বিশ্ব

লেবাননে যুদ্ধজড়িত পদক্ষেপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক অভিযান বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, হিজবুল্লাহর ক্রমাগত রকেট হামলা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, খবর জানিয়েছে সামা টিভি।

 

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড থেকে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি সেনাবাহিনীকে চলমান অভিযানের পরিধি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি বর্তমান নিরাপত্তা বলয় সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছি, যাতে হুমকিগুলো ইসরাইলের সীমান্ত থেকে আরও দূরে সরানো যায়।”

 

এর আগে ইসরাইল লিটানি নদী পর্যন্ত বাফার জোন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। তবে নতুন নির্দেশনার ফলে সীমার বাইরে আরও অগ্রসর হওয়া হবে, নাকি একই অঞ্চলে অবস্থান আরও শক্তিশালী করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি এবং বিষয়টি ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভায় এখনো আলোচনা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের বিমান হামলার পর থেকে হিজবুল্লাহ তেল আবিবের দিকে রকেট ছোড়া শুরু করে, যার প্রেক্ষিতে ইসরাইল লেবাননে সামরিক হামলা জোরদার করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
জ্বালানি তেল। ছবি সংগৃহীত
তেলের দামে রেকর্ড ভাঙা লাফ! ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে বড় অস্থিরতা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে দেওয়া কঠোর হুঁশিয়ারির পর আজ সোমবার (৩০ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে।   যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার দাবি করেছিলেন, কিন্তু তেহরানের অনমনীয় অবস্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সকালে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩.১৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলার ১০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুডের দাম ২.৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলার ৩০ সেন্টে কেনাবেচা হচ্ছে। অয়েল প্রাইজ ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাই মূলত বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এর আগে গত রোববার ইরানের সংসদের স্পিকার এক বক্তব্যে জানান যে, তাদের বাহিনী মার্কিন সেনাদের মোকাবিলা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হলেও গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান যে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা এবং হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। সূত্র: অয়েল প্রাইজ ডটকম ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধজড়িত পদক্ষেপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্য

টানা বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত
ভারি বৃষ্টির কারণে পাকিস্তানে ৯ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু ও আশেপাশের অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (PDMAs) তথ্য অনুযায়ী, এতে ৯ জন নিহত ও ৪৭ জন আহত হয়েছেন।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বান্নু এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে কিছু বাড়ির ছাদ ধসে পড়েছে, যার ফলে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অবকাঠামোগত ক্ষতির মাত্রা গুরুতর। আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কার্যক্রম শুরু করেছে।   কোটকা গুলাম কাদির এলাকায় একটি বাড়ির বারান্দা ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৩৫ জন আহত হয়েছেন। পিডিএমএ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রদান করেছে।   ওয়ালখাই মামাখেল এলাকায় ছাদ ধসের ঘটনায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং একজন আহত হয়েছেন। শামদি কালা মান্ডি এলাকায় ভারি বৃষ্টির কারণে একটি বাড়ির ছাদ ভেঙে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।   পিডিএমএ জানিয়েছে, প্রদেশজুড়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার, দুর্বল স্থাপনা থেকে দূরে থাকার এবং নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ক্যাথলিক খিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও। ছবি: সংগৃহীত

পোপের বক্তব্য: যুদ্ধপ্রবণদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না সৃষ্টিকর্তা

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি সুবিধায় ইরানের হামলায় ভারতীয় শ্রমিক নিহত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েন তীব্র হচ্ছে

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এক মাসে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৯% বৃদ্ধি
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এক মাসে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৯% বৃদ্ধি

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম, বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড, মাত্র এক মাসে প্রায় ৫৯ শতাংশ বেড়েছে—যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স–কে বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর এত স্বল্প সময়ে তেলের দামে এমন বড় উল্লম্ফন আর দেখা যায়নি। তবে তাদের মতে, সরাসরি তেলের ঘাটতি নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়াই এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ।   আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করা হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বিশ্বে যে পরিমাণ তেল ও তরল গ্যাস পরিবহন হয়, তার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। এ কারণেই অনেক সময় এটিকে বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার বলা হয়।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর ইরান এই প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে। দেশটির সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, যুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সহযোগী দেশগুলোর জাহাজ এই পথে চলাচল করতে পারবে না।   এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো—সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ওমান—বিপাকে পড়ে। কারণ এসব দেশের অনেক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র–এর সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, যা তাদের সংঘাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তুলেছে।   ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি গত এক মাসে এসব দেশের তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।   বিশ্ববাজারে তেলের বড় জোগানদাতা সৌদি আরব বিকল্প পথ হিসেবে হরমুজের পরিবর্তে নিজেদের ইয়ানবু বন্দর ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ সংস্থা কেপলার–এর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে এই বন্দর থেকেই প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল রপ্তানি করা হচ্ছে।   এদিকে বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মর্গান–এর বিশ্লেষক নাতাশা কানেভা সতর্ক করে বলেছেন, প্রথমে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, তা এখন লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। এই ঝুঁকি আরও বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   তথ্যসূত্র: রয়টার্স

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করতে চান ট্রাম্প

ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করতে চান ট্রাম্প

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে

ছবি: সংগৃহীত

ডিপ স্টেট: পর্দার আড়ালে কে নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র?

0 Comments