বিশ্ব

ফিলিবাস্টার আতঙ্কে ফ্রান্সে বিতর্কিত ইহুদিবিদ্বেষ বিরোধী বিল স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

প্রবল জনরোষ এবং বিরোধী দলগুলোর বাধার মুখে ফ্রান্সে বিতর্কিত ইহুদিবিদ্বেষ বিরোধী বিলটির ওপর ভোটগ্রহণ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিলটি নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও 'ফিলিবাস্টার' বা দীর্ঘ বক্তৃতার মাধ্যমে অধিবেশন আটকে দেওয়ার আশঙ্কায় এর প্রস্তাবকরা সাময়িকভাবে বিলটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।


নতুন এই বিলটির লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সে ইহুদিবিদ্বেষ বা 'অ্যান্টি-সেমিটিজম'-এর সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা। ফ্রান্সে ইহুদিবিদ্বেষ বর্তমানেও একটি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, তবে প্রস্তাবিত এই বিলটি সেই সংজ্ঞার পরিধি বাড়িয়ে আরও কঠোর করার কথা বলেছিল।


বিলটির প্রস্তাবকরা জানিয়েছেন, এটি পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি বরং জুন মাসে পুনরায় আলোচনার টেবিলে পেশ করা হবে। মূলত বিরোধীদের রণকৌশলের কাছে নতিস্বীকার করেই আজ এটি আলোচ্যসূচি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


তবে এই বিলটি নিয়ে সাধারণ মানুষ এবং মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সমালোচকদের দাবি, এই বিলটি পাস হলে ফ্রান্সে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে খর্ব হবে। তাদের মতে, বিলটিতে 'ইসরায়েল রাষ্ট্র' এবং 'ইহুদি জনগোষ্ঠী'কে একই সূত্রে গেঁথে ফেলা হয়েছে। তারা যুক্তি দেন যে, ইসরায়েল রাষ্ট্রের সমালোচনাকে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে গণ্য করা হলে তা উল্টো ইহুদিদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং সমাজে বিভেদ বাড়িয়ে দিতে পারে।


বিলটি স্থগিত হওয়ার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা। এই বিলের বিপক্ষে প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছিলেন। স্থগিতাদেশের পর প্যারিসের রাজপথে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, অন্তত সাময়িকভাবে হলেও একটি বিতর্কিত আইন থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ফাইল ফটো।
ব্রিটেনে আশ্রয় আবেদনের রমরমা ব্যবসা, প্রতারণা চক্রে আছে বাংলাদেশিও

ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ‘প্রতারণা শিল্প’। সমকামী সাজা, অর্থের বিনিময়ে নাস্তিক সাজানো, এমনকি রাজপথে সাজানো রাজনৈতিক প্রতিবাদের নাটক—এসবই এখন লন্ডনের অভিবাসন জালিয়াতি চক্রের প্রধান হাতিয়ার। অতি সম্প্রতি বিবিসি নিউজের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই ভয়াবহ জালিয়াতির চিত্র, যেখানে খোদ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। লন্ডনের মাইল এন্ড রোডের একটি অফিসে ছদ্মবেশে বিবিসির এক সাংবাদিক অনুসন্ধান চালিয়ে জাহিদ হাসান আখন্দ নামে এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। নিজেকে ব্যারিস্টার পরিচয় দেওয়া জাহিদ ওই সাংবাদিককে (যিনি নিজেকে বাংলাদেশি ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেন) ব্রিটিশ হোম অফিসকে ফাঁকি দেওয়ার তিনটি মোক্ষম পথ বাতলে দেন: সমকামিতা, নাস্তিকতা অথবা রাজনৈতিক নিপীড়ন। জাহিদ জানান, সমকামী সাজা সবচেয়ে সহজ পথ। এর জন্য তিনি প্রয়োজনে ‘ভাড়াটে পার্টনার’ বা সঙ্গী জোগাড় করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেন। এছাড়া নাস্তিক হিসেবে প্রমাণ তৈরি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট দেওয়া এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নাস্তিক ব্লগে নিবন্ধ লেখার পরামর্শ দেন তিনি। এই পুরো ‘প্যাকেজ’ বা আইনি সহায়তার জন্য তিনি দেড় হাজার পাউন্ড এবং জাল নথিপত্রের জন্য আরও দুই থেকে তিন হাজার পাউন্ড দাবি করেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই চক্রটি হুবহু মূলধারার সংবাদপত্রের মতো দেখতে ভুয়া নিউজ ওয়েবসাইট তৈরি করে। সেখানে আবেদনকারীদের নামে মিথ্যা মামলার খবর বা নিপীড়নের গল্প ছাপানো হয়। বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থা ডিজিটাল না হওয়ার সুযোগ নিয়ে এসব ভুয়া তথ্য যাচাই করা ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া, রাজনৈতিক আশ্রয় নিশ্চিত করতে রাজপথে ভুয়া মিছিলের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র ছবি তোলার উদ্দেশ্যেই এসব মিছিলে লোক ভাড়া করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের চিকিৎসকের কাছে গিয়ে বিষণ্ণতা বা এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার নাটক সাজাতেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জাহিদ হাসান আখন্দ ২০২২ সালে ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করলেও তার আইন পেশা চর্চার কোনো লাইসেন্স নেই। তিনি যে ল’ ফার্মের নাম ব্যবহার করে মক্কেল ধরতেন, সেই প্রতিষ্ঠানটিও জানিয়েছে জাহিদ এখন আর তাদের কর্মী নন। যদিও জাহিদ তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের এই বিশাল জালিয়াতি চক্রটি এখন ব্রিটিশ প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পেশাদার আইনজীবীদের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরো অভিবাসন ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
কলকাতার ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নাখোদা মসজিদ—যার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ব্যস্ত শহরের জীবন।

পশ্চিমবঙ্গে ৯৩ লাখ মানুষের ভোটাধিকার হরণ, নিশানায় মুসলিমরা!

ছবি: সংগৃহীত।

স্বর্ণালংকার থেকে মাটির ব্যাংক, কেন ইরানের জন্য সবই বিলিয়ে দিচ্ছেন কাশ্মীরিরা

ছবি: সংগৃহীত।

ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসে ডেমোক্র্যাটদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ

ছবি: সংগৃহীত।
ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার এক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টা (২১:০০ জিএমটি) থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে যাচ্ছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এই শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হলো। ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, "এই দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ বিকেল ৫টা (EST) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।" এই শান্তি প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য ট্রাম্প একটি উচ্চপর্যায়ের দল গঠন করেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান ‘রেজিন’ কেইন ইসরায়েল ও লেবাননের সাথে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে কাজ করবেন। নিজের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, "বিশ্বজুড়ে ৯টি যুদ্ধ সমাধান করা আমার জন্য সম্মানের বিষয় ছিল, আর এটি হতে যাচ্ছে আমার ১০ম সাফল্য। তাই চলুন, এটি সম্পন্ন করি!"

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিবাস্টার আতঙ্কে ফ্রান্সে বিতর্কিত ইহুদিবিদ্বেষ বিরোধী বিল স্থগিত

লাইফবোটে থাকা অন্যান্য উত্তরজীবীদের সাথে লরা মেবেল ফ্রাঙ্কাতেলি (বৃত্ত চিহ্নিত)। জাহাজে থাকা ২,২২০ জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র ৭০০ জনের মতো বেঁচে ফিরতে পেরেছিলেন (ডানে)। নিলামে ওঠা সেই লাইফ জ্যাকেট (বাঁয়ে)।

টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে, বিক্রি হতে পারে ৫ কোটি টাকায়

পোপ লিও

বিশ্বজুড়ে ‘স্বৈরাচারীদের’ রাজত্ব, ট্রাম্পের আক্রমণের মুখে কড়া জবাব পোপ লিওর

তুরস্কের পার্লামেন্ট স্পিকার নুমান কুর্তুলমুস
জাতিসংঘ থেকে ইসরায়েলকে বহিষ্কার করার দাবি তুরস্কের

ফিলিস্তিনিদের ওপর পদ্ধতিগত নিপীড়ন এবং বর্ণবাদী নীতি অনুসরণের অভিযোগে ইসরায়েলকে জাতিসংঘ (UN) থেকে স্থগিত করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের পার্লামেন্ট স্পিকার নুমান কুর্তুলমুস। ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ১৫২তম ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (IPU) অ্যাসেম্বলির উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বরাতে জানা গেছে, কুর্তুলমুস তার ভাষণে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৪ সালে বর্ণবাদী নীতির কারণে যেভাবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জাতিসংঘ থেকে স্থগিত করা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, ইসরায়েল বর্তমানে ফিলিস্তিনিদের জন্য পৃথক আইন এবং বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা চালু রেখেছে, যা স্পষ্টত একটি বর্ণবাদী বা 'অ্যাপার্থাইড' ব্যবস্থার প্রতিফলন। ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলা ও গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা চরম সংকটের মুখে পড়বে। কুর্তুলমুস আরও সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, নির্বিচারে আটক এবং অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য তিনি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধের পরিধি বৃদ্ধি: ‘নিষিদ্ধ পণ্য’বাহী জাহাজে তল্লাশির ঘোষণা

হরমুজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের ভয়

হরমুজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের ভয়

ট্রাম্পের ক্ষমতা কমানোর এই প্রস্তাব চারবার ব্যর্থ হল। সংগৃহীত ছবি

ট্রাম্পকে থামানোর প্রস্তাব ফের নাকচ

0 Comments