আন্তর্জাতিক

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সুপ্রিম লিডারের নাম ঘোষণা করবে ইরান

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সুপ্রিম লিডারের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে Iran। দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর বরাতে জানা গেছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Fars News Agency জানিয়েছে যে, সুপ্রিম লিডার নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা Assembly of Experts (Iran) বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

 

সংস্থাটির সদস্য হোসেন মোজাফারি বলেন, ঐশ্বরিক সহায়তা নিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ের মধ্যে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ali Khamenei যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আন্তর্জাতিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

 

প্রাথমিকভাবে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে খামেনির ছেলে Mojtaba Khamenei–এর নাম আলোচনায় এসেছে। তবে ইরান কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আইআরজিসি

বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। দেশটির জুফায়র এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের কেশম এলাকায় একটি পানি সরবরাহ প্ল্যান্টে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।   এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ওই হামলার ফলে কেশম অঞ্চলের অন্তত ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।   এদিকে হামলার সময় বাহরাইনে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ দেওয়া এক বার্তায় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।   অন্যদিকে কাতার লক্ষ্য করে চালানো আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই হামলা প্রতিহত করেছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দুবাইয়ে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে পাকিস্তানি নাগরিক নিহত

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সুপ্রিম লিডারের নাম ঘোষণা করবে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহর অতর্কিত হামলায় হেলিকপ্টার ভূপাতিত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ইসরায়েলি সেনার

জর্ডানে অবস্থিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
ধ্বংস ১ বিলিয়ন ডলারের থাড, মধ্যপ্রাচ্যে ‘অন্ধ’ আমেরিকা

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে বড়সড় ধাক্কা খেল ওয়াশিংটন। ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জর্ডানে অবস্থিত আমেরিকার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’ (THAAD) পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।  শনিবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, যা পেন্টাগনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্ডানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন ছিল এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পালটা জবাব দিতে তেহরান যে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি শুরু করেছিল, তাতেই গুঁড়িয়ে যায় এই রাডার। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় ওয়াশিংটন দাবি করেছিল যে তারা ইরানের হামলা রুখে দিয়েছে, তবে সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, মার্কিন গর্ব ‘থাড’-এর রাডারটি এখন কেবলই ধ্বংসস্তূপ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘থাড’ কেবল একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নয়, এটি আমেরিকার আকাশ নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি। এর বিশেষ ‘এন/টিপিওয়াই-২’ রাডার বহুদূর থেকে শত্রু মিসাইল শনাক্ত করতে পারে। প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই সিস্টেমটি ধ্বংস হওয়া মানে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার নজরদারির সক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া। এক কথায়, এই অঞ্চলে মার্কিন সেনারা এখন কার্যত ‘অন্ধ’ হয়ে পড়েছে। ফাউন্ডেশন ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিজের উপ-পরিচালক রায়ান ব্রবস্ট এই ঘটনাকে ইরানের ‘অন্যতম সফল সামরিক অভিযান’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে মার্কিন প্রশাসন এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চার ঘণ্টা পর ইসরায়েলে ফের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালাল ইরান

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

জরুরি ফোনালাপ, ইরানের প্রেসিডেন্টকে যে বার্তা দিলেন পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে আধাসামরিক বাহিনীর ঘাঁটিতে শক্তিশালী বিমান হামলা

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে জরুরি বৈঠকে বসছে বিশেষজ্ঞ পরিষদ

এক ঐতিহাসিক এবং সংকটময় মুহূর্তে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে ইরান। দেশটির প্রভাবশালী ও নীতি-নির্ধারক পর্ষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একটি জরুরি অধিবেশনে মিলিত হতে যাচ্ছে।  পরিষদের অন্যতম সদস্য আয়াতুল্লাহ মোজাফারি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ডামাডোল ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি ইরানের ভবিষ্যৎ ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান নেতৃত্ব পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে কাকে বেছে নেবেন, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক কূটনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদের ৮৮ জন ধর্মীয় স্কলার ও বিশেষজ্ঞ সদস্য গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা নির্বাচন করবেন। পরিষদের এই ত্বরিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তেহরান দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষমতার উত্তরসূরি নিশ্চিত করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করতে চায়।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৭, ২০২৬ 0
যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন

ব্রিটেন যেন আবারও `অবৈধ যুদ্ধে’ জড়িয়ে না পড়ে, হুঁশিয়ারি জেরেমি করবিনের

ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ আলী মৌসাভি।

সংঘাতে না জড়াতে ব্রিটেনকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত।

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ইরানের বিধ্বংসী মিসাইল হামলা

0 Comments