্রাহক অ্যাশলি কেচারসাইডকে ডালাস স্টার্সের একটি আইস হকি খেলা দেখাতে নিয়ে যেতে প্রায় ৪ হাজার ডলার ব্যয় করেছিলেন।   তদন্তকারীদের দাবি, জব্দ করা ডিভাইসগুলোতে এমন একাধিক বার্তা পাওয়া গেছে, যেখানে মাইকেল কেচারসাইড অ্যাশলির বিভিন্ন গ্রাহকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়সূচি ও যোগাযোগের সমন্বয় করতেন। জনসন কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি টিমোথি গুড এক বিবৃতিতে বলেন, এটি অত্যন্ত বিস্তারিত এবং এখনো চলমান একটি তদন্ত। মামলায় যেসব অভিযোগ উঠে এসেছে, তার কিছু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বা সাবেক সদস্য হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। নতুন তথ্য সামনে এলে তদন্তও এগিয়ে নেওয়া হবে।   এই মামলার তদন্ত প্রথম প্রকাশ্যে আসে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল। সেদিন মাইকেল কেচারসাইড, সাবেক পুলিশ প্রধান ম্যাথিউ ক্যানট্রেল এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সলোমন ওমোটোয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ১৫ এপ্রিল অ্যাশলি কেচারসাইডকে অর্থপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়, যদিও এর আগে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।   আদালতের নথিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কেচারসাইড দম্পতির বাড়ি থেকেই কথিত এই কার্যক্রম পরিচালিত হতো এবং সেখানে গডলি পুলিশ বিভাগের কয়েকজন সদস্য নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তদন্তে আরও অভিযোগ রয়েছে, কেচারসাইড দম্পতি ও ম্যাথিউ ক্যানট্রেল মিলে গডলি সিটি কাউন্সিল, স্থানীয় স্কুল বোর্ড এবং পুলিশ বিভাগের কয়েকজন সদস্যসহ যাদের প্রতিপক্ষ মনে করতেন, তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনাও করেছিলেন।   প্রসঙ্গত, অ্যাশলি কেচারসাইড ২০২৩ সালেও আলোচনায় এসেছিলেন। তখন গডলি স্কুল জেলার যৌনশিক্ষা পাঠ্যক্রম নির্ধারণ-সংক্রান্ত একটি কমিটি থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, তার বিরুদ্ধে ২০১২ ও ২০১৬ সালে দেহব্যবসা-সংক্রান্ত দুটি দণ্ডাদেশের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এদিকে ম্যাথিউ ক্যানট্রেলের বিরুদ্ধে ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে নিজের দাপ্তরিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক নারীকে হয়রানি ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগও আনা হয়েছে। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পৃথকভাবে দুটি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।   পরে এপ্রিলের শেষ দিকে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জেরেমি আরবাথনট এবং মে মাসের শুরুতে সাবেক সংশোধন কর্মকর্তা রেজিনা ক্যানট্রেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। জনসন কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলমান এবং এটি কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।   সূত্র: ফক্স ৪, জনসন কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় এবং জনসন কাউন্টি শেরিফের দপ্তর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ২১:২০
নায়াগ্রা ফলসের পর্যটকদের চাহিদায় বাফালো অঞ্চলে বাড়ছে স্বল্পমেয়াদি আবাসন ভাড়ার বাজার। ছবি: সংগৃহীত

নায়াগ্রা ফলসের পর্যটক, বাফালোর সাশ্রয়ী বাড়ি নিয়ে এয়ারবিএনবি বিনিয়োগে কেন বাড়ছে প্রবাসীদের আগ্রহ

ফোর্ট ওর্থ আইএসডির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিক্ষিকা শাইমা আলজুবি। ছবি: সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরে পদোন্নতি বাতিল, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের বিরুদ্ধে আদালতে ফিলিস্তিনি মুসলিম প্রধান শিক্ষিকা

গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এক ডলারের মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি, শুরু আইনি বিতর্ক

ছাত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মিয়ামিতে গ্রেপ্তার শিক্ষক
১৫ বছরের ছাত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মিয়ামিতে গ্রেপ্তার শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথওয়েস্ট মিয়ামি-ডেডের একটি চার্টার স্কুলের সাবেক ব্যান্ড শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গত মঙ্গলবার হেইহাচিরো নাকশিমা (৩৩) নামের ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে মিয়ামি-ডেড শেরিফ অফিস। তদন্তের ভিত্তিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অশ্লীল ও কামুক কার্যকলাপে জড়িত থাকার তিনটি পৃথক অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।   সিবিএস নিউজ মিয়ামির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়েন্দা জেসুস ল্যানেসের নেতৃত্বাধীন একটি তদন্তে জানা গেছে, গত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে ডেডল্যান্ড মলের কাছে নাকশিমার অ্যাপার্টমেন্টে এই আপত্তিকর ঘটনাগুলো ঘটে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের এক সদস্য বিষয়টি প্রথম শেরিফ অফিসকে অবহিত করেন।   গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মিন্ডি গ্লেজার অভিযুক্তকে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে কঠোরভাবে দূরে থাকার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ৪৫ হাজার ডলারের জামিন নির্ধারণ করে জিপিএস মনিটরসহ তাকে গৃহবন্দী (হাউস অ্যারেস্ট) রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া আদালত তার পাসপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।   গ্রেপ্তারি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত নাকশিমা পাম গ্লেডস প্রিপারেটরি একাডেমি হাইস্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ল্যানেস জানান, শিক্ষক-ছাত্রী সম্পর্কের সুযোগ নিয়েই এই অনৈতিক সম্পর্কের সূত্রপাত হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে দিয়ে তার বিশ্বাস অর্জন করতেন এবং প্রেমের মিথ্যা জালে ফাঁসিয়েছিলেন। এমনকি তিনি নিজের বিভিন্ন মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের টিকিটও ওই ছাত্রীকে দিতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিভাবক ও স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন গোয়েন্দা ল্যানেস। তিনি বলেন, সন্তানরা হঠাৎ করে দামি বা অজানা কোনো জিনিসপত্র নিয়ে বাড়িতে ফিরলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। যদি তাদের কোনো আয়ের উৎস না থাকে, তবে তারা কীভাবে এসব জিনিস পাচ্ছে তা অভিভাবকদের গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি সন্তানদের মোবাইল ফোন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকলাপেও নিয়মিত নজর রাখার তাগিদ দেন তিনি।   আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্দেহ করছে যে, এই শিক্ষকের দ্বারা আরও কেউ হয়রানির শিকার হয়ে থাকতে পারে। তাই এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, শুনানিকালে নাকশিমার আইনজীবী দাবি করেন যে, তার মক্কেল পালিয়ে যাওয়ার কোনো ঝুঁকিতে নেই বা সমাজের জন্য তিনি হুমকিস্বরূপ নন।   কারণ তার আগের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই এবং তিনি স্বেচ্ছায় গোয়েন্দাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে চার্টার স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ১৯:৩৫
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে ৯ পেগ মদ পান করা মাতাল চালকের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা

ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

তীব্র গরমের মাঝেও স্বস্তির শহর বাফেলো, শীতল আবহাওয়ার কারণে বাড়ছে আবাসন ক্রেতাদের আগ্রহ

১৮ বছর বয়সী দুই যমজ বোন অ্যাঞ্জেলি জেরেজ-মেদিনা ও অ্যালেক্সকা জেরেজ-মেদিনা

মিশিগানের ডেট্রয়েটের দুই যমজ বোনকে আটক করে আলাদা ডিটেনশন সেন্টারে পাঠাল আইসিই, ক্ষুব্ধ কমিউনিটি

0 Comments