আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ যুদ্ধে যোগ দেবে না জার্মানি: ভাইস চ্যান্সেলর

আবু জোবায়ের মার্চ ৭, ২০২৬ 0
জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেইল।
জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেইল।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে এবার প্রকাশ্যেই বড় ধরণের দ্বিমত পোষণ করল ইউরোপের অন্যতম শক্তিধর দেশ জার্মানি। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি কোনো সম্ভাব্য যুদ্ধে জার্মানি অংশ নেবে না বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেইল।

 


জার্মান সংবাদমাধ্যম আরএনডি (RND)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লিঙবেইল এই যুদ্ধের বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে এই যুদ্ধের বৈধতা নিয়ে তার মনে গভীর সংশয় রয়েছে। ক্লিঙবেইল বলেন, "আমি খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এই যুদ্ধে কোনোভাবেই অংশগ্রহণ করব না।"

 


বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তির দাপট নয়, বরং নিয়মনীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। তার মতে, বিশ্ব আজ এমন এক বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড়িয়ে যেখানে নিয়মনীতি হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করতে চাই না যেখানে কেবল শক্তিশালীর আইনই শেষ কথা হবে।"

 


তবে ভাইস চ্যান্সেলরের এই অবস্থান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের সাম্প্রতিক বক্তব্যের ঠিক উল্টো। চ্যান্সেলর মার্জ এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে জার্মানি একাত্ম। শীর্ষ নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য মতভেদ এখন জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
মধ্যপ্রাচ্যে ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে, যদিও কিছু ফ্লাইট সচল ছিল।   ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটগুলোর হিসাবে দেখা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানের উদ্দেশে ১টি এবং সৌদি আরবের উদ্দেশে ৫টি বিমান ঢাকা ছেড়ে যায়। ১ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৪টি এবং সৌদির উদ্দেশে ১৬টি, ২ মার্চ ওমানে ৫টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৩টি বিমান উড্ডয়ন করে।   ৩ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৭টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৫টি বিমান ঢাকা ছাড়ে। ৪ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৮টি, সৌদির উদ্দেশে ২১টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে ৬টি বিমান পরিচালিত হয়। ৫ মার্চ ওমানগামী ১০টি, সৌদি আরবের উদ্দেশে ২২টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ২টি বিমান উড্ডয়ন করে।   ৬ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৫টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৩টি বিমান ঢাকা ছাড়ে। সবশেষ শনিবার (৭ মার্চ) ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৮টি এবং আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৭টি বিমান ঢাকা ছেড়েছে বা ছাড়ার কথা রয়েছে।   যুদ্ধ শুরুর পর অনেক ফ্লাইট বাতিল হলেও এই সময়ের মধ্যে ওমান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ২১৪টি ফ্লাইট ঢাকা থেকে পরিচালিত হয়েছে। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী খলাফ আহমদ আল হাবতুর। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে তোপ আমিরাতের ধনকুবের

জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেইল।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ যুদ্ধে যোগ দেবে না জার্মানি: ভাইস চ্যান্সেলর

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানকে আন্তর্জাতিক আদালতের সামনে দাঁড়ানোর আহ্বান, যুদ্ধাপরাধ তদন্তে নতুন মোড়

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
যুদ্ধ বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বড় ঘোষণা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে যদি ইরানে আক্রমণ চালানো বন্ধ হয়, তবেই কেবল ইরান তাদের পাল্টা হামলা স্থগিত করবে।    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর জবাবে ইরান এই কঠোর অবস্থান নিলো।   ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার জন্য ক্ষমা চেয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, ইরানি জনগণ কখনও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কাছে নতি স্বীকার করবে না। শত্রুদের আত্মসমর্পণের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।   উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ২১ দিনব্যাপী সংলাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ইরানজুড়ে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।    যুদ্ধের প্রথম দিনেই দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর বর্তমানে তিন সদস্যের ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’ দেশটি পরিচালনা করছে, যার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খোদ প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সূত্রমতে, এই লড়াইয়ে ইরানকে পর্দার আড়াল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে রাশিয়া।

আবু জোবায়ের মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান আল সৌদ। ছবি সংগৃহীত

ইরানকে যে সতর্কবার্তা দিল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিত্রতা প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়ে তীব্র জনরোষ ইন্দোনেশিয়া

ছবি সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের ড্রোন হামলা

ইরান সংঘাতে কৌশলগত চাপে চীন
ইরান সংঘাতে কৌশলগত চাপে চীন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এখনো সরাসরি চীনের ওপর বড় ধাক্কা হয়ে না পড়লেও এর প্রভাব ধীরে ধীরে অনুভব করতে শুরু করেছে বেইজিং। আপাতত চীনের হাতে কয়েক মাসের তেলের মজুত রয়েছে। প্রয়োজন হলে তারা প্রতিবেশী রাশিয়া থেকে জ্বালানি সহায়তাও নিতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সংঘাত তাদের অর্থনীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনায় কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে চীনা নীতিনির্ধারকেরা গভীরভাবে ভাবছেন।   বেইজিংয়ে এই সপ্তাহে কমিউনিস্ট পার্টির হাজারো প্রতিনিধি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। সেখানে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ভোক্তাদের ব্যয় কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন ধরে চলা আবাসন খাতের সংকট এবং স্থানীয় সরকারের বিপুল ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি কঠিন সময় পার করছে।   ১৯৯১ সালের পর এই প্রথম চীন সরকারিভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কমিয়েছে। যদিও প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দ্রুত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। চীন আশা করেছিল রপ্তানি বাড়িয়ে অর্থনৈতিক চাপ কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে, কিন্তু গত এক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য দ্বন্দ্ব সেই পরিকল্পনাকে কঠিন করে তুলেছে।   এই পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চল দিয়ে চীনের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এবং বিপুল জ্বালানি সরবরাহ আসে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হলে চীনের জ্বালানি সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ফলে যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, চীনের উদ্বেগ তত বাড়বে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা শুধু ওই অঞ্চলের জন্যই নয়, বরং আফ্রিকার মতো অন্যান্য অঞ্চলের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। উপসাগরীয় দেশগুলোর বিনিয়োগ কমে গেলে আফ্রিকার অনেক দেশে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে, যা শেষ পর্যন্ত চীনের বৈদেশিক বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।   চীনের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক নিয়েও অনেক আলোচনা রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইরানকে চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখেন। দুই দেশের সম্পর্ক অবশ্যই দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে শি জিনপিং তেহরান সফর করার পর সম্পর্ক আরও জোরদার হয়। পরে ২০২১ সালে দুই দেশ ২৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেখানে চীন ইরানে প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং এর বিনিময়ে ইরান থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ পাওয়ার কথা বলা হয়।   তবে বাস্তবে প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের খুব অল্প অংশই কার্যকর হয়েছে। তবুও ইরান থেকে চীনে তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, চীনের মোট তেল আমদানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইরান থেকে আসে। অনেক সময় সেই তেল অন্য দেশের নাম ব্যবহার করে বাজারে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।   এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা নজরদারি প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও চীনের সহযোগিতা থাকার অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলো করেছে। যদিও বেইজিং এসব অভিযোগ বেশিরভাগই অস্বীকার করেছে।   তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, চীন ও ইরানের সম্পর্ক আদর্শগত বন্ধুত্বের ওপর নয়, বরং পারস্পরিক স্বার্থের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অর্থাৎ এটি মূলত একটি লেনদেনভিত্তিক সম্পর্ক। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরোধ অনেক সময় চীনের কৌশলগত সুবিধা তৈরি করেছে, কিন্তু এই সম্পর্ককে গভীর বা স্থায়ী মিত্রতা বলা কঠিন।   চীন সাধারণত পশ্চিমা দেশগুলোর মতো সামরিক জোট গঠন বা মিত্র দেশের জন্য সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার নীতি অনুসরণ করে না। বরং তারা সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার চেষ্টা করে।   তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বেইজিং যে উদ্বিগ্ন, তা স্পষ্ট। চীন ইতোমধ্যে হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, কোনো সার্বভৌম দেশের ওপর হামলা এবং সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা আন্তর্জাতিক নিয়মের পরিপন্থী।   তবুও বাস্তবতা হলো, ভেনেজুয়েলা কিংবা ইরানের মতো ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ দেখিয়ে দিয়েছে—এসব দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক থাকলেও তাদের সরাসরি রক্ষা করার মতো সামরিক সক্ষমতা এখনো সীমিত। অনেক ক্ষেত্রে বেইজিং কেবল পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থেকেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, চীন নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চায়। কিন্তু সামরিক শক্তির বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অনেক এগিয়ে, বিশেষ করে বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতার ক্ষেত্রে।   এই পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেকে একজন স্থিতিশীল ও দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, চীন পশ্চিমা বিশ্বকে দেখাতে চায় যে তারা কূটনৈতিক আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে আগ্রহী।   এদিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে একজন বিশেষ দূত পাঠানোর কথাও জানিয়েছে বেইজিং।   সব মিলিয়ে চীন পরিস্থিতি খুব সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফর সামনে রয়েছে। তাই চীন একদিকে সমালোচনা করলেও সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য থেকে বিরত আছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর হলে চীন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ কৌশল—বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে—ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করবে। একই সঙ্গে এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে কতটা জনপ্রিয় বা অজনপ্রিয় হচ্ছে, সেটিও চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৭, ২০২৬ 0
যুদ্ধের মধ্যেই ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান

যুদ্ধের মধ্যেই ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান

ছবি: সংগৃহীত।

আমিরাত ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: রাডার ও রানওয়ে ধ্বংস

দ্য টেলিগ্রাফ

প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে গেল ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য টেলিগ্রাফ’

0 Comments