বিশ্ব

অংক পরীক্ষায় ফেল থেকে প্রভাবশালী ‘ধর্মগুরু’: যেভাবে পতন হলো শতাধিক নারীকে ধর্ষন করা ‘ক্যাপ্টেন বাবা’র

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

দশম শ্রেণির গণিত পরীক্ষায় পেয়েছিলেন ১০০-তে মাত্র ২৮। কিন্তু সেই সাধারণ মানের ছাত্রটিই পরবর্তী জীবনে হয়ে ওঠেন ভারতের মহারাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী ‘জ্যোতিষী ও ধর্মগুরু’। বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদরা পর্যন্ত তার কাছে আসতেন পরামর্শের জন্য। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ধর্ষণ, চাঁদাবাজি এবং প্রতারণার ভয়াবহ সব অভিযোগে বর্তমানে শ্রীঘরের অন্ধকারে দিন কাটছে অশোক খরাত নামের এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর।


সম্প্রতি ভারতের হিন্দুস্তান টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ৬৭ বছর বয়সী এই ভণ্ড বাবার উত্থান ও পতনের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।


যেভাবে শুরু এই ভণ্ডামির সাম্রাজ্য মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার কাহান্দেলওয়াড়ি গ্রামে লক্ষণ খরাত নামে জন্ম নেওয়া এই ব্যক্তি তরুণ বয়সেই নিজ গ্রামে এক আত্মীয়কে যৌন হেনস্তার অভিযোগে সমাজচ্যুত হন। এরপর কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গ এবং থাইল্যান্ডে কাটিয়ে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাসিকে ফিরে আসেন তিনি। এবার তার নাম বদলে হয় ‘অশোক কুমার’। নিজেকে একজন সংখ্যাতাত্ত্বিক (Numerologist) এবং জ্যোতিষী হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন তিনি।


তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খরাত অত্যন্ত ধূর্ততার সাথে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলতেন। নিজের মন্দিরে অলৌকিক পরিবেশ তৈরি করতে তিনি সাপের হিসহিস শব্দ রেকর্ড করে বাজাতেন এবং লাইট বন্ধ করে ভক্তদের ভয় দেখাতেন, যেন তারা বিশ্বাস করে মহাদেব স্বয়ং সেখানে উপস্থিত।


প্রভাবশালী ভক্ত ও বিপুল অর্থকড়ি ধীরে ধীরে তার ভক্ত তালিকায় যুক্ত হতে থাকেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও দাপুটে রাজনীতিবিদরা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার পরামর্শের ফি বা ‘দক্ষিণা’ ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যেত। রাজেন্দ্র আসুদ নামে এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক বছরে খরাত তার কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি রুপি এবং একটি দামী মার্সিডিজ গাড়ি হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতিবাদ করলেই খরাত তাকে ‘আধ্যাত্মিক ক্ষমতা’ দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। নাসিক পুলিশের ধারণা, এই ভণ্ড বাবার সাম্রাজ্যের মূল্যমান প্রায় ১০০০ কোটি রুপি।


ধর্ষণের ভয়ংকর অভিযোগ খরাতের বিরুদ্ধে বর্তমানে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ছয়টিই ধর্ষণের। সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি করেছেন তার নিজের অফিসের এক কর্মী। তিনি জানান, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তার সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে আশীবাদ দেওয়ার নাম করে ধর্ষণ করেন খরাত। পরবর্তীতে ওই কর্মী স্টিং অপারেশনের মাধ্যমে খরাতের কুকর্মের ভিডিও ধারণ করেন, যা বর্তমানে পুলিশের কাছে প্রামাণ্য দলিল হিসেবে রয়েছে। আরেক নারী অভিযোগ করেছেন, বাড়ি তৈরির পরামর্শ নিতে গেলে তাকে চারবার ধর্ষণ করা হয় এবং পরিবারের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়।

রাজনীতির সাথে সংযোগ ও তদন্ত খরাতের সাথে মহারাষ্ট্রের বর্তমান উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং বিজেপি নেতা চন্দ্রকান্ত পাতিলের মতো রাঘববোয়ালদের সখ্যতার ছবিও সামনে এসেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্য নারী অধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারপারসন রুপালি চাকানকারকে পদত্যাগ করতে হয়েছে।


বর্তমানে একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছেন, "কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"


Faith (বিশ্বাস) আর Fear (ভয়)—এই দুই অস্ত্র ব্যবহার করে যে সাম্রাজ্য অশোক খরাত গড়ে তুলেছিলেন, তা এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। গণিতে ফেল করা সেই ছাত্রের জীবনের হিসেব মেলাতে এখন ব্যস্ত খোদ প্রশাসন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে প্রায় এক হাজার মানুষ। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও শত শত মানুষ সমবেত হয়ে ইরান, লেবানন ও ফিলিস্তিনে চলমান সংঘাতের প্রতিবাদ জানায়।   বিক্ষোভ আয়োজন করে কয়েকটি ধর্মভিত্তিক রক্ষণশীল এনজিও। অংশগ্রহণকারীরা ‘প্রতিরোধ গড়ো, গাজা জিতবে’, ‘মুসলমানরা অন্যায়কে মাথা নত করে না’ এবং ‘খুনি ইসরাইল, খুনি যুক্তরাষ্ট্র’ লিখিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। তারা আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন।   একজন বিক্ষোভকারী মেহমেত ইয়িলমাজ বলেন, আমরা বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষের জন্য এখানে—লেবানন, ইরান, ফিলিস্তিন। গতকাল ভেনেজুয়েলা ছিল, আগামীকাল হয়তো কিউবা হবে। আরেক বিক্ষোভকারী একরাম সায়লান বলেন, ইরান যখন ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, কেউ আয়রন ডোম দিয়ে তাদের আটকাতে পারবে না। তারপরও তারা [ইসরাইলিরা] ইঁদুরের মতো গর্তে ঢুকে পড়ে। ইরানিরা রাস্তায় নেমে আসে, এটি বিশ্বাস ও ইমানের বিষয়। যদি তাদের বিশ্বাস থাকত, মৃত্যুকে ভয় পেত না।   সূত্র: আল জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইরানে ঢুকলে হাঙরের পেটে যাবে মার্কিন সেনারা (সংগৃহীত ছবি)

ইরানে অভিযান হলে মার্কিন সেনাদের হুমকি: হাঙরের খাবার হতে হবে—ইরান

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার উন্নত ড্রোন যাচ্ছে ইরানে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত।

কাতারে মার্কিন নাগরিকদের 'মাথা নিচু করে আত্মরক্ষার' পরামর্শ দূতাবাসের

ছবি: সংগৃহীত।
অংক পরীক্ষায় ফেল থেকে প্রভাবশালী ‘ধর্মগুরু’: যেভাবে পতন হলো শতাধিক নারীকে ধর্ষন করা ‘ক্যাপ্টেন বাবা’র

দশম শ্রেণির গণিত পরীক্ষায় পেয়েছিলেন ১০০-তে মাত্র ২৮। কিন্তু সেই সাধারণ মানের ছাত্রটিই পরবর্তী জীবনে হয়ে ওঠেন ভারতের মহারাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী ‘জ্যোতিষী ও ধর্মগুরু’। বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদরা পর্যন্ত তার কাছে আসতেন পরামর্শের জন্য। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ধর্ষণ, চাঁদাবাজি এবং প্রতারণার ভয়াবহ সব অভিযোগে বর্তমানে শ্রীঘরের অন্ধকারে দিন কাটছে অশোক খরাত নামের এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর। সম্প্রতি ভারতের হিন্দুস্তান টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ৬৭ বছর বয়সী এই ভণ্ড বাবার উত্থান ও পতনের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। যেভাবে শুরু এই ভণ্ডামির সাম্রাজ্য মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার কাহান্দেলওয়াড়ি গ্রামে লক্ষণ খরাত নামে জন্ম নেওয়া এই ব্যক্তি তরুণ বয়সেই নিজ গ্রামে এক আত্মীয়কে যৌন হেনস্তার অভিযোগে সমাজচ্যুত হন। এরপর কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গ এবং থাইল্যান্ডে কাটিয়ে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাসিকে ফিরে আসেন তিনি। এবার তার নাম বদলে হয় ‘অশোক কুমার’। নিজেকে একজন সংখ্যাতাত্ত্বিক (Numerologist) এবং জ্যোতিষী হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খরাত অত্যন্ত ধূর্ততার সাথে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলতেন। নিজের মন্দিরে অলৌকিক পরিবেশ তৈরি করতে তিনি সাপের হিসহিস শব্দ রেকর্ড করে বাজাতেন এবং লাইট বন্ধ করে ভক্তদের ভয় দেখাতেন, যেন তারা বিশ্বাস করে মহাদেব স্বয়ং সেখানে উপস্থিত। প্রভাবশালী ভক্ত ও বিপুল অর্থকড়ি ধীরে ধীরে তার ভক্ত তালিকায় যুক্ত হতে থাকেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও দাপুটে রাজনীতিবিদরা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার পরামর্শের ফি বা ‘দক্ষিণা’ ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যেত। রাজেন্দ্র আসুদ নামে এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক বছরে খরাত তার কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি রুপি এবং একটি দামী মার্সিডিজ গাড়ি হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতিবাদ করলেই খরাত তাকে ‘আধ্যাত্মিক ক্ষমতা’ দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। নাসিক পুলিশের ধারণা, এই ভণ্ড বাবার সাম্রাজ্যের মূল্যমান প্রায় ১০০০ কোটি রুপি। ধর্ষণের ভয়ংকর অভিযোগ খরাতের বিরুদ্ধে বর্তমানে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ছয়টিই ধর্ষণের। সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি করেছেন তার নিজের অফিসের এক কর্মী। তিনি জানান, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তার সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে আশীবাদ দেওয়ার নাম করে ধর্ষণ করেন খরাত। পরবর্তীতে ওই কর্মী স্টিং অপারেশনের মাধ্যমে খরাতের কুকর্মের ভিডিও ধারণ করেন, যা বর্তমানে পুলিশের কাছে প্রামাণ্য দলিল হিসেবে রয়েছে। আরেক নারী অভিযোগ করেছেন, বাড়ি তৈরির পরামর্শ নিতে গেলে তাকে চারবার ধর্ষণ করা হয় এবং পরিবারের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়। রাজনীতির সাথে সংযোগ ও তদন্ত খরাতের সাথে মহারাষ্ট্রের বর্তমান উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং বিজেপি নেতা চন্দ্রকান্ত পাতিলের মতো রাঘববোয়ালদের সখ্যতার ছবিও সামনে এসেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্য নারী অধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারপারসন রুপালি চাকানকারকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। বর্তমানে একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছেন, "কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।" Faith (বিশ্বাস) আর Fear (ভয়)—এই দুই অস্ত্র ব্যবহার করে যে সাম্রাজ্য অশোক খরাত গড়ে তুলেছিলেন, তা এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। গণিতে ফেল করা সেই ছাত্রের জীবনের হিসেব মেলাতে এখন ব্যস্ত খোদ প্রশাসন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশু ও পুলিশসহ নিহত ৭

ছবি: সংগৃহীত।

লেবাননের আরও এলাকা দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত: ১০ সেনা আহত, কাতারেও ড্রোন হামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
সৌদির যুবরাজকে চরম অপমান ট্রাম্পের: ‘পশ্চাদ্দেশে চুমু খেতে হবে’ মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির মধ্যেই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে নিয়ে বিস্ফোরক ও অপমানজনক মন্তব্য করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় আয়োজিত ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সামিট’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি সরাসরি যুবরাজকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ কটাক্ষ করেন। সভায় ট্রাম্প দম্ভোক্তি করে বলেন, “তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আমি একজন ব্যর্থ প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তাকে বুঝতে হবে যে এখন আমার তোষামোদ করা ছাড়া তার উপায় নেই। এমনকি তাকে আমার পশ্চাদ্দেশে চুমু খেতে হবে।” সেখানে উপস্থিত সৌদি প্রতিনিধিদের দিকে তাকিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “ওনাকে বলবেন আমার সঙ্গে যেন ভালো ব্যবহার করেন।” ট্রাম্পের এই আচমকা রাগের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে এক বছর আগের একটি ঘটনা। ট্রাম্পের দাবি, এক বছর আগে যুবরাজ সালমান আমেরিকাকে একটি ‘মৃতপ্রায় দেশ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ইরানের হুমকির মুখে পড়ে আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় সেই পুরনো ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মাঝে সৌদি আরব যখন নিজেদের ভূখণ্ড মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে, ঠিক তখনই ট্রাম্প এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রিয়াদকে চরম বার্তা দিলেন। তবে বক্তব্যের শেষে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিতে গিয়ে তিনি যুবরাজকে ‘প্রকৃত যোদ্ধা’ ও ‘অসাধারণ মানুষ’ বলেও অভিহিত করেন। একইসাথে ইরান বিরোধী যুদ্ধে সৌদি আরবসহ কাতার, কুয়েত ও আমিরাতের সমর্থনের প্রশংসাও করেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
জর্ডানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা: জর্ডানে পৌঁছে যে বার্তা দিলেন জেলেনস্কি

আইএসসিআই প্রধান শেখ হাম্মাম হামুদি

ইরাকি শিয়া নেতাকে যে বিশেষ বার্তা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ছবি: সংগৃহীত।

ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

0 Comments